অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এর প্রধান বিষয়সমূহ

प्रविष्टि तिथि: 01 FEB 2026 1:08PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

বিভাগ-ক 

কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ আজ সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের সাধারণ বাজেট পেশ করেছেন। বাজেটের প্রধান বিষয়গুলি হল : 

কর্তব্য ভবনে তৈরি প্রথম বাজেট তিনটি কর্তব্যের দ্বারা প্রাণিত: 

    প্রথম কর্তব্য হল উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সুস্থিত অর্থনৈতিক বিকাশের গতি বাড়ানো এবং অনিশ্চিত বিশ্ব পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন। 

    দ্বিতীয় কর্তব্য হল সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রগতির পথে ভারতের যাত্রায় তাঁদের মজবুত অংশীদার করে নেওয়া। 

    তৃতীয় কর্তব্য হল, সবকা সাথ, সবকা বিকাশ ভাবনার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে প্রতিটি পরিবার, গোষ্ঠী, অঞ্চল এবং ক্ষেত্র যাতে সম্পদ, সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনার নাগাল পায় এবং তাতে অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ করতে পারে, তা সুনিশ্চিত করা। 

বাজেট অনুমান

    ঋণ বহির্ভূত জমা এবং মোট খরচের অনুমান যথাক্রমে ৩৬,৫ লক্ষ কোটি এবং ৫৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা। কেন্দ্রের কর বাবদ মোট আয় আনুমানিক ২৮.৭ লক্ষ কোটি টাকা। 

    বাজার থেকে নেওয়া মোট ঋণ আনুমানিক ১৭.২ লক্ষ কোটি টাকা এবং সিকিউরিটি থেকে আনুমানিক ১১.৭ লক্ষ কোটি টাকা। 

    ঋণ বহির্ভূত জমার সংশোধিত অনুমান ৩৪ লক্ষ কোটি টাকা, এর মধ্যে কেন্দ্রের কর বাবদ নেট আয় ২৬.৭ লক্ষ কোটি টাকা। 

    মোট আনুমানিক সংশোধিত ব্যয় ৪৯.৬ লক্ষ কোটি টাকা, এর মধ্যে মূলধনী ব্যয় প্রায় ১১ লক্ষ কোটি টাকা।  

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে আনুমানিক রাজকোষ ঘাটতি জিডিপি-র ৪.৩ শতাংশ। 

    ২০২৫-২৬ সালের সংশোধিত অনুমানে রাজকোষ ঘাটতির পরিমাণ ২০২৫-২৬ সালের বাজেট অনুমানের সমান, জিডিপি-র ৪.৪ শতাংশ। 

    ২০২৬-২৭ সালের বাজেট অনুমান অনুসারে ঋণ-জিডিপি অনুপাত জিডিপি-র ৫৫.৬%, ২০২৫-২৬-এর সংশোধিত অনুমানে এই হার ছিল ৫৬.১%। 

প্রথম কর্তব্য- সুস্থিত অর্থনৈতিক বিকাশের গতিবৃদ্ধি এবং এর লক্ষ্যে ৬টি উদ্যোগের প্রস্তাব 

১. ৭টি কৌশলগত ও প্রথম সারির ক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি

i.    বায়োফার্মা SHAKTI (Strategy for Healthcare Advancement through Knowledge, Technology and Innovation)-এর ঘোষণা, ভারতকে বিশ্বজনীন বায়োফার্মা ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত করার লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের জন্য ১০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। 

a.    ৩টি নতুন National Institutes of Pharmaceutical Education and Research (NIPER)-কে নিয়ে বায়োফার্মা ভিত্তিক নেটওয়ার্ক গঠন এবং ৭টি বর্তমান NIPER –এর উন্নয়ন।

b.    ১০০০-এরও বেশি অনুমোদিত ইন্ডিয়া ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক গঠন 

২. ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM) ২.০ চালু করার প্রস্তাব। এর লক্ষ্য হল, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে শিল্প মহলের নেতৃত্বাধীন গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, এই সংক্রান্ত সরঞ্জাম ও উপাদানের উৎপাদন, ফুল স্ট্যাক ইন্ডিয়ান আইপি-র ডিজাইন এবং সরবরাহ শৃঙ্খল স্থাপন। 

৩. ইলেক্ট্রনিক্স সরঞ্জাম উৎপাদন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪০,০০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব। 

৪. খনিজ সমৃদ্ধ ওড়িশা, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাডু়তে বিরল খনিজের উত্তোলন, প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা ও উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে সুনির্দিষ্ট বিরল খনিজ করিডর স্থাপনের প্রস্তাব।

৫. ক্লাস্টার ভিত্তিক প্লাগ অ্যান্ড প্লে মডেলে রাজ্যগুলিকে সহায়তার জন্য ৩টি সুনির্দিষ্ট কেমিক্যাল পার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে প্রকল্পের প্রস্তাব।

৬. মূলধনী দ্রব্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি

    সিপিএসইগুলি দুটি জায়গায় হাইটেক টুল রুম গড়ে তুলবে। 

    নির্মাণ ও পরিকাঠামো সরঞ্জামের দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে একটি প্রকল্পের প্রস্তাব

    বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতার জন্য দেশীয় কন্টেনার উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে একটি প্রকল্পের প্রস্তাব, এজন্য আগামী ৫ বছরে ১০,০০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ। 

৭. বস্ত্র ক্ষেত্রের জন্য সুসমন্বিত কর্মসূচির ঘোষণা

a.    রেশম, পশম, পাট, মানুষের তৈরি ফাইবার এবং নতুন যুগের ফাইবারের মতো প্রাকৃতিক ফাইবারে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে জাতীয় ফাইবার প্রকল্পের ঘোষণা।

b.    ঐতিহ্যবাহী ক্লাস্টারগুলির আধুনিকীকরণের জন্য মেশিনপত্র ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে মূলধনী সহায়তা এবং সাধারণ পরীক্ষা ও শংসা কেন্দ্র গড়ে তুলতে একটি প্রকল্পের প্রস্তাব।

    মেগা টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব
    খাদি, তাঁত ও হস্তশিল্পের উন্নয়নে মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ উদ্যোগের প্রস্তাব

a.    এর আওতায় বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হবে, ব্র্যান্ডিং, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা অর্জন, প্রক্রিয়ার মানোন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহায়তা করা হবে।

২. ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্ষেত্রের পুনরুজ্জীবন

    ২০০টি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টারের পুনরুজ্জীবন, তাদের ব্যয় হ্রাস এবং পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

৩. ‘চ্যাম্পিয়ন এসএমই’ গড়ে তোলা এবং ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলিকে সহায়তা

    ১০,০০০ কোটি টাকার একটি এসএমই বিকাশ তহবিলের প্রস্তাব
    ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলির সহায়তায় সেল্ফ রিলায়েন্ট ইন্ডিয়া ফান্ডে আরও ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব
    আইসিএআই, আইসিএসআই, আইসিএনএআই-এর মতো পেশাদার প্রতিষ্ঠানগুলি যাতে স্বল্প মেয়াদী বাস্তব ভিত্তিক পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করে বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরগুলিতে ‘কর্পোরেট মিত্র’ শীর্ষক একটি বাহিনী গড়ে তুলতে পারে, সেজন্য সরকারি সহায়তার প্রস্তাব।

৪. পরিকাঠামোয় জোর

    সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে বাড়িয়ে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা করার প্রস্তাব
    বেসরকারি ডেভেলপারদের আস্থা বাড়াতে পরিকাঠামো ঝুঁকি সুনিশ্চয়তা তহবিল গঠনের প্রস্তাব।
    সুনির্দিষ্ট REIT স্থাপনের মাধ্যমে CPSEগুলির রিয়েল এস্টেট সম্পদ পুনর্ব্যবহারের গতি বৃদ্ধির প্রস্তাব।
    পরিবেশ বান্ধব পণ্য পরিবহণকে উৎসাহ দিতে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

a.    পূর্বের ডানকুনি থেকে পশ্চিমে সুরাট পর্যন্ত নতুন সুনির্দিষ্ট পণ্য পরিবহণ করিডর স্থাপন।
b.    আগামী ৫ বছরে ২০টি নতুন জাতীয় জলপথ চালু করা হবে। এর সূচনা হবে ওড়িশার জাতীয় জলপথ-৫ থেকে, এটি তালচের ও আঙ্গুল-এর মতো খনিজ সমৃদ্ধ এলাকা এবং কলিঙ্গ নগরের মতো শিল্প কেন্দ্রের সঙ্গে পারাদ্বীপ ও ধামরা বন্দরকে যুক্ত করবে। 

