স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

ডাঃ হর্ষ বর্ধন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিহারের এ ই এসের জন্য প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন

এ ই এস পরিচালনার জন্য কেন্দ্র বিহারকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে

Posted On: 01 MAY 2020 8:22PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ১ মে, ২০২০

 



ডাঃ হর্ষ বর্ধন আজ অ্যাকিউট এনসেফালাইটিস সিন্ড্রোম (এইএস) নিয়ন্ত্রণের জন্য বিহার সরকারকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্রী মঙ্গল পান্ডের সঙ্গে এইএসের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি, তৃণমূলের স্তরের কর্মীদের কাছ থেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী কুমার চৌবেও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য ১৫ ই মে থেকে জুন মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকালে একটি নির্দিষ্ট সময়ে, এইএসের জন্য বিহারে শিশুদের মৃত্যুর হারের বৃদ্ধি বিষয়টি যথেষ্ট বেদনাদায়ক বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে। তিনি বলেন একাধিক স্তরে যথাযথ পদক্ষেপের সঙ্গে  যথোপযুক্ত  চিকিৎসার মাধ্যমে এই হার রোধ করা সম্ভব। ডাঃ হর্ষ বর্ধন আরও বলেন, এইএসের বিরুদ্ধে লড়াই বেশ  পুরনো এবং কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতির মাধ্যমে এটির প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে এইএস প্রাদুর্ভাবের আগে বিহার রাজ্যে তার সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, সেসময় তিনি নিজে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন, শিশু-রোগী এবং তাদের বাবা-মার সাথে দেখা করেন এবং এই  রোগের  মূল কারণগুলি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

ডাঃ হর্ষ বর্ধন বলেছেন, যে এবারও কেন্দ্র নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং এইএস পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। তিনি রাজ্য সরকারকে প্রভাবিত অঞ্চলগুলিতে চব্বিশ ঘন্টা নজরদারির ব্যবস্থা করতে বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি গঠন করতে এবং সময়মতো প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের পরামর্শ দেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে এই রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) এর মাধ্যমে রাজ্য সরকারকে পূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। মহিলা ও শিশু কল্যান মন্ত্রক সহ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য মন্ত্রককেও তাৎক্ষনিক ও দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হবে বলে তিনি আরও জানিয়েছেন।

ডঃ হর্ষ বর্ধন বলেছেন, প্রতিদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষজ্ঞের কমিটি গঠন ছাড়াও একটি উচ্চ-স্তরের আন্তঃশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞ দল গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (এনসিডিসি), ন্যাশনাল ভেক্টর বর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম (এনভিবিডিসিপি), ইন্ডিয়ান কাউন্সিল  অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর), এ আই আই এমএস, পাটনা, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ রাজ্যসরকারকে এইএস এবং জাপানি এনসেফালাইটিসের মত রোগের প্রতিরোধ গড়ে তোলার পন্থা পদ্ধতি স্থির করতে সহায়তা করবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শীঘ্রই পেডিয়াট্রিক আইসিইউ চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন, সেই সঙ্গে জেলা গুলিতেও এই পরিষেবা চালু করার কথা তিনি বলেন, সকাল ৮.০০ টা থেকে রাত ১০.০০ টা পর্যন্ত বিশেষত যে সময়ে এইএস এর লক্ষণগুলি বেশী দেখা যায়, সেসময় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা ঠিক রাখার কথা তিনি বলেন।

ডাঃ হর্ষ বর্ধন কোভিড প্রাদুর্ভাবের সময় এইএসের এর ক্ষেত্রে অবহেলা না করার জন্য সকলকে অনুরোধ করেছেন।

শ্রীমতি প্রীতি সুদান, সচিব (এইচএফডাব্লু), শ্রী রাজেশ ভূষণ, ওএসডি (এইচএফডাব্লু), শ্রী সঞ্জিভা কুমার, বিশেষ সচিব (স্বাস্থ্য), শ্রীমতি বন্দনা গুরনানী, এএস ও এমডি (এনএইচএম) সহ বিহার সরকারের প্রধান সচিব (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ), বিহার সরকার স্বাস্থ্য সুরক্ষা সমিতির সচিব-সহ-সিইও, বিহার সরকারের স্বাস্থ্যসেবা এনসিডিসি দিল্লির ডিরেক্টর, পাটনা এআইআইএমসের ডিরেক্টর, বিহারের সমস্ত জেলাশাসকরা সভায় অংশ নেন।

 

 


CG/TG



(Release ID: 1620244) Visitor Counter : 21