অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

তিনটি জন সুরক্ষা প্রকল্প - প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই), প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই) এবং অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানের ১১ বছর পূর্ণ করেছে

প্রকাশিত: 09 MAY 2026 9:07AM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ৯ মে ২০২৬

 

 

২০১৫ সালের ৯ই মে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কর্তৃক চালু করা জনসুরক্ষা প্রকল্পগুলো - প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই), প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই) এবং অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) - পরিকল্পনা করা হয়েছিল সকলের কাছে, বিশেষ করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্বল অংশগুলির কাছে, সাশ্রয়ী আর্থিক সুরক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে। এই প্রধান প্রকল্পগুলির উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের জীবনের অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা করা এবং দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক স্থিতিশীলতা গড়ে তোলার মাধ্যমে বিমা ও পেনশন ব্যবস্থার পরিধিকে প্রসারিত করা।

 

এই তিনটি জনসুরক্ষা প্রকল্পের মূল নীতিগুলির কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতি নির্মলা সীতারামন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী স্বল্পমূল্যে বিমা ও পেনশনের সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে জনসুরক্ষা প্রকল্পগুলি চালু করেছিলেন, যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা এবং অটল পেনশন যোজনা।”

 

জনসুরক্ষা প্রকল্পগুলির একাদশ বার্ষিকী উপলক্ষে পরিসংখ্যান তুলে ধরে শ্রীমতি সীতারামন জানান যে, পিএমজেজেবিওয়াই, পিএমএসবিওয়াই, এপিওয়াই-এর অধীনে যথাক্রমে ২৭ কোটিরও বেশি, ৫৮ কোটিরও বেশি এবং ৯ কোটিরও বেশি নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে।

 

পিএমজেজেবিওয়াই প্রকল্প প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান যে, এই প্রকল্পের আওতায় ১০.৭ লক্ষেরও বেশি পরিবারের জন্য ২১,৫০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

 

পিএমএসবিওয়াই প্রকল্প সম্পর্কে শ্রীমতি সীতারামন বলেন যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১.৮৪ লক্ষেরও বেশি পরিবারের জন্য প্রায় ৩,৬৬০ কোটি টাকার দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

 

“জনসুরক্ষা প্রকল্পগুলোর একাদশ বার্ষিকী উদযাপনের এই মুহূর্তে, আমি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজন—যার মধ্যে ব্যাঙ্ক ও বিমা কোম্পানিগুলোর মাঠপর্যায়ের কর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত - তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি; তাঁদেরই নিবেদিত প্রচেষ্টার ফলে এই প্রকল্পগুলি আজ বিপুল সাফল্য অর্জন করেছে,” শ্রীমতি সীতারামন তাঁর বক্তব্যে বলেন। এই উপলক্ষে, কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী শ্রী পঙ্কজ চৌধুরী বলেন, “এই প্রকল্পগুলির মূল লক্ষ্য হলো ‘দরিদ্রতমদেরও দরিদ্র’ - এমন মানুষদের বিমা সুরক্ষা এবং পেনশন সহায়তা প্রদান করা। এই প্রকল্পগুলির একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল নাম নথিভুক্তকরণ এবং বিমার দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও সহজতর করে তোলা। ‘জন সুরক্ষা পোর্টাল’-এর অনলাইন সংস্করণের সূচনা নাগরিকদের জন্য ব্যাঙ্ক শাখা বা ডাকঘরে সশরীরে উপস্থিত না হয়েই অত্যন্ত সুবিধাজনকভাবে নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ করে দিয়েছে। বিমার দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল করার ফলে তা আরও দ্রুততর হয়েছে; এর ফলে শোকাহত পরিবারগুলি ঠিক সেই সময়েই প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছে, যখন তাদের তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।”

 

আমরা যখন তিনটি সামাজিক সুরক্ষা (জন সুরক্ষা) প্রকল্পের- যথা: প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই), প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই) এবং অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) —একাদশ বার্ষিকী উদযাপন করছি, তখন আসুন আমরা একবার ফিরে দেখি কীভাবে এই প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে বিমা ও নিরাপত্তা (জন সুরক্ষা) নিশ্চিত করেছে; পাশাপাশি আমরা এই প্রকল্পগুলির সাফল্য ও উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলিও স্মরণ করি।

 

১. প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই)

 

প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (পিএমজেজেবিওয়াই) এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যাতে প্রতিদিন ২ টাকারও কম প্রিমিয়ামের বিনিময়ে যেকোনো কারণে মৃত্যু হলে জীবন বিমার সুরক্ষা প্রদান করা যায়।

 

