পরিবেশ, অরন্য ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

বিশাখাপত্তনমে বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় স্তরে অনুষ্ঠান আয়োজিত হলো; গজ গৌরব পুরস্কার ২০২৬ দেওয়া হল হস্তি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় অনুকরণযোগ্য অবদান রাখার জন্য

प्रविष्टि तिथि: 13 AUG 2026 2:27PM by PIB Agartala

নতুন দিল্লি, ১৩ অগাস্ট, ২০২৬

 

কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শ্রী কীর্তি বর্ধন সিং, আজ বিশাখাপত্তনমে বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় উদযাপন অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করলেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কোনিডালা পবন কল্যাণ।

সমাবেশে ভাষণে শ্রী কীর্তি বর্ধন সিং জানান, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত এআই, দূর সংবেদী এবং কৃত্রিম উপগ্রহ দ্বারা প্রস্তুত মানচিত্রের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহযোগিতায় হাতির জন্য সুস্থায়ী ভবিষ্যতের কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের সঙ্গে হাতির সংঘাত কমাতে স্থানীয় মানুষের স্বার্থ রক্ষা করেই বিভিন্ন পক্ষের যোগদান, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।

শ্রী সিং জানান, হস্তি সংরক্ষণে ভারতের দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র একটি নীতির বিষয় নয়, বরং তা সভ্যতার মূল্যবোধ এবং পরিবেশের প্রতি দায়িত্বের প্রতিফলন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ৩৩টি এলিফ্যান্ট রিজার্ভ, ১৫০টি বৈজ্ঞানিকভাবে চিহ্নিত এলিফ্যান্ট করিডোর এবং সারা বিশ্বের হস্তিসংখ্যার ৬০% নিয়ে ভারত হস্তি সংরক্ষণে নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে চলেছে। হস্তি সংরক্ষণ একটি জটিল বিষয়। এর জন্য দরকার সমন্বিত প্রয়াস। বৈজ্ঞানিক তথ্য, হাতেকলমে খতিয়ে দেখে তার পর তার ব্যবহার করার জন্যে বিভিন্ন পক্ষকে সঙ্গে নেওয়া প্রয়োজন।

সভায় মুখ্য ভাষণটি দেন অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কোনিডালা পবন কল্যাণ। তিনি জানান, হস্তি সংরক্ষণে রাজ্য সরকারের লক্ষ্য ‘কনফ্লিক্ট টু কো-এগজিস্টেন্স’। তিনি জানান, এটি শুধু একটি রাজ্যের কাজ নয়, এটি সকলেরই কাজ। হিলিং অ্যান্ড নার্চারিং ইউনিটস ফর মনিটরিং এইড অ্যান্ড নার্সিং অফ ওয়াইল্ড লাইফ বা হনুমান কর্মসূচির সম্পর্কে বলেন।

জাতীয় উদযাপনের অংশ হিসেবে শ্রী কীর্তি বর্ধন সিং গজ গৌরব পুরস্কার ২০২৬ প্রদান করেন হস্তি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় অনুকরণযোগ্য অবদানের জন্য।

এদিন ৩০ জায়ান্ট স্টেপস-এর প্রকাশ করা হয়। ২০২০-২০২৬-এ ‘প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট’-এর ৩০টি প্রধান মাইলফলক, সাফল্য এবং সংরক্ষণ উদ্যোগ এখানে সংকলিত করা হয়েছে। ১৯৯২-তে কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ‘প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট’ শুরু হয়েছিল। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য প্রকাশনাটি হলো রিজিওনাল অ্যাকশন প্ল্যান ফর কম্প্রিহেনসিভ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অফ হিউম্যান-এলিফ্যান্ট কনফ্লিস্ট ইন সাদার্ন ইন্ডিয়া। দক্ষিণের বিভিন্ন রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করে ‘প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট’-এর অধীনে এই পরিকল্পনাটি করা হয়। এতে ভারত সরকার দিয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। নজর দেওয়া হয় হাতির বাসস্থানের সঙ্গে যোগাযোগ, করিডোর সংরক্ষণ, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, সংঘাত কমানোর পরিকাঠামো, বাসস্থানের পুনরুদ্ধার, জনগণের অংশগ্রহণ, গবেষণা ও তদারকি, দ্রুত ব্যবস্থাগ্রহণ পদ্ধতি, সক্ষমতাবর্ধন এবং আন্তঃরাজ্য সমন্বয় জোরদার করার উপর।

ভারতের হস্তি সংরক্ষণের তিনটি দশকের স্মরণে প্রকাশিত হয় ‘জার্নাল অফ ওয়াইল্ডলাইফ সায়েন্স’-এর বিশেষ সংখ্যা। মনোগ্রাফ ‘এশিয়ান এলিফ্যান্টস ইন সেন্ট্রাল ইন্ডিয়া বিফোর ১৯৪৭’-ও প্রকাশিত হয়।

শ্রী কীর্তি বর্ধন সিং-এর পৌরোহিত্যে প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট-এর ২৩তম স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকও হয় বিশাখাপত্তনমে। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় মানুষের সঙ্গে হাতির সংঘাত নিয়ে একটি কর্ম শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। জাতীয় স্তরে উদযাপন উপলক্ষে ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্টরি সহযোগিতায় প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট-এর পক্ষ থেকে দেশজুড়ে গণ সচেতনতা অভিযান শুরু হয়।

বিশাখাপত্তনমে বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উদযাপনে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আবাসস্থল ও করিডোর সংরক্ষণ, স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ এবং সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের জাতীয় ঐতিহ্যবাহী প্রাণীটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার ব্যাপারে ভারতের দায়বদ্ধতা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যা নিশ্চিত করবে যে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থ হাতির সংখ্যা এবং সহনশীল বনভূমি উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে।

*****

PS/Agt


(रिलीज़ आईडी: 2299009) आगंतुक पटल : 7
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Bengali , Tamil , Telugu , Telugu_Vw , Malayalam