লোকসভা সচিবালয়
azadi ka amrit mahotsav

পরিকল্পিত বিঘ্ন ঘটানো নয়, আলোচনা ও বিতর্কের পরম্পরাকে বজায় রাখতে আইনসভার সদস্যদের আহ্বান জানালেন লোকসভার অধ্যক্ষ

प्रविष्टि तिथि: 21 JAN 2026 6:45PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ 

 

লক্ষ্ণৌতে উত্তর প্রদেশ বিধান ভবনে তিন দিনের ৮৬তম অল ইন্ডিয়া প্রিসাইডিং অফিসার্স কনফারেন্স (এআইপিওসি) শেষ হ’ল আজ। সমাপ্তি ভাষণ দেন লোকসভার অধ্যক্ষ শ্রী ওম বিড়লা। সমাপ্তি অধিবেশনে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান, উত্তর প্রদেশ বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উত্তর প্রদেশ বিধানসভার অধ্যক্ষও ভাষণ দেন। 
শ্রী ওম বিড়লা বলেন, আইনসভাগুলিকে আরও বেশি কার্যকরি, জনমুখী এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে ‘জাতীয় আইনি সূচক’ তৈরি করা হবে। এরফলে, আইনসভার সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা, আলোচনার গুণগতমান এবং দেশজুড়ে আইনসভার সদস্যদের দক্ষতার আরও প্রসার ঘটানো সম্ভব হবে। জাতীয় আইনি সূচক তৈরির স্বার্থে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
শ্রী বিড়লা বলেন, রাজ্য আইনসভাগুলিতে বছরে ন্যূনতম ৩০ দিন সভার কাজ চলাকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তা জনসাধারণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে এক কার্যকরি মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, সভার কাজের দিন যত বেশি হয়, তাতে গুরুত্বপূর্ণ ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব হয়। 
সাংবাদিক সম্মেলনে লোকসভার অধ্যক্ষ বলেন, আসন্ন বাজেট অধিবেশনে পরিকল্পিতভাবে সভা পরিচালনায় বিঘ্ন যাতে না ঘটানো হয়, সেব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থেই ধারাবাহিকভাবে সভা পরিচালনাকে বিঘ্নিত করা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত হয়। তিনি বলেন, সভার কাজ বিঘ্নিত হলে বস্তুতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। আলোচনা ও বিতর্কের পরম্পরাকে শক্তিশালী করার উপর জোর দেন তিনি। 
অধ্যক্ষ বলেন, গণতন্ত্রে মানুষই হ’ল শেষ কথা এবং জনসাধারণের প্রতি আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কেবলমাত্র নির্বাচন-কেন্দ্রিক নয়, প্রতিদিন ও প্রতি মুহূর্তে তা বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, সভাধ্যক্ষরা কেবলমাত্র সভা পরিচালনাই করেন না, তাঁরা হলেন সংবিধানের প্রহরী এবং গণতান্ত্রিক ধারার রক্ষাকর্তা। তাঁদের নিরপেক্ষতা, সংবেদনশীলতা এবং দৃঢ়তা সভা পরিচালনায় নির্ণায়ক হয়ে দেখা দেয়। 
মোট ৬টি প্রস্তাব এই সম্মেলনে গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাবগুলি হ’ল – 
২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে আইনসভার অধ্যক্ষদের সভা পরিচালনার কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে করতে হবে।
সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সহমত গড়ে তুলে রাজ্য বিধানসভাগুলিতে বছরে ন্যূনতম ৩০ দিন সভার কাজ হতে হবে। 
আইনসভার কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রসার ঘটাতে হবে, যাতে জনসাধারণ এবং আইনসভার সদস্যদের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক পরিচালন সদর্থক হয়ে উঠতে পারে। 
অংশগ্রহণমূলক পরিচালন ব্যবস্থার স্বার্থে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক পরম্পরা এবং মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করতে সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলির দৃষ্টান্তমূলক নেতৃত্ব প্রদান করতে হবে। 
সংসদ সদস্য এবং বিধানসভার সদস্যদের ডিজিটাল প্রযুক্তির কার্যকরি ব্যবহারে নিজেদের সক্ষমতার ক্রমশ প্রসার ঘটাতে হবে। সেইসঙ্গে, গবেষণার ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। 
জাতীয় আইনি সূচক গড়ে তোলার উদ্দেশ্য হ’ল – বিভিন্ন আইনসভার মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, যাতে জনস্বার্থের প্রতি আরও বৃহত্তর দায়বদ্ধতা এবং স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত হতে পারে। 

এই সম্মেলনে ২৪টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ৩৬ জন আইনসভার অধ্যক্ষ যোগ দেন। অংশগ্রহণগত দিক থেকে এবারের এই ৮৬তম এআইপিওসি এ পর্যন্ত সর্ববৃহৎ সম্মেলন হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
 


SC/AB/SB


(रिलीज़ आईडी: 2217229) आगंतुक पटल : 6
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Punjabi , Gujarati , Tamil , Telugu , Kannada