প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির ৩৫০তম আত্মবলিদান দিবসে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
প্রকাশিত:
25 NOV 2025 7:06PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে আজ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির ৩৫০তম আত্মবলিদান দিবসে ভাষণ দিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দিনটিতে ভারতীয় ঐতিহ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে এক অসাধারণ সমাপতন লক্ষ্যণীয়। সকালে তিনি ছিলেন অযোধ্যায় এবং পরে কুরুক্ষেত্রে – যেখানে গীতার বাণী প্রথমবার ধ্বনিত হয়েছিল। পাশাপাশি, শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির ৩৫০তম আত্মবলিদান দিবসে সমবেত হয়েছেন ধর্মীয় যাজক সহ অগণিত মানুষ।
৫-৬ বছর আগে ৯ নভেম্বর, ২০১৯-এ এমনই এক সমাপতনের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। সুপ্রিম কোর্ট সেই সময়ে রাম মন্দির নিয়ে নিজের রায় ঘোষণা করে এবং তিনি ছিলেন দেরা বাবা নানক-এ কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধন উপলক্ষে। সেইদিন রাম মন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হোক এবং কোটি কোটি রামভক্তের স্বপ্ন পূরণ হোক – এই প্রার্থনা জানিয়েছিলেন তিনি। রাম মন্দিরের পক্ষেই রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, অযোধ্যায় ধর্মধ্বজা উত্তোলিত হওয়ার দিনই তিনি শিখ সঙ্গত-এর আশীর্বাদ লাভ করার সুযোগ পেয়েছেন।
এই ভাষণের কিছু আগে কুরুক্ষেত্রের ‘পাঞ্চজন্য স্মারক’-এর উদ্বোধন হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভূমি থেকেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সত্য এবং ন্যায়ের প্রতিষ্ঠায় অবিচল থাকাকেই সর্বোচ্চ কর্তব্য বলে ঘোষণা করেছিলেন। শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজিও সত্য, ন্যায়বিচার এবং নিজের ধর্মের সম্মান রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। ভারত সরকার তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানকে সম্মান জানাতে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং মুদ্রা প্রকাশ করেছে। গুরু ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ বজায় থাকবে – এমনটাই চান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিখ পরম্পরায় কুরুক্ষেত্র জায়গাটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। শিখ গুরুদের প্রায় সকলেই এখানে এসেছেন। নবম গুরু শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজিও এসেছেন কুরুক্ষেত্রে। গুরু তেগ বাহাদুরজির মতো দেশমাতৃকার কৃতি সন্তানদের জীবন সারা দেশের কাছে প্রেরণার উৎস বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি মোঘল হানাদারির বিরুদ্ধে তাঁর নির্ভীক সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। কাশ্মীরি হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টায় তিনি যেভাবে বাধা দিয়েছিলেন এবং ঔরঙ্গজেবের মোকাবিলা করেছিলেন, তা সাহসিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে এক অনন্য অধ্যায়।
আনন্দপুর সাহিব জাতীয় চেতনার নির্মাণের যাত্রায় এক অন্যতম কেন্দ্র বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। বিগত ১১ বছরে শিখ পরম্পরা এবং ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কর্তারপুর করিডর, হেমকুন্ড সাহিবের রোপওয়ে প্রকল্প, আনন্দপুর সাহিবে বিরাসৎ-এ-খালসা সংগ্রহালয়ের উল্লেখ করেন। নিজের বিশ্বাস এবং আদর্শের জন্য সাহিবজাদারা যেভাবে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর ২৬ ডিসেম্বর বীর বাল দিবস উদযাপন করা হয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, জাতীয় পাঠক্রমে শিখ ঐতিহ্য এবং গুরুদের আদর্শ তুলে ধরা হয়েছে – যাতে নতুন প্রজন্ম সেবাপরায়ণতা এবং সাহসিকতার মনোভাবে জারিত হতে পারে।
অনুষ্ঠানে হরিয়ানার রাজ্যপাল অধ্যাপক অসীম কুমার ঘোষ, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নবাব সিং সাইনি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মনোহরলাল, শ্রী রাও ইন্দরজিৎ সিং, শ্রী কৃষ্ণ পল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
SC/AC/DM...
(রিলিজ আইডি: 2194563)
ভিজিটরের কাউন্টার : 23
এই রিলিজটি পড়তে পারেন:
English
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Manipuri
,
Assamese
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam