স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কোচিতে মনোরমা নিউজ কনক্লেভ ২০২৫-এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহের ভাষণ

प्रविष्टि तिथि: 22 AUG 2025 4:42PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২২ অগাস্ট ২০২৫

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ কেরালার কোচিতে মনোরমা নিউজ কনক্লেভ ২০২৫-এ ভাষণ দেন। দেশের অগ্রগতির ক্ষেত্রে জাতিভেদ, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি এবং দুর্নীতিকে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি। শ্রী শাহ বলেন, ২০১৪তে শ্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে এবং জাতিভেদ, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে দেশ নতুন পথে এগিয়ে চলেছে। গোটা দেশের মানুষ এই পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

শ্রী শাহ বলেন, সুনির্দিষ্ট নীতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সাফল্যের সঙ্গে দুর্নীতিকে নির্মূল করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রতিটি ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী ও সুস্পষ্ট নীতির এক নতুন যুগে দেশবাসীকে নিয়ে গেছেন। দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মনে আজ এই নিয়ে কোন সংশয় নেই। তিনি বলেন, প্রত্যেকে বিশ্বাস করেন যে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের সামনে সারিতে চলে আসবে এবং কেউই আমাদের পথ আটকাতে পারবে না। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে এক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন দেশবাসী। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সাফল্যের সঙ্গে আমাদের অর্থনীতিকে বিশ্বের মধ্যে একাদশতম স্থানে নিয়ে আসেন। বিগত ১১ বছরে প্রধানমন্ত্রী মোদী আমাদের দেশকে বিশ্বের চতুর্থ অর্থনীতির দেশে তুলে এনেছেন। পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে অর্থনীতি, প্রতিটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। আগামী ২৫ বছরে দেশ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

শ্রী শাহ বলেন, মোদী সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার করেছে এবং বহু সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও আত্মনির্ভর ভারতের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষণে উত্তর-পূর্ব ভারত, অতিবাম উগ্রপন্থা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের কথা উঠে আসে। দেশে উগ্রপন্থাজনিত হিংসার ঘটনা ৭০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই সঙ্গে মৃত্যুর হারও ৭০ শতাংশ কমেছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীর মৃত্যুর হারও ৭৪ শতাংশ কমেছে। শ্রী শাহ বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই তিনটি সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজে বার করতে সক্ষম হবে সরকার। 'অপারেশ সিঁদুর'-এর সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী শুধুমাত্র পাক অধিকৃত কাশ্মীরেই প্রবেশ করেনি, সেই সঙ্গে পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে জঙ্গিদের সদর কার্যালয়ও ধ্বংস করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে এক শক্তিশালী বার্তা দেওয়া হয়েছে। 

কেরালা সরকারের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন করেন, যে রাজ্যে সাক্ষরতার হার ১০০ শতাংশ, সেখানে এত বেকারত্ব থাকবে কেন? তিনি বলেন, কেরালা সাক্ষরতার হারে দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে, আবার বেকারত্বেও সবার শীর্ষে। তিনি জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার বিপর্যয় মোকাবিলায় কেরালাকে ১,৩৪২ কোটি টাকা দিয়েছিল। অন্যদিকে, মোদী জি ১০ বছরে ৫,১০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। 

সংবিধানের ১৩০তম সংশোধনী বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ৭৫ বছরে বেশ কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রী কারাগারে গেছেন, কিন্তু তার আগে তাঁদের সকলেই পদত্যাগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে কয়েক মাস আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি এবং কারাগার থেকে সরকার চালানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে নৈতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে শাসক দল এবং বিরোধী উভয়েরই দায়িত্ব রয়েছে। 

এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধনী) প্রসঙ্গে শ্রী অমিত শাহ বলেন, যদি কোনও দল বা নাগরিকের কোনও আপত্তি থাকে, তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিধানসভার রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। তাতে সন্তুষ্ট না হলে, তাঁরা জেলা কালেক্টরের কাছে আবেদন করতে পারেন। তাতেও কাজ না হলে, তাঁরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর কাছে যেতে পারেন। এখনও পর্যন্ত প্রধান বিরোধী দল এসআইআর নিয়ে একটি অভিযোগও জানায়নি বলে দাবি করেন তিনি। শ্রী শাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন গোটা দেশে এসআইআর চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এটি একটি রুটিন প্রক্রিয়া। বিহারে মৃত ২২ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। 'এক দেশ, এক নির্বাচন' প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই এটি সমানভাবে প্রযোজ্য। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, উত্তরপূর্বে ২০টির বেশি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, ১০ হাজার মানুষ অস্ত্র ত্যাগ করে মূলস্রোতে ফিরে এসেছেন। তিনি বলেন, অস্ত্র না ছাড়লে কোনও আলোচনা সম্ভব নয়। 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রী মোদী হলেন সবচেয়ে সফল মুখ্যমন্ত্রী, সবচেয়ে সফল প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্য ও দেশ, উভয় ক্ষেত্রেই সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের নেতা। তিনি হলেন একজন নিঃস্বার্থ মানুষ। পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির যুগে মোদী জি-র পরিবার এবং তাঁদের জীবনযাত্রাকে ব্যতিক্রমী হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। শ্রী শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ব্যক্তিগত কোন ষও পরিবার নেই, গোটা দেশের ১৪০ কোটি মানুষই তাঁর পরিবার।

 

SC/MP/AS


(रिलीज़ आईडी: 2160157) आगंतुक पटल : 31
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Punjabi , Tamil , English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Assamese , Gujarati , Odia , Kannada , Malayalam