এই প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য: পিএমজেজেবিওয়াই হলো এক বছরের মেয়াদী একটি বিমা সুরক্ষা, যা প্রতি বছর নবায়ন করা সম্ভব। এই প্রকল্পটি এলআইসি এবং অন্যান্য জীবন বিমা কোম্পানিগুলির মাধ্যমে প্রদান ও পরিচালনা করা হয়; যেসব কোম্পানি প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে এবং ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে একই শর্তাবলীতে এই পরিষেবাটি প্রদান করতে ইচ্ছুক। অংশগ্রহণকারী ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যেকোনো জীবন বিমা কোম্পানিকে নিযুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা রাখে।

 

যোগ্যতার শর্তাবলী : অংশগ্রহণকারী ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরগুলোতে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী যেসব ব্যক্তি-গ্রাহকের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং যারা এই প্রকল্পে যোগদানের জন্য বা 'অটো-ডেবিট' সুবিধা চালু করার জন্য সম্মতি প্রদান করেন, তারা সকলেই এই প্রকল্পে যোগদানের অধিকারী। যদি কোনো ব্যক্তির এক বা একাধিক ব্যাঙ্ক/ডাকঘরে একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে তিনি শুধুমাত্র একটি ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই এই প্রকল্পে যোগদানের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

 

নাম নিবন্ধনের সময়সীমা : এই বিমা সুরক্ষাটি ১লা জুন থেকে ৩১শে মে পর্যন্ত - অর্থাৎ এক বছরের জন্য বলবৎ থাকবে। এই সময়ের জন্য প্রকল্পে যোগ দিতে বা প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে হলে, নির্ধারিত ফর্মে সম্মতি জানিয়ে নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর অ্যাকাউন্ট থেকে 'অটো-ডেবিট' করার বিকল্পটি বেছে নিতে হবে। পরবর্তী সময়ের জন্য বিমা সুরক্ষা পেতে চাইলে বিলম্বেও নাম নিবন্ধন করা সম্ভব; সেক্ষেত্রে নিচে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী আনুপাতিক হারে প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে হবে:

 

• জুন, জুলাই এবং আগস্ট মাসে নাম নিবন্ধন করলে – সম্পূর্ণ বার্ষিক প্রিমিয়াম বাবদ ৪৩৬ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 

• সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে নাম নিবন্ধন করলে – আনুপাতিক প্রিমিয়াম বাবদ ৩৪২ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 

• ডিসেম্বর, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে নাম নিবন্ধন করলে – আনুপাতিক প্রিমিয়াম বাবদ ২২৮ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 

• মার্চ, এপ্রিল এবং মে মাসে নাম নিবন্ধন করলে – আনুপাতিক প্রিমিয়াম বাবদ ১১৪ টাকা পরিশোধ করতে হবে। সুবিধাসমূহ: গ্রাহকের যেকোনো কারণে মৃত্যু হলে ২ লক্ষ টাকা প্রদেয় হবে। তালিকাভুক্তির তারিখ থেকে ৩০ দিনের একটি 'লিয়েন পিরিয়ড' (অপেক্ষমাণ সময়কাল) প্রযোজ্য হবে।

 

সাফল্যসমূহ : ২৯.০৪.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, পিএমজেজেবিওয়াই-এর অধীনে মোট তালিকাভুক্তির সংখ্যা ২৭.৪৩ কোটিরও বেশি এবং ১০,৭৫,৬২৫টি দাবির বিপরীতে ২১,৫১২.৫০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

 

২৯.০৪.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত, এই প্রকল্পে ১২.৭২ কোটি নারীর তালিকাভুক্তি এবং পিএমজেডিওয়াই অ্যাকাউন্টধারীদের মধ্য থেকে ৮.০৯ কোটি তালিকাভুক্তি নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

 

 

২. প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই)

 

প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা (পিএমএসবিওয়াই)-এর কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা সুরক্ষা (কভার) প্রদান করা যায়। এই বিমার জন্য মাসিক ২ টাকারও কম - অর্থাৎ অত্যন্ত নগণ্য হারে - একটি প্রিমিয়াম প্রদান করতে হয়।

 

এই প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য : পিএমএসবিওয়াই হলো এক বছরের মেয়াদী একটি বিমা সুরক্ষা, যা প্রতি বছর নবায়ন করা সম্ভব। এই প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো (পিএসজিআইসি) এবং অন্যান্য সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করা হয়; তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে এবং ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে একই শর্তাবলীতে এই বিমা পরিষেবা প্রদান করতে ইচ্ছুক হতে হবে। অংশগ্রহণকারী ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উল্লিখিত বিমা কোম্পানিগুলোর যেকোনো একটিকে নিযুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা রাখে।

