PIB Backgrounder
azadi ka amrit mahotsav

মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের সার্বভৌম সক্ষমতা বৃদ্ধি

प्रविष्टि तिथि: 14 AUG 2026 4:13PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

 

উদ্ভাবন ও উন্নয়নের পথে

মহাকাশ নেতৃত্বের পথে ভারতের অগ্রযাত্রা

ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রা প্রাথমিক সক্ষমতা গড়ে তোলার পর্যায় থেকে উন্নত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহারের পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত এক দশকে সংস্কারের মাধ্যমে মহাকাশ ক্ষেত্র বেসরকারি সংস্থা, স্টার্ট-আপ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, উপগ্রহ, মহাকাশ-ভিত্তিক পরিষেবা এবং মানব মহাকাশযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই ভারত এখন নিজের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে ভারত তার মহাকাশ-আকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী ও আত্মনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে মহাকাশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে এগিয়ে চলেছে।

ভারতের মহাকাশ পরিমণ্ডল দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। নথিভুক্ত মহাকাশ স্টার্ট-আপের সংখ্যা ২০১৪ সালে একটি থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে প্রায় ৪৪০টিতে পৌঁছেছে (আগস্ট পর্যন্ত)।

এই সম্প্রসারিত পরিমণ্ডল ভারতের মহাকাশ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। এ বছর আগস্ট পর্যন্ত এই অর্থনীতির মূল্য ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগামী এক দশকে তা ৪০-৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ প্রায় ছয় গুণ বেড়েছে। ২০২১-২২ সালে ১০০.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে এবছর ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা ৬১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। শুধুমাত্র ২০২৬ সালেই ১৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে।

এ বছর মাঝামাঝি পর্যন্ত ৫২টি Non-Government Entity (NGE)-কে মোট ১১৩টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি স্টার্ট-আপ। এই অনুমোদন উপগ্রহ পরিচালনা, পেলোড স্থাপন এবং উৎক্ষেপণ পরিষেবার জন্য দেওয়া হয়েছে।

আর্থ অবজারভেশন পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (EO-PPP)

EO-PPP হল IN-SPACe-এর উদ্যোগে চালু হওয়া একটি অগ্রণী সরকারি-বেসরকারি কাঠামো। এর মাধ্যমে সরকারি তদারকি এবং বেসরকারি শিল্পকে একত্রিত করে ভারতের প্রথম বেসরকারি মালিকানাধীন আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন তৈরি করা হচ্ছে। এর জন্য প্রায় ₹১,২০০ কোটি বেসরকারি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

ভারতের ক্রমবর্ধমান উৎক্ষেপণ সক্ষমতা আন্তর্জাতিক চাহিদা আকর্ষণ করছে। ২০১৪ সালের আগে ৩৫টি বিদেশি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এবছর জানুয়ারি পর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে ৩৯৯ হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ভারতের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করছে। মোট ৬১টি দেশ এবং ৫টি বহুপাক্ষিক সংস্থার সঙ্গে ৩০০টিরও বেশি মহাকাশ সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। এই চুক্তিগুলির আওতায় গবেষণা, প্রযুক্তি, যৌথ অভিযান এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কৌশলগত পদক্ষেপের মাধ্যমে সংস্কারের গতি

ভারতের মহাকাশ সংস্কারগুলি বেসরকারি অংশগ্রহণ, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর বৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। এর ফলে, মহাকাশ কর্মসূচি প্রচলিত সরকারি কার্যক্রমের গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত হয়েছে।

২০২০ সালে ভারত মহাকাশ ক্ষেত্র বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য উন্মুক্ত করে। এর ফলে, উপগ্রহ, উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এবং মহাকাশ-ভিত্তিক পরিষেবায় শিল্প ও স্টার্ট-আপগুলির অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। এর মাধ্যমে একটি বিস্তৃত জাতীয় মহাকাশ পরিমণ্ডল গড়ে তোলার পথে বড় পরিবর্তন আসে।

ইন্ডিয়ান স্পেস পলিসি বা ভারতীয় মহাকাশ নীতি ২০২৩ মহাকাশের সমগ্র মূল্যশৃঙ্খলে বেসরকারি অংশগ্রহণ আরও বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে NewSpace India Limited (NSIL) এবং Indian National Space Promotion and Authorisation Centre (IN-SPACe)-এর ভূমিকা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করেছে।

ISRO-র বাণিজ্যিক শাখা NSIL উৎক্ষেপণ, উপগ্রহ এবং মহাকাশ-ভিত্তিক পরিষেবা প্রদান করে। পাশাপাশি, ISRO-র প্রযুক্তি ভারতীয় শিল্পের কাছে হস্তান্তর করে। NSIL-এর আয় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ₹৩২১.৭৭ কোটি থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ₹৩,০০০ কোটিরও বেশি হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিকীকরণ প্রতিফলিত হয়।

বর্তমানে NSIL, ISRO/Department of Space-এর তৈরি ৮৩টি প্রযুক্তি ভারতীয় শিল্পে হস্তান্তরের জন্য ১১৮টি Technology Transfer Agreement স্বাক্ষর করেছে।

IN-SPACe একক জানালা ব্যবস্থার মাধ্যমে বেসরকারি মহাকাশ কার্যক্রমকে সক্ষম করে। এবছর ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এটি শিল্প ও স্টার্ট-আপগুলির কাছে ISRO-র ৭১টি প্রযুক্তি হস্তান্তরে সহায়তা করেছে।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মহাকাশ ক্ষেত্রের জন্য প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI)-এর নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। উপগ্রহ তৈরি ও পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় পথে ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত FDI, উৎক্ষেপণ যান এবং স্পেসপোর্টের ক্ষেত্রে ৪৯ শতাংশ এবং উপগ্রহ ও গ্রাউন্ড-সেগমেন্টের যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ FDI অনুমোদিত হয়েছে।

Norms, Guidelines and Procedures (NGP) 2024-এর মাধ্যমে স্বচ্ছ অনুমোদন এবং নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কাঠামো নিয়ন্ত্রক ক্ষেত্রে পূর্বানুমানযোগ্যতা এবং Ease of Doing Business বাড়িয়েছে।

লক্ষ্যভিত্তিক অর্থায়ন ভারতের বেসরকারি মহাকাশ পরিমণ্ডলকে শক্তিশালী করছে। IN-SPACe বীজ তহবিল প্রকল্প প্রাথমিক পর্যায়ের মহাকাশ স্টার্ট-আপগুলিকে সহায়তা করছে। ₹১,০০০ কোটি  Capital Fund বৃদ্ধির জন্য মূলধন জোগাচ্ছে এবং ₹৫০০ কোটি প্রযুক্তি গ্রহণ তহবিল  মহাকাশ প্রযুক্তির বৃহত্তর ব্যবহারে সহায়তা করছে। এছাড়া Satellite Bus as a Service (SBaaS) প্রকল্প-এর জন্য ₹৭৫ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উপগ্রহ বাস তৈরির সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে মহাকাশ সক্ষমতা

ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি উপগ্রহ তৈরি থেকে চাঁদ, মঙ্গল এবং সৌরজগতের বিভিন্ন অংশে জটিল অভিযান পরিচালনার পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই সাফল্য অনুসন্ধান, নেভিগেশন, বিজ্ঞান এবং উন্নত মহাকাশ পরিচালনায় ভারতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতাকে তুলে ধরে।

আত্মনির্ভর মহাকাশ পরিবহণ

ভারত চারটি দেশীয় উৎক্ষেপণ যান কার্যকর করেছে। এগুলি হল- Geosynchronous Satellite Launch Vehicle Mark III (GSLV Mk III) এবং Small Satellite Launch Vehicle (SSLV)।

এই উৎক্ষেপণ যানগুলি পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, যোগাযোগ, নেভিগেশন, মহাকাশ বিজ্ঞান ও অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের জন্য বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণেও এগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে।

গত তিন বছরে, ২০২৩-এর জুলাই থেকে এবছর জুন পর্যন্ত, ভারত সফলভাবে ১২টি উৎক্ষেপণ যান অভিযান সম্পন্ন করেছে। এর মাধ্যমে ১১টি জাতীয় উপগ্রহ এবং আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের জন্য নয়টি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

চন্দ্র অনুসন্ধান, চন্দ্রযান কর্মসূচি

চন্দ্রযান-১ (২০০৮): এটি ছিল ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান। চাঁদের পৃষ্ঠে জলীয় অণু এবং হাইড্রক্সিলের উপস্থিতি শনাক্ত করে এই অভিযান। এর মাধ্যমে ভারত আন্তর্জাতিক চন্দ্রবিজ্ঞান গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

চন্দ্রযান-২ (২০১৯): ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে এই অভিযান পরিচালিত হয়। চাঁদের ছবি ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত রেজোলিউশনে তোলা হয়। চন্দ্র কক্ষপথে থাকা কোনও প্ল্যাটফর্ম থেকে তোলা সর্বোচ্চ রেজোলিউশনের অপটিক্যাল ছবির মধ্যে এটি অন্যতম।

চন্দ্রযান-৩ (২০২৩): এর মাধ্যমে ভারত চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফট ল্যান্ডিং করা প্রথম দেশ এবং চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করা চতুর্থ দেশ হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করে।

চাঁদের গণ্ডি পেরিয়ে, মঙ্গল, সূর্য ও গভীর মহাকাশ

মার্স অরবিটার মিশন (মঙ্গলযান): ২০১৪-র ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে। এটি ছিল ভারতের প্রথম আন্তঃগ্রহ অভিযান। মহাকাশযানটি নির্ধারিত ছয় মাসের অভিযানের চেয়েও অনেক বেশি সময়- আট বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছে।

AstroSat: এটি ভারতের প্রথম নিবেদিত ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান অভিযান। একই সঙ্গে X-ray, optical এবং UV spectral bands-এ মহাজাগতিক উৎসগুলি পর্যবেক্ষণ করাই এর লক্ষ্য।

