ভূ-বিজ্ঞানমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

ভারতের সামুদ্রিক ক্ষেত্রকে সুরক্ষিত করতে বিশেষ এল-নিনো বুলেটিন চালু করল আইএনসিওআইএস

प्रविष्टि तिथि: 23 JUN 2026 5:55PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৩ জুন, ২০২৬

 

ভারতের সামুদ্রিক ক্ষেত্রের ওপর চলতি এল-নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব তুলে ধরতে আইএনসিওআইএস বিশেষ এল-নিনো বুলেটিন প্রচার চালু করেছে। আইএনসিওআইএস-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রথম এই বিশেষ বুলেটিনটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন চেভালা সংসদীয় ক্ষেত্রের সাংসদ শ্রী কোন্ডা বিশ্বেশর রেড্ডি গাড়ু।

বুলেটিনে নিশ্চিত করা হচ্ছে যে, এল-নিনো প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে এবং শীতের মরশুমে (নভেম্বর, ২০২৬-জানুয়ারি, ২০২৭) তা চরম আকার নেবে। এর ফলে, ভারত মহাসাগরে এপ্রিল/মে, ২০২৭ পর্যন্ত সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে। উত্তর ভারত মহাসাগর (আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগর সহ) সামুদ্রিক পরিমণ্ডলে আগামী মাসগুলিতে তাপমাত্রার প্রভাব বাড়বে বিশেষত, মার্চ-মে, ২০২৭-এর মধ্যে তা আরও তীব্র হবে। এর ফলে, প্রবাল বলয়ের ক্ষয় হবে এবং সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ বাড়বে। ফলত, মাছ (সার্ডিন ও ম্যাকারেল জাতীয়) কম ধরা পড়বে কারণ, তারা উপযুক্ত কোনো জায়গাতে তাদের বাসস্থান খুঁজে নেবে। এছাড়াও, এল-নিনোর প্রভাবে এই সামুদ্রিক জলবায়ুগত পরিস্থিতির কারণে মাছের বৃদ্ধিও কাঙ্ক্ষিত হবে না।

বঙ্গোপসাগরে বর্ষার মরশুমে সমুদ্রপৃষ্ঠ উত্তাল থাকবে। এর ফলে, উপকূল ক্ষয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং ভারতের পূর্ব উপকূলে বন্যার প্রবণতা বাড়বে। এর সদর্থক দিক হল আরব সাগর এবং পশ্চিম উপকূল তুলনামূলকভাবে অনেকখানি শান্ত থাকবে। ফলে, সামুদ্রিক ক্ষেত্রের কাজকর্ম এই এলাকায় বৃদ্ধি পেতে পারে। উপকূলবর্তী ক্ষয় এবং বন্যার প্রভাব চলতি বর্ষার মরশুমে পশ্চিম উপকূলে তুলনামূলকভাবে কম হবে।

আইএনসিওআইএস-এর পক্ষ থেকে সামুদ্রিক কাজকর্মে যুক্ত প্রত্যেককে নির্দেশাবলী সঠিকভাবে অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরের বিশেষ বুলেটিন প্রকাশিত হবে জুলাই, ২০২৬-এর দ্বিতীয় সপ্তাহে।

 

SC/AB/DM


(रिलीज़ आईडी: 2277375) आगंतुक पटल : 8
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Gujarati , Urdu , हिन्दी , Marathi , Tamil , Telugu