অর্থমন্ত্রক

২০২১-২২ কেন্দ্রীয় বাজেটের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য

Posted On: 01 FEB 2021 2:07PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রথম ডিজিটাল সংস্করণ পেশ করে অর্থ তথা কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন বলেছেন, কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে ভারতের লড়াই ২০২১-এও জারি রয়েছে। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে যখন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কোভিড-পরবর্তী বিশ্বে কৌশলগত সম্পর্কে ক্রমশ পরিবর্তন হচ্ছেতখন এক নতুন যুগেরও সূচনা হচ্ছে। নতুন এই যুগ ভারতের কাছে এমন এক সুযোগ নিয়ে আসবে যা প্রকৃতপক্ষেই অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা পূরণের দেশ হয়ে উঠবে।

 

২০২১-২২ কেন্দ্রীয় বাজেটের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ :

 

২০২১-২২ কেন্দ্রীয় বাজেটের ছয়টি স্তম্ভ :

. স্বাস্থ্য ও কল্যাণ

. বস্তুগত ও আর্থিক মূলধন এবং পরিকাঠামো

. উন্নয়নে আগ্রহী ভারতের সার্বিক বিকাশ

. মানবসম্পদের ক্ষেত্রে প্রাণসঞ্চার

. উদ্ভাবন তথা গবেষণা ও উন্নয়ন

. ন্যূনতম সরকার, সর্বাধিক প্রশাসন

 

স্বাস্থ্য ও কল্যাণ :

. স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে ২০২১-২২ বাজেট বরাদ্দ ২,২৩,৮৪৬ কোটি টাকা যা ২০২০-২১ বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ৯৪,৪৫২ কোটি টাকার তুলনায় ১৩৭ শতাংশ বেশি।

 

. তিনটি বিষয়ে অগ্রাধিকার : প্রতিকার, নিরাময় ও সার্বিক কল্যাণ

 

. স্বাস্থ্য ও কল্যাণক্ষেত্রে একাধিক পদক্ষেপ :

 

টিকা

 

. কোভিড-১৯ টিকা খাতে ২০২১-২২ বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ৩৫,০০০ কোটি টাকা।

 

. ভারতে উদ্ভাবিত নিউমোকক্কাল টিকা বর্তমানে পাঁচটি রাজ্যের পরিবর্তে সারা দেশেই কার্যকর করা হবে - বার্ষিক ৫০,০০০ শিশু মৃত্যু এড়ানো যাবে।

 

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা :

. জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরে নতুন একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আত্মনির্ভর স্বাস্থ্য ভারত যোজনা শুরু করা হবে। ছয় বছর মেয়াদি এই যোজনায় ৬৪,১৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা।

 

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন ফর ওয়ান হেলথ

. ১৭,৭৮৮ গ্রামীণ এবং ১১,০২৪ শহরাঞ্চলীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ কেন্দ্র

. আঞ্চলিক স্তরে আরও চারটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ভায়রোলজি

. স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ১৫টি আপৎকালীন অপারেশন সেন্টার এবং দুটি ভ্রাম্যমান হাসপাতাল

. সমস্ত জেলায় সুসংবদ্ধ পাবলিক হেলথ ল্যাব এবং ১১টি রাজ্যে ৩৩৮২ ব্লকস্তরীয় পাবলিক হেলথ ইউনিট

. ৬০২টি রাজ্য ও ১২টি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে ক্রিটিকাল কেয়ার হসপিটাল ব্লক

. ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (এনসিডিসি), পাঁচটি আঞ্চলিক শাখা এবং ২০টি মেট্রোপলিটন স্বাস্থ্য নজরদারি ইউনিট

. সমস্ত সরকারি পরীক্ষাগারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে সমস্ত রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইন্টিগ্রেটেড হেলথ ইনফরমেশন পোর্টালের সুবিধা সুবিন্যস্তকরণ

. ১৭টি নতুন পাবলিক হেলথ ইউনিট এবং বর্তমানে চালু এ ধরনের ৩৩টি ইউনিটের সার্বিক মানোন্নয়ন

. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান

. নয়টি বায়ো-সেফটি লেভেল – তিন শ্রেণীর পরীক্ষাগার

 

পুষ্টি

. পুষ্টি অভিযানের দ্বিতীয় পর্বের সূচনা

. পুষ্টিগত উপাদান, পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্যশস্য বন্টন, সমস্ত সুফলভোগীর কাছে পৌঁছে দেওয়া ও তার উপযুক্ত পরিণাম পাওয়ার লক্ষ্যে সমগ্র ব্যবস্থার মানোন্নয়ন

. পরিপূরক পুষ্টি কর্মসূচি এবং পুষ্টি অভিযানের সংযুক্তিকরণ

. উন্নয়নে আগ্রহী ১১২টি জেলায় পুষ্টিক্ষেত্রে প্রত্যাশিত পরিণাম পাওয়ার লক্ষ্যে পুষ্টি সংক্রান্ত কর্মসূচি রূপায়ণ কৌশল আরও কার্যকর করে তোলা

 

সর্বজনীন জল সরবরাহ

. জল জীবন মিশনের শহরাঞ্চলীয় কর্মসূচি চালু করতে পাঁচ বছরের মেয়াদে ২,৮৭,০০০ কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনা

. .৮৬ কোটি পারিবারিক জলের কল

. ,৩৭৮ শহরাঞ্চলীয় স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থায় সর্বজনীন জল সরবরাহ

. অম্রুত কর্মসূচির অধীন ৫০০টি শহরে তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

 

স্বচ্ছ ভারত সুস্থ ভারত

. শহরাঞ্চলীয় স্বচ্ছ ভারত মিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদে ১,৪১,৬৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা।

. পয়ঃপ্রণালী ও বর্জ্য জল ব্যবস্থাপনা

. জঞ্জাল পৃথিকীকরণ ব্যবস্থা

. একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জন

. বায়ু দূষণ হ্রাস

. ডাম্প সাইট বা জঞ্জাল স্তুপগুলি থেকে ক্ষতিকারক জৈব পদার্থের সুষ্ঠু পরিচালনা

 

বিশুদ্ধ বায়ু

. ১০ লক্ষের বেশি জনসংখ্যাবিশিষ্ট ৪২টি শহর এলাকায় বায়ু দূষণ সমস্যা নিরসনে ২,২১৭ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা

 

স্ক্র্যাপিং পলিসি

. পর্যায়ক্রমে পুরনো এবং ভগ্ন স্বাস্থ্যবিশিষ্ট গাড়িগুলির ব্যবহার বন্ধ করা

. স্বয়ংক্রিয় ফিটনেস সেন্টারে যানবাহনের ফিটনেস যাচাই

. ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে ২০ বছরের পর ব্যবহার বর্জন

. বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে ১৫ বছর পর ব্যবহার বর্জন

 

বস্তুগত ও আর্থিক মূলধন এবং পরিকাঠামো

উৎপাদন সংযুক্ত উৎসাহভাতা কর্মসূচি (পিএলআই)

. ১৩টি ক্ষেত্রে পিএলআই কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা

. আত্মনির্ভর ভারত গঠনের জন্য উৎপাদন ক্ষেত্রে বিশ্বের অগ্রণী ভারতীয় সংস্থা গড়ে তোলা ও তার প্রসার

. বিশ্ব সরবরাহ শৃঙ্খলে এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে ওঠার জন্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সাহায্য করা এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহ

. গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্রগুলির প্রসার ঘটানো

. যুব সম্প্রদায়ের জন্য কর্মসংস্থান

 

বস্ত্র

. পিএলআই কর্মসূচির পাশাপাশি মেগা ইনভেস্টমেন্ট টেক্সটাইলস পার্ক (মিত্র) কর্মসূচি গ্রহণ

. আগামী তিন বছরে সাতটি টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলা

. ভারতীয় বস্ত্রশিল্পকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকায় সক্ষম করে তোলা, লগ্নি আকৃষ্ট করা তথা কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়ানো

 

পরিকাঠামো

. জাতীয় পরিকাঠামো পাইপলাইন (এনআইপি)-এর সম্প্রসারণ ঘটিয়ে ৭,৪০০টি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্তি

. .১০ লক্ষ কোটি টাকার প্রায় ২১৭টি প্রকল্পের কাজ শেষ

. এনআইপি কর্মসূচির জন্য তহবিল সংস্থান বাড়াতে ব্যবস্থা :

     . প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন

     . সম্পদ নগদীকরণে অগ্রাধিকার

      . মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ানো

 

প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন; পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অর্থ সহায়তা

. পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অর্থ সহায়তার লক্ষ্যে অনুঘটকের ভূমিকা পালনের জন্য ডেভেলপমেন্ট ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন (ডিএফআই) গঠন এবং ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সংস্থান

. আগামী তিন বছরে ডিএফআই-এর আওতায় ৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা

 

সম্পদ নগদীকরণে অগ্রাধিকার

. ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন শীঘ্রই শুরু করা হবে

. সম্পদ নগদীকরণে অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে :

. এনএইচএআইআইএনভিআইটি ব্যবস্থায় ৫ হাজার কোটি পাঁচটি চালু টোলবিশিষ্ট সড়কের হস্তান্তর

. পিজিসিআইএলইএনভিআইটি ব্যবস্থায় ৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ হস্তান্তর

. ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর পরিচালনা, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রেলের

. পরবর্তী পর্যায়ে বিমানবন্দরগুলির অপারেশন ও ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে অগ্রাধিকার

. সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো সম্পদের সংস্থান

. গেইল, আইওসিএল এবং এইচপিসিএল-এর তেল ও গ্যাস পাইপলাইন

. দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর শহরগুলিতেও ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বিমানবন্দর গড়ে তোলা

. রেলের অন্যান্য পরিকাঠামোগত সম্পদ

. সেন্ট্রার ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন এবং নাফেড-এর মতো কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সম্পদ

. ক্রীড়াঙ্গন

 

মূলধনী বাজেটে লক্ষ্যণীয় বৃদ্ধি

. ২০২১-২২ বাজেট বরাদ্দে মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণ ৫.৫৪ লক্ষ কোটি টাকা যা ২০২০-২১ বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ৪.১২ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় ৩৪.৫ শতাংশ বেশি

. রাজ্য ও স্বাশাসিত সংস্থাগুলিকে তাদের মূলধনী ব্যয়ের জন্য ২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি সাহায্য

. অর্থনৈতিক বিষয়ক দপ্তরের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকার সংস্থান

 

সড়ক ও জাতীয় মহাসড়ক পরিকাঠামো

. সড়ক পরিবহণ ও জাতীয় মহাসড়ক মন্ত্রকের জন্য ১,১৮,১০১ লক্ষ কোটি টাকা, যা এযাবৎ সর্বোচ্চ বরাদ্দ

. ভারতমালা পরিযোজনা খাতে ৫.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা, .৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাত

. ইতিমধ্যেই ৩,৮০০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ

. ২০২২-এর মার্চের মধ্যে আরও ৮,৫০০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের বরাত

. ২০২২-এর মার্চের মধ্যে আরও ১১ হাজার কিলোমিটারের বেশি জাতীয় মহাসড়ক করিডর নির্মাণের কাজ শেষ হবে

. অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার পরিকল্পনা :

. এজন্য তামিলনাড়ুতে ৩,৫০০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণে ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা

. কেরলে ১,১০০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের জন্য ৬৫ হাজার কোটি টাকা লগ্নি

. পশ্চিমবঙ্গে ৬৭৫ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণে ২৫ হাজার কোটি টাকা

. আসামে আগামী তিন বছরে ১,৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণের জন্য ৩,৪০০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব। এছাড়াও, রাজ্যে বর্তমানে যে সমস্ত মহাসড়ক নির্মাণের কাজ চলছে তার জন্য অতিরিক্ত ১৯ হাজার কোটি টাকার সংস্থান

ফ্ল্যাগশিপ করিডর / এক্সপ্রেসওয়ে :

. দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ে - অবশিষ্ট ২৬০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের বরাত ২০২১-এর ৩১ মার্চের আগেই

. বেঙ্গালুরু-চেন্নাই এক্সপ্রেসওয়ে - চলতি অর্থবর্ষেই ২৭৮ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ গ্রহণ করা হবে; ২০২১-২২-এ এই কাজ শুরু হবে

. কানপুর-লক্ষ্ণৌ এক্সপ্রেসওয়ে - ২৭ নম্বর জাতীয় মহাসড়কের বিকল্প সংযোগকারী রুট হিসেবে ৬৩ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ ২০২১-২২-এই শুরু করা হবে।

. দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডর – চলতি অর্থবর্ষেই ২১০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে; ২০২১-২২-এই কাজ শুরু হবে

. রাইপুর-বিশাখাপত্তনম – ছত্তিশগড়, ওড়িশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত ৬৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশের নির্মাণ কাজের বরাত দেওয়া হবে চলতি বছরেই; ২০২১-২২-এ কাজ শুরু হবে

. চেন্নাই-সালেম করিডর – ২৭৭ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের বরাত দেওয়া হবে এবং নির্মাণ কাজ শুরু হবে ২০২১-২২-

. অমৃতসর-জামনগর – ২০২১-২২-এ নির্মাণ কাজ শুরু হবে

. দিল্লি-কাটরা - ২০২১-২২-এ নির্মাণ কাজ শুরু হবে

. চার ও ছয় লেনবিশিষ্ট সমস্ত নতুন মহাসড়কে আধুনিক যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা :

. স্পিড রেডার্স বা গতি মাপার যন্ত্র

. একাধিক সঙ্কেতবাহী বোর্ড

. জিপিএস-ভিত্তিক রিকভারি ভ্যান পরিষেবা শুরু করা

 

রেল পরিকাঠামো

. রেলের জন্য ১,১০,০৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১,০৭,১০০ কোটি টাকা মূলধনী খাতে ব্যয়ের জন্য

. ভারতে জাতীয় রেল পরিকল্পনা (২০৩০) : ভারতে ২০৩০-এর মধ্যে এক আধুনিক রেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা

. ব্রডগেজ রুটগুলিতে ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকীকরণের কাজ ২০২৩-এর ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে

. ব্রডগেজ রুটগুলির বৈদ্যুতিকীকরণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৬ হাজার কিলোমিটারে, যা ২০২১-এর শেষ নাগাদ প্রায় ৭২ শতাংশ

. ২০২২-এর জুনের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলীয় ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর এবং পূর্বাঞ্চলীয় ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর চালু করা হবে; এর ফলে পরিবহণ খাতে খরচ কমবে এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগ আরও প্রসারিত হবে

. পূর্বাঞ্চলীয় ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের সোন্নগর-গোমহ সেকশনের (২৬৩.৭ কিলোমিটার) কাজ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ২০২১-২২-এ শুরু হবে

 

ভবিষ্যতের ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর -

. খড়্গপুর থেকে বিজয়ওয়াড়া পর্যন্ত ইস্ট কোস্ট করিডর

. ভুসাওয়াল থেকে খড়্গপুর থেকে ডানকুনি পর্যন্ত পূর্ব-পশ্চিম করিডর

. ইতারসি থেকে বিজয়ওয়াড়া পর্যন্ত উত্তর-দক্ষিণ করিডর

. ট্রেন সফরের সময় যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য আরও বাড়াতে আধুনিক ভিস্তা ডোম এলএইচবি শ্রেণীর কোচ

. সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োগ করা হবে অধিকতম ব্যস্ত রেল রুটগুলিতে

 

