পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ওপর আন্তঃমন্ত্রক ব্রিফিং
প্রকাশিত:
21 APR 2026 6:09PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২১ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে অবহিত রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ভারত সরকার আজ ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ এবং বিদেশ মন্ত্রকের কর্মকর্তারা জ্বালানি প্রাপ্যতা, সামুদ্রিক কার্যক্রম, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা এবং প্রধান ক্ষেত্রগুলোতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ব্যবস্থা সম্পর্কে আপডেট প্রদান করেন। মৎস্যচাষ, পশুপালন ও দুগ্ধজাত মন্ত্রকের পশুপালন ও দুগ্ধজাত বিভাগও এই ব্রিফিংয়ের সময় তথ্য শেয়ার করেছে।
**পশুপালন ও দুগ্ধজাত ক্ষেত্রের আপডেট**
পশুপালন ও দুগ্ধজাত বিভাগ (DAHD) পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দুগ্ধ সরবরাহ শৃঙ্খল (Dairy value chain) সচল রাখতে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক (MoPNG) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সাথে সমন্বয় করে একাধিক সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
পশ্চিম এশিয়া সংকটের মধ্যেও সারা দেশে দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, বাজারে কোনো সরবরাহে ঘাটতি ঘটেনি এবং দুগ্ধচাষিদের পাওনা পরিশোধ সংকটকালীন সময়েও অব্যাহত রয়েছে।
বিভাগের পক্ষ থেকে গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিচে দেওয়া হলো:
* পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের নিয়ে সচিবের (AHD) সভাপতিত্বে নিয়মিত বৈঠক করা হচ্ছে।
**জ্বালানির প্রাপ্যতা**
* জ্বালানি (গ্যাস) সরবরাহের ক্ষেত্রে, ৮.৪.২০২৬ তারিখের MoPNG-এর আদেশ অনুযায়ী দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টসহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলো মার্চ ২০২৬-পূর্ববর্তী সময়ের ৭০% বাণিজ্যিক অ-গার্হস্থ্য এলপিজি সরবরাহ পাবে, যা দুগ্ধ কার্যক্রমের ব্যাঘাত রোধ করেছে। পরবর্তীতে, এলপিজি-র ওপর নির্ভরতা কমাতে সমস্ত দুগ্ধ প্ল্যান্টকে যেখানে সম্ভব পাইপলাইন প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG)-তে স্থানান্তরিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
**প্যাকেজিং উপাদান**
* পেট্রোকেমিক্যাল সংক্রান্ত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ (JWG)-এর সদস্য হিসেবে, দুগ্ধ খাতের প্যাকেজিং উপকরণের সমস্যাগুলো সমাধান করা হয়েছে। MoPNG দুগ্ধ শিল্পের প্লাস্টিক প্যাকেজিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট হিসেবে ০.২৩ টিএমটি (TMT) এলডিপিই (LDPE) বরাদ্দ করেছে এবং পলিপ্রোপিলিন ও পলিস্টাইরিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছে।
* বিভাগ সারা দেশে প্যাকেজিং উপাদানের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক প্যাকেজিং সরবরাহকারীদের সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রাখছে।
* ২০.০৪.২০২৬ তারিখে ভারতের সমস্ত রাজ্য দুগ্ধ ফেডারেশন/মিল্ক ইউনিয়নের সাথে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুগ্ধ খাতে জ্বালানি এবং প্যাকেজিং উপাদানের সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই।
* ৩০.০৩.২০২৬ তারিখে একটি ডেডিকেটেড পোর্টাল চালু করা হয়েছে যাতে সমস্ত রাজ্য ফেডারেশন এবং মিল্ক ইউনিয়নগুলো সদস্য হিসেবে রয়েছে। এর মাধ্যমে দুগ্ধ সরবরাহ শৃঙ্খল এবং দুধ, জ্বালানি ও প্যাকেজিং উপাদানের প্রাপ্যতা দৈনিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
**রপ্তানি**
* রপ্তানি করা কার্গো যাতে সহজে ভারতীয় বন্দরে ফিরে আসতে পারে, তার জন্য ২৫.০৩.২০২৬ থেকে একটি সরলীকৃত 'অ্যানিমাল কোয়ারেন্টাইন ক্লিয়ারেন্স' প্রক্রিয়া বিজ্ঞপ্তিভুক্ত করা হয়েছে।
**জ্বালানি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা**
হরমুজ প্রণালী সংশ্লিষ্ট বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক সারা দেশে পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং এলপিজি-র নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী:
**জনসাধারণের জন্য পরামর্শ এবং সচেতনতা**
* নাগরিকদের পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি আতঙ্কিত হয়ে মজুত না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কারণ সরকার এগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
* গুজবে কান দেবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করুন।
* এলপিজি গ্রাহকদের ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
