স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
নতুন দিল্লিতে অ্যান্টি-নার্কোটিক্স টাস্ক ফোর্স (এএনটিএফ)-এর প্রাদেশিক প্রধানদের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ
প্রকাশিত:
22 SEP 2026 5:54PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নতুন দিল্লিতে অ্যান্টি-নার্কোটিক্স টাস্ক ফোর্স (এএনটিএফ)-এর প্রাদেশিক প্রধানদের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ। এই উপলক্ষ্যে তিনি মাদকের অপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা প্রসারের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন কমার্শিয়ালেরও সূচনা করেন। লক্ষ্ণৌ এবং দেরাদূনে নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র নতুন আঞ্চলিক দপ্তরের শিলান্যাস করেন তিনি। এনসিবি-র একটি নতুন ওয়েবসাইটেরও সূচনা হয় তাঁর হাতে। দুদিনের এই সম্মেলনে ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এএনটিএফ প্রধান, সংশ্লিষ্ট নানা সরকারি দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, মাদকমুক্ত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে সরকার। ২০২৯-এর ৩১ ডিসেম্বর নাগাদ দেশ থেকে মাদক ব্যবসা উৎপাটিত হবে বলে তিনি প্রত্যয়ী।
বিগত ৫ বছরে কাশ্মীরে সন্ত্রাস, উত্তরপূর্বে বিদ্রোহ এবং নকশালবাদের মতো সমস্যার মোকাবিলায় সাফল্য এসেছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য। মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হলেও তা চালিয়ে যেতে হবে বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। ২০৪৭ নাগাদ বিকশিত ভারতের স্বপ্নপূরণ সম্ভব করে তুলতে মাদকমুক্ত ভারত তৈরি হওয়া প্রাথমিক শর্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘ভিশন ডকুমেন্ট ২০২৬-২০২৯’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিশা নির্দেশ বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন। ৩৫টি দফতরের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পর এই দিশাপত্র তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান। সেখানে লক্ষ্য ও সময়সীমা স্থির করে দেওয়া আছে। সময়ে সময়ে তা পর্যালোচনা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে, এই কাজ শুধু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং এনসিবি-র দায়িত্ব নয় বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে সমন্বিত উদ্যোগের ডাক দেন তিনি।
তরুণ প্রজন্ম দেশ গঠনের ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি এবং তাদের মাদকাসক্তির বিপদ থেকে দূরে রাখতে দেশের ভেতরে মাদকপাচার রোধ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের বিরুদ্ধেও প্রাতিষ্ঠানিক এবং অন্যস্তরে সমান সতর্কতায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যাতে এই বিপদজনক অভ্যাস দানা না বাঁধে তা নিশ্চিত করতে সংবেদনশীলতা এবং সুদৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। কেবলমাত্র বৈঠক বা আলাপ আলোচনার পরিসরেই বিষয়টিকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না বলে তাঁর মন্তব্য। সিন্থেটিক ড্রাগ, যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রের অপার ক্ষমতার অপব্যবহার প্রভৃতি নানা বিষয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সতর্ক করে দেন তিনি।
ভিশন ডকুমেন্ট ২০২৬-২০২৯-এর আওতায় ১ লক্ষ নেশামুক্ত মিত্র নিবন্ধনের লক্ষ্য রাখা হয়েছে এবং ৪৬,৭৮০ জন নেশামুক্ত মিত্র নিবন্ধিত হয়েছেন বলে পরিসংখ্যান পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরা স্কুল, কলেজ এবং আরও নানা পরিসরে তৃণমূল স্তরে যুবক-যুবতীদের মধ্যে মাদকের অপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা প্রসারে উদ্যোগী হচ্ছেন বলে তিনি জানান। এএনটিএফ-কে ‘অ্যান্টি-নার্কো মিশন কম্যান্ড’ করে তোলার ডাক দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদক বাজেয়াপ্ত করার মধ্যেই কর্মকাণ্ড সীমিত রাখলে চলবে না, ভেঙে ফেলতে হবে মাদক পাচার ব্যবস্থাপনার সবটুকুকেই।
SC / AC /AG
(রিলিজ আইডি: 2313826)
ভিজিটরের কাউন্টার : 3
এই রিলিজটি পড়তে পারেন:
Urdu
,
English
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Assamese
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam