পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর সাম্প্রতিক অবস্থা
প্রকাশিত:
14 APR 2026 4:14PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যে ভারত সরকার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহ, সামুদ্রিক কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
**জ্বালানি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা**
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির মধ্যেও পেট্রোলিয়াম পণ্য ও এলপিজি-র নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গৃহীত ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে আপডেট প্রদান করেছে:
**জনসাধারণের জন্য পরামর্শ এবং সচেতনতা**
* নাগরিকদের পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি আতঙ্কিত হয়ে মজুত না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ সরকার এগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
* গুজবে কান দেবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করুন।
* এলপিজি গ্রাহকদের ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে যাওয়া এড়ানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।
* নাগরিকদের পিএনজি (PNG) এবং ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকটপ-এর মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
* বর্তমান পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন জীবনে শক্তি সংরক্ষণের জন্য সমস্ত নাগরিককে অনুরোধ করা হচ্ছে।
**সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা**
* ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও সরকার গার্হস্থ্য এলপিজি, গার্হস্থ্য পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ফার্মা, ইস্পাত, অটোমোবাইল, কৃষি ইত্যাদিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল (FTL) সিলিন্ডারের সরবরাহ মার্চ মাসের শুরুর তুলনায় দ্বিগুণ করা হয়েছে।
* শোধনাগারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং শহরাঞ্চলে এলপিজি বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে ২৫ দিন ও গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন করা হয়েছে।
* এলপিজি-র ওপর চাপ কমাতে কেরোসিন ও কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য করা হয়েছে।
* কয়লা মন্ত্রক কোল ইন্ডিয়া ও সিঙ্গারেণী কোলিয়ারিজ-কে ক্ষুদ্র ও মাঝারি গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত কয়লা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে।
* রাজ্যগুলোকে গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন পিএনজি সংযোগ সহজতর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
**রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার সাথে সমন্বিত প্রচেষ্টা**
* অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন ১৯৫৫ এবং এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশ ২০০০-এর অধীনে রাজ্য সরকারগুলো সরবরাহ তদারকি এবং মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে ব্যবস্থা নিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজি-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করতে হবে।
* ২৭.০৩.২০২৬ এবং ০২.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে ভারত সরকার পর্যাপ্ত জ্বালানি সম্পর্কে নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে সক্রিয় প্রচারের ওপর জোর দিয়েছে। ০২.০৪.২০২৬ এবং ০৬.০৪.২০২৬ তারিখের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে:
* প্রতিদিন প্রেস ব্রিফিং এবং নিয়মিত গণ-পরামর্শ প্রদান করা।
* সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া খবর বা অপপ্রচার সক্রিয়ভাবে মোকাবিলা করা।
* জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ জোরদার করা এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলোর (OMCs) সাথে সমন্বয়ে তল্লাশি অব্যাহত রাখা।
* রাজ্যগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক এলপিজি এবং অতিরিক্ত কেরোসিন (SKO) বরাদ্দের আদেশ জারি করা।
* পিএনজি এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার উৎসাহিত করা।
* সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের লক্ষ্যভিত্তিক বিতরণের ব্যবস্থা করা।
* অনেক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করছে।
**এনফোর্সমেন্ট এবং মনিটরিং কার্যক্রম**
* এলপিজি মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে ১৩.০৪.২০২৬ তারিখে দেশজুড়ে ২,৯৫০-এর বেশি তল্লাশি চালানো হয়েছে।
* গত ১১ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কেরালার তিরুবনন্তপুরমের আটিঙ্গালে একটি বেসরকারি গ্যাস এজেন্সির প্রাঙ্গণ থেকে প্রায় ৫০০টি অবৈধভাবে মজুত করা গ্যাস সিলিন্ডার সিভিল সাপ্লাই আধিকারিকরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট বিভাগ মামলাটি তদন্ত করছে।
* রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো গতকাল পর্যন্ত ২৩২টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৫৬টি ডিস্ট্রিবিউটরশিপ স্থগিত করেছে।
**এলপিজি সরবরাহ**
**গার্হস্থ্য এলপিজি সরবরাহের অবস্থা:**
* বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহ প্রভাবিত হচ্ছে, তবে কোনো ডিস্ট্রিবিউটরশিপে 'ড্রাই-আউট' রিপোর্ট করা হয়নি।
* গতকাল পর্যন্ত অনলাইন এলপিজি বুকিং প্রায় ৯৮% পর্যন্ত ছিল।
* জ্বালানি সরিয়ে নেওয়া রোধ করতে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক সরবরাহ প্রায় ৯২% পর্যন্ত বজায় রাখা হয়েছে।
* বুকিংয়ের বিপরীতে গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
**বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ ব্যবস্থা:**
* মোট বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ সংকট-পূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৭০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
