রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
২০২৪ ও ২০২৫ সালের সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি ফেলোশিপ এবং সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার প্রদান করলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি
प्रविष्टि तिथि:
13 AUG 2026 3:23PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৩ অগাস্ট, ২০২৬
রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন দিল্লিতে আজ বিশিষ্ট শিল্পীদের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য ‘সঙ্গীত নাটক একাডেমি ফেলোশিপ’ এবং ‘সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কার’ প্রদান করেছেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, পুরস্কৃত শিল্পীরা সম্মিলিতভাবে ভারতের এক সাংস্কৃতিক মানচিত্র তুলে ধরেছেন - এমন এক মানচিত্র, যা দেশের মাটির গল্প ও গানে বোনা; এমন এক মানচিত্র, যা এই বৈচিত্র্যময় ভূখণ্ডের নৃত্য ও উৎসবকে ধারণ করে এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা ভাষা ও উপভাষার স্মৃতিকে লালন করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতে বহুবিধ সঙ্গীত ঐতিহ্য, নৃত্যশৈলী এবং অসংখ্য লোকনাট্যের রূপ রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতি এদেশের মাটির সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এর বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, নৃত্যশৈলী ও সঙ্গীত - সবই প্রকৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত। পাখিদের কলকাকলি, ঝর্ণার কলতান, গাছপালা, মেঘ ও নদীর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে শিল্পীরা তাঁদের নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। বৈচিত্র্য ও ঐক্যের এই বন্ধনই আমাদের শিল্পকলার অন্যতম প্রধান শক্তি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতের বিচিত্র সব শিল্পধারায় ‘গুরু-শিষ্য’ পরম্পরা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের শিল্পকলার ক্ষেত্রে গুরুই হলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘গ্রন্থ’। দ্রুত পরিবর্তনশীল এই সময়ে আমাদের অনেক লোকশিল্প বিলুপ্তির মুখে দাঁড়িয়ে। এই শিল্পধারাগুলিকে কেবল নথিবদ্ধ করাই যথেষ্ট নয়, সেগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করাও জরুরি। সঙ্গীত নাটক একাডেমি ঠিক এই উদ্দেশ্যেই ‘কলা-দীক্ষা’ কর্মসূচির আয়োজন করছে। পরবর্তী প্রজন্মকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি প্রবীণ শিল্পীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্পের মূল্যবোধ ও সংবেদনশীলতার মাধ্যমে জীবনকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে প্রকৃতিকেই সবচেয়ে স্বাভাবিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। লোকশিল্প ও আদিবাসী শিল্পকলায় জীবনের প্রতি স্বাভাবিক উদ্দীপনা এবং প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগের প্রতিফলন ঘটে। এই শিল্পধারাগুলিতে সম্প্রদায়ের স্মৃতি ও সমষ্টিগত চেতনার স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটে। ঠিক এই কারণেই লোকশিল্প ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক অপরিহার্য ভিত্তি।
রাষ্ট্রপতি সঙ্গীত নাটক একাডেমি ফেলোশিপ ও সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কার প্রাপকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ভারতীয় ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে তাঁরা আমাদের সমষ্টিগত স্মৃতির রক্ষক এবং ভবিষ্যতের রূপকল্পের নির্মাতা। সঙ্গীত নাটক একাডেমিকে ভারতের ‘সফট পাওয়ার’ বা নমনীয় শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আগামী দিনেও এটি ভারতের সাংস্কৃতিক প্রাণশক্তি দিয়ে সমগ্র বিশ্বকে সমৃদ্ধ করে চলবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতির সম্পূর্ণ ভাষণটি পড়তে এই লিঙ্কটি দেখুন - https://static.pib.gov.in/WriteReadData/specificdocs/documents/2026/aug/doc2026813954101.pdf
SC/SD/SB
(रिलीज़ आईडी: 2299036)
आगंतुक पटल : 9