অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

মাদক পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় ডিআরআই তিনটি পৃথক অভিযানে প্রায় ৭ কেজি অ্যামফিটামিন, ৫ কেজি কোকেন ও ৩.৫ কেজি হেরোইন বাজেয়াপ্ত করেছে; পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশিত: 04 OCT 2026 9:05PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ৪ অক্টোবর ২০২৬

 

অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে, ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর তিনটি পৃথক গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করে। এই তিনটি অভিযানে  মোট ১৫.৫৯ কেজি বিপজ্জনক নিষিদ্ধ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়। এগুলি হল অ্যাম্ফিটামিন, কোকেন এবং হেরোইন। ১৯৮৫ সালের এনডিপিএস  আইন অনুযায়ী পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী-দেওয়াস টোল প্লাজায় একটি মাহিন্দ্রা থর গাড়িকে ৩০ সেপ্টেম্বর একটি অভিযানে, ডিআরআই এবং সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ নারকোটিক্স (সিবিএন) যৌথভাবে আটকানোর চেষ্টা করে। গাড়িটিতে অ্যাম্ফিটামিন রয়েছে বলে খবর ছিল। গাড়িটিকে থামতে বললেও  চালক ব্যারিকেড ভেঙে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। যৌথ দলটি গাড়িটিকে ধাওয়া করে এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ইন্দোরের বিচোলি মারদানার কাছে সেটিকে সফলভাবে আটকান  সম্ভব হয়। গাড়িটিতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালিয়ে দেখা যায় পেছনের দরজায় লাগানো অতিরিক্ত টায়ারের (স্টেপনি) ভেতরে মাদক লুকিয়ে রাখা হয়েছে। টায়ারটি খোলার পর কর্মকর্তারা ২১টি প্যাকেট উদ্ধার করেন, যাতে মোট ৭.১১৬ কেজি ওজনের সাদা-হলুদাভ দানাদার পদার্থ ছিল।  এনডিপিএস ফিল্ড টেস্ট কিট ব্যবহার করে পরীক্ষায় সেগুলোতে অ্যাম্ফিটামিনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। অ্যাম্ফিটামিন ও গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং গাড়িতে থাকা তিন আরোহীকে ১৯৮৫-র এনডিপিএস আইনে গ্রেপ্তার করা হয়।  

কোকেন পাচার সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে  ২৯শে সেপ্টেম্বর আরেকটি অভিযানে,  ডিআরআই হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দোহা থেকে আসা এক ভারতীয় যাত্রীকে আটক করে। তাঁর কেবিন ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে সাতটি চকোলেটের টিউব পাওয়া যায়, যেগুলোর ওজন গায়ে লেখা ওজনের চেয়ে অস্বাভাবিক বেশি মনে হচ্ছিল। টিউবগুলো খোলার পর কর্মকর্তারা চকোলেটের মধ্যে ২০৭টি হালকা হলুদ রঙের ডিম্বাকৃতি ক্যাপসুল খুঁজে পান। ক্যাপসুলগুলো পরীক্ষা করে ভেতরে সাদা গুঁড়ো জাতীয় পদার্থ পাওয়া যায় এবং মাদক শনাক্তকরণ কিট ব্যবহার করে পরীক্ষায় সেগুলোতে কোকেনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। সব মিলিয়ে মোট ৪.৯ কেজি কোকেন উদ্ধার বাজেয়াপ্ত করা হয়।  এনডিপিএস আইনে গ্রেপ্তার করা হয় ওই যাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

একই দিনে  তৃতীয় আরেকটি অভিযানে, মাদক পাচার সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ডিআরআই কর্মকর্তারা পাঞ্জাবের জলন্ধরের উপকণ্ঠে ফিলাউরের কাছে নজরদারি শুরু করেন। শতদ্রু নদীর ওপরের সেতুর কাছে বেশ কয়েকটি যানবাহনে তল্লাশির পর, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে একটি শেয়ার্ড ট্যাক্সিতে ভ্রমণরত  যাত্রী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। 

ওই ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি নীল রঙের ব্যাকপ্যাকের ভেতর থেকে তিনটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটের ভেতরে আরও দুটি করে ছোট প্যাকেট ছিল। ফিল্ড-টেস্টিং কিট ব্যবহার করে পরীক্ষায় ওই পদার্থে হেরোইনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। মোট ৩.৫৭৪ কেজি হেরোইন উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং নিষিদ্ধ মাদক বহন করার জন্য এনডিপিএস আইনে ওই লোকটি গ্রেপ্তার হয়।   
 
এই তিনটি অভিযানের মধ্য দিয়ে মাদক পাচারের বিভিন্ন রুট ও নিষিদ্ধ সামগ্রী লুকানোর অভিনব পদ্ধতি শনাক্তকরণে ডিআরআই-এর গোয়েন্দা-নির্ভর কাজের ধারা প্রতিফলিত হয়। সংগঠিত মাদক পাচার চক্রগুলিকে ভেঙে দিতে এবং সারা দেশে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক পদার্থের চলাচল বন্ধ করতে ডিআরআই সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   

 

 

 SC/CB/DM


(রিলিজ আইডি: 2319057) ভিজিটরের কাউন্টার : 5
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Gujarati , Urdu , Marathi , हिन्दी , Assamese , Punjabi , Tamil , Telugu