    প্রয়োজনীয় শ্রমশক্তির জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। 
    অভ্যন্তরীণ জলপথ ব্যবহার করা যানবাহনগুলির মেরামতির সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা হবে বারাণসী ও পাটনায়।

c.    রেল ও সড়কের বদলে অভ্যন্তরীণ জলপথ দিয়ে যাতে পণ্য চলাচল বাড়ে সেজন্য একটি উপকূলীয় পণ্য পরিবহণ প্রসার প্রকল্প চালু করা হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে পণ্য পরিবহণে অভ্যন্তরীণ জলপথের ভাগ ৬% থেকে বাড়িয়ে ১২% করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। 

    দেশীয় প্রযুক্তিতে সিপ্লেন তৈরি এবং পর্যটনকে উৎসাহ দিতে আর্থিক সহায়তা

a.    চালু করা হবে সিপ্লেন ভিজিএফ প্রকল্প

৫. দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি সুরক্ষা ও সুস্থিতি সুনিশ্চিত করার লক্ষ্য

    Carbon Capture Utilization and Storage (CCUS) প্রযুক্তির জন্য আগামী ৫ বছরে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। 

৬. শহরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা

    শহরভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ বছরের জন্য ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 
    সরকার পরিবেশ বান্ধব, সুস্থিত যাত্রী পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে শহরগুলির মধ্যে ৭টি হাইস্পিড রেল করিডর গড়ে তুলবে। এগুলি হল

১. মুম্বাই-পুণে 
২. পুণে-হায়দ্রাবাদ
৩. হায়দ্রাবাদ-বেঙ্গালুরু
৪. হায়দ্রাবাদ-চেন্নাই
৫. চেন্নাই-বেঙ্গালুরু
৬. দিল্লি-বারাণসী
৭. বারাণসী-শিলিগুড়ি

    ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের সামগ্রিক পর্যালোচনা এবং ভারতের পরবর্তী পর্যায়ের বিকাশের সঙ্গে একে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিকশিত ভারতের ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত উচ্চস্তরীয় কমিটি গঠন করবে। এই কমিটি আর্থিক সুস্থিতি, অন্তর্ভুক্তিকরণ ও গ্রাহক সুরক্ষার ওপরও নজর রাখবে।

    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন এবং রুরাল ইলেক্ট্রিফিকেশন কর্পোরেশনের পুনর্গঠন করবে।

    বিদেশী বিনিয়োগকে উৎসাহ দিতে বিদেশী মুদ্রা ব্যবস্থাপনা (ঋণ বহির্ভূত) সংক্রান্ত বিধির সার্বিক পর্যালোচনা করা হবে। 

মিউনিসিপ্যাল বন্ড

    বড় বড় শহরগুলিতে বেশি টাকার মিউনিসিপ্যাল বন্ড জারিতে উৎসাহ দিতে ১০০০ কোটি টাকার বেশি অঙ্কের বন্ডের ক্ষেত্রে ১০০ কোটি টাকার আর্থিক উৎসাহদানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয় কর্তব্য- সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি

    বিকশিত ভারতের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিষেবা ক্ষেত্রকে যাতে তুলে আনা যায়, সেজন্য সরকার এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ শীর্ষক একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্থায়ী কমিটি গঠন করবে। এই কমিটি এ সংক্রান্ত নানা পরামর্শ দেবে। 
বিকশিত ভারতের জন্য পেশাদার সৃষ্টি

    সহযোগী স্বাস্থ্য পেশাদারদের জন্য বর্তমান প্রতিষ্ঠানগুলির উন্নয়ন ঘটানো হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে এই সংক্রান্ত নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে। 

a.    আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১ লক্ষ সহযোগী স্বাস্থ্য পেশাদার গড়ে তোলা হবে

    ভারতকে মেডিক্যাল পর্যটন পরিষেবার হাবে পরিণত করার লক্ষ্যে ৫টি আঞ্চলিক মেডিক্যাল হাব স্থাপন করা হবে

আয়ুষ

৩টি নতুন অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ আর্য়ুবেদ গড়ে তোলা হবে

