প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
বিভিন্ন ক্ষেত্রে এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব এবং প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থার পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক
प्रविष्टि तिथि:
07 JUL 2026 8:59PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি ৭ জুলাই ২০২৬
খরিফ মৌসুমের অগ্রগতি এবং অর্থনীতির অন্যান্য খাতে এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাবের পরিপ্রেক্ষিতে, এ বিষয়ে গৃহীত প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব ডঃ পি. কে. মিশ্রের পৌরোহিত্যে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেবা তীর্থে আজ এই বৈঠকে কৃষি, বিদ্যুৎ, সমবায়, পানীয় জল ও স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, অর্থনৈতিক বিষয়, পশুপালন, গ্রামীণ উন্নয়ন, ভূবিজ্ঞান, কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা, ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার, ক্রেতা বিষয়ক, আর্থিক পরিষেবা, সার এবং কেন্দ্রীয় জল কমিশন সহ ১৫টিরও বেশি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বরিষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
আবহাওয়া দফতরের মহা নির্দেশকরা জুন মাস এবং ৭ই জুলাই পর্যন্ত সামগ্রিক বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। দেশে বর্ষার বিস্তৃতির অবস্থা এবং এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সর্ব শেষ তথ্য প্রদান করেন। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং মহারাষ্ট্রে বর্ষা আসতে প্রায় ১০ দিন দেরী হয়েছে। তবে, আজ পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে সর্বভারতীয় ঘাটতি কমে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বর্ষা দেখা হয়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে দুর্বল থেকে মাঝারি এল নিনোর প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কারণ বর্ষার মরশুমে ৩০ শতাংশের বেশি বৃষ্টিপাত জুলাই মাসেই হয়। এল নিনোর ফলে বছরে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হবেই এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
কৃষি সচিব খরিফ মৌসুমে এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাবের জন্য প্রস্তুতি বিষয়ে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা পেশ করেন। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বৃষ্টিপাত, জলাধারের জলধারণ ক্ষমতা, ফসল বপন, উপকরণের প্রাপ্যতা, বাজারের প্রবণতা এবং কীটপতঙ্গ ও রোগের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে রাজ্যগুলির সঙ্গে সাপ্তাহিক বৈঠক করা হচ্ছে। ২৬২টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলার জন্য জেলা কৃষি বিভাগ জরুরি পর্যালোচনা বৈঠক করেছে। ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর) জেলা পর্যায়ের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলির জন্য ভারতীয় কৃষিতে এল নিনো ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আদর্শ কার্যপ্রণালী জারি করেছে। জলবায়ু সহনশীল বীজবপন ও প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্যগুলিতে প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা এবং কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের আওতাভুক্তির জন্য প্রচার অভিযান শুরু করা হয়েছে। কৃষি, আর্থিক পরিষেবা ও সমবায় বিভাগকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক সুবিধা প্রাপকের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পশুপালন ও দুগ্ধ বিভাগকে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র উভয় স্তরে শুকনো পশুখাদ্য, সবুজ পশুখাদ্য এবং গবাদি পশুর খাদ্যের প্রাপ্যতা মূল্যায়ন করতে বলা হয়েছে।
পানীয় জল ও স্যানিটেশন বিভাগ জেলাগুলিতে তাদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং বর্তমান স্থিতিশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছে। বিভাগটিকে ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলিতে ক্ষুদ্র স্তরের পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলসম্পদ বিভাগ দেশের ভূগর্ভস্থ জল এবং জলাধারের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ তাপপ্রবাহের জন্য সতর্কতা জারি করেছে এবং তাপপ্রবাহ, উচ্চ আর্দ্রতা ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষেত্র পর্যায় পর্যন্ত সতর্কতা ও পরামর্শের কার্যকর প্রচার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ক্রেতা বিষয়ক দপ্তর চাল, গম ও ডালের খুচরা মূল্য এবং মজুত পণ্যের পর্যাপ্ততার অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছে। সার দপ্তর পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং রবি মৌসুমের সম্ভাব্য প্রারম্ভিক মজুতের বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। উভয় দপ্তরকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সারের সামগ্রিক ও ক্ষুদ্র উভয় স্তরের সরবরাহ ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তর রোজগারের নিশ্চয়তা এবং আজীবিকা মিশন-এর অধীনে ১লা জুলাই থেকে শুরু হওয়া কাজ এবং এ পর্যন্ত ১ কোটি কর্মদিবস সৃষ্টির বিষয়ে জানিয়েছে। কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা দপ্তর জলবায়ু সহনশীল বীজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব নির্দেশ দিয়েছেন যে, সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলিতে বর্ষা তথা বিলম্বিত বর্ষার প্রভাব অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে, যাতে প্রয়োজনে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
এছাড়াও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, পশুখাদ্য উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পশুখাদ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। রাজ্যগুলির সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলিতে পর্যাপ্ত পানীয় জলের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলির জলাধারের স্তর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং জলাধারের জলের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্য জলের যথাযথ ব্যবহারকে উৎসাহিত করতে উদ্যোগ নিতে হবে।
উদ্ভুত যাবতীয় সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান সূত্রের লক্ষ্যে মন্ত্রকগুলিকে রাজ্যগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
SC/ AB /CS
(रिलीज़ आईडी: 2282381)
आगंतुक पटल : 6
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
English
,
Urdu
,
हिन्दी
,
Marathi
,
Assamese
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam