অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

আর্থিক সমীক্ষা ২০২৫-২৬-এর প্রস্তাবনা

प्रविष्टि तिथि: 29 JAN 2026 2:18PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

 

কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ আজ সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা পেশ করেছেন। এই সমীক্ষার প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে দেশের অনিশ্চয়তার মধ্যে উদ্যোক্তাদের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আরও  পরিবর্তন প্রয়োজন। এর মধ্য দিয়ে  এমন একটি দেশ গড়ে উঠবে, যেখানে  ঝুঁকিপূর্ণ  পরিবেশে কাজ করা যায়,  পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে পদ্ধতিগতভাবে শিক্ষা নেওয়া যায় এবং কোন সমস্যার সম্মুখীন না  হয়েই  সংশোধন করতে পারে।  

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে  কোনও "বিমূর্ত আকাঙ্ক্ষা" নয়, ভারত ইতিমধ্যেই বাস্তবে এই পদ্ধতির প্রয়োগগুলি দেখতে শুরু করেছে: সেমিকন্ডাক্টর এবং পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্ম তৈরি থেকে শুরু করে, প্রথম পর্বে দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম করার জন্য পুনর্গঠন, এবং রাজ্য-স্তরের নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ চুক্তি করা হয়েছে । এর মধ্য দিয়ে একটি উদ্যোক্তা রাষ্ট্র যখন সক্ষমতার দিকে অগ্রসর হয় তখন তার প্রাথমিক লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। 

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় কোভিড-পরবর্তী সময়ে ভারতীয় অর্থনীতি যেসব  চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, সেগুলির কথা বলা হয়েছে। তা সত্ত্বেও আর্থিক ব্যবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এখানে ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতার বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর আরোপিত শুল্কের পটভূমিতে সরকারের গৃহীত নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গও এতে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্কারের তাগিদে, সরকারের মধ্যে গতিশীল উপাদানগুলি সক্রিয় রয়েছে। ভারত এখন প্রকৃত বার্ষিক উন্নয়ন ৭% এর বেশি হওয়ার প্রত্যাশা করছে, এবং আরও একটি বছর এই হার ৭% বা তার কাছাকাছি থাকবে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে কয়েক দশক ধরে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতা একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতিদ্বন্ধিতার মুখোমুখি হয়েছে। আবার মুদ্রার স্থিতিশীলতা, মূলধন প্রবাহ বা কৌশলগত দিক থেকে  প্রতিরোধী এক ব্যবস্থাপনা  সামগ্রিক অর্থনৈতিক সাফল্যকে উতসাহ যোগায় না।   
  
আন্তর্জাতিক পরিবেশ এবং অভ্যন্তরীণ আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলেছে, ভারত ১৪৫ কোটি মানুষের একটি দেশ, যে দেশের  একটি প্রজন্ম, একটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ হতে আগ্রহী। ভারতের গণতন্ত্র অনুকরণযোগ্য । পৃথিবীজুড়ে প্রভাবশালী শক্তিগুলির  অর্থনৈতিক ও অন্যান্য প্রতিশ্রুতি এবং অগ্রাধিকার পুনর্বিবেচনা করার ফলে বিশ্ব বাণিজ্যকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে সেই আবহে ভারতের  অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা শক্তিশালী আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে। রাষ্ট্র এবং বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি যদি সময়ের দাবি অনুসারে উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে, তাহলে এই শক্তিগুলিকে প্রতিবন্ধকতায় পরিণত করা যায়। এই  কাজটি সহজ হবে না - তবে এটিই অনিবার্য।  

বাস্তবসম্মতভাবে বলতে গেলে, আর্থিক সমীক্ষায় ২০২৬ সালের জন্য তিনটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে: 
বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার নেতিবাচক প্রভাব কিছুটা পিছিয়ে যাওয়ার ফলে একটি দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে।  উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ এমন একটি পৃথিবীকে পথ দেখায় যেখানে বিভিন্ন ঝুঁকি প্রতিরোধ করা যাবে। 
একটি বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্রতর হয়।  নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।  সরবরাহ শৃঙ্খলগুলি রাজনৈতিক চাপে পুনর্বিন্যাস করা হয়। এই অবস্থায়  জাতীয়করণ নীতি শক্তিশালী করা হয়, এবং দেশগুলি অন্য দেশের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্য করতে অপারগ হয়ে ওঠে। 
 
এই আবহে একটি আর্থিক, প্রযুক্তিগত এবং ভূ-রাজনৈতিক চাপ স্বাধীনভাবে উদ্ভূত হওয়ার পরিবর্তে একে অপরকে প্রভাবিত করে। এর পরিণতি উল্লেখযোগ্যভাবে অসম  এক পরিবেশ তৈরি করবে । সামগ্রিকভাবে আর্থিক অবস্থা  ২০০৮ সালের  আর্থিক সংকটের থেকেও খারাপ হতে পারে। 

পুরো প্রস্তাবনা পড়তে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ- 

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2220007&reg=3&lang=1

 

 

SC/CB/NS….


(रिलीज़ आईडी: 2220608) आगंतुक पटल : 7
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Kannada , Malayalam , English , Urdu , हिन्दी , Marathi , Punjabi , Gujarati , Odia , Telugu