পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর ওপর আন্তঃমন্ত্রক ব্রিফিং

प्रविष्टि तिथि: 04 JUN 2026 6:19PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ০৪ জুন ২০২৬

 

 

পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যে, ভারত সরকার নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে নাগরিকদের অবহিত রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে, আজ ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে একটি মিডিয়া ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক, বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রক এবং বিদেশ মন্ত্রকের আধিকারিকরা জ্বালানির প্রাপ্যতা, সামুদ্রিক ক্রিয়াকলাপ, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা এবং প্রধান ক্ষেত্রগুলি জুড়ে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য প্রদান করেছেন। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকও এটিএফ (ATF) মূল্য স্থিতিশীলতা তহবিলের বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

 

**এটিএফ মূল্য স্থিতিশীলতার ব্যবস্থা**

 

অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে যে, তপশিলভুক্ত ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলিকে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)বা বিমানের জ্বালানীর মূল্যে স্থিতিশীলতার সহায়তা প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ১০,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত এককালীন বাজেট সহায়তা ব্যবস্থায় অনুমোদন দিয়েছে। চলতি পশ্চিম এশিয়া সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যের অসাধারণ ওঠানামার প্রভাব থেকে যাত্রীদের রক্ষা করতে এবং বিমান পরিষেবায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিমান সংযোগ রক্ষা করার জন্য বৃহত্তর জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে যে:

 

 * অনুমোদিত ব্যবস্থাটি একটি অস্থায়ী এবং স্ব-সংশোধনকারী ব্যবস্থা হিসেবে নকশা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে, সরকার তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে (OMCs) একটি সুদহীন অগ্রিম প্রদান করবে, যা তাদের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক উভয় ক্রিয়াকলাপের জন্য পূর্বনির্ধারিত এবং স্থিতিশীল মূল্যে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলিকে জ্বালানী সরবরাহ করতে সক্ষম করবে। যখনই আন্তর্জাতিক বাজারে বিমানের জ্বালানীর মূল্য নির্দিষ্ট স্তরের ওপরে উঠবে, তখনই এই তহবিল ওএমসি-গুলিকে পার্থক্যের জন্য ক্ষতিপূরণ দেবে।

 

 * গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, জ্বালানির মূল্য হ্রাস পেলে, পার্থক্যের পরিমাণ ওএমসি-গুলির কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা হবে এবং একটি স্বচ্ছ ট্রু-আপ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের একত্রিত তহবিলে (Consolidated Fund of India) ফেরত দেওয়া হবে। অতএব, এই ব্যবস্থাটি কোনও ভর্তুকি হিসেবে নয়, বরং তহবিলের সম্পূর্ণ জবাবদিহিতা, পর্যবেক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যতিক্রমী জ্বালানি মূল্যের ওঠানামার প্রভাবকে মসৃণ করার জন্য একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে উদ্দিষ্ট।

 

 * বিমান সংস্থা পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে জ্বালানী এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানির মূল্যের তীব্র বৃদ্ধি, সঙ্গে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পথে ভারতীয় বিমানগুলির দীর্ঘতর উড়ান পথ বিমান সংস্থাদের কাজকর্মের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। অনুমোদিত ব্যবস্থাটি একটি নির্দিষ্ট মূল্য ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি ব্যয়ে বৃহত্তর পূর্বাভাসযোগ্যতা প্রদান করবে, যা বিমান সংস্থাগুলিকে তাদের ক্রিয়াকলাপ আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিকল্পনা করতে এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক জুড়ে যাত্রীদের পরিষেবা দেওয়া চালিয়ে যেতে সক্ষম করবে।

 

 * যাত্রীদের জন্য, এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল যে এটি বিমান ভাড়ার আকস্মিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে যা প্রায়শই জ্বালানির মূল্যের তীব্র বৃদ্ধির ফলে ঘটে থাকে। জ্বালানির মূল্যের চরম ওঠানামার সঙ্গে বিমান সংস্থাগুলির পরিচিতি বা ঝুঁকি হ্রাস করে, সরকার ভ্রমণকারীদের ওপর এই জাতীয় ব্যয়ের প্রভাব হ্রাস করা এবং ভাড়ার বৃহত্তর স্থিতিশীলতা প্রদানের লক্ষ্য রেখেছে। এটি বিশেষ করে সেইসব পরিবার, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়িক ভ্রমণকারী, পর্যটক এবং নাগরিকদের উপকৃত করবে যারা যাতায়াত এবং অর্থনৈতিক সুযোগের জন্য বিমান পরিবহনের ওপর নির্ভরশীল।

