শ্রমওকর্মসংস্থানমন্ত্রক

কর্মচারী ভবিষ্যনিধি তহবিল সংগঠন বিগত দুটি অর্থবর্ষে ১ কোটি ৩৯ লক্ষ গ্রাহককে অন্তর্ভুক্ত করেছে

Posted On: 22 JUN 2020 4:13PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২২ জুন, ২০২০

 

 


কর্মচারী ভবিষ্যনিধি তহবিল সংগঠনের (ইপিএফও) পে-রোল বা বেতনভুক্ত কর্মী সংক্রান্ত যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তাতে ইপিএফও-র গ্রাহক  সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। সদ্য প্রকাশিত এই পে-রোল তথ্যে ২০১৮-১৯ এবং ২০১৯-২০-র বার্ষিক পরিসংখ্যানগুলিকে একত্রিত করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইপিএফও-র গ্রাহক সংখ্যা ২০১৮-১৯ এর ৬১ লক্ষ ১২ হাজার থেকে ২৮ শতাংশ বেড়ে ২০১৯-২০’তে ৭৮ লক্ষ ৫৮ হাজার হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে আলোচ্য মাসগুলিতে নতুন সদস্য হিসাবে যাঁরা যোগদান করেছেন, তাঁদের ভবিষ্যনিধি কন্ট্রিবিউশন বা টাকা  জমা হয়েছে।


গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হ’ল অল্প সংখ্যক গ্রাহক ইপিএফও-র সুবিধা পরিত্যাগ করেছেন এবং আগে পরিষেবা থেকে বেরিয়ে আসা সদস্যদের পুনরায় যোগদানের মত বিষয়টিও রয়েছে। এছাড়াও, ২০১৯-২০’তে ৮.৫ শতাংশ হারে কর মুক্ত রিটার্নের সুবিধা গ্রাহকদের দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, কর মুক্ত রিটার্নের এই সুবিধা অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং স্থায়ী আমানতগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। এই কারণেই ২০১৯-২০’তে ইপিএফও-র গ্রাহক সংখ্যা বিগত বছরগুলির তুলনায় ১০ শতাংশ কম হ্রাস পেয়েছে।  সদ্য প্রকাশিত পে-রোল সংক্রান্ত তথ্যে আরও দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ এ ৪৩ লক্ষ ৭৮ হাজার সদস্য, যাঁরা ইপিএফও-র সদস্যপদ পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন, ২০১৯-২০’তে তাঁরাই আবার যোগদান করায় সদস্য সংখ্যা ৭৫ শতাংশ বেড়ে ৭৮ লক্ষ ১৫ হাজার হয়েছে।


বয়স-ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৯-২০’তে ২৬ থেকে ২৮ বছর বয়সী, ২৯ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এবং ৩৫ বছরের বেশি বয়সী কর্মচারীদের ইপিএফও-র সদস্য হিসাবে নাম নথিভুক্তিকরণের সংখ্যা প্রায় বিগত বছরগুলির তুলনায় ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, অনলাইনে দ্রুত সুবিধা প্রদান আরও বেশি সংখ্যক কর্মচারীকে ইপিএফও পরিষেবা প্রদানে আকৃষ্ট করেছে। এছাড়াও, কোভিড-১৯ এর সময় কেবল ৩ দিনের মধ্যেই ইপিএফও-র সদস্যদের দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলি মেটানো হয়েছে।


এমনকি, সদস্যরা ভবিষ্যনিধি তহবিল থেকে বেকারত্ব, বৈবাহিক অনুষ্ঠান, উচ্চ শিক্ষা, আবাসন ও চিকিৎসা খরচ খাতে আগাম অর্থ তুলতে পারেন। এ ধরনের সুবিধাগুলিও আরও বেশি সংখ্যক কর্মচারীকে সদস্য হিসাবে নথিভুক্তিকরণের জন্য আকৃষ্ট করেছে।


ইপিএফও-র সদস্য হিসাবে মহিলা কর্মচারীদের সংখ্যা ২০১৯-২০’তে প্রায় ২২ শতাংশ বেড়েছে। সদ্য প্রকাশিত এই তথ্যে আরও দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ এবং ২০১৯-২০’তে এই প্রথমবার ইপিএফও-র নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে ১ লক্ষ ১৩ হাজার নতুন প্রতিষ্ঠান কাজকর্ম শুরু করেছে। নিয়ম-নীতি মেনে চলার বিষয়গুলিতে সরলীকরণের দরুণ এই সংখ্যা বেড়েছে।


শিল্প সংস্থাগুলির শ্রেণী বিভাজন-ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হাসপাতাল ও অর্থ সহায়তা প্রতিষ্ঠানগুলির সংখ্যা ৫০ শতাংশ ৫০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বস্ত্র, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরিষেবা ক্ষেত্র ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক পরিষেবায় ২০ শতাংশ হারে নতুন কর্মচারীর সদস্য হিসাবে নাম নথিভুক্তিকরণ হয়েছে। এ থেকে প্রমাণিত হয়, ভারতীয় কর্মবাজারে নতুন ধরনের কাজকর্মের সুযোগ-সুবিধা বাড়ছে। উল্লেখ করা প্রয়োজন, ২০১৯-২০’র অর্থনৈতিক সমীক্ষাতেও ভারতীয় কর্মবাজারে নতুন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছিল।

 



CG/BD/SB



(Release ID: 1633395) Visitor Counter : 18