অর্থমন্ত্রক
কৃষি উপাদানের গুণমান বৃদ্ধি, যন্ত্রের ব্যবহার, বাজারের সাহায্য, শস্য বিমা এবং ঋণের ফলে বিপুল ইতিবাচক ফল মিলেছে : অর্থনৈতিক সমীক্ষা
प्रविष्टि तिथि:
29 JAN 2026 2:01PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
২০১৪-১৫-য় শুরু হয়েছিল সাব-মিশন অন সিডস অ্যান্ড প্ল্যান্টিং মেটিরিয়ালস (এসএমএসপি) এর লক্ষ্য ছিল কৃষকদের উচ্চগুণমানের বীজ দেওয়া। এই উদ্যোগে ৬.৮৫ লক্ষ সিড ভিলেজ তৈরি করা হয়েছে। ১৬৪৯.২৬ লক্ষ কুইন্টাল উন্নত ধরনের বীজ উৎপন্ন হয়েছে এবং ২.৮৫ কোটি কৃষক উপকৃত হয়েছেন।
সরকার ক্ষুদ্র সেচে উৎসাহ দিয়েছে। ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষীদের ৫৫ শতাংশ এবং অন্য কৃষকদের ৪৫ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দেওয়ার মাধ্যমে পিডিএমসি কর্মসূচিতে ড্রিপ অ্যান্ড স্প্রিংকলার ব্যবস্থার স্থাপনে। এর ফলে মোট চাষযোগ্য জমির মধ্যে সেচপ্রাপ্ত জমির পরিমাণ ২০০১-২-এর ৪১.৭ শতাংশ থেকে ২০২২-২৩-এ বেড়ে হয়েছে ৫৫.৮ শতাংশ।
২০২৫-এর ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২৫.৫৫ কোটির বেশি সয়েল কার্ড দেওয়া হয়েছে। কৃষি যন্ত্রের প্রশিক্ষণ দিতে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলিকে সাহায্য করছে। কাস্টম হায়ারিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। যাতে কৃষকরা কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে পারে। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬-এর মধ্যে মোট ২৫,৬৮৯টি কাস্টম হায়ারিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫-২৬-এ ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ৫৯৮টি।
কৃষি বিপণনের জন্য বেসরকারি লগ্নি টানতে সরকার ২০১৪ থেকে ইন্টিগ্রেটেড স্কিন ফর এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং (আইএসএএম)-এর অধীনে এগ্রিকালচার মার্কেটিং ইনফ্রাস্র্যা্যকচার রূপায়ণ করছে। এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্র্যা কচার ফান্ড শুরু হয়েছে ১ লক্ষ কোটি টাকা আর্থিক সুযোগ দেওয়ার সুবিধা সহ।
কৃষকদের তাঁদের উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত দাম দিতে সরকার ২২টি নির্ধারিত শস্যের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ঘোষণা করেছে। খরিফ এবং রবিশস্যের জন্য ২০২৫-২৬-এর খরিফ বিপণন মরশুম এবং ২০২৬-২৭-এ রবি বিপণন মরশুমের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে।
এর পাশাপাশি কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দিতে পদক্ষেপ করেছে সরকার। দেওয়া হয়েছে ২৮.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা। কেসিসি কর্মসূচিতে সুদ মকুবের ফলে ভর্তুকিযুক্ত ৭ শতাংশ সুদের হারে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। ১৫ অর্থবছর থেকে ২৬ অর্থবছরের মধ্যে এমআইএসএস অধীনে ভর্তুকি হিসেবে ১.৭৭ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
SC/AP/AS
(रिलीज़ आईडी: 2220326)
आगंतुक पटल : 4