PIB Headquarters
কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পিআইবি’র প্রাত্যহিক সংবাদ
प्रविष्टि तिथि:
12 JUN 2020 6:39PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১২ জুন, ২০২০
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য; সুস্থতার হার বেড়ে ৪৯.৪৭ শতাংশ; সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৯৪ জন
কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থতার হারে ক্রমাগত উন্নতি ঘটছে। বর্তমানে এই হার দাঁড়িয়েছে ৪৯.৪৭ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৯৪ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৪২ জন। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৬ হাজার ১৬৬ জন সুস্থ হয়েছেন। করোনায় আক্রান্তদের দ্বিগুণ হওয়ার হারে নিরন্তর অগ্রগতি ঘটছে এবং লকডাউনের শুরুর সময় আক্রান্তের হার দ্বিগুণ হওয়ার সময় তিন দিন চার ঘন্টা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১৭ দিন চার ঘন্টা হয়েছে।
এদিকে আজ ক্যাবিনেট সচিব, সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং নগরোন্নয়ন সচিবদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেন। কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলা ও প্রতিরোধে রাজ্যগুলিকে সংক্রামিত এলাকা, নমুনা পরীক্ষার হার, আক্রান্তদের খুঁজে বের করা, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে আরও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (আইসিএমআর) সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের নমুনা যাচাই পরীক্ষার ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করেছে। এখনও পর্যন্ত ৬৩৭টি সরকারি এবং ২৪০টি বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৮৭৭টি নমুনা পরীক্ষাগার নিরন্তর কাজ করে চলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১ লক্ষ ৫০ হাজারেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশে ৫৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৪৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631123 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষিতে শহরাঞ্চলে পরিবহণ পরিষেবা দিতে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল/শহর/মেট্রো রেল সমস্যাগুলির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবাসন ও শহরাঞ্চল বিষয়ক মন্ত্রকের নির্দেশিকা
কেন্দ্রীয় আবাসন ও শহরাঞ্চল বিষয়ক মন্ত্রক রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, শহর কর্তৃপক্ষ এবং মেট্রো রেল সংস্থাগুলিকে পর্যায়ক্রমে ত্রিমুখী কৌশল গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে। মন্ত্রকের পক্ষ স্বল্প মেয়াদী হিসাবে ৬ মাস, মধ্য মেয়াদী হিসাবে ১ বছর এবং দীর্ঘ মেয়াদী হিসাবে ১-৩ বছর সময়সীমার মধ্যে শহরাঞ্চলীয় পরিবহণ পরিষেবা সংক্রান্ত কর্মসূচি গ্রহণে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রকের সচিব শ্রী দুর্গা শঙ্কর মিশ্র সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে পাঠানো এক পরামর্শপত্রে বলেছেন –যন্ত্র বিহীন পরিবহণ ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ও উৎসাহদান – শহরাঞ্চলের অধিকাংশ রুট ৫ কিলোমিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এই প্রেক্ষিতে যন্ত্র বিহীন পরিবহণ ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবনের বড় সুযোগ রয়েছে। কোভিড-১৯ সঙ্কটের দরুণ স্বল্প খরচ-বিশিষ্ট কম মানবসম্পদের সহায়সম্বল বিহীন তথাপি দ্রুতগতির এই পরিবহণ ব্যবস্থা অনেক বেশি পরিবেশ-বান্ধব। গণপরিবহণ ব্যবস্থার সুবিধাভোগীদের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করে এ ধরনের পরিবহণ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা – শহরাঞ্চলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের কাছে গণপরিবহণ ব্যবস্থা মেরুদন্ড-স্বরূপ। এ ধরনের পরিবহণ ব্যবস্থা নিত্য যাতায়াতকারীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য, বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এ ধরনের পরিবহণ সুবিধাভোগীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি হয়ে উঠেছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631081 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
আইন ও বিধি সম্পর্কিত জিএসটি পরিষদের সুপারিশ
কেন্দ্রীয় অর্থ তথা কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমনের পৌরহিত্যে জিএসটি পরিষদের ৪০তম বৈঠক আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বিভাগীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী অনুরাগ ঠাকুর সহ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির অর্থমন্ত্রীরা ছাড়াও কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। জিএসটি পরিষদ এই বৈঠকে আইন ও বিধিতে পরিবর্তন সংক্রান্ত নিম্নলিখিত সুপারিশ করেছে।
১) ব্যবসা-বাণিজ্যে সুবিধার জন্য ব্যবস্থা
ক) পাস্ট রিটার্নের ক্ষেত্রে বিলম্বিত মাশুলে ছাড় – বকেয়া রিটার্ন দাখিলগুলি মেটাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অঙ্গ হিসাবে ২০১৭’র জুলাই থেকে ২০২০’র জানুয়ারি পর্যন্ত কর প্রদানযোগ্য সময়ে ফর্ম জিএসটিআর-৩বি দাখিলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন না করা সত্ত্বেও বিলম্বিত মাশুল কমানো অথবা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
১) ব্যবসা-বাণিজ্যে সুবিধার জন্য ব্যবস্থা
ক) পাস্ট রিটার্নের ক্ষেত্রে বিলম্বিত মাশুলে ছাড় – বকেয়া রিটার্ন দাখিলগুলি মেটাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অঙ্গ হিসাবে ২০১৭’র জুলাই থেকে ২০২০’র জানুয়ারি পর্যন্ত কর প্রদানযোগ্য সময়ে ফর্ম জিএসটিআর-৩বি দাখিলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন না করা সত্ত্বেও বিলম্বিত মাশুল কমানো অথবা প্রত্যাহার করা হয়েছে। কর প্রদানের ক্ষেত্রে যদি কোনও দায়বদ্ধতা না থাকে, তা হলে বিলম্বিত মাশুল লাগবে না; যদি কোনও ক্ষেত্রে কর প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকে, তা হলে বিলম্বিত মাশুলের সর্বোচ্চ সীমা ৫০০ টাকা স্থির হয়েছে।
বিলম্বিত মাশুলে ছাড়ের এই সুবিধা ২০২০’র পয়লা জুলাই থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত সময়ে প্রয়জনীয় তথ্য সহ দাখিল করা জিএসটিআর-৩বি ফর্মগুলির ক্ষেত্রে কেবল প্রযোজ্য হবে।
খ) ২০২০’র ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের রিটার্ন দাখিলে বিলম্বের জন্য ছোট করদাতাদের সুবিধা – ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়ে থাকে, এমন ছোট করদাতাদের সুবিধার্থে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং এপ্রিল মাসের জন্য রিটার্ন দাখিলে বিলম্বের ক্ষেত্রে কোনও অতিরিক্ত মাশুল ধার্য হবে না। পরিবর্তে, এই তিন মাসের জন্য মাশুলের হার বাৎসরিক ১৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ শতাংশ করা হয়েছে। ছোট করদাতারা বিধিবদ্ধ প্রদেয় কর আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমা করতে পারবেন। এছাড়াও, ছোট করদাতাদের এই তিন মাসে বকেয়া না মেটানোর জন্য অতিরিক্ত সুদ দিতে হবে না। তবে, প্রদেয় কর আগামী ৬ই জুলাইয়ের মধ্যে মিটিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায়, আগামী ২৩শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিলম্বিত কর মেটানোর ক্ষেত্রে ৯ শতাংশ হারে সুদ ধার্য হবে।
২) ২০১৭’র সিজিএসটি আইন এবং আইজিএসটি আইন সংশোধন করে ২০২০’র অর্থ আইনে নির্দিষ্ট ধারাগুলি গত ৩০শে জুন থেকেই কার্যকর হবে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631127 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোয়ালিটি কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার কাজকর্ম পর্যালোচনায় শ্রী পীযূষ গোয়েল
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কোয়ালিটি কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার কাজকর্ম পর্যালোচনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে শ্রী গোয়েল বলেন, ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুণমান বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে চলেছে। তিনি আরও বলেন, আত্মনির্ভর ভারত তখনই সফল ও বাস্তবায়িত হবে, যখন গুণমানসম্পন্ন দেশীয় পণ্য ও পরিষেবাগুলির উৎকৃষ্টতা বজায় থাকে। আমাদের জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই গুণমানের বিষয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত রয়েছে। কেন্দ্রীয় শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রসার দপ্তরের অধীন কোয়ালিটি কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া একটি অলাভজনক স্বশাসিত সংস্থা। এই সংস্থা দেশে গুণমান সম্পর্কিত অভিযান গ্রহণ করে পণ্য ও পরিষেবার গুণমান সম্পর্কে সচেতনতা প্রচার করে থাকে। এই কাউন্সিল পণ্য ও পরিষেবার গুণমান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সামিল করে সারা দেশে উৎকৃষ্টতার প্রসারে অভিযান চালিয়ে থাকে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631132 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ পরিস্থিতির দরুণ দেশীয় উৎপাদকদের মূলধন সংক্রান্ত সুবিধার মেয়াদ চার মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক কোভিড-১৯ জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীদের সুবিধার্থে মূলধন সংক্রান্ত অধিগ্রহণমূলক চুক্তি অপরিবর্তিত রেখে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের মেয়াদ আরও চার মাস বৃদ্ধি করেছে। মন্ত্রকের অধিগ্রহণ সংক্রান্ত শাখার পক্ষ থেকে এক নির্দেশ জারি করে বলা হয়েছে, গত ২৫শে মার্চ থেকে আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত অপরিহার্য কারণবশত সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বাধা-বিপত্তির দরুণ আলোচ্য সময়টিকে জরুরি অবস্থা হিসাবে গণ্য করা হবে। মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ক্ষেত্র লাভবান হবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির দরুণ উৎপাদন সংস্থাগুলির কাজকর্ম বিঘ্নিত হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631078 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
রাজ্যগুলির চাহিদা অনুযায়ী ভারতীয় রেলের শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনগুলির পরিষেবা অব্যাহত থাকবে
ভারতীয় রেল রাজ্যগুলির চাহিদা অনুযায়ী, শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন পরিষেবার মাধ্যমে প্রবাসী শ্রমিক ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের আরামদায়ক ও নিরাপদ যাতায়াতের সুবিধা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্যের কাছ থেকে আরও ৬৩টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন পরিষেবা দেওয়ার অনুরোধ পাওয়া গেছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সহ কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং তামিলনাডু রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে এ ধরনের ২টি ট্রেন পরিষেবা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631092 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
আত্মনির্ভর ভারত প্যাকেজের আওতায় মে ও জুন মাসে ৪৫ লক্ষ ৬২ হাজার সুফলভোগীকে ২২ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বন্টন করা হয়েছে
ভারতীয় খাদ্য নিগমের কাছে বর্তমানে ২ কোটি ৭০ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি চাল এবং ৫ কোটি ৪০ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি গম মজুত রয়েছে। মোট খাদ্যশস্য মজুতের পরিমাণ ৮ কোটি ১১ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন ও অন্যান্য কল্যাণমুখী কর্মসূচিগুলির জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের প্রয়োজন হয়। আত্মনির্ভর ভারত প্যাকেজের আওতায় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ৫ লক্ষ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করেছে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার আওতায় এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত সময় ১ কোটি ৪ লক্ষ মেট্রিক টন চাল এবং ১৫ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম প্রয়োজন। এর মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি ৯৪ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি চাল এবং ১৪ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি গম সংগ্রহ করেছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631110 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
রামাগুন্ডাম সার উৎপাদন কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়া আগামী সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে; গোরক্ষপুর, বারাউনি এবং সিন্ধ্রি কারখানায় কোভিড-১৯ এর দরুণ উৎপাদন শুরু হবে ২০২১ – এর মে মাসে
কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৫টি সার কারখানার পুনরুজ্জীবনমূলক কাজকর্মের অগ্রগতি বিভাগীয় আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছেন। বৈঠকে শ্রী মান্ডভিয়াকে জানানো হয়, রামাগুন্ডাম উৎপাদন সংস্থার অগ্রগতির কাজকর্ম ৯৯ শতাংশের বেশি এগিয়েছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে বিলম্ব হয়েছে। এই সার উৎপাদন কারখানায় আগামী সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইভাবে, গোরক্ষপুর, সিন্ধ্রি ও বারাউনি কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ২০২১ – এর মে মাস নাগদ।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631097 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে উদ্বেগ : ভয়ের কোনও কারণ নেই, জানালেন জাতীয় ভূ-কম্প বিভাগের প্রধান
জাতীয় ভূ-কম্প বিভাগের নির্দেশক ডঃ বি কে বানসল বলেছেন, দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভূ-কম্পের প্রেক্ষিতে এখনই ভয়ের কোনও কারণ নেই। তবে, ভূ-কম্পের ঝুঁকি হ্রাস করতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রস্তুত থাকা জরুরি।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1630974 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
স্বাক্ষর মিত্র কর্মসূচির সূচনা করলেন শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমর : এক শিক্ষানবিশ কর্মসূচি
শিক্ষানবিশদের জন্য এই কর্মসূচির সূচনা করে শ্রী তোমর বলেন, যুবসম্প্রদায়ের স্বার্থে উৎসাহ ভাতা সংযুক্ত এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হ’ল – দক্ষতা বৃদ্ধি করে কো-অপারেটিভ ক্ষেত্রে শিল্পোদ্যোগীতার মনোভাব গড়ে তোলা এবং সহজশর্তে গৃহীত প্রকল্পগুলির জন্য ঋণ সহায়তার ব্যবস্থা করা। এই কর্মসূচি কো-অপারেটিভ প্রতিষ্ঠানগুলিকে যুবসম্প্রদায়ের জন্য উদ্ভাবনমূলক সৃজনশীল ধ্যান-ধারণা প্রণয়নে সাহায্য করবে, যাতে শিক্ষানবিশ যুরারা দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে পারেন।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1631125 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
পিআইবি’র আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য
• মহারাষ্ট্র : রাজ্যে আজ কোভিড-১৯ এ আরও ৩ হাজার ৬০৭ জনের সংক্রমণের খবর মিলেছে। এর ফলে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৭ হাজার ৬৪৮। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৬৮ জন। কেবল বৃহস্পতিবারই মারা গেছেন ১৫২ জন। সংক্রমণের উৎস-স্থল মুম্বাইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৯৮৫।
