উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
azadi ka amrit mahotsav

বেঙ্গালুরুতে নাদাপ্রভু শ্রী কেম্পেগৌড়ার ৫১৭তম জন্মবার্ষিকীতে উপ-রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

प्रविष्टि तिथि: 27 JUN 2026 7:59PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২৭ জুন ২০২৬

 

 

ভারতের উপরাষ্ট্রপতি শ্রী সি. পি. রাধাকৃষ্ণন আজ বেঙ্গালুরুতে নাদাপ্রভু শ্রী কেম্পেগৌড়ার ৫১৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি বেঙ্গালুরুর এই প্রতিষ্ঠাতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁকে একজন দূরদর্শী প্রশাসক, নগর-নির্মাতা, পরিবেশবাদী ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে অভিহিত করেন, যাঁর আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক।

 

সমাবেশে ভাষণদানকালে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রী কেম্পেগৌড়াকে কেবল একজন শাসক হিসেবে নয়, বরং এমন একজন নেতা হিসেবে স্মরণ করা হয় যিনি জনগণের কল্যাণের লক্ষ্যে দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, কেম্পেগৌড়া এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শহরের স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে কৃষক, ব্যবসায়ী, কারিগর, পণ্ডিত এবং বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ একত্রে বসবাস ও সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে; তিনি আরও বলেন যে, বর্তমান বেঙ্গালুরু একটি "মিনি ভারত" বা "ক্ষুদ্র ভারত" হিসেবে সেই দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রকৃত প্রতিফলন।

 

কেম্পেগৌড়ার অসাধারণ দূরদর্শিতার কথা তুলে ধরে শ্রী সি. পি. রাধাকৃষ্ণন বলেন, সুপরিকল্পিত বাজার, আবাসিক এলাকা, জলাধার ব্যবস্থা এবং সর্বজনীন স্থানের মাধ্যমে তিনি পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে, কেম্পেগৌড়ার হ্রদ ও জলপথের পারস্পরিক সংযোগকারী নেটওয়ার্ক এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভারতের সুস্থায়ী উন্নয়নের প্রাচীন প্রজ্ঞার পরিচয় দেয় এবং জল সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মূল্যবান শিক্ষা প্রদান করে।

 

উপরাষ্ট্রপতি সমাজ সংস্কার, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং মানবিক মর্যাদার প্রতি কেম্পেগৌড়ার অঙ্গীকারেরও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কন্নড় সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত থেকেও কেম্পেগৌড়া ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আপন করে নিয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন যে, একটি মহান শহরের উচিত শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নৈতিক মূল্যবোধের লালন করা।

 

বেঙ্গালুরু ভারতের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের রাজধানীতে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে শ্রী সি. পি. রাধাকৃষ্ণন বলেন, এর সাফল্য প্রায় পাঁচ শতাব্দী আগে কেম্পেগৌড়ার স্থাপন করা সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, স্থায়িত্ব এবং প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কেম্পেগৌড়ার আদর্শগুলো 'বিকশিত ভারত'-এর লক্ষ্যের দিকে ভারতের যাত্রাপথে আজও দিকনির্দেশনা জোগাচ্ছে।

 

তরুণদের কেম্পেগৌড়ার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপরাষ্ট্রপতি তাঁদের সমাজ ও জাতি গঠনে অর্থপূর্ণ অবদান রাখার তাগিদ দেন। এছাড়া তিনি জল সংরক্ষণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং সারা দেশের কৃষকদের উপকারের জন্য জল সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে নদী সংযোগের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কর্ণাটকের রাজ্যপাল শ্রী থাওয়ার চাঁদ গেহলট; কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প ও ইস্পাত মন্ত্রী, শ্রী এইচ ডি কুমারস্বামী; কেন্দ্রীয় রেল ও জলশক্তি প্রতিমন্ত্রী, শ্রী ভি. সোমান্না; কর্ণাটক বিধানসভায় বিরোধী দলের নেতা শ্রী আর. অশোক; কর্ণাটকের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং বিধায়ক, ড. সি. এন. অশ্বথ নারায়ণ; ডঃ নির্মলানন্দনাথ মহাস্বামীজি; নাদপ্রভু শ্রী কেম্পেগৌড়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি, অধ্যাপক এম. কৃষ্ণগৌড়া; এবং শ্রী বাসমূর্তি মাদারা চেন্নাইয়া স্বামীজি।

 

SC/SB/AS


(रिलीज़ आईडी: 2278558) आगंतुक पटल : 4
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati , Tamil , Kannada , Malayalam