 

যোগ্যতার শর্তাবলী : অংশগ্রহণকারী ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরগুলোতে যাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং যাদের বয়স ১৮ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, তারা সকলেই এই প্রকল্পে যোগদানের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন - তবে শর্ত হলো, তাদের অবশ্যই এই প্রকল্পে যোগদানের জন্য সম্মতি প্রদান করতে হবে অথবা অ্যাকাউন্টের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়ার সুবিধাটি চালু করতে হবে। যদি কোনো ব্যক্তির এক বা একাধিক ব্যাঙ্ক/ডাকঘরে একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে তিনি শুধুমাত্র যেকোনো একটি ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই এই প্রকল্পে যোগদানের সুযোগ পাবেন।

 

নাম নিবন্ধনের সময়সীমা : এই বিমা সুরক্ষার মেয়াদ হয় এক বছর - যা ১লা জুন থেকে শুরু হয়ে ৩১শে মে পর্যন্ত বলবৎ থাকে। এই সময়ের জন্য বিমাসুরক্ষা পেতে হলে, নির্ধারিত আবেদনপত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর অ্যাকাউন্ট থেকে প্রিমিয়ামের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়ার সম্মতি প্রদান করতে হবে।

 

প্রিমিয়াম : প্রতি সদস্যের জন্য বার্ষিক ২০ টাকা। এই প্রকল্পে নাম নিবন্ধনের সময় গ্রাহক যে সম্মতি বা বিকল্পটি নির্বাচন করবেন, সেই অনুযায়ী অ্যাকাউন্টধারীর ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর অ্যাকাউন্ট থেকে ‘অটো-ডেবিট’ সুবিধার মাধ্যমে প্রিমিয়ামের সম্পূর্ণ অর্থ এককালীন কিস্তিতে কেটে নেওয়া হবে।

 

 

 

৩. অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই)

 

অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) চালু করা হয়েছিল সকল ভারতীয় - বিশেষ করে দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য একটি সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে। অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষদের আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান এবং ভবিষ্যতের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার নিশ্চয়তা দিতে এটি সরকারের একটি বিশেষ উদ্যোগ। জাতীয় পেনশন ব্যবস্থার (এনপিএস) সামগ্রিক প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অধীনে পেনশন তহবিল নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দ্বারা এপিওয়াই পরিচালিত হয়।

 

যোগ্যতা : ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী এমন সকল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টধারীর জন্য এপিওয়াই উন্মুক্ত, যারা আয়কর প্রদান করেন না। নির্বাচিত পেনশনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এই যোজনায় প্রদেয় চাঁদার পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়।

 

সুবিধাসমূহ : এই যোজনায় যোগদানের পর গ্রাহক কর্তৃক জমাকৃত চাঁদার ওপর ভিত্তি করে, ৬০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর গ্রাহক ১০০০ টাকা, ২০০০ টাকা, ৩০০০ টাকা, ৪০০০ টাকা অথবা ৫০০০ টাকার একটি নিশ্চিত ন্যূনতম মাসিক পেনশন পাবেন।

 

যোজনার সুবিধা বিতরণ : মাসিক পেনশনটি প্রথমে গ্রাহক পাবেন; গ্রাহকের মৃত্যুর পর তাঁর স্বামী বা স্ত্রী সেই পেনশন পাবেন। স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মৃত্যুর পর, গ্রাহকের ৬০ বছর বয়সে পেনশনের তহবিলে যে পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছিল, তা গ্রাহকের মনোনীত ব্যক্তিকে ফেরত দেওয়া হবে।

 

গ্রাহকের অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে (৬০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই মৃত্যু), গ্রাহকের স্বামী বা স্ত্রী সেই এপিওয়াই অ্যাকাউন্টে চাঁদা জমা দেওয়া চালিয়ে যেতে পারেন। তাঁরা অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য - অর্থাৎ মূল গ্রাহকের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত - এই চাঁদা জমা দিতে পারবেন।

 

চাঁদা জমার সময়সীমা : গ্রাহকরা মাসিক, ত্রৈমাসিক বা ষাণ্মাসিক ভিত্তিতে এপিওয়াই-তে তাঁদের চাঁদা জমা দিতে পারেন।

 

যোজনা থেকে অর্থ উত্তোলন : নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে গ্রাহকরা স্বেচ্ছায় এপিওয়াই থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সহ-চাঁদা এবং তার ওপর অর্জিত সুদ বা রিটার্ন কেটে রাখা হবে। 

 

 

 

SC/SB/AS


(রিলিজ আইডি: 2259292) ভিজিটরের কাউন্টার : 3