স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

প্রতিষ্ঠান বিভাগে সিকিম রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং ব্যক্তিগত বিভাগে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সীতা অশোক শেলকে ২০২৬ সালের সুভাষ চন্দ্র বোস আপদা প্রবন্ধন পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন

प्रविष्टि तिथि: 23 JAN 2026 9:07AM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

 

প্রতিষ্ঠান বিভাগে সিকিম রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং ব্যক্তিগত বিভাগে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সীতা অশোক শেলকে ২০২৬ সালের সুভাষ চন্দ্র বোস আপদা প্রবন্ধন পুরস্কা্রের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থভাবে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দিতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর সুভাষ চন্দ্র বোস আপদা প্রবন্ধন পুরস্কার দিয়ে থাকে। নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনে – ২৩ জানুয়ারি, পুরস্কারপ্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহের পরামর্শক্রমে দেশজুড়ে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি, বিপর্যয়ের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গেছে। এ বছরের পুরস্কারের জন্য ২০২৫ সালের ১ মে থেকে মনোনয়ন গ্রহণ করার কাজ শুরু হয়। মোট ২৭১টি মনোনয়নের মধ্য থেকে বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছে। 

ব্যক্তিগত বিভাগে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সীতা অশোক শেলকে—  
ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল সীতা অশোক শেলকে ২০২৪ সালে কেরালার ওয়েনাড়ে বন্যা ও ভূমিধ্বসের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি অসামরিক কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে আটকে পড়া নাগরিকদের দ্রুত উদ্ধার করেছেন। তাঁদের ত্রাণসামগ্রী বন্টন করা ছাড়াও অত্যাবশ্যক পরিষেবা দ্রুত চালু করেছেন। চূরালমালায় ১৯০ ফুট দীর্ঘ বেইলি ব্রিজ যাতে দ্রুত নির্মাণ করা যায়, সেটিও তিনি নিশ্চিত করেছেন। এর ফলে, মাত্র ৪ ঘন্টায় প্রত্যন্ত গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তাঁর কাজের মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাঁর নেতৃত্বদানের ক্ষমতা প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান বিভাগে সিকিম রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ
২০০৫ সালে সিকিম রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গড়ে তোলা হয়। এই সংস্থা সিকিমে যে কোনো বিপর্যয়ের মোকাবিলা করার জন্য ১,১৮৫ জনকে আপদা মিত্র হিসেবে প্রশিক্ষণ দেয়। ঐ রাজ্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলায় ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়। গ্রামস্তরে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা সহায়ক, ব্লকস্তরে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা সুপারভাইজার এবং জেলাস্তরে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা সমন্বায়ক তৈরি করা হয়। রাজ্যের ছ’টি জেলার সবক’টিতেই পঞ্চায়েত স্তরে কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে এই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়। ২০১৬ সালে মন্তাম ভূমিধ্বস এবং ২০২৩ সালে তিস্তা নদীর বন্যার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে এই সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা ২,৫৬৩ জনকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়। হিমালয় সন্নিহিত এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যগুলির কাছে সিকিম রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

 

SC/CB/DM


(रिलीज़ आईडी: 2217802) आगंतुक पटल : 6
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Odia , Telugu , Malayalam , English , Urdu , Nepali , हिन्दी , Assamese , Punjabi , Gujarati , Tamil , Kannada