শহরাঞ্চলীয় পরিকাঠামো

. শহরাঞ্চলে গণ-পরিবহণ ব্যবস্থার আরও প্রসার ঘটাতে মেট্রো রেল নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ এবং আন্তঃশহর বাস পরিষেবার প্রসার

. গণ-পরিবহণ ব্যবস্থায় বাসের সুরক্ষা বাড়াতে নতুন একটি কর্মসূচির জন্য ১৮ হাজার কোটি টাকা

. ২০ হাজারের বেশি বাস পরিষেবার জন্য অভিনব সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব

. মেট্রো রেল ব্যবস্থায় 'মেট্রোলাইট' এবং 'মেট্রোনিও' প্রযুক্তির প্রয়োগ

. কেন্দ্রীয় সহায়তা :

. কোচি মেট্রোর দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১.৫ কিলোমিটার লাইন নির্মাণে ১,৯৫৭.০৫ কোটি টাকার তহবিল

. চেন্নাই মেট্রোর দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১৮.৯ কিলোমিটার লাইন নির্মাণে ৬৩,২৪৬ কোটি টাকা

. বেঙ্গালুরু মেট্রোর ২এ ও ২বি পর্যায়ে ৫৮.১৯ কিলোমিটার লাইন নির্মাণে ১৪,৭৮৮ কোটি টাকা

. নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় পর্যায়ে এবং নাসিক মেট্রো রেল প্রকল্প খাতে যথাক্রমে ৫,৯৭৬ কোটি টাকা এবং ২,০৯২ কোটি টাকা

 

বিদ্যুৎ পরিকাঠামো

. ইতিমধ্যেই ১৩৯ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে এবং ১.৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ সরবরাহ লাইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও গত ছয় বছরে ২.৮ কোটি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ

. বিদ্যুৎ বন্টন ক্ষেত্রে সংস্কার ও মানোন্নয়নে আগামী পাঁচ বছরে ৩,০৫,৯৮৪ কোটি টাকা

. ন্যাশনাল হাইড্রোজেন এনার্জি মিশন, ২০২১-২২ শুরু করা হবে

 

বন্দর, জাহাজ পরিবহণ ও জলপথ

. গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলিতে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ২ হাজার কোটি টাকার সাতটি প্রকল্প রূপায়ণে বরাত

. ভারতীয় জাহাজ সংস্থাগুলি আগামী পাঁচ বছরে আন্তর্জাতিক বরাত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে মন্ত্রক ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির মাধ্যমে ১,৬২৪ কোটি টাকার ভর্তুকি সহায়তা পাবে

 

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস

. উজ্জলা কর্মসূচির সম্প্রসারণ ঘটিয়ে আরও ১ কোটির বেশি সুবিধাভোগীর অন্তর্ভুক্তি

. আগামী তিন বছরে শহরাঞ্চলীয় গ্যাস বন্টন ব্যবস্থায় আরও ১০০টি জেলাকে সামিল করা

. জম্মু ও কাশ্মীরে একটি নতুন গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প

 

আর্থিক মূলধন

. একটি সিকিউরিটি মার্কেট কোড-এর প্রবর্তন

. একটি বিশ্বমানের আর্থিক-প্রযুক্তি হাব গড়ে তুলতে সাহায্য

. রেগুলেটেড গোল্ড এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থার প্রবর্তন – সেবি নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা পালন করবে

. সমস্ত বিনিয়োগকারীর জন্য একটি সনদ গড়ে তোলা হবে

. ভারতের সৌরবিদ্যুৎ নিগমের ১ হাজার কোটি টাকার মূলধন যোগান এবং ভারতীয় পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উন্নয়ন সংস্থাকে ১,৫০০ কোটি টাকা মূলধনী সহায়তা

 

বিমাক্ষেত্রে এফডিআই বৃদ্ধি

. বিমাক্ষেত্রে এফডিআই ঊর্ধ্বসীমা ৪৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ এবং বৈদেশিক সংস্থার মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে অনুমতি

. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ফের পুঁজি যোগান

. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির আর্থিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে ২০২১-২২-এ ২০ হাজার কোটি টাকা

 

ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স

. ডিপোজিটর বা আমানতকারীরা যাতে সহজেই সময়সীমার মধ্যে তাঁদের জমা অর্থ হাতে পেতে পারেন তার জন্য ১৯৬১-র ডিআইসিজিসি আইনে সংশোধন

. এসএআরএফএইএসআই আইন, ২০০২ অনুযায়ী ঋণ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঋণের পরিমাণ ব্যাঙ্ক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে ৫০ লক্ষ টাকা থেকে কমিয়ে ২০ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব

 

কোম্পানি বিষয় সংক্রান্ত

. লিমিটেড লায়াবিলিটি পার্টনারশিপ (এলএলপি) আইন, ২০০৮-কে ফৌজদারি বিধির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে

. ২০১৩-র কোম্পানি আইনের আওতায় ছোট সংস্থাগুলির কর মান্যতায় আরও সরলীকরণে সংস্থাগুলির সংজ্ঞায় পরিবর্তন

. এক ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সংস্থায় উৎসাহদান এবং স্টার্ট-আপ ক্ষেত্রের প্রসার

