৫৬তম ইফির জন্য বাছাইপর্বে ৫০০টি ছবির মধ্যে থেকে ২০টি ছবির বাছাই ইন্ডিয়ান প্যানোরামা নন-ফিচার জুরি সদস্যদের জন্য কঠিন উপভোগ্য কাজ ছিল
ইন্ডিয়ান প্যানোরামা নন-ফিচার জুরির সভাপতি শ্রী ধরম গুলাটি বলেছেন, “আমরা বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়েছিলাম,যা সবকিছুর থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ"
ছবি নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে আইপি নন-ফিচার জুরি সদস্য অশোক কাশ্যপ বলেন, “আমরা ভারতকে বেছে নিয়েছি"
৫৬তম ইফি ননফিচার জুরি প্রদর্শিত হতে চলা ছবিগুলির বৈচিত্র্যের দিকটি তুলে ধরেছেন
#IFFIWood, ২১ নভেম্বর ২০২৫
৫৬তম ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়ার ইন্ডিয়ান প্যানোরামা নন-ফিচার জুরির সভাপতি শ্রী ধরম গুলাটি আজ গোয়ায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “৫০০টি জমা পড়া ছবির মধ্য থেকে মাত্র ২০টি ছবি বাছাই করা সত্যিই খুবই কঠিন ছিল!” জুরি সদস্যদের মধ্যে তাঁর এই বক্তব্য সকলেরই মত ছিল। চেয়ারপার্সন শ্রী ধরম গুলাটির সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য সদস্য অঞ্জলি পাঞ্জাবি, অশোক কাশ্যপ, ববি শর্মা বড়ুয়া, রেখা গুপ্তা, এ. কার্তিক রাজা এবং জ্যোৎস্না গর্গ। তাঁরা সকলেই একসঙ্গে জানান যে, এত ছবি দেখার কাজটি কঠিন হলেও, সবকটি ছবি দেখতেই তাঁরা খুব উপভোগ করেছেন।
নন-ফিচার জুরির সভাপতি জানান যে, "আমরা যে ছবিগুলিই বেছে নিয়েছি, সেগুলির বিষয়ে জুরি-সদস্যদের সকলেরই একই মত ছিল"। তিনি আরও যোগ করেন, “মূলত, আমরা ছবির বিষয়বস্তু দেখছিলাম, যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।" যে ছবি নির্মাতাদের ছবি আইপি নন-ফিচারের জন্য নির্বাচিত হয়নি, তিনি তাঁদের মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবং অন্যান্য উৎসবে ছবিগুলি জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
তিনি আরও বলেন, ছবি বাছাই করার সময় জুরি সদস্যরা বুঝতে পারেন যে তাঁদের উচিত হবে বিভিন্ন অঞ্চল এবং বিভিন্ন ভাষার ছবি নির্বাচন করা।
অন্যান্য জুরি সদস্যরাও তাঁদের অভিজ্ঞতা নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান যে কীভাবে তাঁরা আইপির নন-ফিচার বিভাগে প্রদর্শনের জন্য ২০টি ছবি বাছলেন এবং কোন প্রকল্পগুলি তাঁদের সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
ধরম গুলাটি 'ব্যাটলফিল্ড' নামক একটি তথ্যচিত্রের কথা উল্লেখ করেন। এই তথ্যচিত্রটি মণিপুরে শুট করা হয়েছে এবং এটি ১৯৪৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ-ইম্ফল যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মণিপুরকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল এবং এখানকার মানুষের ওপর গভীর ক্ষত রেখে যায়।
জুরি সদস্য অঞ্জলি পাঞ্জাবি মন্তব্য করেন যে ইন্ডিয়ান প্যানোরামা নন-ফিচার বিভাগটি হল স্বল্প দৈর্ঘ্যের ফিকশনের এক উল্লেখযোগ্য ভান্ডার। তিনি বলেন, “এই বছর আমরা সৌভাগ্যবান যে ছবিগুলির মধ্যে একটি অবিশ্বাস্য বৈচিত্র্য দেখতে পেয়েছি।” ফিচার ফিল্ম তৈরি এবং অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ফিকশনগুলি যে স্বাধীনতা দেয়, তার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন যে,অভিজ্ঞ ছবি নির্মাতা এবং নতুন প্রজন্মের ছাত্র নির্মাতারা উভয়েই এই সমৃদ্ধ গল্প বলার চিত্রপটটিতে অবদান রেখেছেন।অঞ্জলি, উদ্বোধনী নন-ফিচার ছবিটি, 'কাকোরি'-র কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন কারণ এটি ফিকশন এবং নন-ফিকশনের একটি অনন্য মিশ্রণ ঘটিয়েছে।
ববি শর্মা বড়ুয়া উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিনিধিত্বের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং সিকিমের ছবি 'শাংরিলা' এবং অসমীয়া ছবি 'পত্রলেখা' -র সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক গভীরতার উল্লেখ করে প্রশংসা করেন।
রেখা গুপ্তা 'কাকোরি' ছবির গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি বলেন, কাকোরি ঘটনার শতবর্ষ পূর্তির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, ৫০০টি জমা পড়া ছবির মধ্যে এটিই একমাত্র ছবি যা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং অজানা বীরদের গল্পকে তুলে ধরে। তিনি আরও 'আদি কৈলাস' ছবিটির কথা উল্লেখ করেন, যা ভারত থেকে মানস সরোবর পর্যন্ত যাওয়ার পথে পবিত্র আদি কৈলাশ-সহ যাত্রাটিকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে এবং এটি ভৌগোলিক ও আধ্যাত্মিক উভয় ধরনের অনুসন্ধানকে প্রতিফলিত করে।
জ্যোৎস্না গর্গ সবাইকে 'পিপলান্ত্রী' ছবিটি দেখার জন্য সুপারিশ করেন। এই ছবিতে রাজস্থানের রাজসমন্দ জেলার একজন দূরদর্শী পঞ্চায়েত প্রধানের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যিনি নারী ভ্রূণহত্যা, জলের স্তর কমে যাওয়া এবং বন উজাড় হয়ে যাওয়ার মতো সামাজিক সমস্যাগুলির জন্য অভিনব উপায়ে সমাধান এনেছেন। অসাধারণ সিনেমাটোগ্রাফির জন্য তিনি 'নীলগিরি' ছবিটিরও প্রশংসা করেন।
এ. কার্তিক রাজা আত্মবিশ্বাসী যে জুরি জমা পড়া ছবিগুলির মধ্য থেকে সেরা ২০টি ভালো ছবিই নির্বাচন করেছেন।
অশোক কাশ্যপ জুরি সদস্যদের কাজটির বিষয়ে বলেন, “আমাদেরকে ছবির বিষয়বস্তু , তৈরি করার কৌশল , উপস্থাপনা এবং ভাষা - সবকিছুই দেখতে হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কঠিন ছিল। ইফির ইন্ডিয়ান প্যানোরামা ভারতের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। তাই, আমরা ভারতকে বেছে নিয়েছি!”
ইফি সম্পর্কে
১৯৫২ সালে শুরু হওয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে পুরোনো এবং বৃহৎ চলচ্চিত্র উৎসব। এটি যৌথভাবে আয়োজন করে থাকে ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীনস্থ ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশ এবং গোয়া রাজ্য সরকারের এন্টারটেইনমেন্ট সোসাইটি অফ গোয়া। এই উৎসবটি এখন একটি আন্তর্জাতিক সিনেমাটিক শক্তিকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে পুনরুদ্ধার করা ধ্রুপদী ছবিগুলি নতুন পরীক্ষামূলক ছবির সঙ্গে মিশে যায়, এবং কিংবদন্তি শিল্পগুরুরা নির্ভীক প্রথম সারির পরিচালকদের সঙ্গে একই মঞ্চে আসেন।যে বিষয়টি ইফিকে প্রকৃত অর্থে উজ্জ্বল করে তোলে, তা হল এর বৈদ্যুতিক সংমিশ্রণ - আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী, মাস্টারক্লাস, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব, এবং উচ্চ-উদ্দীপনাময় ওয়েভস ফিল্ম বাজার, যেখানে ধারণা, চুক্তি এবং সহযোগিতার সংমিশ্রণ হয়।২০ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত গোয়ার মনোরম উপকূলীয় পটভূমিতে আয়োজিত ৫৬তম সংস্করণটি ভাষা, ধারা নতুনত্ব এবং কণ্ঠস্বরের একটি ঝলমলে বর্ণালী উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে - যা বিশ্ব মঞ্চে ভারতের সৃজনশীল প্রতিভার একটি গভীর উদযাপন।
বিশদ তথ্য জানতে এই লিংকগুলি দেখুন -
IFFI Website: https://www.iffigoa.org/
PIB’s IFFI Microsite: https://www.pib.gov.in/iffi/56new/
PIB IFFIWood Broadcast Channel: https://whatsapp.com/channel/0029VaEiBaML2AU6gnzWOm3F
X Handles: @IFFIGoa, @PIB_India, @PIB_Panaji
SC/AS
रिलीज़ आईडी:
2194611
| Visitor Counter:
19
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
Marathi
,
हिन्दी
,
Konkani
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam
,
Assamese
,
English
,
Urdu
,
Gujarati
,
Tamil