অর্থমন্ত্রক
উৎপাদন বৃদ্ধি, যথাযথ নীতি অনুসরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জিত হবে : আর্থিক সমীক্ষা
प्रविष्टि तिथि:
29 JAN 2026 2:02PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ আজ সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা পেশ করেছেন। এই সমীক্ষায় বলা হয়েছে উৎপাদন বৃদ্ধি, যথাযথ নীতি অনুসরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জিত হবে।
২০০৭ সালে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন কার্যকর করা হয়। চাল, গম, ডালশস্য, দানাশস্য, তুলো, পাট, আখের মতো বাণিজ্যিক শস্য এবং শ্রীঅন্নের মতো পুষ্টিকর শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করাই এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল। ২০২৫ সালে প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি মিশন করা হয়।
২০৩০-৩১ কৃষি বর্ষের মধ্যে তৈল বীজের উৎপাদন ৭ কোটি টনে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল মিশন অন এডিবল অয়েলস- অয়েল সিডস এবং ন্যাশনাল মিশন অন এডিবল অয়েলস- অয়েল পামের সূচনা করা হয়। ডাল শস্যে আত্মনির্ভর হওয়ার জন্য ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এই প্রকল্পগুলির ফলে ভোজ্যতেল এবং ডাল শস্যের উৎপাদন ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে।
প্রধানমন্ত্রী ধনধান্য কৃষি যোজনা : দেশের ১০০টি কৃষি ক্ষেত্রে উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, নানা ধরনের শস্য চাষ এবং সুস্থায়ী কৃষি কাজই প্রকল্পটি মূল উদ্দেশ্য।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়, পতঙ্গ, বিভিন্ন রোগের ফলে শস্যের ক্ষতি হলে প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার মাধ্যমে কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পাবেন। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে ৩২ শতাংশের বেশি অর্থাৎ ৪ কোটি ১৯ লক্ষ কৃষক যুক্ত হয়েছেন। প্রকল্পের আওতায় ৬ কোটি ২০ লক্ষ হেক্টর জমি এসেছে। আগের বছরের তুলনায় যা ২০ শতাংশ বেশি। আর্থিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, কৃষি ও অনুসারী ক্ষেত্র থেকে দেশের মোট আয়ের এক পঞ্চমাংশ আসে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিপুল মানুষের কর্মসংস্থান হয়। তাই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কৃষিকে সব সময়ই গুরুত্ব দেওয়া হয়।
SC/CB/NS…
(रिलीज़ आईडी: 2220364)
आगंतुक पटल : 4