পশুপালন

    সরকার পশু সংক্রান্ত পেশাদারদের সংখ্যা আরও ২০,০০০ বাড়াতে চায়

a.    বেসরকারি ক্ষেত্রে ভেটেরেনারি ও প্যারা ভেট কলেজ, ভেটেরেনারি হাসপাতাল, ডায়গনস্টিক ল্যাবরেটরি এবং প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য ঋণ ভিত্তিক মূলধনী ভর্তুকি সহায়তা প্রকল্প চালুর প্রস্তাব।

অরেঞ্জ ইকোনমি

    ১৫,০০০ মাধ্যমিক স্কুল ও ৫০০টি কলেজে ভিস্যুয়াল এফেক্স, গেমিং অ্যান্ড কমিক্স (AVGC) কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব স্থাপনের জন্য ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিস মুম্বাইকে সহায়তা করা হবে।

শিক্ষা

    বড় বড় শিল্প ও লজিস্টিক করিডরের কাছাকাছি ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় টাউনশিপ গড়ে তোলা হবে। 

a.    প্রতি জেলায় একটি করে মেয়েদের হস্টেল স্থাপনের জন্য মূলধনী সহায়তা দেওয়া হবে।

পর্যটন

    National Council for Hotel Management and Catering Technology-কে National Institute of Hospitality –তে উন্নীত করা হবে।

a.    ২০টি পর্যটন স্থলের ১০,০০০ গাইডের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আইআইএম-এর সহযোগিতায় ১২ সপ্তাহের একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে।
b.    সাংস্কৃতিক, আধ্যাত্মিক ও ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলির ডিজিটাল নথিবদ্ধকরণের জন্য একটি National Destination Digital Knowledge Grid স্থাপন করা হবে।

ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক পর্যটন 

    লোথাল, ঢোলাভিরা, রাখিগারহি, আদিচানাল্লুর, সারনাথ, হস্তিনাপুর, লে প্যালেসের মতো ১৫টি পুরাতাত্ত্বিক স্থানকে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে। 

খেলাধুলা

    আগামী দশকে ক্রীড়া ক্ষেত্রের সম্পূর্ণ রূপান্তরের লক্ষ্যে খেলো ইন্ডিয়া মিশন চালু করা হবে। 

তৃতীয় কর্তব্য- সবকা সাথ, সবকা বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রয়াস চালানো হবে

১. কৃষকদের আয় বৃদ্ধি

    নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে

a.    ৫০০টি জলাধার ও অমৃত সরোবরের সুসমন্বিত উন্নয়নে 

উচ্চমূল্যের কৃষি

    সরকার উচ্চমূল্যের ফসলকে সহায়তা করবে:

a.    উপকূলীয় এলাকায় নারকেল, চন্দন, কোকো ও কাজু
b.    উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নারকেল প্রসার প্রকল্প চালু করা হবে

ভারত-বিস্তার

    সরকার ভারত-বিস্তার (Virtually Integrated System to Access Agricultural Resources) শীর্ষক একটি বহুভাষিক এআই সরঞ্জাম চালু করবে। এর লক্ষ্য হল, কৃষি সংক্রান্ত পোর্টাল এবং আইসিএআর-এর প্যাকেজের সঙ্গে এআই সিস্টেমের সংহতি স্থাপন।

২. দিব্যাঙ্গজনদের ক্ষমতায়ন

    তথ্যপ্রযুক্তি, AVGC ক্ষেত্র, এবং আতিথেয়তা ক্ষেত্রে দিব্যাঙ্গজনদের প্রস্তুত করে তুলতে দিব্যাঙ্গজন কৌশল যোজনা চালু করা হবে।

৩. মানসিক স্বাস্থ্য ও উদ্বেগ পরিচর্যার প্রতিশ্রুতি

    সরকার উত্তর ভারতে NIMHANS-2  স্থাপন করবে

a.    সরকার রাঁচি ও তেজপুরের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে আঞ্চলিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করবে।

৪. পূর্বোদয় রাজ্য এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের ওপর বিশেষ নজর 

    সরকার দুর্গাপুরের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সুসমন্বিত পূর্ব উপকূলীয় শিল্প করিডর গড়ে তুলবে, ৫টি পূর্বোদয় রাজ্যে ৫টি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলবে এবং ৪০০০টি ই-বাস চালু করবে।

a.    অরুণাচলপ্রদেশ, সিকিম, অসম, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরায় বুদ্ধ সার্কিটের উন্নয়নে একটি প্রকল্প চালু করা হবে। 

