সংসদবিষয়কমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

সংসদের বাদল অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি হয়ে গেলো; সংসদের উভয় কক্ষে পাস হলো ১২টি বিল

प्रविष्टि तिथि: 13 AUG 2026 3:58PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ১৩ অগাস্ট, ২০২৬

 

সংসদের ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছিল সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬ তারিখে, আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি হয়ে গেলো এই অধিবেশন। ২৫ দিনের অধিবেশনে ১৯টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

অধিবেশন চলাকালীন লোকসভায় ১১টি বিল এবং রাজ্যসভায় ২টি বিল উত্থাপন করা হয়েছিল। লোকসভায় ১২টি বিল এবং রাজ্যসভায় ১২টি বিল পাস হয়েছে। 

বাদল অধিবেশনের আগে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারি করা অধ্যাদেশগুলির বিধান প্রতিস্থাপন ও অন্তর্ভুক্তকারী দুটি বিল, যথা, ‘দ্য সুপ্রিম কোর্ট (বিচারকের সংখ্যা) সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৬’ এবং ‘আয়কর (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬’, উভয় কক্ষে বিবেচিত ও পাস হয়েছে।

২০২২-২৩ সালের জন্য অতিরিক্ত অনুদানের দাবিগুলি উত্থাপন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ বিলটি ০৪.০৮.২০২৬ তারিখে লোকসভায় উত্থাপন, বিবেচিত ও পাস হয় এবং ০৬.০৮.২০২৬ তারিখে রাজ্যসভা কর্তৃক ফেরত পাঠানো হয়।

‘বৈদেশিক অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল, ২০২৬’ পরীক্ষা ও প্রতিবেদনের জন্য উভয় কক্ষের যৌথ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

জন পরীক্ষা সংক্রান্ত ছাত্রছাত্রীদের উদ্বেগ অবিলম্বে নিরসনের লক্ষ্যে, জন পরীক্ষা ব্যবস্থার অখণ্ডতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা জোরদার করার একটি প্রধান উদ্যোগ হিসেবে ২০২৪ সালের মূল আইনটি সংশোধন করে ‘জন পরীক্ষা (অসৎ উপায় প্রতিরোধ) সংশোধনী বিল, ২০২৬’ পেশ করা হয়েছিল। এই বিলের উদ্দেশ্য হলো: আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের দ্রুত তদন্ত এবং সময়সীমার মধ্যে বিচার নিশ্চিত করা; রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনকে বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন এবং বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা; দুই মাসের মধ্যে তদন্ত এবং তিন মাসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক করা; প্রয়োজনে তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠনের ক্ষমতা দেওয়া; অপরাধের জন্য শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা; এবং হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের সামনে একটি সময়সীমার মধ্যে আপিলের ব্যবস্থা রাখা। বিলটি সংসদের উভয় কক্ষে পাস হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দিয়েছেন।

এই অধিবেশনে উভয় সদনে পাস হওয়া আরও কিছু প্রধান বিল নিচে দেওয়া হলো:

‘জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের আইনটি সংশোধন করে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে সম্মানিত ‘বন্দে মাতরম’-কে ‘জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১’-এর ৩ নং ধারার আওতায় আনা হবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ায় বাধা দেওয়া বা এই গান গাওয়ার সময়ে কোনো সমাবেশে বিঘ্ন ঘটানোকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যার ফলে জাতীয় সঙ্গীতটি আইনি সুরক্ষা পাবে এবং এই ধরনের কাজ আইনটির অধীনে শাস্তিযোগ্য হবে।

‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে ১৯৬৯ সালের মূল আইনটি সংশোধন করে একটি সুসংহত যাচাইকরণ ব্যবস্থা নির্ধারণের মাধ্যমে জন্ম ও মৃত্যুর বিলম্বিত নিবন্ধনের বিধানগুলোকে আরও কঠোর করা হবে। এই বিলে এক বছর পর এবং দুই বছর পর্যন্ত শুধুমাত্র উপযুক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং দুই বছর পর শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে নিবন্ধনের বিধান রাখা হয়েছে।

ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ উন্নয়ন (সংশোধন) বিল, ২০২৬-এর লক্ষ্য হলো ২০০৬ সালের আইনটি সংশোধন করে এমএসএমই-এর বিনামূল্যে ও স্বেচ্ছামূলক নিবন্ধনের জন্য একটি জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগের বিলম্বিত অর্থপ্রদান সংক্রান্ত বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিতকরণ, ব্যবসা করার সুবিধা বৃদ্ধি এবং নির্দিষ্ট কিছু বিধান লঙ্ঘনের অপরাধকে অপরাধমুক্ত করার মাধ্যমে এমএসএমই খাতকে শক্তিশালী করা। এতে শাস্তি হিসেবে জরিমানার পরিবর্তে প্রথম পর্যায়ে সতর্কীকরণসহ পর্যায়ক্রমিক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ব্যাংকার্স বুকস এভিডেন্স বিল, ২০২৬-এর লক্ষ্য হলো “ব্যাংকার্স বুকস”-এর সংজ্ঞার পরিধি প্রসারিত করে ব্যাংক কর্তৃক সংরক্ষিত সকল প্রকার নথি, তা প্রকৃত, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, ভার্চুয়াল, ক্লাউড-ভিত্তিক বা অন্য কোনো রূপেই হোক না কেন, অন্তর্ভুক্ত করা। এর মাধ্যমে একটি ব্যাপক, প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী আইনি কাঠামো প্রদান করা হবে। এটি সনদপত্রগুলোকে মানসম্মত করে এবং হস্তচালিত, ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক প্রমাণীকরণকে স্বীকৃতি দেয়, পাশাপাশি ইলেকট্রনিক নথি প্রকৃত বা বৈদ্যুতিকভাবে উপস্থাপনের সুযোগ করে দেয়। এটি কেন্দ্রীয় সরকারকে আর্থিক খাত জুড়ে এর আওতা প্রসারিত করার ক্ষমতা প্রদান করে এবং উপস্থাপনের জন্য “বিশেষ কারণ”-এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে।

কেরালা (নাম পরিবর্তন) বিল, ২০২৬ সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে “কেরালা” রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে “কেরালম” করার মাধ্যমে সংবিধানের প্রথম তফসিল সংশোধন করতে চায়।

জাতীয় সমবায় উন্নয়ন কর্পোরেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সমবায় উন্নয়ন কর্পোরেশন আইন, ১৯৬২ সংশোধন করতে চায়, যার মাধ্যমে “খাদ্যদ্রব্য”-এর সংজ্ঞা প্রসারিত করে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক বিজ্ঞাপিত অন্য যেকোনো খাদ্যদ্রব্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে, শিল্পজাত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা দূর করা হবে, বিধিবদ্ধ উল্লেখগুলো হালনাগাদ করে, অপ্রচলিত বিধানগুলো অপসারণ করে এবং কর্পোরেশনকে প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ক্ষমতা দিয়ে সমবায় খাতকে শক্তিশালী করা হবে। এই ব্যবস্থাগুলি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে ঋণ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদানকে সহজতর করবে, পাশাপাশি বৃহত্তর নমনীয়তা, আইনি স্বচ্ছতা ও পরিচালনগত দক্ষতা প্রদান করবে এবং সমবায় উন্নয়নের জন্য সময়োপযোগী, সরাসরি ও কার্যকর আর্থিক সহায়তা সক্ষম করবে।

ট্রাইব্যুনাল সংস্কার বিল, ২০২৬-এর লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের যোগ্যতা, নিয়োগ, চাকরির শর্তাবলী এবং ট্রাইব্যুনালগুলির প্রশাসন ও কার্যকারিতার ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি করা, স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও একরূপতা নিশ্চিত করা, একটি জাতীয় ট্রাইব্যুনাল কমিশন প্রতিষ্ঠা করা এবং সংশ্লিষ্ট আইনগুলিতে আনুষঙ্গিক সংশোধনী আনা ও তৎসম্পর্কিত বা আনুষঙ্গিক বিষয়গুলির জন্য কাজ করা।

খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল, ২০২৬-এর মাধ্যমে খনিজ ক্ষেত্রের রাজস্ব ব্যবস্থায় নিশ্চয়তা, স্থিতিশীলতা এবং পূর্বাভাসযোগ্যতা প্রদানের লক্ষ্যে খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৫৭ সংশোধন করা হবে। এর ফলে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতি আসবে, যা আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে এবং পরিশেষে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সাহায্য করবে।

লোকসভার উৎপাদনশীলতা ছিল প্রায় ১৯% এবং রাজ্যসভার উৎপাদনশীলতা ছিল প্রায় ৩৯%।

বিস্তারিত দেখতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন – 

https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2298901&reg=48&lang=2

 

 

SC/AP/SKD


(रिलीज़ आईडी: 2299069) आगंतुक पटल : 12
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Nepali , Marathi , Assamese , Gujarati , Odia , Tamil , Telugu , Kannada , Malayalam