 

 * এই পদক্ষেপটি প্রত্যন্ত, আঞ্চলিক, টিয়ার-II এবং টিয়ার-III শহরগুলির পরিষেবা সহ দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন বিমান সংযোগ বজায় রাখতেও সাহায্য করবে। আঞ্চলিক উন্নয়ন, পর্যটন, বাণিজ্য, স্বাস্থ্যপরিষেবার সহজলভ্যতা, শিক্ষা এবং বিনিয়োগের জন্য অবিচ্ছিন্ন সংযোগ অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করবে যে দেশের সমস্ত অংশের নাগরিকরা অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করার পাশাপাশি বিমান পরিবহন পরিষেবাগুলিতে নির্ভরযোগ্য সংযোগ বজায় রাখতে পারেন।

 

 * বিমান সংস্থা, বিমানবন্দর, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিষেবা, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত সংস্থা, পর্যটন, আতিথেয়তা এবং পণ্য পরিবহন ক্ষেত্রগুলিতে কর্মসংস্থানকে সমর্থন করার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তটি বৃহত্তর অর্থনীতি জুড়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ রক্ষা করতে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে একীকরণ শক্তিশালী করতে এবং উড়ান (UDAN) প্রকল্পের অধীনে চালু করা বিমানবন্দরগুলি সহ দেশজুড়ে উন্নত বিমানবন্দর পরিকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

 

 * বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার এই সময়ে যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা করতে, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য বিমান পরিষেবা বজায় রাখতে এবং ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহন ক্ষেত্রের দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিস্থাপকতাকে সমর্থন করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

**জ্বালানি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা**

 

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির একটি আপডেট প্রদান করেছে, যেখানে পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে যে:

 

*জনসাধারণের জন্য নির্দেশিকা এবং নাগরিক সচেতনতা*

 

 * পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের চেষ্টা করছে। নাগরিকদের পেট্রোল, ডিজেলের আতঙ্কিত কেনাকাটা (panic purchase) এবং এলপিজি বুকিং এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 * গুজব থেকে সাবধান থাকুন এবং সঠিক তথ্যের জন্য সরকারি উৎসের ওপর নির্ভর করুন।

 * নাগরিকদের পিএনজি (PNG), ইন্ডাকশন/ইলেকট্রিক কুকটপ ইত্যাদির মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

 * পাইকারি এবং শিল্প গ্রাহকদের অনুমোদিত সংগ্রহ চ্যানেল থেকে ডিজেল সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

 * বর্তমান পরিস্থিতিতে, সমস্ত নাগরিককে তাঁদের দৈনন্দিন ব্যবহারে জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

*সরকারের প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা*

 * চলতি ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও, সরকার নিশ্চিত করেছে যে ঘরোয়া এলপিজি, ঘরোয়া পিএনজি এবং সিএনজি-পরিবহনে (CNG-Transport) ১০০% সরবরাহ করা হচ্ছে।

 * বাণিজ্যিক এলপিজির ক্ষেত্রে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ওষুধ, ইস্পাত, গাড়ি, বীজ, কৃষি ইত্যাদি ক্ষেত্রকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ০২ এবং ০৩ মার্চ ২০২৬-এর গড় দৈনিক সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল (FTL) সরবরাহ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

 * সরকার ইতিমধ্যে সরবরাহ এবং চাহিদা উভয় দিকেই বেশ কয়েকটি যৌক্তিককরণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে শোধনাগারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা, বুকিংয়ের ব্যবধান শহরাঞ্চলে ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ৪৫ দিন পর্যন্ত করা এবং সরবরাহের জন্য ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

 

*রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা*

 

 * প্রয়োজনীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫ এবং এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ২০০০-এর অধীনে রাজ্য সরকারগুলিকে সরবরাহ পর্যবেক্ষণ করার এবং মজুতদারী ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

 * পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি সহ প্রয়োজনীয় পণ্যগুলির সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকারকে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করতে হবে। ভারত সরকার সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে একাধিক চিঠি এবং ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমে একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছে।

 * ভারত সরকার একাধিক চিঠি এবং ভিসির মাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানির প্রাপ্যতা সম্পর্কে নাগরিকদের আশ্বস্ত করার জন্য সক্রিয় জনযোগাযোগের প্রয়োজনের ওপর জোর দিয়েছে।

 * ভারত সরকার ২৬.০৫.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিবদের অনুরোধ করেছে যেন তাঁরা রাজ্য/জেলা কর্তৃপক্ষকে জেলাভিত্তিক এইচএসডি/এমএস (HSD/MS) অফটেক প্যাটার্ন নিরীক্ষণ ও পর্যালোচনা করার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এবং প্রধান পরিবহন/শিল্প করিডোরগুলিতে পরিদর্শন ও প্রয়োগমূলক কার্যক্রম তীব্র করার জন্য উপযুক্ত নির্দেশ জারি করেন, যাতে শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের দ্বারা রিটেল আউটলেটগুলির মাধ্যমে এইচএসডির অননুমোদিত সংগ্রহ রোধ করা যায় এবং লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করা যায়।

 

*প্রয়োগ এবং পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম*

 

 * পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজির মজুতদারী ও কালোবাজারি রুখতে দেশজুড়ে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির দ্বারা প্রয়োগকারী পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।

 * এলপিজি সংক্রান্ত প্রয়োগ — এলপিজি সিলিন্ডারের মজুতদারী ও কালোবাজারি পরীক্ষা করতে গত ৩ দিনে ৪টি এফআইআর (FIR) নথিভুক্ত করা হয়েছে।

 * পেট্রোল এবং ডিজেল সংক্রান্ত প্রয়োগ — গত ৩ দিনে ১,৮৮০টিরও বেশি অভিযান চালানো হয়েছে যেখানে ২,৯০০ লিটারের বেশি পেট্রোল এবং ৬,৩৫০ লিটার ডিজেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, দেশজুড়ে ১৮টি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 * রাষ্ট্রয়ত্ত তেল বিপণন সংস্থার (PSU OMCs) আধিকারিকদের দ্বারা আকস্মিক পরিদর্শনও অব্যাহত রয়েছে:

   * এলপিজি পরিবেশক — গত ৩ দিনে প্রায় ৬৮০টি এলপিজি পরিবেশক সংস্থায় পরিদর্শন করা হয়েছে। ৬টি এলপিজি পরিবেশকের ওপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে এবং ২টি এলপিজি পরিবেশককে বরখাস্ত করা হয়েছে।

   *খুচরো বিক্রয়কেন্দ্র — গত ৩ দিনে প্রায় ২,৫০০টি খুচরো বিক্রয়কেন্দ্রে পরিদর্শন করা হয়েছে। ১৯টি র ওপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে এবং ৪৫৭টি বিক্রয়কেন্দ্রকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

*এলপিজি সরবরাহ*

 

ঘরোয়া এলপিজি সরবরাহের অবস্থা:

 * বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহ প্রভাবিত হচ্ছে।

 * পরিবারগুলিতে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

 * এলপিজি পরিবেশকদের কাছে কোনও ড্রাই-আউট (জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়া) রিপোর্ট করা হয়নি।

 * গতকাল শিল্প ভিত্তির ওপর অনলাইন এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং বেড়ে প্রায় ৯৯% হয়েছে।

 * পরিবেশক স্তরে অপব্যবহার রোধ করতে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক ডেলিভারি বাড়িয়ে প্রায় ৯৬% করা হয়েছে। ডিএসি গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত হয়।

 * গত ৩ দিনে, প্রায় ১.৫০ কোটি এলপিজি সিলিন্ডারের বুকিংয়ের বিপরীতে প্রায় ১.৪৩ কোটি এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে।

বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ ব্যবস্থা:

 * ভারত সরকার মোট বাণিজ্যিক বরাদ্দ সংকটের আগের স্তরের ৭০%-এ বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে ১০% সংস্কার ভিত্তিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 * গত ৩ দিনে, প্রায় ১.৫৭ লক্ষ — ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

 * গত ৩ দিনে, প্রায় ৫২০টি ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় ৯,২০০ — ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

 * গত ৩ দিনে, মোট ১৯,৩৭২ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে।

 * গত ৩ দিনে, পিএসইউ ওএমসি-গুলির দ্বারা প্রায় ৬৪৯ মেট্রিক টন অটো এলপিজি বিক্রি করা হয়েছে।

 

*প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি সম্প্রসারণ উদ্যোগ*

 

 * ডি-পিএনজি (D-PNG) এবং সিএনজি-পরিবহনে ১০০% সরবরাহ সহ গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

 * ইউরিয়া প্ল্যান্টগুলিতে সরবরাহ বর্তমানে পূর্ববর্তী ছয় মাসের তাদের গড় ব্যবহারের প্রায় ৯৮%-এ রয়েছে।

 * সিজিডি (CGD) নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে সরবরাহ সহ অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রগুলিতে গ্যাস সরবরাহ ৮০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 * বাণিজ্যিক এলপিজির প্রাপ্যতা সংক্রান্ত উদ্বেগগুলি দূর করতে সিজিডি সংস্থাগুলিকে তাদের সমস্ত জিএ (GAs) জুড়ে হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ক্যান্টিনের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য পিএনজি সংযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 * ভারত সরকার রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিকে সিজিডি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন বা আবেদনগুলির অনুমোদন ত্বরান্বিত করার অনুরোধ করেছে।

 * ভারত সরকার ১৮.০৩.২০তারিখের চিঠির মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে রাজ্যে বাণিজ্যিক এলপিজির অতিরিক্ত ১০% বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে, যদি তারা এলপিজি থেকে পিএনজিতে দীর্ঘমেয়াদী স্থানান্তরে সহায়তা করতে পারে। ২২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পিএনজি সম্প্রসারণ সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ পাচ্ছে।

 * ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখের গেজেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫-এর অধীনে প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য বিতরণ (পাইপলাইন এবং অন্যান্য সুবিধা স্থাপন, নির্মাণ, পরিচালনা ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে) আদেশ, ২০২৬ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই আদেশটি দেশজুড়ে পাইপলাইন স্থাপন ও সম্প্রসারণের জন্য একটি সুবিন্যস্ত এবং সময়সীমাবদ্ধ কাঠামো প্রদান করে, যা অনুমোদন এবং জমি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বের সমাধান করে এবং আবাসিক এলাকা সহ প্রাকৃতিক গ্যাস পরিকাঠামোর দ্রুত উন্নয়নে সক্ষম করে। এটি পিএনজি নেটওয়ার্কের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে, শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সংযোগ বাড়াবে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরকে সমর্থন করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে এবং ভারতের গ্যাস-ভিত্তিক অর্থনীতি এগিয়ে যাবে।

 * পিএনজিআরবি (PNGRB) সিজিডি সংস্থাগুলিকে ডি-পিএনজি সংযোগ ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছে। পিএনজি সম্প্রসারণের গতি বজায় রাখতে জাতীয় পিএনজি ড্রাইভ ২.০ (০১.০১.২০২৬–৩১.০৩.২০২৬) এখন ৩০.০৬.২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

 * একটি পরিচ্ছন্ন, আরও নিরাপদ এবং স্বনির্ভর জ্বালানি ভবিষ্যৎকে উৎসাহিত করতে, ভারত সরকার একটি মডেল খসড়া রাজ্য সিবিজি (CBG) নীতি তৈরি করেছে যা রাজ্যগুলিকে সিবিজি উন্নয়নের জন্য নিজস্ব বিনিয়োগকারী-বান্ধব এবং বাস্তবায়ন-ভিত্তিক বাস্তুতন্ত্র তৈরি করতে সক্ষম করার জন্য একটি ব্যাপক নমনীয় পথপ্রদর্শক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এটি বেছে নেওয়া রাজ্যগুলিকে বাণিজ্যিক এলপিজির অতিরিক্ত বরাদ্দের পরবর্তী কিস্তির জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

 * মার্চ ২০২৬ থেকে, প্রায় ৮.৮২ লক্ষ পিএনজি সংযোগে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ২.৯৮ লক্ষ সংযোগের জন্য পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যা মোট সংযোগের সংখ্যাকে ১১.৮০ লক্ষে নিয়ে গেছে। এর বাইরে, প্রায় ৮.৯৮ লক্ষ গ্রাহক নতুন সংযোগের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন।

 * ০৩.০৬.২০২৬ পর্যন্ত, ৮০,৪০০-এরও বেশি পিএনজি গ্রাহক MYPNGD.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের এলপিজি সংযোগ সমর্পণ (surrender) করেছেন।

 

*অপরিশোধিত তেলের অবস্থান এবং শোধনাগার কার্যক্রম*

 * সমস্ত শোধনাগার পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেলের ইনভেন্টরি বা মজুত সহ উচ্চ ক্ষমতায় কাজ করছে, পাশাপাশি পেট্রোল এবং ডিজেলের পর্যাপ্ত স্টক বজায় রাখা হচ্ছে।

 * ঘরোয়া ব্যবহারকে সমর্থন করার জন্য শোধনাগার থেকে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 * ঘরোয়া বাজারের জন্য পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক সরবরাহের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে একটি আন্তঃমন্ত্রক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (JWG) গঠন করা হয়েছে। ভারত সরকার ০১.০৪.২০২৬ তারিখের আদেশের মাধ্যমে তেল শোধনাগার সংস্থাগুলি এবং পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সগুলিকে হাই টেকনোলজি কেন্দ্র (CHT) দ্বারা নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম পরিমাণে C3 এবং C4 স্ট্রিম উপলব্ধ করার অনুমতি দিয়েছে।

 * ফার্মাসিউটিক্যালস বিভাগ, কেমিক্যালস ও পেট্রো কেমিক্যালস বিভাগ (DCPC), শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচার বিভাগ (DPIIT) থেকে প্রাপ্ত অনুরোধের ভিত্তিতে, এলপিজি পুল থেকে ফার্মা, কেমিক্যাল এবং পেইন্ট ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির জন্য প্রতিদিন ১১২০ মেট্রিক টন C3-C4 অণুর বিধান করা হয়েছে।

 * ০১ জুন ২০২৬ থেকে, মুম্বাই, কোচি, ভাইজাগ, চেন্নাই, মথুরা এবং গুজরাট শোধনাগারগুলি থেকে কেমিক্যাল, ফার্মা এবং পেইন্ট শিল্পের কাছে প্রায় ১,০৩০ মেট্রিক টন C3-C4 অণু (যা প্রোপিলিন এবং বিউটিলিন নিয়ে গঠিত) এবং প্রায় ৩২০ মেট্রিক টন বিউটাইল অ্যাক্রিলেট বিক্রি করা হয়েছে।

 

*খুচরো জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা*

 

 * দেশজুড়ে সমস্ত খুচরো বিক্রয়কেন্দ্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

 * মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেলের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে; তবে, গ্রাহকদের রক্ষা করতে ভারত সরকার পেট্রোল এবং ডিজেলের ওপর অন্ত:শুল্ক প্রতি লিটারে ১০ টাকা কমিয়েছে।

 * ভারত সরকার ৩১.০৫.২০২৬ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পেট্রোলের ওপর রপ্তানি শুল্ক প্রতি লিটারে ৩ টাকা থেকে কমিয়ে ১.৫০ টাকা, ডিজেলের ওপর প্রতি লিটারে ১৬.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৩.৫০ টাকা এবং এটিএফ-এর ওপর প্রতি লিটারে ১৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৯.৫ টাকা করেছে।

 * নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় রিটেল আউটলেটগুলিতে অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ বিক্রি এবং ভারী ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

 

*সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল কার্যক্রম*

 

বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রক পারস্য উপসাগরের বর্তমান সামুদ্রিক পরিস্থিতির একটি হালনাগাদ তথ্য প্রদান করেছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ভারতীয় জাহাজ এবং নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলির বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যে:

 * বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রক নাবিকদের কল্যাণ এবং নিরবচ্ছিন্ন সামুদ্রিক ক্রিয়াকলাপ নিশ্চিত করতে বিদেশ মন্ত্রক, ভারতীয় মিশন এবং সামুদ্রিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে চলেছে।

 * সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং গত ৭২ ঘণ্টায় ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ বা ভারতীয় নাবিক বিশিষ্ট বিদেশী জাহাজের সঙ্গে জড়িত কোনও ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

 * ডিজি শিপিং কন্ট্রোল রুম আপডেট: চালুর পর থেকে কন্ট্রোল রুমটি ১১,৬৩০টি ফোন এবং ২৫,৮৬৪টিরও বেশি ইমেল পেয়েছে। গত ৭২ ঘণ্টায় নাবিক, তাঁদের পরিবার এবং সামুদ্রিক অংশীদারদের কাছ থেকে মোট ৪৪৪টি ফোন এবং ১,০৩৪টি ইমেল পাওয়া গেছে।

 * প্রত্যাবাসন আপডেট: মন্ত্রক, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং (DG Shipping)-এর মাধ্যমে, এ পর্যন্ত ৩,৪৭৪ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিকের নিরাপদ প্রত্যাবাসন সহজতর করেছে, যার মধ্যে গত ৭২ ঘণ্টায় উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে ২৮ জন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

 * ভারতজুড়ে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে, কোনও যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।

 

*সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা*

 

বিদেশ মন্ত্রক উপসাগরীয় এবং পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের ঘটনাবলী ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলেছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে যে:

 

 * বিদেশ মন্ত্রক তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রচেষ্টার সমন্বয়ের জন্য রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখছে।

 * সমগ্র অঞ্চল জুড়ে ভারতীয় দূতাবাস এবং কনসুলেটগুলি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং ভারতীয়দের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে। তাঁরা ভারতীয় নাগরিকদের সময়মত সহায়তা প্রদানের জন্য চব্বিশ ঘণ্টা হেল্পলাইন পরিচালনা করছেন এবং স্থানীয় সরকারগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন।

 * স্থানীয় সরকারের নির্দেশিকা, উড়ান এবং ভ্রমণ পরিস্থিতি, কনস্যুলার পরিষেবা এবং সম্প্রদায়ের জন্য গৃহীত বিভিন্ন কল্যাণমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কিত তথ্য সহ নির্দেশিকা (Advisories) জারি করা হচ্ছে।

 * ভারতীয় মিশনগুলি অনাবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে। তাঁরা নিয়মিতভাবে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সমিতি, সংস্থা, পেশাদার গোষ্ঠী এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে তাঁদের উদ্বেগগুলি সমাধানের জন্য যোগাযোগ করছেন।

 * সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ভারতীয় নাবিকদের কল্যাণ উচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। ভারতীয় মিশনগুলি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় সাধন, কনস্যুলার সহায়তা প্রসারিত করা এবং ভারতে ফেরার অনুরোধগুলিতে সহায়তা করা সহ তাঁদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে।

 

**উড়ানের অবস্থা**

 

সংশ্লিষ্ট অঞ্চল থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে অতিরিক্ত উড়ান পরিচালনার সঙ্গে সঙ্গে সামগ্রিক উড়ান পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত রয়েছে।

 * ইউএই (UAE): ইউএই-এর আকাশসীমা উন্মুক্ত রয়েছে। ভারতীয় এবং ইউএই-এর বিমান সংস্থাগুলি ইউএই থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়ান পরিচালনা করছে।

 * সৌদি আরব এবং ওমান: সৌদি আরব এবং ওমানের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়ান চলাচল করছে।

 * কাতার: কাতারের আকাশসীমা আংশিকভাবে উন্মুক্ত। এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, ইন্ডিগো এবং কাতার এয়ারওয়েজ কাতার থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়ান পরিচালনা করছে।

 * কুয়েত: কুয়েতের আকাশসীমা উন্মুক্ত রয়েছে। কুয়েত এয়ারওয়েজ এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ কুয়েত থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়ান পরিচালনা চালিয়ে যাচ্ছে।

 * বাহরিন: বাহরিনের আকাশসীমা উন্মুক্ত। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, ইন্ডিগো এবং গালফ এয়ার বাহরিন থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়ান পরিচালনা করছে।

 * ইরাক: ইরাকের আকাশসীমা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গন্তব্যগুলিতে সীমিত উড়ান কার্যক্রমের সঙ্গে উন্মুক্ত রয়েছে, যা ভারতে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

 * ইরান: ইরানের আকাশসীমা আংশিকভাবে উন্মুক্ত। মন্ত্রক ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে এবং যারা ইতিমধ্যে সেখানে রয়েছেন তাদের দূতাবাসের সহায়তায় চলে আসার জন্য অনুরোধ করেছে। এ পর্যন্ত, তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস স্থল সীমান্ত রুটের মাধ্যমে ২,৫৫৭ জন ভারতীয় নাগরিককে ইরান থেকে বাইরে যাওয়ার সুবিধা করে দিয়েছে।

 * ইজরায়েল: ইজরায়েলের আকাশসীমা উন্মুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গন্তব্যগুলিতে সীমিত উড়ান কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে, যা ভারতে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

*কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পরিস্থিতির আপডেট*

 

গতকাল কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি হামলায় দুর্ভাগ্যবশত একজন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। সরকার মৃতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে। কুয়েতের ভারতীয় মিশন পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করছে। মৃতের দেহ আগামীকাল ভারতে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

এই হামলায় তেরো জন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে কুয়েতের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মিশন আহতদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে।

 

 

SC/PK…

 

 


(रिलीज़ आईडी: 2269098) आगंतुक पटल : 11
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Urdu , English , Marathi , हिन्दी , Assamese , Gujarati , Odia , Tamil , Telugu , Kannada , Malayalam