শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ায় পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার প্রেক্ষাপটে রপ্তানিকারকদের সহায়তার লক্ষ্যে সরকার 'রিলিফ' (রেজিলিয়েন্স এন্ড লজিস্টিকস ইন্টারভেনশন ফর এক্সপোর্ট ফেসিলিটেশন) কর্মসূচির সময়সীমা বাড়িয়েছে
প্রকাশিত:
02 OCT 2026 11:01AM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ০২ অক্টোবর ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং এর ফলে পারস্য উপসাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় সৃষ্ট বিঘ্নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, বাণিজ্য বিভাগ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তি নং ৩৭/২০২৬-২৭-এর মাধ্যমে 'রিলিফ' কর্মসূচির দ্বিতীয় অংশের (কমপোনেন্ট - ২) সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। উল্লেখ্য, 'রিলিফ' হলো 'এক্সপোর্ট প্রমোশন মিশন' (ইপিএম)-এর আওতায় একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা-ভিত্তিক কর্মসূচি।
'রিলিফ' প্রকল্পের দ্বিতীয় অংশটি রপ্তানিকারকদের নির্দিষ্ট অঞ্চলে আসন্ন পণ্য চালানের জন্য ৯৫% ঝুঁকি কভারেজসহ ইসিজিসি কভার বা বিমা সুরক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করে। ১৬ মার্চ ২০২৬ বা তার পরে গৃহীত 'স্ট্যান্ড-অ্যালোন পলিসি' অথবা 'হোল টার্নওভার পলিসি' -গুলির ক্ষেত্রে এই সুবিধাটি প্রযোজ্য। এই সুবিধার আওতাভুক্ত পণ্য বা কার্গোর ধরনের মধ্যে রয়েছে—ফুল কন্টেইনার লোড (এফসিএল), লেস দ্যান কন্টেইনার লোড (এলসিএল) এবং রিফার কন্টেইনার (তবে জ্বালানি বা শক্তি-সম্পর্কিত পণ্য পরিবহন এর অন্তর্ভুক্ত নয়)। এছাড়া,”রিলিফ''-এর এই অংশটি নিশ্চিত করে যে, যোগ্য সময়কালের জন্য রপ্তানিকারকদের প্রদেয় বিমা প্রিমিয়ামের হার যেন বিঘ্ন সৃষ্টির আগের স্তরের চেয়ে বৃদ্ধি না পায়।
পারস্য উপসাগর ও বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়ার সামুদ্রিক করিডোরে সৃষ্ট বিঘ্নের ফলে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া পণ্য পরিবহন খরচ (ফ্রেইট চারজেস), বর্ধিত বিমা প্রিমিয়াম এবং যুদ্ধ-জনিত রপ্তানি ঝুঁকির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় রপ্তানিকারকদের সহায়তার লক্ষ্যে ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে 'রিলিফ' কর্মসূচিটি চালু করা হয়েছিল।
সময়সীমা বাড়ানোর এই পদক্ষেপটি বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ও লজিস্টিকস-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার মধ্যেও রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বজায় রাখা, বাণিজ্য প্রবাহ সচল রাখা এবং রপ্তানিকারকদের সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
SC/SB/DM
(রিলিজ আইডি: 2318197)
ভিজিটরের কাউন্টার : 3