নারীওশিশুবিকাশমন্ত্রক
১লা থেকে ৭ই আগস্ট সারা দেশে বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ পালিত হচ্ছে
प्रविष्टि तिथि:
05 AUG 2026 3:22PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ০৫ অগাস্ট, ২০২৬
ভারত সরকারের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক ১লা থেকে ৭ই আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে 'বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ ২০২৬' পালন করছে। এবারের মূল ভাবনা হল— "জীবনের সুস্থিত সূচনার জন্য স্তন্যপান: কার্যকর পদ্ধতিগুলিকে শক্তিশালী করা"। 'পোষণ অভিযান'-এর আওতায় এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে; বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি আউটরিচ প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল মিডিয়া এই সপ্তাহজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে।
এই প্রচারাভিযানে শিশুর জীবনের প্রথম ১০০০ দিনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে—এর মধ্যে রয়েছে গর্ভাবস্থা, জন্মের পরবর্তী প্রথম ছয় মাস এবং চব্বিশ মাস বয়স পর্যন্ত সময়কাল। এই সময়ে প্রাপ্ত পুষ্টি, যত্ন ও স্নেহ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, শারীরিক বৃদ্ধি, শেখার ক্ষমতা এবং আজীবন সুস্থতার ভিত্তি গড়ে তোলে; ফলে শিশুর বেঁচে থাকা ও সুস্থ বিকাশের ক্ষেত্রে স্তন্যপান অন্যতম কার্যকর একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
শিশুর জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে (যা 'গোল্ডেন আওয়ার' বা সোনালী সময় হিসেবে পরিচিত) মায়ের বুকের দুধ দেওয়া নিশ্চিত করতে মন্ত্রক প্রতিটি পরিবারের কাছে আবেদন জানিয়েছে। শিশুর জন্য প্রথম প্রাকৃতিক টিকা হিসেবে পরিচিত ঘন 'কোলোস্ট্রাম' বা শালদুধে প্রচুর অ্যান্টিবডি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে; তাই এটি কোনোভাবেই ফেলে দেওয়া উচিত নয়। জন্মের পরপরই মা ও শিশুর মধ্যে ত্বকের স্পর্শ স্তন্যপান শুরু করতে সহায়তা করে এবং উভয়ের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করে।
প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর অর্থ হলো শিশুটি জল, মধু, ঘুত্তি (ঐতিহ্যবাহী ভেষজ মিশ্রণ), গ্লুকোজ বা ফর্মুলা দুধ ছাড়া কেবল মায়ের বুকের দুধই গ্রহণ করবে; কারণ এই সময়ে বুকের দুধই শিশুর সমস্ত পুষ্টি ও জলের চাহিদা মেটায় এবং সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। ছয় মাস বয়স থেকে বয়সের উপযোগী পরিপূরক খাবার বা 'কমপ্লিমেন্টারি ফুড' শুরু করা উচিত, তবে সেই সঙ্গে দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত স্তন্যপান চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
স্তন্যপান করানোর সঠিক ভঙ্গি ও শিশুর সঙ্গে সঠিক সংযোগ গড়ে তোলার বিষয়ে মায়েদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁদের ও শিশুর জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক ভঙ্গিটি বেছে নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। শিশু যখনই চাইবে তখনই তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো এবং কোনো অসুবিধা হলে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, আশা কর্মী বা নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে সহায়তা নেওয়ার ওপর এই সপ্তাহে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়া মায়েদের বুকের দুধ বের করে রাখা ও তা নিরাপদে সংরক্ষণ করার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে শিশুর মাতৃ দুগ্ধপানে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
মন্ত্রক স্বাস্থ্যক্ষেত্রের পেশাদার, কমিউনিটি কর্মী, পরিবার এবং সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে এমন একটি অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য, যেখানে প্রতিটি মা স্তন্যপান করানোর সক্ষমতা অর্জন করবেন এবং প্রতিটি শিশু জীবনের সর্বোত্তম সূচনা লাভ করবে।
বিস্তারিত জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন –https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2294806®=48&lang=1
SC/SD/SKD
(रिलीज़ आईडी: 2295009)
आगंतुक पटल : 5