• গুজরাট : রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৫১৩ জনের নতুন করে সংক্রমণের খবর মেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২ হাজার ৩২। সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ১০৯ জন। রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৮৫ জনের। বেসরকারি পরীক্ষাগারগুলিকেও নমুনা পরীক্ষার অনুমতিদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
• রাজস্থান : রাজ্যে আজ সকাল পর্যন্ত আরও ৯২ জনের সংক্রমণের খবর মেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৯৩০। রাজ্যে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। আক্রান্তদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৮৪৩ জন। আজ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৬৯ জনের।
• মধ্যপ্রদেশ : রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ২৪১ হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৩১ জনের।
• ছত্তিশগড় : রাজ্যে বৃহস্পতিবার আরও ৪৬ জনের সংক্রমণের খবর মেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৯৮। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪৫।
• গোয়া : রাজ্যে আজ আরও ৩০ জনের সংক্রমণের খবর মিলেছে। এর ফলে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১৭। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০।
• পাঞ্জাব : করোনা ভাইরাসের কম্যুনিটি সংক্রমণের আশঙ্কার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সপ্তাহের শেষ দিন ও সরকারি ছুটির দিনগুলিতে লকডাউন নীতি-নির্দেশিকা আরও কঠোরভাবে বলবতের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
• হিমাচল প্রদেশ : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচির আওতায় করোনা নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হবে। তিনি আরও জানান, সামাজিক সুরক্ষা পেনশন কর্মসূচিতে আরও ৪৪ হাজার ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
• কেরল : রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯। উপসাগরীয় দেশগুলিতে আরও ৬ জন কেরলবাসীর মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের বাইরে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩০০ জনের। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৫৮ জন আক্রান্তের চিকিৎসা চলছে।
• তামিলনাডু : রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চেন্নাইয়ে সম্পূর্ণ লকডাউনের কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ হাজার ৭১৬। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৫৯ জন। মৃত্যু হয়েছে। ৩৪৯ জনের। কেবল চেন্নাইয়েই আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৩১০।
• কর্ণাটক : রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আনলক পুরোপুরি প্রত্যাহারের পর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ হাজার ২৪৫। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ১৯৫। মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৯ হাজার ৭১২টি শূণ্যপদে স্থায়ী ও চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগের নির্দেশিকা জারি হয়েছে। রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১৪১ জনের সংক্রমণের খবর মিলেছে। এর ফলে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৪০২। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৭২৩। মৃত্যু হয়েছে ৮০ জনের।
• তেলেঙ্গানা : গান্ধী হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তাররা শর্তসাপেক্ষে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং তাঁরা কাজে যোগদান করেছেন। রাজ্যের সবকটি জেলাই এখন করোনার কবলে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৩২০। এদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ১৬২।
• অরুণাচল প্রদেশ : রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৭৯টি কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ এবং নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ জন। লকডাউনের সময় গাড়িগুলির বিধিভঙ্গের দায়ে জরিমানা হিসাবে ২৭ লক্ষ টাকা সংগ্রহ হয়েছে।
• মণিপুর : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ২টি অ্যাম্বুলেন্স ২টি জেলা কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তরিত করেছেন। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের পরিবহণের জন্য এই অ্যাম্বুলেন্সগুলিকে কাজে লাগানো হবে।
• মিজোরাম : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেছেন, চেন্নাই ফেরৎ সকলের কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা হবে।
• নাগাল্যান্ড : গুয়াহাটি হাইকোর্টের কোহিমা শাখা পেট্রো পণ্যের ওপর কোভিড-১৯ সংক্রান্ত নীতি-নির্দেশিকা আরোপ করার প্রেক্ষিতে এক জনস্বার্থ মামলা শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত জানানোর জন্য নাগাল্যান্ড সরকারকে তিন সপ্তাহের সময় দিয়েছে।
• ত্রিপুরা : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছেন।
CG/BD/SB
(रिलीज़ आईडी: 1631234)
आगंतुक पटल : 273
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English
,
Urdu
,
हिन्दी
,
Marathi
,
Assamese
,
Manipuri
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam