অর্থমন্ত্রক
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে আর্থিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে দক্ষতা বৃদ্ধি, শিল্পোদ্যোগে উৎসাহ এবং সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বেকারত্বের হার হ্রাস পেয়েছে
प्रविष्टि तिथि:
29 JAN 2026 1:54PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
ডিজিটালাইজেশন, পরিবেশ বান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং গিগ ও প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কের মতো নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রের কারণে ভারতের শ্রম বাজারে বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের ফলে বেকারত্বের হারও হ্রাস পেয়েছে বলে সংসদে আজ পেশ করা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ এই সমীক্ষা পেশ করেন।
অতিমারী পরবর্তী সময়কালে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কাজের গুণমান বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এর ফলে শ্রম বাজারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সুস্থায়ী ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী হয়েছে। উন্নত মানের কর্মী গড়ে তোলা এবং মানব সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দেশের জনবিন্যাস যথেষ্ট সহায়ক হয়েছে। পাশাপাশি কাঠামোগত বিভিন্ন সংস্কার, কর ব্যবস্থার সরলীকরণ, দক্ষতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া জিএসটি ২ এবং শ্রম আইনের সংস্কারের ফলে দেশ জুড়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভারতে মহিলা কর্মীর সংখ্যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মহিলা কর্মীর হার ছিল ২৩.৩%। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪১.৭%-এ পৌঁছেছে। শ্রমশক্তি সংক্রান্ত ত্রৈমাসিক ও মাসিক বিভিন্ন সমীক্ষা অনুসারে ২০২৫-এর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর সময়কালে বেকারত্বের হার হ্রাস পেয়েছে। ২০২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ১৫ বছর ও তার ঊর্ধ্বে ৫৬ কোটি ২০ লক্ষ নাগরিক কোনোও না কোনও কাজে যুক্ত রয়েছেন। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, গ্রামাঞ্চলে কৃষি ক্ষেত্রে ৫৭.৭% নাগরিক যুক্ত। ৬২.৮% নাগরিক জীবিকা অর্জনের নিরিখে স্বনির্ভর।
কর্পোরেট ক্ষেত্র নয় এ ধরনের অকৃষি ক্ষেত্রের ৭ কোটি ৯০ লক্ষ সংস্থায় ১২ কোটি নাগরিক কাজ করেন। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে।
আর্থিক সমীক্ষায় অসংগঠিত ক্ষেত্রের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য ই-শ্রম পোর্টালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই পোর্টালে জানুয়ারি মাসের হিসেব অনুসারে ৩১ কোটি কর্মী নাম নথিভুক্ত করেছেন। ২০১৫ সালে ন্যাশনাল কেরিয়ার সার্ভিস পোটালের যাত্রা শুরু হয়। এই পোর্টালে বিনামূল্যে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। যাঁরা নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাঁরা নতুন নতুন কাজের সন্ধান পাচ্ছেন। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবীশ হিসেবে কাজের সুবিধাও তাঁরা পাচ্ছেন। বিদেশ মন্ত্রক এই পোর্টালে ই-মাইগ্রেট ব্যবস্থাকে যুক্ত করেছে। ফলে পোর্টালে নথিভুক্তকারীরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থায় কাজের জন্য আবেদন করার সুযোগও পাচ্ছেন।
সমীক্ষায় শ্রমবিধির সম্ভাবনার প্রসঙ্গের পাশাপাশি আর্থিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়টিও উল্লেখ করেছে। ২৯টি কেন্দ্রীয় আইনকে সংগঠিত করে ৪টি শ্রম বিধি তৈরি করা হয়েছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন নীতির সংস্কার ঘটানোর ফলে গিগ এবং প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এই কর্মীরা বিভিন্ন কল্যাণমূলক তহবিলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারছেন।
গিগ অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান বিস্তার লাভ হচ্ছে। ২০২১ সালে এক্ষেত্রে কর্মী ছিল ৭৭ লক্ষ জন। ২০২৫এ তা ৫৫% বৃদ্ধি পেয়ে ১ কোটি ২০ লক্ষে পৌঁছেছে। মহিলারা স্বনির্ভর হয়ে ওঠার পাশাপাশি বাড়ির বিভিন্ন কাজকর্মেও যুক্ত থাকেন। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে স্বনির্ভর হয়ে ওঠার প্রবণতা বেশি। সমীক্ষা অনুসারে ১৫-৫৯ বছর বয়সী কর্মীদের মধ্যে ৪১% মহিলা তাঁদের পরিবারে ঘর গৃহস্থলীর কাজ করেন, অথচ এই বয়সসীমার মধ্যে থাকা ২১.৪% পুরুষ ঘরের কাজ করে থাকেন।
SC/CB/NS…
(रिलीज़ आईडी: 2220211)
आगंतुक पटल : 7