Aditya-L1 (২০২৩): সূর্যকে পর্যবেক্ষণের জন্য এটি ভারতের প্রথম মহাকাশ-ভিত্তিক অভিযান। পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে Sun-Earth L1 point-এ এটি অবস্থান করছে। প্রসঙ্গত, ২৭ টেরাবাইটেরও বেশি সৌর তথ্য জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

Axiom-4: মানুষের মহাকাশযাত্রায় সক্ষমতার অগ্রগতি

Group Captain Shubhanshu Shukla Axiom-4 অভিযানে অংশ নিয়ে ISS-এ যাত্রা করা ভারতের প্রথম মহাকাশচারী। ২০২৫-এর ২৫ জুন অভিযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়। তাঁর অংশগ্রহণ মানব মহাকাশযাত্রা এবং মাইক্রোগ্র্যাভিটি গবেষণায় ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

Axiom-4 অভিযান ২০২৫-এর ১৫ জুলাই সফলভাবে শেষ হয়। এর মাধ্যমে Gaganyaan-সহ ভবিষ্যতের মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য ভারতের পরিচালনাগত অভিজ্ঞতা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

NavIC, ভারতের নিজস্ব নেভিগেশন ব্যবস্থা

Navigation with Indian Constellation (NavIC) ভারত এবং দেশের সীমানা থেকে ১,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় অবস্থান নির্ণয়, নেভিগেশন এবং সময় নির্ধারণের পরিষেবা দেয়। এটি ভারতের নেভিগেশন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করে এবং কৌশলগত ও অসামরিক কাজে সহায়তা করে।

NVS-01 এবং NVS-02 হল NavIC-এর দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম দুটি উপগ্রহ। এগুলি যথাক্রমে ২০২৩ সালের মে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রার আগামী অধ্যায়

ভারত মানব মহাকাশযাত্রা, গভীর মহাকাশ অনুসন্ধান এবং উন্নত মহাকাশ পরিকাঠামোর নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। আগামী দিনের অভিযানগুলি দীর্ঘমেয়াদী মানব উপস্থিতি এবং জটিল কক্ষপথ-ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা গড়ে তুলবে।

Gaganyaan মানব মহাকাশযাত্রা কর্মসূচি ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত হয়েছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এর পরিধি সম্প্রসারিত ও সংশোধন করা হয়। এর মোট বরাদ্দ ₹২০,১৯৩ কোটি। এর আওতায় মোট আটটি অভিযান রয়েছে, যার মধ্যে Bharatiya Antariksh Station (BAS-01)-এর জন্য পূর্বপ্রস্তুতিমূলক অভিযানও অন্তর্ভুক্ত।

এই কর্মসূচির লক্ষ্য হল, তিনজন জন ভারতীয় মহাকাশচারীকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতার কক্ষপথে ৩ দিনের অভিযানে পাঠানো।

ভারতের পরবর্তী প্রজন্মের মহাকাশ সক্ষমতা গড়ে তুলতে উন্নত প্রযুক্তি

ISRO ২০০ টন থ্রাস্ট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি semi-cryogenic engine তৈরি করছে। এর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী উৎক্ষেপণ যান এবং বেশি পেলোড বহনের সক্ষমতা তৈরি হবে।

Launch Vehicle Mark-3 (LVM3)-এর জন্য একটি semi-cryogenic booster stage তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে LVM3-এর পেলোড বহনের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

ISRO Vertical Take-off and Vertical Landing (VTVL) প্রযুক্তির মাধ্যমে booster recovery প্রদর্শন করছে। এর মাধ্যমে রকেটের বিভিন্ন পর্যায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে উৎক্ষেপণের ব্যয় কমবে।

ISRO LOX-Methane propulsion ব্যবহার করে আংশিক পুনর্ব্যবহারযোগ্য Next Generation Launch Vehicle (NGLV) তৈরি করছে। এর মাধ্যমে আরও বেশি পেলোড বহনের সক্ষমতা তৈরি হবে এবং বারংবার, কম খরচে উৎক্ষেপণ প্রচেষ্টা সফল হবে।

ISRO Reusable Launch Vehicle (RLV) কর্মসূচির জন্য ডানাযুক্ত Winged Orbital Re-entry Vehicle তৈরি করছে। এর মাধ্যমে কক্ষপথ থেকে পুনঃপ্রবেশ এবং রানওয়েতে অবতরণের প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হবে। এর লক্ষ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশ পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

ISRO air-breathing propulsion এবং একটি technology demonstrator vehicle তৈরি করছে। এই প্রযুক্তি আরও দক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় উড়ান এবং উন্নত পুনর্ব্যবহারযোগ্য উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পারে।

আগামী পর্যায়ে মানুষের মহাকাশযাত্রা, গ্রহ অনুসন্ধান এবং উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে। এই প্রচেষ্টা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মহাকাশ শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র

Department of Space

Ministry of Science & Technology

PIB Backgrounder

Lok Sabha

Indian Space Research Organisation

Vice President's Secretariat

Prime Minister's Office

Click here for the pdf file.

 


****
SSS/SS....


(रिलीज़ आईडी: 2299719) आगंतुक पटल : 2
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati , Tamil