ষোড়শ অর্থ কমিশন

    ষোড়শ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মতো ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের অনুদান বাবদ রাজ্যগুলির জন্য সরকার ১.৪ লক্ষ কোটি টাকার সংস্থান রেখেছে। 

বিভাগ- খ 

প্রত্যক্ষ কর

নতুন আয়কর আইন

    নতুন আয়কর আইন  ২০২৫, এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে
    সরলীকৃত আয়কর বিধি ও ফর্ম সম্পর্কে শীঘ্রই জানানো হবে। সাধারণ মানুষ যাতে সহজে পূরণ করতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রেখে ফর্মগুলির নকশা করা হয়েছে। 

ইজ অফ লিভিং
*যোগ্য প্রাপককে মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেইমস ট্রাইব্যুনালের তরফে যে সুদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, তাতে আয়কর রেহাই মিলবে, এই অ্যাকাউন্টে টিডিএস থাকছে না।
*বিদেশে পর্যটন প্যাকেজ বিক্রির ক্ষেত্রে টিসিএস হার হবে ২ শতাংশ (বর্তমানে ২-২০ শতাংশ)।
*শিক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে এলআরএস রেমিট্যান্সে টিসিএস-এর হার কমে হবে ২ শতাংশ (বর্তমানে ৫ শতাংশ)।
*কর্মী সরবরাহের ক্ষেত্রে টিডিএস প্রণালীর সরলীকরণ শ্রমনিবিড় ক্ষেত্রগুলির পক্ষে সহায়ক হবে।
*কম মাত্রার অথবা শূন্য ডিডাকশন সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি নিয়ম-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চালু হবে, মূল্যায়নকারীর কাছে আবেদন জানানোর ঝামেলা থাকবে না।
*ডিভিডেন্ড, সুদের ক্ষেত্রে টিডিএস-এর জন্য ফর্ম ১৫-জি বা ফর্ম ১৫-এইচ দাখিল ক্ষেত্রে এক জানালা ব্যবস্থা।
*পরিমার্জিত রিটার্ন দাখিল করার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর থেকে বেড়ে হবে ৩১ মার্চ, এক্ষেত্রে সামান্যই মাশুল দিতে হবে।
*ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা।
*এনআরআই-দের সম্পত্তি কেনাবেচা সংক্রান্ত কাজে যেখানে TAN আবশ্যিক ছিল, সেসব ক্ষেত্রে আবাসিক ক্রেতাদের প্যান-ভিত্তিক চালান গ্রাহ্য।
*বিদেশে আয় বা সম্পত্তি সংক্রান্ত খতিয়ান পেশের ক্ষেত্রে ছোট করদাতাদের ছ’মাসের সুযোগ দেওয়া হবে, এই সুবিধা পাওয়া যাবে একবার।

শাস্তিমূলক সংস্থানগুলিকে যুক্তিযুক্ত করা হচ্ছে
*আয়কর সংক্রান্ত মূল্যায়ন এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রণালীর মধ্যে সমন্বয়সাধন।
*পুনর্মূল্যায়নের পরেও করদাতারা নিজেদের রিটার্ন আপডেট করতে পারবেন, এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরে প্রযোজ্য করের হারের তুলনায় অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর বসবে। মামলা-মোকদ্দমা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত।
*আয় সংক্রান্ত তথ্যাদি সঠিকভাবে না দিলে শাস্তির হাত থেকে রেহাই মিলবে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করে।
*আয়কর আইনের আওতায় শাস্তির সংস্থানগুলিকে যুক্তিযুক্ত করা হয়েছে।
*নগদ ব্যতীত অন্য পন্থায় প্রদেয় মেটালে অ্যাকাউন্ট ও নথি, টিডিএস প্রদান প্রভৃতি বিষয়ে উপযুক্ত বিধি না মানার ক্ষেত্রে ফৌজদারি বিধি কার্যকর হবে না।
*বিদেশে স্থাবর সম্পত্তির কথা যদি না জানানো হয় এবং তার মূল্যমান যদি ২০ লক্ষ টাকার কম থাকে, তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এই বিধি পূর্বাপর ভিত্তিতে প্রযোজ্য হবে ০১.১০.২০২৪ থেকে।
সমবায়
*দুধ, তৈলবীজ, শাকসব্জি কিংবা ফল উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রাথমিক সমবায় সমিতিগুলির জন্য ইতিমধ্যেই ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। গবাদি পশুর খাদ্য এবং তুলো উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রাথমিক সমবায় সমিতিগুলিও এবার থেকে এই সুবিধা পাবে।
*নতুন কর কাঠামোয় সদস্যদের মধ্যে ডিভিডেন্ড বিতরণের ক্ষেত্রে আরও কিছু রেহাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
*জাতীয় স্তরে স্বীকৃত সমবায় সংগঠনের প্রাপ্ত ডিভিডেন্ডে তিন বছরের জন্য কর রেহাই। বাণিজ্যিক সংস্থায় তাদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রেহাই মিলবে ৩১.০১.২০২৬ পর্যন্ত। সদস্য সমবায় সংস্থাগুলির মধ্যে আরও ডিভিডেন্ড বিতরণের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে এই সুবিধা।
ভারতের চালিকাশক্তি তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রকে সহায়তা
*সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট পরিষেবা, তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক পরিষেবা, আউটসোর্সিং পরিষেবা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চুক্তিভিত্তিক গবেষণা পরিষেবাকে একটি বর্গেই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে – তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা। এক্ষেত্রে অভিন্ন হার্বার মার্জিন ১৫.৫ শতাংশ।
*আইটি পরিষেবার বিষয়ে সেফ হার্বারের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা ৩০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
*আইটি পরিষেবার বিষয়ে সেফ হার্বার পরিষেবা প্রদানের বিষয়টি অনুমোদিত হবে একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া মারফৎ - যা চলবে টানা পাঁচ বছর।
*আইটি পরিষেবার বিষয়ে ইউনিল্যাটারাল অ্যাডভান্সড প্রাইসিং এগ্রিমেন্ট প্রণালীকে ত্বরান্বিত করা হবে, দু’বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন করা হবে। করদাতার আবেদনের ভিত্তিতে সময়সীমা ছ’মাস বাড়ানো হতে পারে।
*অ্যাডভান্সড প্রাইসিং এগ্রিমেন্টে নতুন সামিল হওয়া সংস্থাগুলি রিটার্নের ক্ষেত্রে যে সুবিধা পায়, তা তাদের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিও পাবে।
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ
*ভারতের পরিষেবা কেন্দ্র ব্যবহার করে যেসব বিদেশি সংস্থা সারা বিশ্বে ক্লাউড পরিষেবা দিয়ে থাকে, তাদের জন্য ২০৪৭ পর্যন্ত ট্যাক্স হলিডে।
*সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক সংস্থাটি যদি সম্পর্কযুক্ত কোনো সংস্থা হয়, তাহলে ব্যয়ের ক্ষেত্রে সেফ হার্বার খাতে ১৫ শতাংশ দেওয়া হবে।
*বন্ডেড ওয়্যারহাউজে যন্ত্রাংশ মজুত রাখায় অনাবাসীদের সেফ হার্বার খাতে ইনভয়েসের মূল্যের ২ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হবে। এর ফলে করের হার ০.৭ শতাংশ কমবে।
*নির্দিষ্ট অঞ্চলে উৎপাদনকারীদের মূলধনী পণ্য রপ্তানিকারক অনাবাসীদের ৫ বছরের জন্য আয়কর রেহাই।
*অনাবাসী বিশেষজ্ঞরা ৫ বছরের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রকল্পে পরামর্শ প্রদানের জন্য কর সংক্রান্ত সুবিধা পাবেন।
*আগাম ভিত্তিতে যে অনাবাসীরা কর দিয়ে থাকেন তাঁরা ন্যূনতম পরিবর্ত করের হাত থেকে রেহাই পাবেন।
কর প্রশাসন
*বাণিজ্য মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের একটি যৌথ কমিটি গড়ে তোলা হবে। ইন্ডিয়ান কম্পিউটেশন অ্যান্ড ডিসক্লোজার স্ট্যান্ডার্ডস (আইসিডিএস) এবং ইন্ডিয়ান অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস-এর চাহিদা পূরণের জন্য। ২০২৭-২৮ থেকে আইসিডিএস-এর আলাদা হিসাবনিকাশ দরকার হবে না।
*সেলফ হার্বার বিধির আওতায় অ্যাকাউন্ট্যান্টের সংজ্ঞা পরিমার্জিত হবে।
কর সংক্রান্ত অন্যান্য প্রস্তাব
*ছোট শেয়ার বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় যে কোনো শেয়ারের বাইব্যাকের ক্ষেত্রে কর প্রযোজ্য হবে মূলধনী লাভের ভিত্তিতে।
*প্রোমোটাররা বাড়তি বাইব্যাক ট্যাক্স দেবেন, কর্পোরেট প্রোমোটারদের ক্ষেত্রে করের কার্যকর হার হবে ২২ শতাংশ, নন-কর্পোরেট প্রোমোটারদের ক্ষেত্রে হবে ৩০ শতাংশ। 
*অ্যালকোহলযুক্ত লিকার, ছাঁট এবং খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে বিক্রেতাদের প্রদেয় টিসিএস হার যুক্তিযুক্ত করা হচ্ছে – তা দাঁড়াবে ২ শতাংশে। বিড়ির পাতার ক্ষেত্রে তা ৫ থেকে কমে ২ শতাংশ হবে।
*ফিউচারের ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্সের হার বর্তমানের ০.২ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ০.০৫ শতাংশ। অপশনস প্রিমিয়াম এবং এক্সারসাইজ অফ অপশনস-এর ক্ষেত্রে তা যথাক্রমে ০.১ শতাংশ এবং ০.১২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ০.১৫ শতাংশ হবে।
*বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিকে নতুন কর কাঠামো গ্রহণে উৎসাহিত করতে ন্যূনতম পরিবর্ত কর বাবদ প্রাপ্য নতুন কর কাঠামোতেও প্রযোজ্য হবে। নতুন কাঠামোয় কর সংক্রান্ত দায়বদ্ধতার এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত আগের কাঠামোয় প্রাপ্ত ন্যূনতম পরিবর্ত কর সংক্রান্ত সুবিধা প্রয়োগ করা যাবে।
*ন্যূনতম পরিবর্ত করকেই চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬-এর পরের থেকে আর ক্রেডিট জমবে না। চূড়ান্ত এই করের হার হবে ১৪ শতাংশ – যা ন্যূনতম পরিবর্ত করের হার ১৫ শতাংশের থেকে কম। ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া ন্যূনতম পরিবর্ত কর সংক্রান্ত সুবিধা নতুন কর কাঠামোয় ব্যবহার করা যাবে কর সংক্রান্ত রেহাইয়ের জন্য।

