পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক

শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ৪২টি সিএনজি স্টেশন এবং ৩টি সিটি গেট স্টেশন জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন

Posted On: 06 OCT 2020 2:06PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ০৬ অক্টোবর,  ২০২০
 
 
 
বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবেশ-বান্ধব কম্প্রেস প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) ব্যবহারের প্রসার ঘটাতে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এং ইস্পাত মন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ ৪২টি সিএনজি স্টেশন এবং ৩টি টরেন্ট গ্যাসের সিটি গেট স্টেশন জাতির জাতির উদ্দেশে  উৎসর্গ করেছেন। এদিনের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমস্ত সিএনজি স্টেশন এবং সিটি গেট স্টেশনগুলি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিল।
 
৭টি রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৩২টি জেলায় টরেন্ট গ্যাসের সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক বা শহর-ভিত্তিক গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থাপনার অনুমোদন রয়েছে। এদিন যে ৪২টি সিএনজি স্টেশনের উদ্বোধন হয়েছে, তার মধ্যে ১৪টি উত্তর প্রদেশ, ৮টি মহারাষ্ট্র, ৬টি গুজরাট এবং ৪টি পাঞ্জাবে রয়েছে। এছাড়াও, তেলেঙ্গানা ও রাজস্থানে ৫টি করে স্টেশন রয়েছে। উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও পাঞ্জাবে ৩টি সিটি গেট স্টেশনের এদিন উদ্বোধন করা হয়েছে। 
 
অনুষ্ঠানের ভাষণে শ্রী প্রধান শহর-ভিত্তিক গ্যাস বিতরণ সংস্থাগুলিকে আরও দৃঢ় জ্বালানি বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রাহকরা যাতে তাঁদের নিজের ক্রয় ক্ষমতা ও পছন্দ অনুযায়ী, খুচরো বিপণন কেন্দ্র থেকে যে কোনও ধরনের জ্বালানি, যেমন – পেট্রোল, ডিজেল, সিএনজি, এলএনজি কিনতে পারেন বা বৈদ্যুতিক চার্জিং – এর সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন, তার জন্য সরকার চিন্তাভাবনা করছে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থাপনার  মাধ্যমে জ্বালানি পৌঁছে দিতে চায় সরকার। মন্ত্রী বলেন, বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে ব্যাটারি অদল-বদলের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি লেনদেনে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করার জন্য বিশেষ উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে বলেও শ্রী প্রধান জানান। 
 
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ভারত আগামী দিনে বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি ক্ষেত্রে গ্রাহক হয়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, শহর-ভিত্তিক গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সিওপি-২১ জলবায়ু পরিবর্তনের লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী যে দৃষ্টিভঙ্গী ব্যক্ত করেছেন, সেই অনুসারে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। সৌরশক্তি ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের রোল মডেল হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, গ্যাস সরবরাহ পরিকাঠামো ক্ষেত্রে পাইপ লাইন বসানো, গ্যাস টার্মিনাল গড়ে তোলা সহ একাধিক ক্ষেত্রে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও, স্বচ্ছ জ্বালানি বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং বিদেশে থেকে  অপরিশোধিত তেল আমদানি হ্রাস করা হয়েছে। তিনি বলেন, জৈব জ্বালানির ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও যেভাবে কর্মীরা  কোভিড যোদ্ধারা সহসের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ দোরগোড়ার পৌঁছে দিয়েছে, তার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি । অনুষ্ঠানে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সচিব শ্রী তরুণ কাপুর বলেন, কোভিড-১৯ এর সমস্যা থাকা সত্ত্বেও শহর-ভিত্তিক গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থাপনার কাজ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। শহর-ভিত্তিক গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে যেভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে আগামী দিনে  দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আত্মনির্ভর ভারত অভিযান ক্ষেত্রে বিশেষ উৎসাহ যোগাবে। এর ফলে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্বছ জ্বালানি সরবরাহ সম্ভবপর হবে। 
 
 
 
CG/SS/SB


(Release ID: 1662070) Visitor Counter : 144