কৃষিমন্ত্রক
নতুনদিল্লিতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের ৩৬তম বার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়েছে
প্রকাশিত:
25 AUG 2026 6:52PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৫ অগাস্ট, ২০২৬
কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ এবং গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান ২৫ শে অগাস্ট ২০২৬ তারিখে নতুনদিল্লিতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের ৩৬তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ‘বিকশিত ভারত @ ২০৪৭-এর লক্ষ্যে কৃষি বিষয়ক উচ্চশিক্ষার নতুন রূপকল্প’ এই মূলভাবনাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই দু’দিনের সম্মেলনে (২৫-২৬ আগস্ট ২০২৬) কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য, ডিএআরইএবং আইসিএআর-এর উচ্চপদস্থ আধিকারিক, উপ-মহানির্দেশক, অতিরিক্ত মহানির্দেশক এবং প্রবীণ বিজ্ঞানীরা একত্রিত হয়েছেন। ভবিষ্যৎ-উপযোগী কৃষি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি নিয়ে তাঁরা আলোচনা করছেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী ভাগীরথ চৌধুরী ও শ্রী রাম নাথ ঠাকুর এবং ডিএআরই -এর সচিব ও আইসিএআর -এর মহানির্দেশক ড. এম. এল. জাট-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান জোর দিয়ে বলেন যে, কৃষি শিক্ষার সাফল্য কেবল কতগুলি ডিগ্রি প্রদান করা হলো তার ওপর ভিত্তি করে পরিমাপ করা উচিত নয়। এই সাফল্য বরং অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা এবং কৃষকদের জীবনে যে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে, তার মাধ্যমেই বিচার করা প্রয়োজন। তিনি কৃষি শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তি-চালিত করে তোলার পাশাপাশি কৃষকদের প্রয়োজনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে একে নতুন করে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানান। তিনি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিএআর, কেভিকে, এফপিও, শিল্পক্ষেত্র এবং কৃষকদের মধ্যে আরও জোরালো সহযোগিতার মাধ্যমে গবেষণার কাজকে গবেষণাগার থেকে মাঠপর্যায়ে নিয়ে আসার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রতিটি সম্মেলন থেকে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেন সম্ভব হয় এবং তা 'বিকশিত ভারত'-এর জন্য একটি আধুনিক, স্থিতিস্থাপক ও সমৃদ্ধ কৃষিক্ষেত্র গড়ে তুলতে অবদান রাখতে পারে সেজন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ, কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ফলাফলের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান।
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী ভাগীরথ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন যে, একটি উন্নত ভারতের জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ কৃষিক্ষেত্র এবং ক্ষমতায়িত কৃষক সমাজ। তিনি বলেন, খাদ্য ঘাটতি থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে ভারতের যাত্রায় কৃষক, বিজ্ঞানী, শিক্ষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, কৃষিকে প্রযুক্তি-চালিত, উদ্ভাবনমুখী এবং ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তোলাই হলো পরবর্তী অগ্রাধিকার। তিনি আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্যোক্তা তৈরি এবং কৃষি-ব্যবসার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তরুণদের কৃষির প্রতি আকৃষ্ট করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে কৃষকদের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ও গবেষণার কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। উপাচার্যদের এই সম্মেলনের আলোচনা কৃষি শিক্ষাকে শক্তিশালী করবে, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একটি সহনশীল, টেকসই ও সমৃদ্ধ কৃষিক্ষেত্র গড়ে তুলতে অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী রাম নাথ ঠাকুর জোর দিয়ে বলেন যে, কৃষি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং কৃষকদের ক্ষমতায়ন ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য অপরিহার্য। তিনি কৃষি শিক্ষার আধুনিকীকরণ, উদ্ভাবনের প্রসার এবং উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতায় তরুণদের গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন যে, গবেষণা ও শিক্ষাকে অবশ্যই কৃষকদের প্রয়োজনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখতে হবে এবং সেগুলিকে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগযোগ্য সমাধানে রূপান্তর করতে হবে। তিনি, টেকসই ও প্রযুক্তি-চালিত কৃষির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা-মনোভাব ও উৎকর্ষের সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি আহ্বান জানান। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সম্মিলিত প্রচেষ্টা কৃষিক্ষেত্রের রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে এবং কৃষকদের আয় ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করেন।
ডিএআরই-এর সচিব এবং আইসিএআর -এর মহানির্দেশক ড. এম. এল. জাট জোর দিয়ে বলেন যে, ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য কৃষি বিষয়ক উচ্চশিক্ষায় আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।তিনি বলেন প্রথাগত মডেল থেকে সরে এসে ভবিষ্যৎ-উপযোগী, দক্ষতা-ভিত্তিক এবং উদ্ভাবন-চালিত এক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তিনি শিল্প-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদার করা, চাহিদা-ভিত্তিক গবেষণাকে উৎসাহিত করা, শক্তিশালী স্বীকৃতি বা অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং তথ্য-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন যে, বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ের সমাধান ও কৃষকদের জন্য সুনির্দিষ্ট সুবিধায় রূপান্তর করতে শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মধ্যে নিবিড় ও সুষ্ঠু সমন্বয় অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যৎ কৃষি শিক্ষার লক্ষ্য কেবল ডিগ্রি প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; বরং জাতীয় অগ্রাধিকার এবং ভারতীয় কৃষির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় সক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তোলাই হওয়া উচিত এর মূল উদ্দেশ্য।”