পরোক্ষ করসমূহ:
শুল্কের সরলীকরণ
সামুদ্রিক, চর্ম ও বস্ত্রসামগ্রী:

*রপ্তানীর জন্য সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত দ্রব্যের শুল্কমুক্ত আমদানীর ক্ষেত্রে ‘ফ্রি অন বোর্ড’ – এর মূল্যের ক্ষেত্রে বর্তমানের ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। 

*চর্ম বা সিন্থেটিক জুতো রপ্তানীর ক্ষেত্রে বর্তমানের সুনির্দিষ্ট দ্রব্যের উপর শুল্ক মুক্ত আমদানী ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

শক্তি ও সুরক্ষা:

*ব্যাটারির জন্য লিথিয়াম আয়ন সেল তৈরিতে ব্যবহৃত মূলধনী পণ্যের ক্ষেত্রে বেসিক কাস্টমস ডিউটি ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি।

*সৌরগ্লাস তৈরিতে ব্যবহৃত সোডিয়াম অ্যান্টিমোনেট আমদানীর উপর বেসিক কাস্টমস ডিউটি ছাড় এওয়া হবে। 

পরমাণু শক্তি:

*২০৩৫ সাল পর্যন্ত পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর রপ্তানীর ক্ষেত্রে বর্তমানের বেসিক কাস্টমস ডিউটি ছাড়ের সময়সীমা বাড়ানোর হবে। 

বিরল ধাতুসমূহ:

*বিরল ধাতুর প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত মূলধনী পণ্যের উপর বেসিক কাস্টমস ডিউটির ছাড় দেওয়া হবে। 