* নাগরিকদের পিএনজি এবং ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকটপ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
* বর্তমান পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন জীবনে শক্তি সংরক্ষণের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
**সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা**
* ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও সরকার গার্হস্থ্য এলপিজি, গার্হস্থ্য পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল (FTL) সিলিন্ডারের সরবরাহ দ্বিগুণ করা হয়েছে।
* সরকার শোধনাগারের উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে এবং শহরাঞ্চলে বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে ২৫ দিন ও গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন করেছে।
* এলপিজি-র ওপর চাপ কমাতে কেরোসিন ও কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য করা হয়েছে।
**রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার সাথে সমন্বিত প্রচেষ্টা**
* রাজ্য সরকারগুলো মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে ব্যবস্থা নিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত।
* ভারত সরকার ২৭.০৩.২০২৬ এবং ০২.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি সম্পর্কে নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে সক্রিয় প্রচারের ওপর জোর দিয়েছে।
* জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ জোরদার করা হয়েছে এবং ওএমসি (OMC)-গুলোর সাথে সমন্বয়ে তল্লাশি ও পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে।
* সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মজুতদারি রোধে কন্ট্রোল রুম গঠন করেছে।
**এনফোর্সমেন্ট এবং মনিটরিং কার্যক্রম**
* গতকাল দেশজুড়ে ২,২০০-এর বেশি তল্লাশি চালানো হয়েছে।
* রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো গতকাল পর্যন্ত ২৭৪টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৬৭টি স্থগিত করেছে।
**এলপিজি সরবরাহ**
**গার্হস্থ্য এলপিজি সরবরাহের অবস্থা:**
* বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও গার্হস্থ্য পরিবারগুলোতে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
* কোনো ডিস্ট্রিবিউটরশিপে 'ড্রাই-আউট' রিপোর্ট করা হয়নি।
* গতকাল শিল্পজুড়ে অনলাইন এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং ৯৮% এ পৌঁছেছে।
* পাচার রোধে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক সরবরাহ প্রায় ৯২% বজায় রয়েছে।
**বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ ব্যবস্থা:**
* বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ সংকট-পূর্ব সময়ের ৭০% পর্যন্ত বজায় রাখা হয়েছে।
* ৩রা এপ্রিল ২০২৬ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো ৭,৪০০-এর বেশি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করেছে, যেখানে ১,০৭,০০০-এর বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। গতকালই ৪১০-এর বেশি শিবিরের মাধ্যমে ৫,৮৯১টি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* ২০শে এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মহারাষ্ট্রের তারাপুরে আইওসিএল (IOCL) আয়োজিত সচেতনতা শিবিরে ৫৫০টি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* ২৩ মার্চ ২০২৬ থেকে এখন পর্যন্ত ১৯.২৮ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়েছে।
* এপ্রিল মাসে ২০.০৪.২৬ পর্যন্ত মোট ১,২৩,৬৮০ মেট্রিক টন (৬৫ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজি সিলিন্ডার) বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে।
* ২০.০৪.২০২৬ তারিখে ৮,৮২২ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে।
**প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি সম্প্রসারণ উদ্যোগ**
* গার্হস্থ্য পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
* সার কারখানাগুলোতে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়িয়ে প্রায় ৯৫% করা হয়েছে। অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সরবরাহ ৮০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
* বর্তমানে ২২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পিএনজি সম্প্রসারণ সংস্কারের সাথে যুক্ত অতিরিক্ত বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ পাচ্ছে।
* ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখে 'প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিতরণ আদেশ ২০২৬' বিজ্ঞপ্তিভুক্ত করেছে যা পাইপলাইন সম্প্রসারণের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে।
* পিএনজিআরবি (PNGRB) 'ন্যাশনাল পিএনজি ড্রাইভ ২.০' ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
* মার্চ ২০২৬ থেকে ৫.০১ লক্ষেরও বেশি পিএনজি সংযোগে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ৫.৬৮ লক্ষ অতিরিক্ত গ্রাহক নতুন সংযোগের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন।
* ১৯.০৪.২০২৬ পর্যন্ত ৩৯,৪০০-এর বেশি গ্রাহক MYPNGD.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের এলপিজি সংযোগ সমর্পণ করেছেন।
**অপরিশোধিত তেলের অবস্থা এবং শোধনাগার কার্যক্রম**
* সমস্ত শোধনাগার পর্যাপ্ত মজুত নিয়ে উচ্চ ক্ষমতায় কাজ করছে।
* ফার্মা ও রাসায়নিক ক্ষেত্রের জন্য এলপিজি পুল থেকে দৈনিক ১০০০ মেট্রিক টন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৯ এপ্রিল থেকে ৪,৪০০ মেট্রিক টনের বেশি প্রোপিলিন বিক্রি হয়েছে।
**খুচরা জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং মূল্য ব্যবস্থা**
* সারা দেশে রিটেইল আউটলেটগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।
* ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলে লিটার প্রতি ১০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমিয়েছে।
* রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলোর খুচরা দোকানে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে কোনো বৃদ্ধি করা হয়নি।
**কেরোসিনের প্রাপ্যতা এবং বিতরণ ব্যবস্থা**
* নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত ৪৮,০০০ কিলো লিটার কেরোসিন প্রদান করা হয়েছে। ১৮টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যে বিতরণের আদেশ জারি করেছে।
**সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল**
* পারস্য উপসাগরের সামুদ্রিক পরিস্থিতি এবং সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে বন্দর ও জাহাজ চলাচল মন্ত্রক ব্রিফিং করেছে।
* ভারতজুড়ে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান বন্দরগুলো থেকে প্রায় ৯৭% 'ব্যাক-টু-টাউন' কন্টেইনার ক্লিয়ার করা হয়েছে।
* ইয়ার্ড অকুপেন্সি ৮০% থেকে কমে ৬০%-এ নেমে এসেছে, যা বন্দর অবকাঠামোর ওপর চাপ কমার ইঙ্গিত দেয়।
* ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯টি এলপিজি জাহাজ এবং ১টি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে।
* অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় পতাকাবাহী কোনো জাহাজে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
* ডিজি শিপিং কন্ট্রোল রুম আপডেট: চালু হওয়ার পর থেকে ৭,০৮৬টি কল এবং ১৪,৯৭৫টির বেশি ইমেল পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৮টি কল এবং ৩৭০টি ইমেল পাওয়া গেছে।
* ডিজি শিপিংয়ের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ২,৫৯০ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জন রয়েছেন।
**অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা**
* বিদেশ মন্ত্রক অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে।
* প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ বাড়ানো হয়েছে। ১৯শে এপ্রিল এনএসএ সৌদি আরব সফর করেছেন।
* বিদেশ মন্ত্রকের ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুমগুলো মিশনগুলোর সাথে সমন্বয়ে কাজ করছে।
* মিশনগুলো চব্বিশ ঘণ্টা হেল্পলাইন পরিচালনা করছে এবং নাগরিকদের সহায়তা দিচ্ছে। হালনাগাদ করা পরামর্শ নিয়মিত জারি করা হচ্ছে।
* ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ১১,৬১,০০০ যাত্রী ওই অঞ্চল থেকে ভারতে ফিরেছেন।
* সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে আজ প্রায় ১১০টি ফ্লাইট প্রত্যাশিত। সৌদি আরব, ওমান এবং কাতার থেকেও ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
* কুয়েতের আকাশপথ বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দাম্মাম বিমানবন্দরের মাধ্যমে ফিরছেন। বাহরিনের গালফ এয়ার আজ থেকে ভারতমুখী ফ্লাইট শুরু করার কথা ঘোষণা করেছে।
* তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এখন পর্যন্ত ভারতীয় নাগরিকদের আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মাধ্যমে ভারতে পাঠাতে সহায়তা করছে।
* ইজরায়েলের আকাশপথ খোলা রয়েছে এবং জর্ডান ও মিশরের মাধ্যমেও যাতায়াত সহজতর করা হচ্ছে।
**ইরাক থেকে ভারতীয় নাবিকদের ফেরার আপডেট**
* ইরাকে আটকে পড়া ১২ জন ভারতীয় নাবিক গতকাল মুম্বাই পৌঁছেছেন। ইরাকের আকাশপথ খোলার পর বাগদাদে অবস্থিত ভারতীয় মিশনের সহায়তায় তাদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
SC/PK
(রিলিজ আইডি: 2254279)
ভিজিটরের কাউন্টার : 10