স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ নয়াদিল্লিতে বিএসএফ-এর পদক প্রদান অনুষ্ঠান ও রুস্তমজি স্মৃতি বক্তৃতায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন
প্রকাশিত:
22 MAY 2026 5:26PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২২ মে ২০২৬
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র এবং সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ নয়াদিল্লিতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) পদক প্রদান অনুষ্ঠান এবং রুস্তমজি স্মৃতি বক্তৃতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর অধিকর্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সচিব এবং বিএসএফ-এর মহাপরিচালকসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, এই পদক প্রদান অনুষ্ঠানটি বিএসএফ-এর অটল নিষ্ঠা, কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকার এবং জাতির প্রতি পূর্ণাঙ্গ আত্মনিবেদনের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর সীমান্ত সুরক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো বিশদভাবে পর্যালোচনা করে এই উপলব্ধি জন্মায় যে, এমনকি শান্তিকালীন সময়েও ভারতের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার জন্য একটি বিশেষায়িত বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। সেই সময়ে পদ্মবিভূষণ কে.এফ. রুস্তমজির নেতৃত্বে বিএসএফ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই বাহিনী দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। তিনি আরও বলেন যে, শ্রী রুস্তমজি যে সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তারই সুবাদে বিএসএফ জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে এবং জাতির জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।
সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, এই পদক প্রদান অনুষ্ঠানটি বিএসএফ-এর অটল নিষ্ঠা, কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকার এবং জাতির প্রতি পূর্ণাঙ্গ আত্মনিবেদনেরই প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর সীমান্ত সুরক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো বিশদভাবে পর্যালোচনার ফলে এই উপলব্ধি জাগ্রত হয় যে, এমনকি শান্তিকালীন সময়েও ভারতের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার জন্য একটি বিশেষায়িত বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। সেই সময়ে পদ্মবিভূষণ কে.এফ. রুস্তমের নেতৃত্বে বিএসএফ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই এই বাহিনী দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। তিনি আরও বলেন যে, শ্রী রুস্তমজি যে সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তারই সুবাদে বিএসএফ জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে এবং এর মাধ্যমে জাতির জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, বর্তমানে সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন চ্যালেঞ্জের উদ্ভব হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, গবাদি পশু পাচার, জাল নোটের কারবার, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র ও মাদক পাচার—এগুলো হলো বিএসএফ-এর মুখোমুখি হওয়া অসংখ্য চ্যালেঞ্জের কয়েকটি। তবে, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় বিএসএফ ধারাবাহিকভাবে সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। শ্রী শাহ উল্লেখ করেন যে, বিএসএফ তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং এই সমস্ত চ্যালেঞ্জের কার্যকরভাবে মোকাবিলা করে জাতির নিরাপত্তা বিধান করেছে। তিনি আরও বলেন যে, আগামী দিনগুলোতে এই বাহিনীর ভূমিকা আরও বেশি সমন্বিত ও ব্যাপক হতে হবে।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, সীমান্ত নিরাপত্তা আর কেবল প্রথাগত পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে চলতে পারে না। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফস), অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনী, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি), গোয়েন্দা সংস্থা এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় থাকা আবশ্যক। তিনি বলেন যে, সীমান্ত নিরাপত্তাকে আর বিচ্ছিন্ন কোনো দায়িত্ব হিসেবে না দেখে, বরং একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করা উচিত। শ্রী শাহ সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের ফলে সৃষ্ট জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং মাদক ও জাল মুদ্রার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সর্বদা সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। তিনি আরও বলেন যে, সাইবার হুমকি, হাইব্রিড যুদ্ধ এবং ড্রোন-কেন্দ্রিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় ভারতকে অবশ্যই নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে, দেশের অন্যতম কঠিন ভূখণ্ড—যার মধ্যে রয়েছে সিয়াচেন ও কাশ্মীরের বরফাচ্ছাদিত পর্বতমালা; কুপওয়ারা, কেরান ও উরির মতো দুর্গম অঞ্চল; রাজস্থানের মরুভূমি; কচ্ছের রণ; ‘স্যার ক্রিক’-এর জলাভূমিপূর্ণ খাঁড়ি; সুন্দরবনের গভীর অরণ্য; ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মিজোরামের দুর্গম পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এবং ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে সংযুক্ত সংবেদনশীল নদীপথের এলাকাগুলো—সর্বত্রই সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) অটল ও অবিচল রয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, ঠিক এই কারণেই বিএসএফ—যার যাত্রা ১৯৬৫ সালে মাত্র ২৫টি ব্যাটালিয়ন এবং সীমিত সম্পদ নিয়ে শুরু হয়েছিল—আজ ২ লক্ষ ৭০ হাজার সদস্যের বিশাল বাহিনীতে পরিণত হয়ে বিশ্বের বৃহত্তম সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতের প্রতিরক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা নীতিতে এক আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। উরি, পুলওয়ামা এবং পহলগামের মতো ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে থাকা সন্ত্রাসী পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’, ‘এয়ার স্ট্রাইক’ এবং ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মাধ্যমে ভারত অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জবাব দিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সন্ত্রাসী হামলার জবাবে আলোচনার পথ বেছে নেওয়ার যুগ এখন শেষ হয়ে গেছে এবং ভারত সংবিধানের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তার নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেছে। তিনি একে একটি নতুন প্রতিরক্ষা মতবাদ হিসেবে অভিহিত করেন, যেখানে বিএসএফ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
