স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কলকাতায় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহের

प्रविष्टि तिथि: 06 JUL 2026 9:33PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৬ জুলাই ২০২৬

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ তাঁর ভাষণে বলেন যে, ভারতের সঙ্গে কাশ্মীরের সংযুক্তির লক্ষ্যে ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন। তিনি বলেন, নেহরু-লিয়াকত চুক্তির প্রতিবাদে ড. মুখার্জি দেশের প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। শ্রী শাহ বলেন, ড. মুখার্জির দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, ভারতের নীতিতে যেন দেশের মূল চেতনা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। শ্রী অমিত শাহ জানান, ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির প্রয়াণের ৬৩ বছর পর এবং তাঁর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতায় তাঁর ১২৫ ফুট উচ্চতার এক বিশাল মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আজ যখন ড. মুখার্জির প্রতিষ্ঠিত ও তাঁর আদর্শে পরিচালিত দলটি বাংলায় ক্ষমতায় রয়েছে, তখন রাজ্যে তাঁকে যথাযথ সম্মান জানানো হচ্ছে। শ্রী শাহ বলেন, এই অনুষ্ঠানটি কেবল ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনই নয়,  ‘সোনার বাংলা’ গড়ার সংকল্প পূরণেরও ভিত্তি। তিনি জানান, ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির সেই বিশালকায় মূর্তির পাশাপাশি ভারতের নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণার জন্য ‘শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি ইনস্টিটিউট’ও গড়ে তোলা হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, ড. শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ এক পুনরুজ্জীবিত বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যে স্বপ্ন দেখেছিলেন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, স্বামী বিবেকানন্দ, মহর্ষি অরবিন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং রাজা রামমোহন রায়। শ্রী শাহ বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ড. শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করে তাঁকে সম্মান জানিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভারতীয় ভাষার প্রসারের বিষয়ে ড. মুখোপাধ্যায়ের যে স্বপ্ন ছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার শীঘ্রই তাও পূরণ করবে।

শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জীবন ছিল সত্যিই বহুমুখী। তাঁর কথায়, ড. মুখার্জি আজীবন তাঁর আদর্শকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। শ্রী শাহ বলেন, ভারতীয় জনসংঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ড. মুখার্জি এমন এক বীজ বপন করেছিলেন, যা দেশের সমস্ত জাতীয়তাবাদী শক্তিকে একত্রিত করেছিল এবং সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। তিনি আরও বলেন, ড. মুখার্জির বপন করা সেই বীজ আজ এক বিশাল বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে এবং দেশজুড়ে তা বিকশিত হয়ে চলেছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আরও বলেছেন যে, আজ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি দেশের ভৌগোলিক এলাকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এবং জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি অংশে নিজেদের নীতির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করছে। তিনি বলেন যে, ভারতীয় জনসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় ড. মুখার্জি এই সংকল্প নিয়েছিলেন যে, কেবল সরকার পরিবর্তন করলেই ভারতের ভাগ্য পরিবর্তিত হবে না। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, স্বাধীন ভারতের নীতিমালা দেশের নিজস্ব মাটির চেতনা থেকে উৎসারিত হওয়া উচিত এবং তাতে যেন কোনওভাবেই পশ্চিমের প্রভাবের ছাপ না থাকে। শ্রী শাহ বলেন, ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির আত্মা আজ যেখানেই থাকুক না কেন, তিনি নিশ্চয়ই ভারতকে আশীর্বাদ করছেন; কারণ দেশটি আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে তাঁরই (ড. মুখার্জির) দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী অগ্রগতির পথে এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, ড. মুখার্জি দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে উন্নয়নের সাথে ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটানোর মাধ্যমে একটি আধুনিক ভারত গড়ার পথ দেখিয়েছিলেন। শ্রী শাহ আরও বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করেছেন এবং ভারতের উন্নয়নের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করেছেন, যাতে দেশটি ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে এবং একইসঙ্গে বিশ্বজুড়ে তার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পতাকা সমুন্নত রাখতে পারে।

শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, দেশের জন্য ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন। "এক বিধান, এক প্রধান, এক নিশান" স্লোগান তুলে কাশ্মীরের কারাগারে রহস্যজনকভাবে ড. মুখার্জি মৃত্যুবরণ করেন, কিন্তু তৎকালীন সরকার তাঁর মৃত্যুর কোনও তদন্তের নির্দেশ দেয়নি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের মাধ্যমে ড. মুখার্জির সংকল্প পূরণ করেছেন। আজ কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, নেহরু-লিয়াকত চুক্তি পর্যালোচনার পর ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি লক্ষ্য করেছিলেন যে, ভারতে থেকে যাওয়া মুসলিমদের উদ্বেগের বিষয়টি এতে গুরুত্ব পেলেও, পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে যাওয়া হিন্দুদের কল্যাণ ও সুরক্ষার জন্য এতে কোনও বিধান রাখা হয়নি। ড. মুখার্জি মনে করতেন যে, চুক্তিটি ছিল সম্পূর্ণ একপেশে, আর এই কারণেই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। শ্রী শাহ বলেন, আজ ড. মুখার্জির প্রতিষ্ঠিত দলের নেতৃত্বাধীন সরকার নিপীড়িত হিন্দুদের নাগরিকত্ব প্রদানের লক্ষ্যে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (সিএএ) প্রণয়ন করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং উদ্বাস্তু হিন্দুদের নাগরিকত্ব প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে; এছাড়া দেশের  নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের মাটি থেকে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে বিতাড়িত করা হবে।


 শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, 'বন্দে মাতরম' রচনার ১৫০তম বার্ষিকী এবং ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী একই বছরে উদযাপিত হওয়াটা ভাগ্যের এক তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত। তিনি বলেন, এখন 'বন্দে মাতরম'-এর পূর্ণাঙ্গ পরিবেশনা শুরু হয়েছে এবং নতুন প্রজন্ম গর্বের সাথে ভারত মাতার সকল রূপের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ, অখণ্ড ভারতের সংকল্প কিংবা উন্নয়ন ও ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি – এই সমস্ত জাতীয়তাবাদী আদর্শের মূল উৎস হল, ড. শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির মতাদর্শ। শ্রী শাহ উল্লেখ করেন যে, ড. মুখার্জি সর্বদা সাহসিকতা ও স্পষ্টবাদিতার সঙ্গে তাঁর মতামত ব্যক্ত করতেন। তিনি আরও বলেন, ড. মুখার্জির চিন্তাধারায় এমন এক অমোঘ শক্তি রয়েছে যে, আজ তাঁর মতাদর্শ জাতির সামনে উজ্জ্বলভাবে ভাস্বর হয়ে রয়েছে এবং কোটি কোটি প্রদীপ সূর্যের মতো বিশ্বকে আলোকিত করছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলার মানুষ পরিবর্তন এনেছেন। আমাদের দল সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ‘অন্নপূর্ণা প্রকল্প’ বাস্তবায়িত হয়েছে। ‘উজ্জ্বলা ৩.০’ চালু করা হয়েছে। নারী ও ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবা বাস্তবে রূপ পেয়েছে। ‘লাখপতি দিদি মিশন’ শুরু করা হয়েছে। ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর আওতায় দরিদ্রদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থাও কার্যকর করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গে একটি ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফের হাতে জমি তুলে দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দুর্নীতির ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি ব্রজেন্দ্র নাথের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, বাংলায় যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ার সাথে সাথেই তাদের প্রতিটি পয়সা ফেরত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলার দরিদ্র মানুষ এর অপেক্ষায় রয়েছেন। নারীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা তদন্তের জন্যও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দুর্নীতির মামলায় বিচারের অনুমতি পাওয়া যাচ্ছিল না, কিন্তু এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ধরনের সব মামলায় অনুমোদন দিয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি  কার্যকর করার জন্যও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আমরা তা বাস্তবায়িত করব। 'পশ্চিমবঙ্গ জনশৃঙ্খলা রক্ষা (সংশোধনী) বিল ২০২৬' পাশ হয়েছে। আমরা দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এই বিলটি সেই লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মা ও বোনেদের নিরাপত্তার জন্য একটি 'দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড' গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজের রাজ্যে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্য একটি বিশাল স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেছেন, যা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। যখন জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার সরকার ক্ষমতায় আসে, যখন সংগঠনের আদর্শ মেনে চলা সরকার গঠিত হয়, যখন কোনও সরকার ব্যক্তিগত স্বার্থ ও বংশানুক্রমিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠে, তখনই এ ধরনের কাজ সম্ভব হয়। শ্রী শুভেন্দু জি বাংলার মানুষের কল্যাণে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা শুরু করেছেন। এটি কেবল বাংলার মানুষের জন্যই নয়, বরং গোটা দেশের জন্যই এক বড় আশার আলো। আজ গোটা দেশ গভীর প্রত্যাশা নিয়ে বাংলার দিকে তাকিয়ে আছে। ধর্মীয়, আদর্শগত, সাহিত্য ও জাতীয়তাবাদী ক্ষেত্রে বাংলা বহু বছর ধরে গোটা দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিরোধী দলের শাসনাধীন থাকায় বাংলার সেই চেতনাকে দমন করে রাখা হয়েছিল। গাছ ও বীজ যদি শক্তিশালী হয়, তবে সুযোগ পেলেই তারা আবারও এক বিশাল বটবৃক্ষে পরিণত হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জির নেতৃত্বে 'সোনার বাংলা' গড়ার কাজ কেবল শুরুই হয়নি, আমরা একে বাস্তবে রূপ দিতেও সফল হব।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, যিনি বাংলা, কাশ্মীর ও আসামকে রক্ষা করেছিলেন, তাঁর জন্য স্মৃতিসৌধ তৈরির কথা এতদিন কেউ ভাবেননি। তিনি বলেন যে, শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ভিত্তি স্থাপন করবে।
    

SC/MP/NS…


(रिलीज़ आईडी: 2281955) आगंतुक पटल : 11
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Assamese , Punjabi , Gujarati , Tamil , Telugu , Kannada