বায়োগ্যাস মিশ্রিত সিএনজি:

*বায়োগ্যাস মিশ্রিত সিএনজি’র উপর প্রদেয় সেন্ট্রাল এক্সাইজ ডিউটির ক্ষেত্রে বায়োগ্যাসকে পুরোপুরি বাধ দেওয়া হবে। 

অসামরিক ও প্রতিরক্ষা উড়ান:

*অসামরিক, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য বিমান তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে বেসিক কাস্টমস ডিউটি ছাড় দেওয়া হবে। 

ইলেক্ট্রনিক্স:

*মাইক্রোওয়েভ ওভেন তৈরিতে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে বেসিক কাস্টমস্‌ ডিউটি ছাড় দেওয়া হবে। 

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:

*অভ্যন্তরীণ শুল্ক ক্ষেত্রে (ডিটিএ) এসইজেড – এর উৎপাদন ইউনিটগুলিতে বিক্রি বাড়াতে এককালীন বিশেষ পদক্ষেপ হিসেবে সুবিধাজনক হারে কর ছাড়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 

জীবনযাত্রার সরলীকরণ:

*ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহৃত করযোগ্য সমস্ত সামগ্রীর শুল্কের হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হবে।।
*১৭টি ওষুধে বেসিক কাস্টমস ডিউটিতে ছাড় মিলবে। 
*আরও ৭টি বিরল রোগের ক্ষেত্রে ওষুধ ও খাদ্যে ব্যক্তিগত রপ্তানীতে পুরোপুরি শুল্কের ছাড় পাওয়া যাবে। 

কাস্টমস প্রক্রিয়ার সরলীকরণ:

*পণ্যের দ্রুত চলাচলের লক্ষ্যে কাস্টম প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ ন্যূনতম করা হবে। 

আস্থা-ভিত্তিক ব্যবস্থা:

*টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ স্বীকৃত আর্থিক অপারেটরদের (এইও) ক্ষেত্রে কর বিলম্বিতকরণের সময়সীমা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে। উৎপাদক – রপ্তানীকারকদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা প্রযোজ্য।

*কাস্টমস – এর নিয়মবিধির ক্ষেত্রে বৈধতার সময়সীমা বর্তমানের ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর করা হবে। 

ব্যবসার সরলীকরণ:

*এক জানালা এবং আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল জানালার মাধ্যমে আর্থিক বছরের শেষে পণ্যের ছাড়পত্র সংক্রান্ত অনুমোদন নিরবচ্ছিন্নভাবে সম্পন্ন করবে বিভিন্ন সরকারি এজেন্সি। 

*খাদ্য, ওষুধ, উদ্ভিদ, প্রাণী ও বন্যপ্রাণের সঙ্গে যুক্ত সামগ্রীর ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা এপ্রিল, ২০২৬ – এর মধ্যেই চালু করা হবে। 

*যেসব পণ্যের ক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতা নেই, সেগুলিতে রপ্তানীকারকের অনলাইন নথিভুক্তির পরপরই কাস্টমস থেকে ছাড়পত্র মিলবে। 

রপ্তানীতে নতুন সুযোগ-সুবিধা:

*এক্সক্লুসিভ ইকনোমিক জোন বা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ভারতীয় জাহাজগুলিকে পুরোপুরি শুল্ক ছাড় দেওয়া হবে। 

*ই-বাণিজ্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের ক্ষুর ব্যবসা, কারিগর এবং স্টার্টআপ-গুলির বিস্তার ঘটাতে ক্যুরিয়ার রপ্তানী – সহায়তা ক্ষেত্রে কনসাইনমেন পিছু বর্তমানের ১০ লক্ষ টাকার শুল্ক তুলে দেওয়া হয়েছে। 

জীবনযাত্রার সরলীকরণ:

*আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময়ে মালপত্রের ছাড়পত্র সংক্রান্ত ব্যবস্থা পুরোপুরি সংশোধন করা হবে। বর্তমানের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শুল্ক মুক্তির ক্ষেত্রে আইন সংশোধন করা হবে। 

*সৎ করদাতারা অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

 

SC/AC/SD/MP/NS/DM/SB


(रिलीज़ आईडी: 2221770) आगंतुक पटल : 29
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Malayalam , English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Assamese , Punjabi , Gujarati , Odia , Kannada