অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

বিশ্বজুড়ে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অনিশ্চিতার মধ্যেও ভারতের শেয়ার বাজার প্রাণবন্ত ছিল : আর্থিক সমীক্ষা ২০২৫-২৬

প্রকাশিত: 29 JAN 2026 2:12PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

 

কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ আজ সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা পেশ করেছেন। এই সমীক্ষায় বলা হয়েছে বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ভারতের শেয়ার বাজারে প্রাণবন্ত কর্মতৎপতা নজরে এসেছে। সরকারের বিভিন্ন সহায়ক নীতি, ম্যাক্রো অর্থনীতি এবং সুস্থায়ীভাবে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে আয়করের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি, জিএসটি সংস্কার, সহজ আর্থিক নীতি এবং মুদ্রাস্ফীতির হার হ্রাস।

২০২৫ সালে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নিফটি ৫০ এবং বিএসই সেনসেক্স প্রায় ১১.১ শতাংশ এবং ১০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এসএমই প্ল্যাটফর্মে ২১৭টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আগের বছরে এই সংখ্যাটি ছিল ১৯০। এর ফলে ৯৬৩৫ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে। সিকিউটিরি মার্কেটস কোড ২০২৫-এর মাধ্যমে শেয়ার বাজারে আইনি পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করে তোলার উ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রথম মার্কেট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন্সটিটিউশনগুলির জন্য একটি বিধি কার্যকর করা হয়েছে।  

ক্যাপিটাল মার্কেটে খুচরো অংশগ্রহণকারীদের সুযোগ বাড়ানোর জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরফলে ২০২৫-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ২ কোটি ৩৫ লক্ষ  ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। ২০২৫-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ কোটি বিনিয়োগকারী নাম নথিভুক্ত করেছেন। এদের মধ্যে এক চতুর্থাংশ মহিলা। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের শহরগুলি থেকে বিনিয়োগকারীরা এসেছেন। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে সেবি সাম্প্রতিক কালে এক সর্বাঙ্গীন উদ্যোগ গ্রহণ করার ফলে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা ভারতের মূলধনী বাজারে তৈরি হয়েছে। সেবি একটি নতুন ইউপিআই অ্যাড্রেস চালু করেছে। 

ভারতের কর্পোরেট বন্ড বাজার উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫ সালে এই বাজারের পরিমাণ ছিল ১৭.৫ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৫ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা। 

ভারতের ফরেন পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্টের চিত্রটি খুব একটি স্পষ্ট ছিলনা। সেবির বিভিন্ন ছাড়ের ফলে ভারতের ঋণ বাজারে এফপিআই-এর যোগান ইতিবাচক ছিল। ৩১ ডিসেম্বর এর পরিমাণ ছিল ৮১ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা। ৩১ মার্চের তুলনায় যা ১০.৪ শতাংশ বেশি। 

দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলির বিনিয়োগকারীরা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের তুলনায় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁরা ভারতীয় কোম্পানীগুলির শেয়ার নিয়মিত কিনে গেছেন। ২০২৫ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রথমবারের মতো বিদেশী বিনিয়োগকারীদের থেকে বেশি ছিল। 

গিফ্ট সিটি এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৫-এর ৩০ নভেম্বর গিফ্ট
সিটি আন্তর্জাতিক ফিনানসিয়াল সেন্টার ইনডেক্সে ৯ ভাগ এগিয়ে ৪৩ তম স্থানে পৌঁছেছে। 

আর্থিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে বিকশিত ভারত হিসেবে দেশকে গড়ে তুলতে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী ক্যাপিটাল মার্কেটকে আরও শক্তিশালী হতে হবে। সেবি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্ক আর্থিক ক্ষেত্রের মূল্যায়ণ সংক্রান্ত এক কর্মসূচিতে জানিয়েছে ২০১৭ সালের নিরিখে বর্তমান অর্থবর্ষে মোট ডিডিপি-র পরিমাণ ১৪৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭৫ শতাংশে পৌঁছেছে। 

 

SC/CB/NS….   


(রিলিজ আইডি: 2220455) ভিজিটরের কাউন্টার : 15
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Punjabi , Odia , Kannada , Malayalam