এই সম্মেলনটি পাঁচটি অধিবেশনে বিন্যস্ত এবং এতে ১৪টি আলোচ্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক সংস্কার, উচ্চশিক্ষা, শিক্ষক ও সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন, একাডেমিক সংস্কার, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ বাড়ানো। শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক সংস্কার ও কৃষি উচ্চশিক্ষা বিষয়ক আলোচনায় ভাইস-চ্যান্সেলরদের পূর্ববর্তী সম্মেলনের গৃহীত পদক্ষেপের প্রতিবেদন, ভর্তি প্রক্রিয়া, গবেষণা ফেলোশিপ এবং আসন বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজ্য বা শ্রেণি-ভিত্তিক ৪০ শতাংশ সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্থান পেয়েছে।
আলোচনায় সময়মতো আইসিএআরএআইকিউ-কাউন্সেলিং ও যাচাইকরণ প্রক্রিয়া, পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য আলাদা পিএইচডি কাউন্সেলিং এবং কৃষি বিষয়ে উত্তীর্ণ ও হিন্দি-মাধ্যম শিক্ষার্থীদের স্নাতক স্তরে ভর্তির যোগ্যতার বিষয়টি উঠে আসে। এর লক্ষ্য ছিল কৃষি শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা।
সম্মেলনে জেআরএফ/এসআরএফ গবেষণাকে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, অ্যাক্রেডিটেশন ও গুণমান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা জোরদার করা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা ও কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক অর্থায়নের উন্নতির বিষয়গুলি পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া শিল্প-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ স্থাপন, শিক্ষানবিশ ও ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি, পাঠ্যক্রম সংশোধন এবং ডুয়াল, টুইনিং ও যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম ও একাডেমিক বিনিময়ের প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীরা কৃষি ও সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানের ডিগ্রিগুলির সমতা নির্ধারণ, প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিতকরণ, প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি এবং বিশেষজ্ঞ বা বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা মানচিত্র তৈরির বিষয়ে আলোচনা করেন। শিক্ষা ব্যবস্থায় পেশাগত দক্ষতা ও ব্যবহারিক জ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে 'প্রফেসর অফ প্র্যাকটিস' (পেশাদার অধ্যাপক) নিয়োগের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সম্মেলনে তথ্য-ভিত্তিক পরিকল্পনা, পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে একটি সামগ্রিক কৃষি শিক্ষা পরিমণ্ডল বা তথ্য-ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের গ্রামীণ বাস্তবতার সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং গ্রামীণ রূপান্তরে সহায়তা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে 'রুরাল এগ্রিকালচারাল ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স' (আরএডব্লিউই) কর্মসূচিকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে 'মনিটরিং, ইভালুয়েশন, লার্নিং অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট' এবং 'এগ্রিইউনিফেস্ট' ও 'এগ্রিস্পোর্টস ২০২৬'-এ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অধিকতর অংশগ্রহণের বিষয়টিও আলোচনার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
‘ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটিজ অ্যাসোসিয়েশন-এর সাধারণ আলোচ্যসূচি, ইউজিসি-র ২০১৬ সালের পিএইচডি সংক্রান্ত বিধিমালার অভিন্ন বাস্তবায়ন এবং গবেষণা-লব্ধ ফলাফলকে ব্যবহারিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে রূপান্তরের গতি বাড়াতে রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে ‘টেকনোলজি রেডিনেস লেভেল-এর প্রসারের বিষয়টি শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ বিষয়ক আলোচনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া সম্মেলনে কৃষি ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের জন্য এনআইআরএফ রেটিং-এর মাপকাঠি এবং ‘প্রফেসর অফ প্র্যাকটিস’-এর মাধ্যমে দক্ষতা বিনিময়ের পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সামগ্রিক আলোচনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে এমন এক গতিশীল, প্রযুক্তি-নির্ভর ও ফলাফল-মুখী ব্যবস্থায় (ইকোসিস্টেম) রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়, যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিল্প-ক্ষেত্র এবং গ্রামীণ সম্পৃক্ততার সমন্বয় ঘটবে। বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শক্তিশালী একাডেমিক অংশীদারিত্ব, গুণমান নিশ্চিতকরণ, তথ্য-ভিত্তিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এর আগে, আইসিএআর-এর উপ-মহানির্দেশক (কৃষি শিক্ষা) ড. যশপাল মালিক স্বাগত ও প্রেক্ষাপট-বর্ণনামূলক ভাষণ দেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে পূর্ববর্তী সম্মেলনের ‘গৃহীত পদক্ষেপ বিষয়ক প্রতিবেদন’ উপস্থাপন ও আলোচনা এবং আগের সিদ্ধান্তগুলির অগ্রগতির পর্যালোচনাও করা হয়।
SC/PM/SKD
(রিলিজ আইডি: 2303421)
ভিজিটরের কাউন্টার : 4