প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
সংবিধান দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
प्रविष्टि तिथि:
26 NOV 2025 9:00AM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতে তিনি ১৯৪৯ সালে সংবিধানকে গ্রহণ করা এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে বর্ণনা করেছেন এবং দেশের উন্নয়নে এই সংবিধান যে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করে – সেই বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। ২০১৫ সাল থেকে সরকার ২৬ নভেম্বর’কে সংবিধান দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এই পবিত্র গ্রন্থের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হচ্ছে।
শ্রী মোদী তাঁর চিঠিতে জানিয়েছেন, কিভাবে সংবিধান সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা এক নাগরিককে দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হতে সাহায্য করেছে। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে সংসদ ও সংবিধানের প্রতি তাঁর আনুগত্য প্রকাশ করেছে। ২০১৪ সালে সংসদের সিঁড়িতে তাঁর মাথা নত করে প্রণাম করার ঘটনাটি তিনি উল্লেখ করেন। ২০১৯ সালে সংবিধানকে মাথায় নিয়ে তিনি প্রবেশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান দেশের অগণিত মানুষকে স্বপ্ন দেখানোর শক্তি যুগিয়েছে এবং সেই স্বপ্ন কিভাবে বাস্তবায়িত করা যায় – তারও পথ দেখিয়েছেন।
গণপরিষদের সদস্যদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রধানমন্ত্রী ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর সহ বিশিষ্ট মহিলা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যাঁরা এই সংবিধানকে সমৃদ্ধ করেছেন। চিঠিতে তিনি সংবিধানের ৬০তম বার্ষিকীতে গুজরাটে সংবিধান গৌরব যাত্রা আয়োজন এবং ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সংসদের বিশেষ অধিবেশন এবং দেশব্যাপী কর্মসূচি পালনের মতো উদ্যোগগুলি তুলে ধরেন, যেখানে বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।
এই বছর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং ভগবান বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মবার্ষিকী, বন্দে মাতরমের ১৫০তম বার্ষিকী এবং শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম আত্মবলিদানবার্ষিকী। সেই দিক থেকে এই বছরের সংবিধান দিবস বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে শ্রী মোদী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন এই সব ব্যক্তিত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আমাদের সংবিধানের ৫১ক অনুচ্ছেদে বর্ণিত কর্তব্যের কথা মনে করিয়ে দেয়। মহাত্মা গান্ধী মনে করতেন কর্তব্য পালনের মাধ্যমেই অধিকার শক্তিশালী হয়। কর্তব্য পালন সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভিত্তি।
আগামী দিনের কথা ভেবে শ্রী মোদী বলেছেন, এই শতাব্দীর ২৫টি বছর অতিক্রান্ত, আরমাত্র দুই দশকেরও কিছু বেশি সময় পরে ভারত ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির ১০০ বছর পূর্ণ করবে। ২০৪৯ সালে, সংবিধান গৃহীত হওয়ার শতবর্ষ পূর্ণ হবে। বর্তমানের গৃহীত নীতি এবং সিদ্ধান্তগুলি আগামী প্রতমানেরজন্য সহায়ক হবে, এবং ভারত যখন উন্নত বা বিকশিত ভারত গড়ে তোলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন নাগরিকদের নিজ কর্তব্যকে তাদের মনে সর্বাগ্রে স্থান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার দায়িত্বের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। স্কুল ও কলেজগুলিতে ১৮ বছর বয়সী প্রথমবারের মতো ভোটারদের কথা বিবেচনা করে সংবিধান দিবস উদযাপনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। যুবসমাজ দায়িত্বশীল হলে ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি গর্ববোধ করলে, জাতির ভবিষ্যৎ যে উজ্জ্বল হবে সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত।
তাঁর চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে এই মহান জাতির সদস্য হিসেবে তাদের কর্তব্য পালনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার আহ্বান জানান। এর মধ্য দিয়ে একটি উন্নত ও শক্তিশালী ভারত গঠনে সকলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় শ্রী মোদী বলেছেনঃ
"সংবিধান দিবসে, দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছি, যেখানে আমি আমাদের সংবিধানের মাহাত্ম্য, জীবনে মৌলিক কর্তব্যের গুরুত্ব, কেন প্রথমবারের ভোটারদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করা উচিত এবং সেগুলি সহ আরও অনেক কিছু উল্লেখ করেছি..."।
SC/CB/SB
(रिलीज़ आईडी: 2194613)
आगंतुक पटल : 42
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English
,
Khasi
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Manipuri
,
Bengali-TR
,
Assamese
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam