PIB Headquarters

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পিআইবি’র প্রাত্যহিক সংবাদ

Posted On: 13 OCT 2020 6:16PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

 

 

প্রতি ১০ লক্ষে মৃত্যুর সর্বনিম্ন সংখ্যা এবং আক্রান্তের সংখ্যা সহ সর্বাধিক সংখ্যায় নমুনা পরীক্ষার দিক থেকে ভারত তালিকায় অগ্রণী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে; সুস্পষ্টভাবে আক্রান্তের সংখ্যা লাগাতার নিম্নমুখী; গত ২৪ ঘন্টায় ৫৫ হাজার ৩৪২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন

কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির নির্দিষ্ট রণকৌশল কার্যকর প্রয়াস গ্রহণের ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যু হার ভারতে তুলনামূলক কম থাকায় বিশ্বের অগ্রণী দেশগুলির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। বিশ্বে যেখানে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৯৪, সেখানে ভারতে এই সংখ্যা ৫ হাজার ১৯৯। এমনকি, ব্রিটেন, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় আক্রান্তের হার ভারতের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে, বিশ্বে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় গড় মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে ১৩৮, ভারতে এই সংখ্যা কেবল ৭৯। মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যার নিরিখে ভারত বিশ্বের অগ্রণী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ১০ লক্ষ ৭৩ হাজারেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে, মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৮ কোটি ৮৯ লক্ষ ৪৫ হাজার ছাড়িয়েছে। উচ্চ হারে লাগাতার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যায় ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকায় আক্রান্তদের আগাম চিহ্নিতকরণ ও তাঁদের সময় মতো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর ফলে, সুস্থতার হার যেমন বেড়েছে, তেমনই মৃত্যু হারও নিম্নমুখী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স প্রভৃতি উচ্চ আয়বিশিষ্ট দেশগুলির সঙ্গে ভারতের তুলনা করা সমীচীন হবে না। আদতে এই দেশগুলির জনসংখ্যা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অগ্রগতি সমান্তরাল নয়। এমনকি, প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যা পিছু চিকিৎসক ও নার্সদের সংখ্যা, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে জিডিপি-র ব্যয় প্রভৃতির দিক থেকেও উচ্চ আয়ের দেশগুলির সঙ্গে ভারতের তুলনা করা ন্যায়সঙ্গত হবে না। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখতে গেলে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ভারতের সুনির্দিষ্ট রণকৌশল এবং বিগত মাসগুলিতে জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একাধিক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ফলে উৎসাহ-ব্যঞ্জক পরিণাম পাওয়া গেছে। ভারতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নিরন্তর কমছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৪২ জন। এমনকি, গত ৫ সপ্তাহে দৈনিক-ভিত্তিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দৈনিক-ভিত্তিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ৮৩০ থেকে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে কমে হয়েছে ৭০ হাজার ১১৪। ভারতে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা লাগাতার হ্রাস পাচ্ছে। বর্তমানে দেশে মোট আক্রান্তের মধ্যে কেবল ১১.৬৯ শতাংশই সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্ত। দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭২৯। আক্রান্তের এই সংখ্যা লাগাতার ৫ দিন ৯ লক্ষের নীচে রয়েছে। নতুন করে আক্রান্তদের ৭৬ শতাংশই ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। গত ২৪ ঘন্টায় ৭৭ হাজার ৭৬০ জন সুস্থ হয়েছেন। এর ফলে, সুস্থতার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬২ লক্ষ ২৭ হাজার ২৯৫। একইভাবে, জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৬.৭৮ শতাংশ। সদ্য আরোগ্য লাভের সংখ্যার ৭৮ শতাংশই ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। সর্বাধিক ১৫ হাজারেরও বেশি আরোগ্য লাভ করেছেন মহারাষ্ট্র থেকে। কোভিড-১৯ জনিত কারণে মৃত্যু হার গত ১০ দিন ধরে ১ হাজারেরও নীচে নেমে এসেছে। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৭০৬ জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯ শতাংশের মৃত্যুর খবর মিলেছে ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1663941 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

কোভিড-১৯এর বিষয়ে মন্ত্রিগোষ্ঠীর ২১তম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন ডাঃ হর্ষ বর্ধন

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর বিষয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রিগোষ্ঠীর ২১তম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই বৈঠকে যোগ দেন বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর, অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী শ্রী হরদীপ সিং পুরি, জাহাজ চলাচল মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখলাল মান্ডভিয়া, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে এবং নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য বিনোদ কে পল। বৈঠকের শুরুতেই ডাঃ হর্ষ বর্ধন যেসমস্ত কোভিড যোদ্ধারা বহুমাস ধরে মহামারীর বিরুদ্ধে অবিচলভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান। ভারতে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যে শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য পরিষেবা গড়ে তোলা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি বৈঠকে তাঁর সহকর্মীদের অবহিত করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ভারতে এ পর্যন্ত ৬২ লক্ষ ২৭ হাজার ২৯৫ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। দেশে আরোগ্যের হার ৮৬.৭৮ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। এমনকি ভারতে মৃত্যুর হার ১.৫৩ শতাংশ যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। আগে যেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ দিনে দ্বিগুন হচ্ছিল এখন তা বেড়ে ৭৪.৯ দিন হয়েছে। এক্ষেত্রেও সাফল্য এসেছে বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে ১ হাজার ৯২৭টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। প্রত্যেকদিন ১০ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের করোনা পরীক্ষার ক্ষমতা রয়েছে ভারতে। গত ২৪ ঘন্টায় ১১ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী এবং মন্ত্রী গোষ্ঠীর চেয়ারপার্সন আসন্ন উৎসবের মরশুমে ও শীতের সময় এই রোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন । তাই এইসময় সঠিকভাবে কোভিড-১৯ নিয়মাবলী মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এই উৎসব উদযাপনের সময় রোগের বিস্তার রোধে সঠিকভাবে কোভিড-১৯ নিয়ম ও আচরণ মেনে চলা এবং দেশব্যাপি এক জন আন্দোলন রূপ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1663968 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের টেলিমেডিসিন পরিষেবা -সঞ্জিবনী উদ্যোগে লক্ষ টেলিপরামর্শ; -সঞ্জিবনী ওপিডি ব্যবস্থায় ২১৬টি অনলাইন ওপিডি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের টেলিমেডিসিন উদ্যোগ ই-সঞ্জিবনী রোগী ও চিকিৎসকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই উদ্যোগে ৫ লক্ষ টেলিপরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শেষ ১ লক্ষ টেলিপরামর্শ দেওয়া হয়েছে কেবল রেকর্ড ১৭ দিনের সময়ে। স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের এক ডিজিটাল পদ্ধতি হিসাবে ই-সঞ্জিবনী ভারতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় ধীরে ধীরে এক সমান্তরাল ধারা হয়ে উঠতে চলেছে। গত কয়েকদিনে দৈনিক-ভিত্তিতে ই-সঞ্জিবনী প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৮টি হাজারটি করে টেলিপরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশের ২৬টি রাজ্যে ই-সঞ্জিবনী পরিষেবা চালু রয়েছে। ই-সঞ্জিবনী ওপিডি ব্যবস্থার মাধ্যমে ২৬টি জেনারেল ওপিডি এবং ১৯০টি স্পেশালিটি ও সুপার স্পেশালিটি মিলিয়ে মোট ২১৬টি পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীকে ই-সঞ্জিবনী প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত করা হয়েছে।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1663795 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

আয়ুষ চিকিৎসা পদ্ধতির জন্য রিজিওনাল ড্রাগ রিপোজিটরির আজ চেন্নাইয়ে সূচনা হয়েছে

কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রী শ্রী শ্রীপাদ যশো নায়েক আজ ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে চেন্নাইয়ে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ সিদ্ধায় একটি আঞ্চলিক র ড্রাগ রিপোজিটরি ব্যবস্থার সূচনা করেছেন। জাতীয় আয়ুষ মিশনের কেন্দ্রীয় সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে। আয়ুষ মিশনের পরিধি আরও বিস্তারে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ওষধি গাছগাছড়ার চাষাবাদে প্রসার ঘটবে। এই লক্ষ্যে আয়ুষ মন্ত্রক জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ পর্ষদের মাধ্যমে জাতীয় স্তরে এবং আঞ্চলিক স্তরে র ড্রাগ রিপোজিটরি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। চেন্নাইয়ে এই আঞ্চলিক কেন্দ্রটি গড়ে ওঠায় তা সমগ্র দক্ষিণাত্য জুড়ে ওষধি গাছগাছড়ার চাষাবাদ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1663989 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

আসন্ন জাতীয় শ্যুটিং শিবিরে শ্যুটারদের নিরাপদে রাখার দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করবে সাই এনআরএআই

অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনকারী শ্যুটারদের জন্য জাতীয় শ্যুটিং শিবিরটি অনুষ্ঠিত হবে ডঃ করোনি সিং শ্যুটিং রেঞ্জে। পূর্ব ঘোষণামতো ১৫ই অক্টোবর থেকে ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় দু'মাসব্যাপী চলবে এই শিবির। এখানে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনকারী শ্যুটারদের নিরাপদে প্রশিক্ষণের জন্য সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য সুরক্ষিত বায়ো-বাবল ব্যবস্থাপনা থাকছে। এমনকি, করোনা সংক্রমণ রোধে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিওর মেনে চলা হবে। এক্ষেত্রে এই নিয়ম মেনে শ্যুটিং-এর প্রশিক্ষণ চালানোর দায়িত্ব স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই) এবং ভারতের জাতীয় রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএআই)। শ্যুটিং পরিসরে ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণের জন্য নিরাপত্তা এবং কর্মী ও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্বও ডঃ করোনি সিং শ্যুটিং রেঞ্জের প্রশাসকদের। এর জন্য শ্যুটিং রেঞ্জের ভেতর সবুজ, কমলা, হলুদ এবং লাল জোনিং-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এনআরএআই শ্যুটারদের জন্য এই প্রশিক্ষণ শিবিরের নিকটবর্তী একটি হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করবে। এর জন্য সাই যথাযথ সাহায্য প্রদান করবে। হোটেল থেকে শ্যুটিং পরিসরে প্রবেশের সময় শ্যুটারদের জন্য বায়ো-বাবল ব্যবস্থাপনা রাখা হচ্ছে। এমনকি, দিল্লি এবং তার বাইরে থেকে আগত শ্যুটার ও প্রশিক্ষকদের হোটেলে পৃথকভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাঁরা এই প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেবেন, তাঁদের জন্য সাত দিনের কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাও থাকছে।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1663951 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

