যুবওক্রীড়াবিষয়কমন্ত্রক
ভারতের অলিম্পিক পদক জয়ীদের বীরের সম্মান দিয়ে স্বাগত জানিয়ে সংবর্ধিত করেছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর
টোকিও, ২০২০ অলিম্পিকে ভারতের জন্য অনেক কিছুই প্রথমবার হয়েছে : অনুরাগ ঠাকুর
ভারতীয় অ্যাথলিটদের সাফল্য দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে নতুন ভারত বিশ্বে কর্তৃত্ব কায়েম করতে চায় : অনুরাগ ঠাকুর
प्रविष्टि तिथि:
09 AUG 2021 8:24PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৯ আগস্ট, ২০২১
জাতীয় রাজধানীতে এমন সন্ধ্যা এর আগে কখনও হয়নি। এর কারণ সদ্য সমাপ্ত অলিম্পিকে ভারতীয় স্টার অ্যাথলিটরা অসামান্য ক্রীড়া নৈপুণ্য দেখিয়ে দেশে ফিরেছেন।
কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী শ্রী অনুরাগ ঠাকুর সদ্য সমাপ্ত অলিম্পিকে পদক জয়ী সাত অ্যাথলিটকে স্বাগত জানিয়েছেন। এঁরা হলেন নীরজ চোপড়া, রবিকুমার দহিয়া, মীরাবাঈ চানু, পি ভি সিন্ধু, বজরং পুনিয়া, লভলিনা বরগোহাঁই এবং জাতীয় পুরুষ হকি দলের সদস্য। আজ নতুন দিল্লির অশোক হোটেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে হকি দলের সদস্যদের পাশাপাশি পদক জয়ী প্রত্যেক অ্যাথলিটকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই উপলক্ষে কেন্দ্রীয় আইন ও ন্যায়বিচার মন্ত্রী শ্রী কিরেন রিজিজু, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী নিশিথ প্রামাণিক, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী রবি মিত্তল সহ স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই)-এর মহানির্দেশক শ্রী সন্দীপ প্রধান উপস্থিত ছিলেন।
টোকিও, ২০২০ অলিম্পিকের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর দীর্ঘ বিমানযাত্রা সেরে স্বর্ণ পদক জয়ী নীরজ, রৌপ্য পদক জয়ী রবি ও ব্রোঞ্জ পদক জয়ী বজরং, লভলিনা এবং মনপ্রীত দেশে ফিরেছেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এঁদের সঙ্গে অপর দুই পদক জয়ী মীরাবাঈ এবং সিন্ধুও যোগ দেন।
এই উপলক্ষে ক্রীড়ামন্ত্রী শ্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, সদ্যসমাপ্ত টোকিও অলিম্পিকে অনেক কিছু ভারতের কাছে প্রথমবার হয়েছে। ভারতীয় অ্যাথলিটদের সাফল্যে এটা প্রতিফলিত হয় যে নতুন ভারত কিভাবে বিশ্বে কর্তৃত্ব কায়েম করতে চায়। এই অলিম্পিক গেমস আমাদের এটা দেখিয়ে দিয়েছে যে অনুশাসন ও নিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারি। ভারতীয় অ্যাথলিটরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজের সেরাটা উজার করে দিয়েছেন এবং নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করেছেন। অন্যদিকে ভারতীয়রা এঁদের সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষেই ক্রীড়া এক মহামিলনের মঞ্চ কারণ আমাদের অ্যাথলিটরা কেউ গ্রাম বা শহর থেকে, কেউ উত্তর বা দক্ষিণ থেকে, আবার কেউ পূর্ব বা পশ্চিম থেকে এসেছেন। এঁদের প্রত্যেকের যাত্রাপথ অভূতপূর্ব, যা সহনশীলতা ও খেলাধূলায় উৎকর্ষতার প্রতীক।
ক্রীড়ামন্ত্রী আরও বলেন, এবারের অলিম্পিকে ভারতের কাছে অনেক কিছুই প্রথমবার হয়েছে। এই প্রথম রেকর্ড ১২৮ জন ভারতীয় অ্যাথলিট বিশ্বের সেরা ক্রীড়া মহাযজ্ঞে অংশ নিয়েছেন। এবারই প্রথম সাতটি অলিম্পিক পদক এসেছে। আমাদের একমাত্র স্বর্ণ পদক এসেছে অ্যাথলিটক্স থেকে। পি ভি সিন্ধু পরপর দুটি অলিম্পিক থেকে পদক পেয়েছেন এমনকি, দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পর ভারতীয় পুরুষ দল হকিতে ব্রোঞ্জ পেয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় মহিলা হকি দল এই প্রথমবার অলিম্পিকের সেমিফাইনাল অংশ নিয়েছে। এবারই প্রথম ভারত থেকে একজন মহিলা সেইলর নেত্রা কুমানন অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। প্রথম ভারতীয় সেনসার হিসেবে ভবানী দেবী অংশ নিয়েছেন। ইকোয়েস্ট্রিয়ান ইভেন্টে ফৌয়াদ মির্জা অংশ নিয়েছিলেন। ভারতীয় রোয়াররা এবারের অলিম্পিকে সেরা ফল করেছেন। এমনকি, গলফ খেলোয়াড় অদিতি অশোক চতুর্থ স্থানে শেষ করেছেন। এবারের প্রতিযোগিতায় স্টেপল চেজ-এ অবিনাশ সাবলে অংশগ্রহণ করেই জাতীয় রেকর্ড করেছেন। ক্রীড়ামন্ত্রী আরও বলেন, ভারতে খেলাধূলার বুনিয়াদি ভিত্তি অনেক মজবুত। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সুদক্ষ নেতৃত্ব ‘টপস’ ও ‘খেলো ইন্ডিয়া’র মতো একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে যার সুবাদে ভারত কয়েকটি খেলায় অলিম্পিকে পদক মঞ্চে জায়গায় করে নিয়েছেন। “খেলোয়াড়দের সবরকম সহায়তায় আমাদের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে এবং আমরা ভারতকে ক্রীড়াক্ষেত্রে এক শক্তিধর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বলে শ্রী ঠাকুর উল্লেখ করেন।
অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় অ্যাথলিটদের ক্রীড়া নৈপুণ্যের প্রশংসা করে শ্রী কিরেন রিজিজু পুনরায় বলেন, ২০২৮ অলিম্পিকে ভারত এক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়ে উঠবে। “আমাদের চ্যাম্পিয়ন অ্যাথলিটদের সঙ্গে আজ উপস্থিত হতে পেরে আমি বাকরুদ্ধ। এটা ভারতীয় ক্রীড়ার ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত যখন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা অলিম্পিকে সেরা ফল করেছেন। আমাদের অনেক ক্ষেত্রেই গর্বিত হওয়ার কারণ রয়েছে। এবার আমরা দীর্ঘ ৪১ বছর পর হকিতে পদক পেয়েছি এবং অ্যাথলিটিক্সে সোনা জিতেছি। কেবল পদক জয়ী অ্যাথলিটরাই নয়, অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ভারতীয় অ্যাথলিট দেশকে গর্বিত করার জন্য নিজেদের সেরাটা উজার করে দিয়েছেন। এজন্য আমি তাঁদের প্রত্যেককে অভিনন্দন জানাই। আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে ২০২৮ অলিম্পিকে ভারত এক শক্তিশালী হয়ে উঠবে,” বলে শ্রী রিজিজু মন্তব্য করেন।
সদ্য সমাপ্ত টোকিও, ২০২০ অলিম্পিকে ভারতের কাছে অনেক কিছুই প্রথমবার হয়েছে। নীরজ চোপড়া ইতিহাস তৈরি করে অ্যাথলিটিক্সে ভারতের জন্য স্বর্ণ পদক জিতেছেন। পুরুষদের বর্শা নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় নীরজ ৫৭.৫৮ মিটার দূরত্ব বর্ষা ছুঁড়ে স্বর্ণ পদক পেয়েছেন। স্বাধীন ভারতে অ্যাথলিটিক্স থেকে না কেবল এটাই প্রথম স্বর্ণ পদক, সেইসঙ্গে এই প্রথম কোনও ভারতীয় অ্যাথলিট ব্যক্তিগত বিভাগে এরকম সাফল্য অর্জন করলেন।
পি ভি সিন্ধু একমাত্র ভারতীয় ক্রীড়াবিদ যিনি ২০১৬-র রিও অলিম্পিকে রৌপ্য পদক এবং এবারের টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন। মীরাবাঈ চানু ভারোত্তলনে রৌপ্য পদক জিতে ভারতকে গর্বিত করেছেন। তিনি আর এক প্রবাদপ্রতীম ভারোত্তলক কর্নম মালেশ্বরীর সঙ্গে জায়গা করে নিলেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, কর্নম মালেশ্বরী অলিম্পিকে পদক পেয়েছিলেন।
ভারতীয় পুরুষ হকি দল ১৯৮০-তে মস্কো অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক জয়ের ৪১ বছর পর আবার দেশকে পদক দিয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় মহিলা হকি দল এই প্রথমবার অলিম্পিকের সেমিফাইনালে অংশ নিয়েছে। সদ্য সমাপ্ত টোকিও অলিম্পিকে ভারত থেকে রেকর্ড ১২৮ জন অ্যাথলিট প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শুধু তাই নয়, এবারের অলিম্পিক থেকে ভারত এযাবৎ সর্বাধিক সাতটি পদক পেয়েছে।
রবি দহিয়া দ্বিতীয় কুস্তিগীর যিনি অলিম্পিকে রৌপ্য পদক পেয়েছেন। অন্যদিকে লভলিনা বরগোহাঁই দ্বিতীয় ভারতীয় বক্সার যিনি কিংবদন্তী মেরী কমের পর অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন। এবারের অলিম্পিকে ভবানী দেবী, নেত্রা কুমানন ও অদিতি অশোক পদক জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন। ভবানী দেবী প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি সেনসারে প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন। অন্যদিকে গলফ খেলোয়াড় অদিতি অশোক প্রথম ভারতীয় যিনি ক্রমতালিকায় চতুর্থ স্থানে খেলা শেষ করেন।
CG/BD/DM/
(रिलीज़ आईडी: 1744261)
आगंतुक पटल : 6200
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Assamese
,
Manipuri
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam