স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

পিএমকেয়ার্স তহবিলের আওতায় নতুন দিল্লির এইমস এবং রাম মনহর লোহিয়া হাসপাতালে দুটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চিকিৎসা অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে

Posted On: 05 MAY 2021 12:04PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি,  ০৫ মে, ২০২১

 

পিএমকেয়ার্স তহবিলের আওতায় নতুন দিল্লির এইমস এবং রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে দুটি চিকিৎসা অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে কোয়েম্বাটুর থেকে বিমানে করে এই দুটি প্ল্যান্ট নিয়ে আসা হয় এবং গতকাল স্থাপন করা হয়। আজ সন্ধ্যে থেকেই এই দুটি প্ল্যান্টে অক্সিজেন সরবরাহের কাজ শুরু হয়েছে।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৫০০টি চিকিৎসা অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য পিএমকেয়ার্স থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই প্ল্যান্টগুলি স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এইমস  ট্রমাকেয়ার সেন্টার এবং রাম মনহর লোহিয়া হাসপাতাল , সফদরজং হাসপাতাল, লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিকেল কলেজ এবং হরিয়ানার ঝাঁঝরের এআইআইএমএস-এ পাঁচটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চিকিৎসা অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে।

দেশেব্যাপী টিকাকরণ অভিযানের তৃতীয় পর্যায় মিলিয়ে এপর্যন্ত ১৬ কোটিরও বেশি কোভিড-১৯ টিকার ডোজ প্রদান করা হয়েছে।

আমেরিকা ও চীনের তুলনায় মাত্র ১০৯ দিনেই ভারত এই মাইল ফলক অর্জন করেছে।

১২টি রাজ্যে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী ৬ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮৫ জন সুবিধাভোগীকে কোভিড টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছত্তিশগড়ে ১ হাজার ২৬, দিল্লিতে ৮২ হাজার, গুজরাটে ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৬২৫, জম্মু ও কাশ্মীরে ১০ হাজার ৮৮৫, হরিয়ানায় ৯৯ হাজার ৬৮০, কর্ণাটকে ৩ হাজার ৮৪০, মহারাষ্ট্রে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৬২১, ওড়িশায় ১৩ হাজার ৭৬৮, পাঞ্জাবে ৯০৮, রাজস্থানে ১ লক্ষ ৩০ হাজার ৭১, তামিলনাড়ুতে ৪ হাজার ৫৭৭ এবং উত্তরপ্রদেশে ৫১ হাজার ২৮৪ জনকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। 

আজ সকাল ৭টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৪৯টি টিকাকরণ পর্বের মাধ্যমে মোট ১৬ কোটি ৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ১৮৮ জনকে টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৯৪ লক্ষ ৬২ হাজার ৫০৫ জন স্বাস্থ্য কর্মীকে প্রথম ডোজ, ৬৩ লক্ষ ২২ হাজার ৫৫ জন স্বাস্থ্য কর্মীকে দ্বিতীয় ডোজ, ১ কোটি ৩৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭২৮ জন প্রথম সারির কর্মীকে প্রথম ডোজ এবং ৭৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৯৯৯ জন প্রথম সারির কর্মীকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৬ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮৫ জন সুবিধাভোগীকে প্রথম ডোজ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী ৫ কোটি ২৯ লক্ষ ৫০ হাজার ৫৮৪ জন সুবিধাভোগীকে প্রথম ডোজ ও ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৬৬ জন সুবিধাভোগীকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ৪৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৫ কোটি ৩৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩৫৩ জন সুবিধাভোগীকে প্রথম ডোজ ও ৪৪ লক্ষ ৯ হাজার ২১৩ জন সুবিধাভোগীকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।

১০টি রাজ্যে টিকারণের হার ৬৬.৮৬ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ লক্ষেরও বেশি মানুষকে টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে।

টিকাকরণ অভিযানের ১০৯ তম দিনে ১৪ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯৮৯ জনকে টিকার ডোজ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৪ হাজার ১১টি টিকাকরণ পর্বের মাধ্যমে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৬ জন সুবিধাভোগীকে প্রথম ডোজ এবং ৭ লক্ষ ৪ হাজার ৯২৩ জন সুবিধাভোগীকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।

দেশে করোনা থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৩১ জন। জাতীয় সুস্থতার হার ৮২.০৩ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৩৯ জন। 

১০টি রাজ্যে নতুন করে আরোগ্যের হার ৭৩.৪ শতাং।

১৭টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার জাতীয় গড়ের তুলনায় কম। অন্যদিকে, ১৯টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সাপ্তাহিত সংক্রমণের হার জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশি।

২৪ ঘণ্টায় ৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৩১৫ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, কর্ণাটক, কেরালা, হরিয়ানা, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান – এই ১০টি রাজ্য সংক্রমণের হার ৭০.৯১ শতাংশ।

মহারাষ্ট্রে একদিনে ৫১ হাজার ৮৮০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কর্ণাটকে একদিনে ৪৪ হাজার ৬৩১ এবং কেরালায় ৩৭ হাজার ১৯০ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। 

ভারতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ২২৯-এ পৌঁছেছে। 

দেশে মৃত্যুর হার ১.০৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৭৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মহারাষ্ট্রে একদিনে ৮৯১ এবং উত্তরপ্রদেশে ৩৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মেঘালয়, দমন ও দিউ, দাদরা ও নগরহাভেলি, ত্রিপুরা, লাক্ষাদ্বীপ, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

 

SDG/SS/SKD/



(Release ID: 1716386) Visitor Counter : 9