নির্বাচনকমিশন
azadi ka amrit mahotsav

নির্বাচন কমিশনের ২৬.০৯.২০২৬ তারিখ বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়েছে:

প্রকাশিত: 26 SEP 2026 5:36PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

চলতি এসআইআর-এর সময় তালিকায় নাম না ওঠা বা তথ্যে যৌক্তিক অসঙ্গতি থাকার কারণে যাঁদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে, বিএলও-রা তাঁদের বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করবেন এবং পরবর্তীতে ইআরও-র সিদ্ধান্তের জন্য তা ইসিআইনেট(ECINet)-এ আপলোড করবেন। সেই ব্যক্তিদের শুনানির জন্য ইআরও বা এইআরও-র অফিসে ডাকার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে, ইআরও-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে এবং তা যথাসম্ভব অনলাইনে করা হবে। প্রয়োজনে, ভোটার তাঁর হয়ে শুনানিতে অংশ নেওয়ার জন্য পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন। অনলাইন শুনানির ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হবে।

 

জেলা নির্বাচন আধিকারিক (ডিইও)-রা প্রয়োজন অনুযায়ী নৈশ আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা, শ্রমিক, দরিদ্র ও গৃহহীন মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করবেন বা বিশেষ শিবিরের আয়োজন করবেন।

 

এসআইআর-এর জন্য ফর্ম ৬-এর সঙ্গে সংযুক্ত ঘোষণাপত্রটি মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বহাল রাখা হয়েছে। এসআইআর-বহির্ভূত সময়ের জন্য, বিধিমালা (ভোটার নিবন্ধন বিধিমালা ১৯৬০) অনুযায়ী প্রযোজ্য ফর্মগুলি ব্যবহার করা হবে।

 

ফিল্ড অফিসারদের বিধিবদ্ধ ক্ষমতা অনুযায়ী ইসিআইনেট(ECINet) ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার (ডিইসি)-এর নেতৃত্বে এবং আইআইটি/আইআইআইটি-এর একজন স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞকে নিয়ে গঠিত একটি কমিটি ইসিআইনেট ব্যবস্থাটি পর্যালোচনা করবে। তারা নিশ্চিত করবে যে এটি সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা মেনে চলছে কি না এবং এ বিষয়ে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে। গত কয়েক মাসে রাজ্যের সিইও-দের কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে পোর্টালটিতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের আধিকারিকদের যদি আরও নমনীয়তা বা অতিরিক্ত সুবিধার প্রয়োজন হয়, তবে তা কার্যকর করা হবে। এখন থেকে, আইটি মডিউল এবং পোর্টাল সংক্রান্ত যে কোনও নতুন উদ্যোগ কমিশনের অনুমোদনের আগে 'কমিটি অফ অফিসার্স' (সিওও)-তে আলোচনা করা হবে। 

 

দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে, দাবি ও আপত্তি দাখিলের সময়সীমা কমিশন ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। নোটিশ এবং দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির সময়সীমা ৩০ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া, মহারাষ্ট্রের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অনুরোধ অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রে দাবি ও আপত্তি দাখিলের সময়সীমা কমিশন ১২ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। মহারাষ্ট্রে নোটিশ এবং দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির সময়সীমা ১০ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

 

কমিশনের সমস্ত বৈঠকের ক্ষেত্রে আলোচ্যসূচি আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হবে এবং বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হবে।

 

সমস্ত আধিকারিকের বার্ষিক কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন প্রতিবেদন (এপিএআর) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে, অর্থাৎ প্রতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

 

আধিকারিকদের বিদেশ সফরের জন্য কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।

 

কমিশনের আধিকারিকদের প্রতি কমিশনারদের দেওয়া সমস্ত নির্দেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করতে হবে।

 

বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ সহ ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে 'এসআইআর' প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এসআইআর চলাকালীন বা তার পরে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, এবং তরুণ বা প্রথমবার ভোটদানকারী সহ যে কেউ, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকের কাছে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই প্রক্রিয়া সহজতর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিইও, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকরা এই ভোটারদের তালিকাভুক্তির জন্য অবিলম্বে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করবেন।

 

এক্ষেত্রে আরও পুনর্ব্যক্ত করা হচ্ছে যে —

ক্যাবিনেট সচিবকে পাঠানো চিঠিটি কমিশনের কোনো নীতিগত বিষয় বা আইটি বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না; বরং এটি ইসিআই-তে ডেপুটেশনে থাকা একজন আধিকারিকের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের জারি করা কাজের পুনর্বণ্টন সংক্রান্ত আদেশগুলো দুজন কমিশনারের নির্দেশের পর আর কার্যকর করা হয়নি এবং আইটি বিভাগের ওপর ডিইসি-র তদারকির বিষয়টিও আসলে কখনও প্রত্যাহার করা হয়নি।

 

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে, কমিশন দেশজুড়ে এসআইআর সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বিহার দিয়ে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যান্য ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য এসআইআর)-এর যে নির্দেশটি ২৪.০৬.২০২৫ তারিখে জারি করা হয়েছিল, তা কমিশনের সর্বসম্মত অনুমোদনক্রমেই দেওয়া হয়েছিল। ভারতের মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট ২৭.০৫.২০২৬ তারিখের আদেশের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছে। কমিশনের সর্বসম্মত অনুমোদনক্রমে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য এসআইআর-এর সময়সূচি ২৭.১০.২০২৫ তারিখে এবং ১৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য সময়সূচি ১৪.০৫.২০২৬ তারিখে জারি করা হয়েছিল। তৃতীয় পর্যায়ের অবশিষ্ট ১২টি রাজ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ভোটার সংখ্যার প্রকৃত হিসাব জানা যাবে।

 

গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সংশ্লিষ্ট বিএলও-দের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তাঁরা তালিকাভুক্ত হতে বাদ পড়া ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের ফর্ম সংগ্রহ করেন। তালিকাভুক্তির জন্য ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ৮১ জন ইতিমধ্যেই ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করেছেন।

৪. এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি ২৬.০৯.২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জারি করা হয়েছে এবং এতে পূর্ণাঙ্গ কমিশনের অনুমোদন রয়েছে।

 

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ৩টায় নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার ডঃ এস এস সান্ধু এবং ডাঃ বিবেক যোশী উপস্থিত ছিলেন।

 

SC/SB/DM


(রিলিজ আইডি: 2315390) ভিজিটরের কাউন্টার : 9