কোভিডএর সময় আরটিআই বিবাদ নিষ্পত্তির হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি : ডঃ জিতেন্দ্র সিং

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং আজ বলেছেন, তথ্য জানার অধিকার বা আরটিআই-এর আওতায় গত ৬ মাসে কোভিডের সময় বিবাদ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় নতুন রেকর্ড স্থাপিত হয়েছে। আরটিআই আইনের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডঃ সিং বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে তথ্য জানার আইনের আওতায় ৭৬.৪৯ শতাংশ বিবাদের নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিবাদ নিষ্পত্তির হার গতবারের ঐ একই সময়ের তুলনায় বেড়ে হয়েছে ৯৩.৯৮ শতাংশ। পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি জানান, গত বছর ১১ হাজার ৭১৬টি নথিভুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে ৮ হাজার ৯৬২টি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছিল। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮ হাজার ৫২৮টি আবেদনের মধ্যে ৮ হাজার ১৫টি ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি হয়েছে।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1664041 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

 

 

 

পিআইবি আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য

 

পাঞ্জাব : রাজ্য সরকার কিছু শর্ত-সাপেক্ষে ১৫ই অক্টোবরের পর পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয় ও কোচিন প্রতিষ্ঠানগুলি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, অনলাইন/দূরবর্তী শিক্ষা অব্যাহত থাকবে। কেবল নবম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে বিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠানগুলিতে আসার অনুমতি দেওয়া হবে।

 

হিমাচল প্রদেশ : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের মাস্ক আপ ক্যাম্পেন – এর অঙ্গ হিসাবে রাজ্যবাসীকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় ফেসমাস্কের ব্যবহার বাড়াতেই এই অভিযান।

 

কেরল : রাজ্যে রবিবার আরও ৫ হাজার ৯৩০ জনের করোনায় সংক্রমিত হওয়ার খবর মিলেছে। বর্তমানে ৯৪ হাজার ৩৮৮ জন রোগীর চিকিৎসা চলছে। রাজ্যে করোনাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৫ জনের।

 

তামিলনাডু : রাজ্যে গত ৮৩ দিনের মধ্যে সোমবারই প্রথম আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজারের নীচে নেমে এসেছে। বর্তমানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৬১ হাজারেরও বেশি। এখনও পর্যন্ত করোনাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৩১৪ জনের।

 

কর্ণাটক : রাজ্য সরকার কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধির ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনকে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচন স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে রাজ্যের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রী করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন দিক নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন।

 

অন্ধ্রপ্রদেশ : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করোনাজনিত কারণে প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা সাহায্য দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা সাংবাদিকদের চিকিৎসায় বিশেষ শয্যার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এদিকে রাজ্যে সোমবার করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ৫৬ হাজারেরও বেশি। সোমবার রাজ্যে করোনাজনিত কারণে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

তেলেঙ্গানা : রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১ হাজার ৭০৮ জনের সংক্রমিত হওয়ার এবং ৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষ ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত ভাইরাসজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৩৩ জনের। এদিকে স্বাস্থ্য দপ্তরে কর্মী সংখ্যায় ঘাটতি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ হাসপাতালেই জেনারেল মেডিসিন, অ্যানাস্থেসিয়া এবং পুলমোনলজি – এই তিন বিভাগে কর্মী ঘাটতি রয়েছে।

 

আসাম : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ট্যুইটে জানিয়েছেন, রবিবার আরও ১ হাজার ৪৫৭ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। রাজ্যে এখন সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ৪৩৯।

 

মিজোরাম : রাজ্যে সোমবার আরও ১৮ জনের সংক্রমিত হওয়ার খবর মেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ২০২ হয়েছে। সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫৬।

 

নাগাল্যান্ড : রাজ্যে আরও ২২১ জনের সংক্রমিত হওয়ার খবর মেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ হাজার ২৪০ হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৭৫৪ জন। সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৪৯৩।

 

সিকিম : রাজ্যে আরও ৫৭ জনের করোনাজনিত কারণে মৃত্যুর খবর মিলেছে এবং নতুন করে ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

 

 

CG/BD/SB



(Release ID: 1664174) Visitor Counter : 23