* ৩রা এপ্রিল ২০২৬ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো ৫ কেজি সিলিন্ডার সম্পর্কে ৪৪৫০-এর বেশি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করেছে, যেখানে ৪৯,৩০০-এর বেশি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* গত ১২ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মহারাষ্ট্রের পালঘরের বোয়াসার ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়াতে আইওসিএল (IOCL) আয়োজিত একটি সচেতনতা শিবিরে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে এবং একদিনেই প্রায় ৮০০টি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* ২৩ মার্চ ২০২৬ থেকে এখন পর্যন্ত ১৪.৩ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়েছে। গতকালই দেশজুড়ে ১.১ লক্ষ সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে, যেখানে ফেব্রুয়ারি মাসে দৈনিক গড় ছিল ৭৭,০০০।
* ১৪ মার্চ ২০২৬ থেকে মোট ১,৩১,৬৪৫ মেট্রিক টন (যা ৬৯.২৮ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজি সিলিন্ডারের সমান) বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে। গতকালই ৮৬৬১ মেট্রিক টন বিক্রি হয়েছে।
**প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি সম্প্রসারণ উদ্যোগ**
* গার্হস্থ্য পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
* সার কারখানাগুলোতে গ্যাসের বরাদ্দ ৫% বাড়িয়ে প্রায় ৯৫% করা হয়েছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র অভাব মেটাতে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ক্যান্টিনগুলোকে পিএনজি সংযোগে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।
* ২১টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যেই পিএনজি সম্প্রসারণ সংস্কারের সাথে যুক্ত অতিরিক্ত বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ পাচ্ছে।
* ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখে প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিতরণ আদেশ ২০২৬ বিজ্ঞপ্তিভুক্ত করেছে, যা পাইপলাইন স্থাপনের অনুমোদন দ্রুত করবে।
* পিএনজিআরবি (PNGRB) 'ন্যাশনাল পিএনজি ড্রাইভ ২.০' ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
* মার্চ ২০২৬ থেকে ৪.৪০ লক্ষেরও বেশি পিএনজি সংযোগে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ৪.৮৮ লক্ষ নতুন গ্রাহক নিবন্ধিত হয়েছেন।
* ১৩.০৪.২০২৬ পর্যন্ত ৩৩,০০০-এর বেশি গ্রাহক MYPNGD.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের এলপিজি সংযোগ সমর্পণ করে পিএনজি গ্রহণ করেছেন।
**অপরিশোধিত তেলের অবস্থা এবং শোধনাগার কার্যক্রম**
* সমস্ত শোধনাগার পর্যাপ্ত মজুত নিয়ে উচ্চ ক্ষমতায় কাজ করছে এবং পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা হয়েছে।
* অভ্যন্তরীণ ব্যবহার মেটাতে শোধনাগার থেকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
* গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর জন্য দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন C3 ও C4 স্ট্রিম সরবরাহের ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।
**খুচরা জ্বালানি প্রাপ্যতা এবং মূল্য ব্যবস্থা**
* সারা দেশে রিটেইল আউটলেটগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।
* গ্রাহকদের সুরক্ষায় ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলে লিটার প্রতি ১০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমিয়েছে।
* ১১.০৪.২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ডিজেল ও এটিএফ-এর ওপর রপ্তানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে যাতে অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়।
* খুচরা দোকানে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে কোনো বৃদ্ধি করা হয়নি।
**কেরোসিনের প্রাপ্যতা এবং বিতরণ ব্যবস্থা**
* নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত ৪৮,০০০ কিলো লিটার কেরোসিন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে প্রদান করা হয়েছে। ১৮টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যে বিতরণের আদেশ জারি করেছে।
**সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল**
* বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জলপথ মন্ত্রক ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
* অঞ্চলে থাকা সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ভারতীয় জাহাজের দুর্ঘটনার খবর নেই।
* শিপিং কন্ট্রোল রুম সক্রিয় হওয়ার পর থেকে ৬,২৯২টি কল এবং ১৩,২২৮টির বেশি ইমেল পরিচালনা করেছে।
* এখন পর্যন্ত ২,২৬২ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে স্বদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫ জন রয়েছেন।
* ভারতজুড়ে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো জট নেই।
**অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা**
* বিদেশ মন্ত্রক পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।
* বিদেশ মন্ত্রী কুয়েতের বিদেশ মন্ত্রীর সাথে কথা বলে আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
* বিদেশ মন্ত্রী ইসরায়েলের বিদেশ মন্ত্রীর সাথেও কথা বলেছেন এবং সংঘাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার বিদেশ মন্ত্রীদের সাথেও মতবিনিময় করেছেন।
* ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ৯,৫৫,০০০ যাত্রী ওই অঞ্চল থেকে ভারতে ফিরেছেন।
* সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে আজ প্রায় ১০০টি ফ্লাইট প্রত্যাশিত।
* কাতারের আকাশপথ আংশিক খোলা থাকায় আজ ১০টি ফ্লাইট প্রত্যাশিত।
* তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এখন পর্যন্ত ২,৩১৩ জন ভারতীয় নাগরিককে (যার মধ্যে ১০২৮ জন ছাত্র এবং ৬৫৭ জন মৎস্যজীবী) ইরান থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মাধ্যমে ভারতে পাঠাতে সহায়তা করেছে।
* ইসরায়েলের আকাশপথ আংশিকভাবে খোলা; জর্ডান ও মিশরের মাধ্যমে যাতায়াত সহজতর করা হচ্ছে।
* ইরাকের আকাশপথ খোলা এবং ইরাকি এয়ারওয়েজ পুনরায় ফ্লাইট শুরু করেছে।
SC/PK
(রিলিজ আইডি: 2251938)
ভিজিটরের কাউন্টার : 12