শ্রী অমিত শাহ আরও বলেন যে, দেশের সীমান্তকে একটি ‘স্মার্ট সীমান্ত’-এ রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি জানান যে, ‘স্মার্ট সীমান্ত’ ধারণার আওতায় সব ধরণের প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে আগামী এক বছরের মধ্যে একটি অভেদ্য সীমান্ত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শীঘ্রই এমন একটি ‘স্মার্ট সীমান্ত প্রকল্প’ চালু করতে চলেছে, যা ড্রোন, রাডার, আধুনিক ক্যামেরা এবং অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তিতে সুসজ্জিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর (বিএসএফ) কার্যভার উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর প্রতিষ্ঠার ৬০তম বর্ষে সরকার ‘স্মার্ট বর্ডার প্রজেক্ট’ চালু করবে এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা সমগ্র সীমান্তকে দুর্ভেদ্য করে তুলবে; এর মাধ্যমে বিএসএফ-কে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। তিনি আরও বলেন যে, সাহস, বীরত্ব, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের পাশাপাশি এই বাহিনীকে শক্তিশালী প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েও সুসজ্জিত করা হবে, যা উভয় সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করে তুলবে।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত সরকার কেবল অনুপ্রবেশ রোধ করারই নয়, বরং প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বহিষ্কার করারও সংকল্প গ্রহণ করেছে এবং কোনো প্রকার অস্বাভাবিক জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটতে দেবে না। তিনি বলেন যে, অনুপ্রবেশের মাধ্যমে জনতাত্ত্বিক কাঠামো পরিবর্তনের লক্ষ্যে যেসব ষড়যন্ত্র চলছে, বিএসএফ-কে অবশ্যই তা প্রতিহত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ত্রিপুরা, আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকারগুলো বর্তমানে এমন নীতি অনুসরণ করছে, যা স্পষ্টভাবে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরোধিতা করে। শ্রী শাহ বলেন যে, সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি গ্রাম-স্তরের আধিকারিক, থানা, জেলা সমাহর্তা (কালেক্টর), ডিডিও এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখাটাও বিএসএফ-এরই দায়িত্ব। তিনি বলেন যে, নতুন অনুপ্রবেশকারী, তাদের প্রবেশের পথ এবং গবাদি পশু পাচারসহ বিভিন্ন চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্কগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা আবশ্যক; আর এই ধরনের সমস্ত পথকে সুপরিকল্পিতভাবে চিহ্নিত করে বন্ধ করে দিতে হবে। তিনি বলেন যে, অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ ও বহিষ্কার করার লক্ষ্যে একটি সুসংহত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে প্রাপ্ত তথ্যগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, বছরের পর বছর ধরে অবাধে চলতে থাকা অনুপ্রবেশকে চূড়ান্তভাবে থামিয়ে দেওয়ার সময় এখন সমাগত।
শ্রী অমিত শাহ আরও বলেন যে, সরকারের দৃঢ় প্রচেষ্টার ফলে নকশালবাদের পাঁচ দশকের পুরনো সমস্যাটি এখন ভারত থেকে কার্যকরভাবে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তিনি অভিমত প্রকাশ করেন যে, নিরাপত্তা নীতির লক্ষ্য কেবল সমস্যাগুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা নয়, বরং সেগুলিকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার চেষ্টা করতে হবে। অনুপ্রবেশ মোকাবিলার ক্ষেত্রেও একই ধরনের দৃঢ় দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বনের জন্য তিনি বিএসএফ-এর প্রতি আহ্বান জানান।
শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস-১’ এবং ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস-২’ হলো এমন দুটি উন্নয়ন কর্মসূচি, যা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সহযোগিতায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএসএফ-এর এখতিয়ার ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গে জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলিও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ‘উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন জনমিতি মিশন’ (হাই- পাওয়ারড ডেমোগ্রাফি মিশন)-এর ঘোষণা করেছেন এবং এর কমিটি গঠিত হওয়ার পরপরই এই মিশনের কাজ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের সীমান্তে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় (সিকিউরিটি গ্রিড) গড়ে তুলতে হবে; আর এর জন্য একটি ব্যাপক অভিযানও শুরু করা প্রয়োজন হবে। শ্রী অমিত শাহ উল্লেখ করেন যে, বিএসএফ -এর ৬০তম বর্ষটি ‘স্মার্ট সীমান্ত’ গড়ে তোলা এবং বিএসএফ কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার কাজেও উৎসর্গীকৃত। শ্রী শাহ জানান যে, আগামী দুই মাসের মধ্যেই শ্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার বিএসএফ কর্মী এবং সিএপিএফ-এর সকল জওয়ানের কল্যাণের লক্ষ্যে একটি বড় কর্মসূচি চালু করবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে, সরকার মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী একটি ব্যাপক অভিযান শুরু করতে চলেছে, যেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মাদক পাচার রোধে সীমান্তের উভয় প্রান্ত থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে এই বাহিনীর সতর্ক ভূমিকার তিনি প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যে, আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে সীমান্ত সুরক্ষায় আমূল পরিবর্তন সাধিত হবে। প্রযুক্তি যেখানে সক্ষমতাকে জোরদার করবে, সেখানে তা দায়িত্ববোধকেও বৃদ্ধি করবে বলে তিনি জোর দেন। ভারতকে অনুপ্রবেশমুক্ত করার লক্ষ্য অর্জনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএসএফ কর্মীদের প্রযুক্তিকে আপন করে নিতে, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আরও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় উন্নত করতে আহ্বান জানান।
SC/SB/NS
(রিলিজ আইডি: 2264467)
ভিজিটরের কাউন্টার : 4