পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন প্রধান ক্ষেত্র সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য

প্রকাশিত: 31 MAR 2026 2:55PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি: ৩১ মার্চ ২০২৬

 

পশ্চিম এশিয়ায় উদ্ভুত পরিস্থিতি প্রেক্ষিতে ভারত সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সুস্থিতি বজায় রাখতে সুসমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা, সামুদ্রিক কার্যক্রমের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং ঐ অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। 

এর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপ :

জ্বালানি সরবরাহ ও জ্বালানি তেলের অবস্থা : 

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে দেশে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং  এলপিজি-র সরবরাহে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি হল :

অশোধিত তেল ও পরিশোধনাগার

    সব পরিশোধনাগারেই পুরোদমে কাজ চলছে। সেগুলিতে অশোধিত তেল, পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। 
* দেশীয় চাহিদা মেটাতে পরিশোধনাগারগুলি থেকে দেশীয় এলপিজি-র উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।

খুচরো বিক্রয়কেন্দ্র

    দেশের সব খুচরো বিপণন কেন্দ্র স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। দেশীয় গ্রাহকদের এর হাত থেকে রক্ষা করতে ভারত সরকার এই ব্যয়ভার নিজে নিয়ে পেট্রোল ও ডিজেলে লিটারপিছু ১০ টাকা করে অন্তঃশুল্ক কমিয়েছে।

* দেশীয় বাজারে যাতে কোনো অভাব না ঘটে সেজন্য ভারত সরকার ডিজেলে লিটারপিছু ২১.৫০ টাকা এবং বিমানের জ্বালানিতে লিটারপিছু ২৯.৫০ টাকা রপ্তানি শুল্ক আরোপ করেছে।

* কিছু এলাকায় গুজবের জন্য আতঙ্কে বেশি কেনাকাটা লক্ষ্য করা গেছে। আবারও জানানো হচ্ছে যে, দেশের সব পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। 

* সরকার আবারও নাগরিকদের গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। রাজ্য সরকারগুলিকে নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলন করে এই বিষয়ে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

প্রাকৃতিক গ্যাস

    গৃহস্থালির পিএনজি এবং পরিবহণের সিএনজি-কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ১০০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। 

* শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সরবরাহের হার প্রায় ৮০ শতাংশ।

* ভারত সরকার সিজিডি-গুলিকে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও ক্যান্টিনের মতো বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিতে পিএনজি সংযোগে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

* বর্তমানে চালু ইউরিয়া কারখানাগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে, যা গত ৬ মাসের গড় ব্যবহারের প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ। এছাড়া অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো এবং রিগ্যাসিফাইড এলএনজি-র ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

· সার কারখানাগুলো সহ সমস্ত শিল্প গ্রাহকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যেন তারা তাদের অতিরিক্ত গ্যাসের প্রয়োজনীয়তার কথা 'স্পট বেসিস' বা তাৎক্ষণিক ভিত্তিতে গ্যাস বিপণন কোম্পানিগুলোকে জানায়, যাতে কোম্পানিগুলো সেই অনুযায়ী গ্যাসের ব্যবস্থা করতে পারে।

· আইজিএল, এমজিএল, গেইল গ্যাস এবং বিপিসিএল-এর মতো সিজিডি কোম্পানিগুলো আবাসিক ও বাণিজ্যিক পিএনজি সংযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ইনসেনটিভের প্রস্তাব দিয়েছে।

· ভারত সরকার রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর সরকার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন সিজিডি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় আবেদনগুলোর অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হয়।

· ভারত সরকার ১৮.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে বাণিজ্যিক এলপিজি-এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে; তবে শর্ত হলো, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোকে এলপিজি থেকে পিএনজি-তে দীর্ঘমেয়াদী রূপান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক একাধিক রাজ্যের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করেছে, যারা সিজিডি নেটওয়ার্কের প্রসারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেই অনুযায়ী, উল্লিখিত রাজ্যগুলোর কয়েকটির জন্য অতিরিক্ত গ্যাস বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে।

· পিএনজিআরবি (পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রক বোর্ড) ২৩.০৩.২০২৬ তারিখের একটি আদেশের মাধ্যমে সমস্ত সিজিডি সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে যে, যেসব স্থানে পাইপলাইন পরিকাঠামো নিকটবর্তী এলাকাতেই বিদ্যমান, সেখানে আবাসিক স্কুল-কলেজ, ছাত্রাবাস, কমিউনিটি কিচেন, অঙ্গনওয়াড়ি রান্নাঘর ইত্যাদিতে পিএনজি সংযোগ প্রদানের লক্ষ্যে তারা যেন ৫ দিনের মধ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়।

· সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক ২৪.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠিতে জানিয়েছে যে, তারা ৩ মাসের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যার আওতায় অনুমোদনের সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে এবং সিজিডি পরিকাঠামো সংক্রান্ত আবেদনগুলোকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।

· ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখের একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোপণ্য সরবরাহকে 'অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫'-এর আওতায় এনেছে। এই আদেশের মাধ্যমে সারা দেশে পাইপলাইন স্থাপন ও সম্প্রসারণের জন্য একটি সুবিন্যস্ত ও সময়সীমা-নির্দিষ্ট কাঠামো প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে অনুমোদন প্রাপ্তি ও জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সৃষ্ট বিলম্বের সমস্যার সমাধান হবে এবং আবাসিক এলাকাগুলো সহ সমগ্র দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস পরিকাঠামোর দ্রুত সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। আশা করা হচ্ছে যে, এটি পিএনজি নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণকে ত্বরান্বিত করবে, 'লাস্ট-মাইল' বা প্রান্তিক সংযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করবে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে উত্তরণকে সহায়তা করবে। এর ফলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুদৃঢ় হবে এবং ভারতের গ্যাস-ভিত্তিক অর্থনীতির অগ্রগতি সাধিত হবে।

· প্রতিরক্ষা মন্ত্রক গত ২৭.০৩.২০২৬ তারিখে লেখা চিঠিতে একটি স্বল্পমেয়াদী নীতিগত সংশোধনী জারি করেছে। এই সংশোধনীটি ৩০.০৬.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিরক্ষা বিভাগের আওতাধীন সকল আবাসিক এলাকা ও ইউনিট লাইনগুলোতে পিএনজি পরিকাঠামো স্থাপনের কাজকে দ্রুততর করা।

· পিএনজিআরবি-এর চেয়ারপার্সন গত ৩০.০৩.২০২৬ তারিখে একটি ভিডিও কনফারেন্স আয়োজন করেন এবং সিজিডি সংস্থাগুলোকে ডি-পিএনজি সংযোগ প্রদানের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। এছাড়া, পিএনজি সম্প্রসারণের গতিধারা বজায় রাখার লক্ষ্যে 'ন্যাশনাল পিএনজি ড্রাইভ ২.০' (যা ০১.০১.২০২৬ থেকে ৩১.০৩.২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল) কর্মসূচির মেয়াদ এখন ৩০.০৬.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

· মার্চ মাসে আবাসিক, বাণিজ্যিক, ছাত্রাবাস, মেস, ক্যান্টিন ইত্যাদি মিলিয়ে মোট ৩.১ লক্ষেরও অধিক সংযোগে গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়েছে। উপরোক্ত সংযোগগুলো ছাড়াও, আরও ২.৭ লক্ষেরও অধিক নতুন সংযোগ প্রদান করা হয়েছে এবং সেগুলোতে গ্যাস সংযোগ স্থাপনের কাজ বর্তমানে চলছে।

এলপিজি

* বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এলপিজি সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে।

গার্হস্থ্য এলপিজি সরবরাহ : 

* এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপ বা বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে এলপিজি ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

* গতকাল শিল্প-ভিত্তিক হিসেবে অনলাইনে এলপিজি সিলিন্ডার বুকিংয়ের হার বেড়ে ৯২ শতাংশে পৌঁছেছে।

* ডিস্ট্রিবিউটর পর্যায়ে এলপিজি অন্য খাতে চলে যাওয়া বা অপব্যবহার রোধ করতে, 'ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড' (ডিএসি)-ভিত্তিক সরবরাহের হার ৫৩ শতাংশ (ফেব্রুয়ারি-২০২৬) থেকে বেড়ে গতকাল পর্যন্ত ৮৩ শতাংশ হয়েছে।

* ১লা মার্চ ২০২৬ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো গড়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষেরও বেশি গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করেছে।

বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ :

* সরকার ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের জন্য আংশিক বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ (২০ শতাংশ) পুনরায় চালু করেছে। এছাড়া, ভারত সরকার ১৮.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে, পিএনজি  নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে 'ব্যবসা করার সহজতা' সংক্রান্ত সংস্কারের ভিত্তিতে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

* ভারত সরকার ২১.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে রাজ্যগুলোর জন্য আরও ২০ শতাংশ বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ অনুমোদন করেছে। এর ফলে মোট বরাদ্দের পরিমাণ বেড়ে ৫০ শতাংশে দাঁড়াবে (যার মধ্যে পিএনজি সম্প্রসারণ সংস্কার-ভিত্তিক ১০ শতাংশ বরাদ্দও অন্তর্ভুক্ত)। এই অতিরিক্ত ২০ শতাংশ বরাদ্দ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে রেস্তোরাঁ, ধাবা, হোটেল, শিল্প-কারখানার ক্যান্টিন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ/ডেয়ারি শিল্প, রাজ্য সরকার বা স্থানীয় সংস্থা পরিচালিত ভর্তুকিযুক্ত ক্যান্টিন/খাদ্য বিক্রয় কেন্দ্র, কমিউনিটি কিচেন এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার—ইত্যাদি খাতে প্রদান করা হবে।

* ভারত সরকার ২৭.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে বাণিজ্যিক এলপিজি খাতে আরও অতিরিক্ত ২০ শতাংশ বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (এর ফলে মোট বাণিজ্যিক বরাদ্দের পরিমাণ সংকট-পূর্ববর্তী সময়ের ৭০ শতাংশে পৌঁছাবে, যার মধ্যে সংস্কার-ভিত্তিক ১০ শতাংশ বরাদ্দও অন্তর্ভুক্ত)। এই অতিরিক্ত ২০ শতাংশ বরাদ্দ শিল্প-কারখানাগুলোর জন্য নির্ধারিত হবে এবং এক্ষেত্রে ইস্পাত, অটোমোবাইল, বস্ত্র, ডাই, রাসায়নিক ও প্লাস্টিক শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর মধ্যে যেসব প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে বিশেষ হিটিং-এর জন্য এলপিজি-র প্রয়োজন হয় সেগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

* ২৩শে মার্চ, ২০২৬ তারিখ থেকে সারা দেশে পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে ৩.২ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়েছে।

* গতকাল পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে ৬৩,০০০-এরও বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়েছে।

* অধিকাংশ রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারত সরকারের নির্দেশিকা মেনে নন-ডোমেস্টিক এলপিজি বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে। ১৪ই মার্চ, ২০২৬ তারিখ থেকে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের বাণিজ্যিক সংস্থাগুলি মোট ৪৭,৯২৮ মেট্রিক টন এলপিজি সংগ্রহ করেছে।

কেরোসিন

· সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত হিসেবে আরও ৪৮,০০০ কিলোলিটার কেরোসিন বরাদ্দ করা হয়েছে।

· ভারত সরকার গত ২৯.০৩.২০২৬ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বর্তমানে পিডিএস এসকেও (রেশন ব্যবস্থার কেরোসিন) বিতরণ করা হয় না, সেখানে শুধুমাত্র রান্নাবান্না ও আলোকসজ্জার উদ্দেশ্যে পিডিএস এসকেও বিতরণের ব্যবস্থা করেছে।

· প্রতিটি জেলায় সর্বাধিক দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থা-র সার্ভিস স্টেশনে (অগ্রাধিকার ভিত্তিতে, যেগুলি 'কোম্পানি মালিকানাধীন ও কোম্পানি পরিচালিত') ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত পিডিএস এসকেও মজুত রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

· প্রতিটি জেলায় এই নির্দিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থা-র সার্ভিস স্টেশনগুলিকে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন কর্তৃক মনোনীত করা হবে।

· ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এসকেও বরাদ্দের আদেশ জারি করেছে। এছাড়া, হিমাচল প্রদেশ ও লাদাখ জানিয়েছে যে, তাদের রাজ্যে/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বর্তমানে এসকেও-র কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের ভূমিকা

· ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন এবং ২০০০ সালের এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশ অনুসারে, রাজ্য সরকারসমূহকে যেকোনো প্রকার মজুতদারি এবং কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসমূহের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের সরকারগুলোকে একটি মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। ভারত সরকার একাধিক চিঠির মাধ্যমে এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এই বিষয়টি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

· সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিবগণ, অতিরিক্ত মুখ্য সচিব/প্রধান সচিব/খাদ্য ও অসামরিক সরবরাহ দপ্তরের সচিবগণকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পালনের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে—

Ø রাজ্য/জেলা স্তরে দৈনিক সংবাদ সম্মেলনের ব্যবস্থাটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং নিয়মিত জন-বিজ্ঞপ্তি জারি করা।

Ø বিশেষ কন্ট্রোল রুম/হেল্পলাইন স্থাপন করা।

Ø সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভুয়া খবর/বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর সক্রিয়ভাবে নজরদারি করা এবং সেগুলোর মোকাবিলা করা।

Ø জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দৈনিক অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় রেখে তল্লাশি ও পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

Ø নিজ নিজ রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অভ্যন্তরে বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দের আদেশ জারি করা।

Ø রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত এসকেও-এর বরাদ্দের আদেশ জারি করা।

Ø সিজিডি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজকে দ্রুততর করা; যার মধ্যে 'রাইট অফ ওয়ে'/'রাইট অফ ইউজ' সংক্রান্ত অনুমতিপত্র এবং ২৪ ঘণ্টা কাজ করার অনুমতির বিষয়গুলো ত্বরান্বিত করা অন্তর্ভুক্ত।

Ø পিএনজি-এর ব্যবহার এবং বিকল্প জ্বালানির প্রচারে সহায়তা করা।

Ø পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সাথে সমন্বয়সাধনের জন্য উচ্চপদস্থ নোডাল অফিসারদের মনোনীত করা।

· ভারত সরকার গত ২৭.০৩.২০২৬ তারিখের একটি চিঠির মাধ্যমে পুনরায় সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিবদের অনুরোধ জানিয়েছে যেন তাঁরা দৈনিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া/ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে হালনাগাদ তথ্য প্রদান করেন—যাতে সঠিক তথ্য প্রচার করা যায় এবং গুজব ছড়ানো বন্ধ করা যায়।

· বর্তমানে ১৬টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—যথা অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ওড়িশা, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, তামিলনাড়ু এবং অরুণাচল প্রদেশ — দৈনিক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করছে।

প্রয়োগমূলক পদক্ষেপ

· এলপিজি-র মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল ৩,০০০-এরও বেশি অভিযান চালানো হয়েছে এবং ৫০০-টিরও বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

· সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখা এবং কোনো প্রকার মজুতদারি বা কালোবাজারির ঘটনা ঘটছে কি না তা যাচাই করতে, রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা গতকাল সারা দেশজুড়ে ১,২০০-টিরও বেশি রিটেইল আউটলেট এবং এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপে আকস্মিক পরিদর্শন চালিয়েছেন।

· রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো এ পর্যন্ত এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপগুলোকে ৫৪০-টিরও বেশি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে।

অন্যান্য সরকারি পদক্ষেপ

· যুদ্ধের এই পরিস্থিতি সত্ত্বেও, সরকার গার্হস্থ্য এলপিজি এবং পিএনজি-কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও উচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে।

· সরকার ইতিমধ্যেই সরবরাহ ও চাহিদা — উভয় ক্ষেত্রেই বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়িত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শোধনাগারের উৎপাদন বৃদ্ধি; শহরাঞ্চলে এলপিজি বুকিংয়ের মধ্যবর্তী ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে তা ৪৫ দিন পর্যন্ত করা এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার প্রদান করা।

· এলপিজি-র চাহিদার ওপর চাপ কমাতে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন ও কয়লার মতো বিকল্পগুলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

· কয়লা মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ‘কোল ইন্ডিয়া’ এবং ‘সিঙ্গারেনি কোলিয়ারিজ’-কে নির্দেশ জারি করেছে, যাতে তারা ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং অন্যান্য শ্রেণীর গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে রাজ্যগুলোকে অধিক পরিমাণে কয়লা সরবরাহ করে।

· রাজ্যগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যেন তারা গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক — উভয় শ্রেণীর গ্রাহকদের জন্যই নতুন পিএনজি সংযোগ প্রাপ্তির প্রক্রিয়াটি সহজতর করে তোলে।

জনসাধারণের জন্য পরামর্শ

· পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-র পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই পেট্রোল ও ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে এবং এলপিজি বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা বা বুকিং করা থেকে বিরত থাকুন।

· গুজব সম্পর্কে সতর্ক থাকুন এবং সঠিক তথ্যের জন্য কেবল সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সূত্রের ওপরই নির্ভর করুন।

· এলপিজি-র ক্ষেত্রে নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ —

Ø বুকিংয়ের জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করুন।

Ø এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর বা সরবরাহকারীদের দপ্তরে সশরীরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

· নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ, তাঁরা যেন বিকল্প জ্বালানি — যেমন পিএনজি, ইন্ডাকশন বা বৈদ্যুতিক কুকটপ ইত্যাদি ব্যবহার করেন।

· বর্তমান পরিস্থিতিতে, সকল নাগরিকের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে, তাঁরা যেন তাঁদের দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে শক্তি বা জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত কার্যক্রম

বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রক জানিয়েছে যে এই অঞ্চলে চলাচলকারী ভারতীয় জাহাজ এবং নাবিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী :

· বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রক সামুদ্রিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি জাহাজ চলাচল, বন্দরের কার্যক্রম এবং ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

· এই অঞ্চলে অবস্থানরত সকল ভারতীয় নাবিক নিরাপদে আছেন। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতীয় পতাকাবাহী কোনো জাহাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

· পশ্চিম পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় পতাকাবাহী ১৮টি জাহাজ অবস্থান করছে, যেগুলোতে ৪৮৫ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। 'ডিজি শিপিং' — জাহাজ মালিক, আরপিএসএল সংস্থা এবং বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলোর সাথে সমন্বয় রেখে সক্রিয়ভাবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

· 'ডিজি শিপিং'-এর কন্ট্রোল রুম ২৪ ঘণ্টাই সচল রয়েছে এবং চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তারা ৪৬৯৯টি ফোন কল ও ৯৩৬৪টি ই-মেলের জবাব দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৪৪টি ফোন কল এবং ২৯০টি ই-মেল গ্রহণ করা হয়েছে।

· 'ডিজি শিপিং' এ পর্যন্ত ৯৫৯ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিকের নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করেছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জন ফিরে এসেছেন।

· সমগ্র ভারত জুড়ে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও কোনো যানজট বা স্থবিরতা নেই। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির 'স্টেট মেরিটাইম বোর্ড'গুলো বন্দরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

· নাবিকদের কল্যাণ এবং সামুদ্রিক কার্যক্রম অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে বন্দর ও জাহাজ চলাচল মন্ত্রক নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদেশ মন্ত্রক, বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনসমূহ এবং সামুদ্রিক ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সাথে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করে চলেছে।

এই অঞ্চলে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা

এই অঞ্চলে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে এবং তাঁদের নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান ও সতর্কতামূলক নির্দেশিকা জারি করা হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রক কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী:

· প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন-এর সাথে কথা বলেছেন এবং ভারত-নেদারল্যান্ডস সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সেমি-কন্ডাক্টর, বৃহৎ জল প্রকল্প, সবুজ হাইড্রোজেন এবং মেধা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করেছেন। উভয় নেতাই পশ্চিম এশিয়া পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এবং সেখানে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

· বিদেশ মন্ত্রক উপসাগরীয় এবং পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের ঘটনাবলির ওপর নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। সেখানে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং কল্যাণই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

· এ কাজের জন্য নির্ধারিত বিশেষ কন্ট্রোল রুমটি সর্বক্ষণ সচল রয়েছে। তথ্য আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের সমন্বয়ের লক্ষ্যে মন্ত্রক বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে।

· এই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত ভারতীয় মিশন ও দপ্তরগুলো দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে যাচ্ছে। তারা ২৪ ঘন্টার হেল্পলাইন পরিচালনা করছে এবং সেখানে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়, বিভিন্ন সমিতি, সংগঠন ও কোম্পানিগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী ভ্রমণ নির্দেশিকা বা পরামর্শ নিয়মিতভাবে জারি করা হচ্ছে।

· ভারতীয় মিশনগুলো স্থানীয় সরকারগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে এবং নাবিক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা সংক্রান্ত সহায়তা, কনস্যুলার পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক বা আনুষঙ্গিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

· গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ অঞ্চল থেকে প্রায় ৫,৭২,০০০ যাত্রী ভারতে ফিরে এসেছেন।

Ø সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে আজ প্রায় ৮৫টি বিমান চলাচল করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরিচালনগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সীমিত সংখ্যক অ-নির্ধারিত বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

Ø ওমান এবং সৌদি আরব থেকে ভারতে বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

Ø কাতারের আকাশপথ আংশিকভাবে উন্মুক্ত থাকায়, আজ সেখান থেকে ভারতে প্রায় ৮-১০টি অ-নির্ধারিত বাণিজ্যিক বিমান আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

Ø কুয়েত এবং বাহরিনের আকাশপথ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দর থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে বিশেষ অ-নির্ধারিত বাণিজ্যিক বিমানগুলো চলাচল করছে।

Ø ইরানের আকাশপথ বন্ধ থাকার কারণে, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্য দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Ø ইজরায়েলের আকাশপথে আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে, মিশর এবং জর্ডানের মধ্য দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

Ø ইরাকের আকাশপথ বন্ধ থাকার কারণে, জর্ডান এবং সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে আসা হচ্ছে।  

 

SC/SD/DM


(রিলিজ আইডি: 2247370) ভিজিটরের কাউন্টার : 13