. দ্রুত বিবাদ নিষ্পত্তি

. এনসিএলটি কাঠামোর আরও সুদৃঢ়করণ

. -আদালত ব্যবস্থা চালু করা

. ঋণ সংক্রান্ত সমস্যাগুলির নিষ্পত্তিতে বিকল্প পদ্ধতি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলির জন্য বিশেষ কাঠামো

 

বিলগ্নিকরণ ও কৌশলগত বিক্রয়

. ২০২০-২১ বাজেট হিসেব অনুযায়ী বিলগ্নিকরণ থেকে ১,৭৫,০০০ কোটি টাকা আয়ের পরিকল্পনা

. বিপিসিএল, এয়ার ইন্ডিয়া, শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া, কন্টেনার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া, আইডিবিআই ব্যাঙ্ক, পবন হংস, নীলাচল ইস্পাত নিগম লিমিটেড সহ একাধিক সংস্থার কৌশলগত বিনিয়োগ ২০২১-২২-এই সম্পন্ন করা

. আইডিবিআই ব্যাঙ্ক বাদে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও একটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স সংস্থার বেসরকারিকরণ

. ২০২১-২২-এ এলআইসি-র ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং বা আইপিও

. কৌশলগত বিলগ্নিকরণের জন্য নতুন নীতি অনুমোদিত

. রুগ্ন ও লোকসানে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি সময়সীমার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া

 

উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের জন্য সকলের উন্নয়ন

কৃষি

. সব ধরনের কৃষিজ পণ্য উন্নয়ন খাতে মোট খরচের ১.৫ গুণ হারে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য

. সমস্ত রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে স্বামীত্ব কর্মসূচি

. ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ১৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কৃষি ঋণ সহায়তার পরিকল্পনা

. গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিলের পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা

. ক্ষুদ্র কৃষিসেচ তহবিলের পরিমাণ দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা

. 'অপারেশন গ্রিন স্কিম'-এর আওতায় আরও ২২টি পচনশীল সামগ্রীকে নিয়ে আসা হয়েছে

. প্রায় ১.৬৮ লক্ষ কৃষক এবং ১.১৪ লক্ষ কোটি টাকার বাণিজ্যিক লেনদেন হয়েছে ই-ন্যাম ব্যবস্থায়; আরও ১ হাজার মান্ডি বা কৃষি বাজার ই-ন্যাম ব্যবস্থায় যুক্ত হতে চলেছে

. এপিএমসি-গুলিও কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের সুযোগ নিতে পারবে

 

মৎস্যচাষ

. সমুদ্রে মৎস্য বন্দর এবং জলাশয়ে মৎস্য শিকার কেন্দ্র গড়ে তুলতে বিনিয়োগ

. কোচি, চেন্নাই, বিশাখাপত্তনম, পারাদীপ ও পেতুয়াঘাটে পাঁচটি বড় মাপের মৎস্য বন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা

. সামুদ্রিক উদ্ভিদের কৃষিকাজের প্রসারে তামিলনাড়ুতে মাল্টিপারপাস সি-উইড পার্ক

 

প্রবাসী কর্মী ও শ্রমিক

. এক দেশ এক রেশন কার্ড ব্যবস্থার আওতায় প্রবাসী শ্রমিকরাও এখন দেশের যে কোনও জায়গায় রেশন সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন

. ৩২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৮৬ শতাংশ সুফলভোগী এই কর্মসূচির আওতায় এসেছেন

. বাকি চারটি রাজ্য খুব শীঘ্রই এই কর্মসূচিতে সামিল হবে

. চারটি শ্রমবিধি কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে

. গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা

 

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ

. তপশিলি জাতি, উপজাতি ও মহিলাদের জন্য স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া স্কিম

. ন্যূনতম মার্জিন মানি কমিয়ে ১৫ শতাংশ

. কৃষিকাজ সম্পর্কিত অন্যান্য কর্মকাণ্ডেও ঋণ সহায়তা

. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রের জন্য ১৫,৭০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ

 

মানবসম্পদের ক্ষেত্রে প্রাণসঞ্চার

বিদ্যালয় শিক্ষা

. জাতীয় শিক্ষানীতির সমস্ত বিষয় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে ১৫ হাজার বিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন

. অসরকারি সংস্থা / বেসরকারি বিদ্যালয় / রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বে ১০০টি নতুন সৈনিক বিদ্যালয়

 

উচ্চশিক্ষা

. উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের প্রস্তাব

. একটি শহরেই সমস্ত সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সুসঙ্গতি বজায় রাখতে একটি বিশেষ কাঠামো গঠন

. নয়টি শহরে 'গ্লু গ্র্যান্ট' কর্মসূচি রূপায়ণ

. লাদাখে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে লেহ-তে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব

 

তপশিলি জাতি ও তপশিলি আদিবাসী কল্যাণ

. আদিবাসী এলাকায় ৭৫০ একলব্য আদর্শ আবাসিক বিদ্যালয়

. এ ধরনের প্রতিটি বিদ্যালয়বাবদ বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩৮ কোটি টাকা

. পার্বত্য ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলির ক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪৮ কোটি টাকা

. আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্নত পরিকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার

. তপশিলি জাতির কল্যাণে মাধ্যমিক-পরবর্তী বৃত্তি প্রদান কর্মসূচিতে সংস্কার

. ২০২৫-২৬ পর্যন্ত আরও ছয় বছর কেন্দ্রীয় সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে ৩৫,২১৯ কোটি টাকা

. তপশিলি জাতির ৪ কোটি ছাত্রছাত্রী লাভবান হবে

 

দক্ষতা

. যুবক-যুবতীদের কাছে সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়াতে শিক্ষানবিশি আইন সংশোধনের প্রস্তাব

. বর্তমানে ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ট্রেনিং স্কিম (এনএটিএস) আরও সুবিন্যস্ত করে শিক্ষা-পরবর্তী, ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় স্নাতক ও ডিপ্লোমাধারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকা

. দক্ষতা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান হস্তান্তরের লক্ষ্যে জাপানের সহযোগিতামূলক আন্তঃপ্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা

 

উদ্ভাবন তথা গবেষণা ও উন্নয়ন

. ২০১৯-এর জুলাইতে জাতীয় গবেষণা ফাউন্ডেশনের পন্থাপদ্ধতি ঘোষণা করা হয়

. আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা

. ডিজিটাল পদ্ধতিতে মাশুল মেটানোর প্রসার ঘটাতে প্রস্তাবিত কর্মসূচির জন্য ১,৫০০ কোটি টাকার সংস্থান

. অগ্রণী ভারতীয় ভাষাগুলিতে প্রশাসন ও নীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেশন মিশন গঠনের প্রস্তাব

. নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড সংস্থা পিএসএলভি-সিএস৫১ উৎক্ষেপণ করবে। এ উৎক্ষেপণযানে ব্রাজিলের আমাজোনিয়া উপগ্রহ সহ কয়েকটি ভারতীয় উপগ্রহও থাকবে

. গগণায়ন মিশনের অঙ্গ হিসেবে :

. রাশিয়ায় জেনেরিক স্পেস ফ্লাইট প্রতিষ্ঠানে চারজন ভারতীয় মহাকাশচারীর প্রশিক্ষণ চলছে

. প্রথম মনুষ্যবিহীন উৎক্ষেপণ ২০২১-এর ডিসেম্বরে

. গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপ ওশন মিশন কর্মসূচির জন্য ৪ হাজার কোটি টাকার সংস্থান

 

ন্যূনতম সরকার সর্বাধিক প্রশাসন

. দ্রুত সুবিচার সুনিশ্চিত করতে ট্রাইব্যুনালগুলিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

. চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ৫৬টি পেশাদারী ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ চালু করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই জাতীয় স্তরে অ্যালায়েড হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস কমিশন গঠন করা হয়েছে

. নার্সিং পেশার ক্ষেত্রে ন্যাশনাল নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কমিশন বিল পেশ

. ভারতের ইতিহাসে প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনার জন্য ৩,৭৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ

. পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্তির সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের জন্য গোয়া সরকারকে ৩০০ কোটি টাকা অনুদান

. আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে চা শ্রমিক বিশেষ করে, মহিলা ও তাঁদের শিশুদের জন্য কল্যাণের একটি বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

 

রাজকোষ পরিস্থিতি

. প্রকৃত বাজেট হিসেব অনুযায়ী ৩০.৪২ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিবর্তে সংশোধিত বাজেট হিসাব অনুযায়ী ৩৪.৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব

. ২০২১-২২ বাজেট হিসেবে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে জিডিপি-র ৬.৮ শতাংশ। ২০২০-২১-এর সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে জিডিপি-র ৯.৫ শতাংশ

. বাজার থেকে মোট ঋণ সংগ্রহের পরিমাণ আগামী বছরে দাঁড়াবে প্রায় ১২ লক্ষ কোটি টাকা

. ২০২৫-২৬-এর মধ্যে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ জিডিপি-র ৪.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে রাজস্ব ঘাটতি কমানোর বর্তমান পন্থা অবলম্বন অব্যাহত থাকবে।

. অর্থ বিলের মাধ্যমে কন্টিনজেন্সি ফান্ড অফ ইন্ডিয়া-র পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা

 

রাজ্যগুলির মোট ঋণ সংগ্রহ

. পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২১-২২-এ রাজ্যগুলিকে মোট রাজ্যস্তরীয় গড় উৎপাদনের ৪ শতাংশ হারে ঋণ গ্রহণে অনুমতি

. মোট রাজ্যস্তরীয় গড় উৎপাদনের ০.৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত ঋণ সংগ্রহের ঊর্ধ্বসীমা

. পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ নাগাদ রাজ্যগুলির রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে রাজ্যস্তরীয় উৎপাদনের ৩ শতাংশ

 

পঞ্চদশ অর্থ কমিশন

. ২০২১-২৬ পর্যন্ত কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা করা হয়েছে, এই রিপোর্টে রাজ্যগুলির ভার্টিকাল শেয়ার বা সমানুপাতিক হার ৪১ শতাংশয় বজায় রাখা হয়েছে

. ২০২১-২২-এ ১৭টি রাজ্যকে রাজস্ব ঘাটতি-বাবদ অনুদান হিসেবে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১,১৮,৪৫২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে

 

কর প্রস্তাব

. করদাতাদের ওপর থেকে করের বোঝা ন্যূনতম করার পাশাপাশি এক স্বচ্ছ ও কার্যকর কর ব্যবস্থার প্রসার ঘটিয়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে উৎসাহ

 

প্রত্যক্ষ কর

সাফল্য :

. কর্পোরেট কর হার কমিয়ে বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন করা হয়েছে

. কর ছাড়ে সুবিধা বাড়িয়ে ছোট করদাতাদের কর ক্ষেত্রে রেহাই

. ২০১৪-র ৩.৩১ কোটির তুলনায় ২০২০-তে কর দাখিলকারীর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ৬.৪৮ কোটি

. ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট এবং ফেসলেস আপিল ব্যবস্থার প্রবর্তন

 

মামলার সংখ্যা কমিয়ে দাবিদাওয়ার সরলীকরণ

. কর সংক্রান্ত মামলাগুলি পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে সময়সীমা ছয় বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর

. করদাতাদের সুবিধার্থে বিবাদ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন করা হবে

. ন্যাশনাল ফেসলেস আয়কর অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল সেন্টার গড়ে তোলা হবে

. ২০২১-এর ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত 'বিবাদ সে বিশ্বাস' কর্মসূচির মাধ্যমে ১ লক্ষের বেশি করদাতার ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি কর বিবাদের নিষ্পত্তি

 

লভ্যাংশের ক্ষেত্রে ছাড়

. আরটিআইটি / আইএনভি ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ প্রদানে টিডিএস ছাড়

. কেবল লভ্যাংশ ঘোষণা / প্রদানের পর লভ্যাংশ সম্পর্কিত আয়ের ক্ষেত্রে আগাম কর মান্যতা

 

পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিদেশি লগ্নি আকৃষ্ট করা

. জিরো কুপন বন্ড জারি করার মাধ্যমে পরিকাঠামো সংক্রান্ত ঋণ তহবিলগুলিকে তহবিল সংগ্রহে অনুমতি

 

সকলের জন্য আবাসন

. ২০২২-এর মার্চ পর্যন্ত সুলভ আবাসন কেনার ক্ষেত্রে গৃহীত ঋণের ওপর ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত সুদ ছাড়

. ২০২২-এর মার্চ পর্যন্ত সুলভ আবাসন প্রকল্পগুলিতে কর ছাড়ের সুবিধা

. বিজ্ঞাপিত সুলভ রেন্টাল হাউজিং প্রকল্পগুলির জন্য কর ছাড়ে অনুমতি

 

সহজে কর দাখিল

. নথিভুক্ত সিকিউরিটি, ডিভিডেন্ড ইনকাম এবং ব্যাঙ্ক থেকে সুদের ক্ষেত্রে বিস্তারিত মূলধনী লাভ সংক্রান্ত তথ্য আগেই দাখিল করা যাবে

 

ছোট দাতব্য সংস্থাগুলিকে সুবিধা

. যে সমস্ত ছোট দাতব্য সংস্থা বিদ্যালয় ও হাসপাতাল পরিচালনা করে থাকে তাদেরকে বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ সংশোধন করে ১ থেকে ৫ কোটি টাকা করা হয়েছে

 

শ্রমিক কল্যাণ

. স্টার্ট-আপগুলির ক্ষেত্রে বৈধ দাবি-দাওয়ায় কর ছাড়ের সুবিধা আরও এক বছর

. স্টার্ট-আপগুলিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূলধনী লাভের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে ২০২২-এর ৩১ মার্চ

 

অপ্রত্যক্ষ কর

জিএসটি :

. এসএমএস-এর মাধ্যমে নীল রিটার্ন

. ছোট করদাতাদের জন্য মাসিক ও ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে কর রিটার্ন

. বৈদ্যুতিন চালান ব্যবস্থা

. আগাম দাখিল করা জিএসটি রিটার্নেও সংশোধনের সুবিধা

. জিএসটিএন ব্যবস্থার আরও প্রসার

 

বৈদ্যুতিন ও মোবাইল ফোন শিল্প

. মোবাইলের চার্জার এবং যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে প্রদেয় ছাড়ের সুবিধা প্রত্যাহার

.নীল' রেট থেকে মোবাইল যন্ত্রাংশের শুল্কে সংশোধন করে ২.৫ শতাংশ

 

লৌহ ও ইস্পাত

. সীমা শুল্ক হ্রাস

. ২০২২-এর ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্টিল স্ক্র্যাপ-এর ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড়

. নির্দিষ্ট কয়েকটি ইস্পাতজাত সামগ্রীর ক্ষেত্রে অ্যান্টি-ডাম্পিং ডিউটি এবং কাউন্টার-ভেলিং ডিউটি প্রত্যাহার

. কপার স্ক্র্যাপের ক্ষেত্রে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২.৫ শতাংশ

 

বস্ত্র

. ক্যাপ্রোল্যাক্টাম, নাইলন চিপস, নাইলন ফাইবার ও ইয়ার্নের ক্ষেত্রে মৌলিক উৎপাদন শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ

. অভ্যন্তরীণ মূল্য সংযোজনে উৎসাহিত করতে রাসায়নিক পদার্থের ক্ষেত্রে সীমা শুল্ক হার নির্ণয়

. ন্যাপথার ওপর শুল্ক হার কমিয়ে ২.৫ শতাংশ

. সোনা ও রুপোর ক্ষেত্রে সীমা শুল্ক আরও যুক্তিসঙ্গত করা হবে

 

পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি

. সোলার সেল ও সোলার প্যানেলের ক্ষেত্রে উৎপাদন পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে

. দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে সৌর ইনভার্টারের ক্ষেত্রে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ, সৌর লন্ঠনের ক্ষেত্রে শুল্ক হার বাড়িয়ে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে

. নির্দিষ্ট কয়েকটি গাড়ির যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে শুল্ক হার স্বাভাবিক হারের ১৫ শতাংশ

 

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পজাত সামগ্রী

. স্টিল স্ক্রু ও প্লাস্টিক বিল্ডার ওয়্যারের ক্ষেত্রে শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ

. দেশীয় উৎপাদনে উৎসাহ দিতে সিন্থেটিক জেম স্টোনের ক্ষেত্রে সীমা শুল্ক বাড়ানো হয়েছে

 

কৃষিজ পণ্য

. তুলোর ক্ষেত্রে উৎপাদন শুল্ক ০ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ এবং কাঁচা রেশম ও রেশম ইয়ার্নের ক্ষেত্রে উৎপাদন শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে

. নির্দিষ্ট কয়েকটি সামগ্রীর ক্ষেত্রেই কৃষি পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সেস

. একটি মনুষ্যবিহীন, কাগজবিহীন ও সরাসরি সম্পর্কবিহীন 'তুরন্ত' সীমা শুল্ক ব্যবস্থা

 

কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সাফল্য ও অর্জিত মাইলফলক

প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা (পিএমজিকেওয়াই) :

. যোজনায় তহবিল সংস্থানের পরিমাণ ২.৭৬ লক্ষ কোটি টাকা

. ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য

. ৮ কোটি পরিবারকে নিখরচায় রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার

. প্রায় ৪০ কোটি কৃষক, মহিলা, বয়স্ক ব্যক্তি, দরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের সরাসরি নগদ হস্তান্তর

. আত্মনির্ভর ভারত প্যাকেজ (.)

. এই প্যাকেজে তহবিল সংস্থানের পরিমাণ ২৩ লক্ষ কোটি টাকা, যা জিডিপি-র প্রায় ১০ শতাংশ

 

কাঠামোগত সংস্কার

. এক দেশ এক রেশন কার্ড

. কৃষি ও শ্রমক্ষেত্রে সংস্কার

. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলির পুনরায় সংজ্ঞা নির্ধারণ

. খনিজ ক্ষেত্রের বাণিজ্যিকীকরণ

. রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির বেসরকারিকরণ

. উৎপাদন সংযুক্ত উৎসাহভাতা কর্মসূচি

 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের অবস্থান

. ভারতে উদ্ভাবিত দুটি টিকা দেশের মানুষের সুরক্ষার পাশাপাশি কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ১০০টি দেশের মানুষের কাছে রক্ষাকবচ হয়ে উঠেছে

. দুটি বা তার বেশি নতুন টিকা শীঘ্রই আসবে বলে মনে করা হচ্ছে

. প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় মৃত্যু সর্বনিম্ন এবং আক্রান্তের সংখ্যাও সর্বনিম্ন

 

২০২১ – ভারতীয় ইতিহাসের এক মাইলফলক

. ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ

. ভারতের সঙ্গে গোয়ার অন্তর্ভুক্তির ৬০ বছর

. ১৯৭১-এ ভারত-পাক যুদ্ধের ৫০ বছর

. স্বাধীন ভারতে অষ্টম পর্বের জনগণনা

. ভারত ব্রিকস দেশগুলির সভাপতি হতে চলেছে

. তৃতীয় চন্দ্রযান মিশন বর্ষ

. হরিদ্বার মহাকুম্ভ মেলা

 

আত্মনির্ভর ভারতের পরিকল্পনা

. আত্মনির্ভর ভারত – নতুন কোনও ধারণা নয় বরং প্রাচীন ভারত যেমন আত্মনির্ভর ছিল তেমনই বিশ্বের বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্রও ছিল

. আত্মনির্ভর ভারত – ১৩০ কোটি ভারতীয়র এমন এক অভিব্যক্তি যাঁদের সক্ষমতা ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে

. 'সঙ্কল্প'-কে আরও মজবুত করা :

. দেশই সর্বাগ্রে

. কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা

. মজবুত পরিকাঠামো

. সুস্থসবল ভারত

. সুপ্রশাসন

. যুব সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ-সুবিধা

. সকলের জন্য শিক্ষা

. মহিলা ক্ষমতায়ন

. সকলের সমান উন্নয়ন

. ২০১৫-১৬-র কেন্দ্রীয় বাজেটে ১৩টি অঙ্গীকার করা হয়েছিল যেগুলির সঙ্গে আত্মনির্ভর ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি নিহিত ছিল। স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষে ২০২২-'অম্রুত' মহোৎসবের সময় আত্মনির্ভর ভারতের এই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করাই মূল উদ্দেশ্য।

 

"বিশ্বাস হল সেই পাখি যে আলোকে অনুভব করে এবং ভোর যখন অন্ধকার থাকে তখন গান করে"

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

***

 

 

CG/BD/DM



(Release ID: 1694290) Visitor Counter : 2023