পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে আন্তঃমন্ত্রক ব্রিফিং
প্রকাশিত:
30 APR 2026 5:45PM by PIB Kolkata
নিউ দিল্লি, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যে ভারত সরকার নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে নাগরিকদের অবহিত রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে আজ ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে একটি মিডিয়া ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এবং বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রকের আধিকারিকরা জ্বালানির প্রাপ্যতা, সামুদ্রিক কার্যক্রম, ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা এবং প্রধান ক্ষেত্রগুলোতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেন। রাসায়নিক ও সার মন্ত্রক সারের মজুত পরিস্থিতি এবং প্রাপ্যতা সম্পর্কে মিডিয়াকে অবহিত করেছে। এর পাশাপাশি, বাণিজ্য মন্ত্রক রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করেছে।
সারের মজুত পরিস্থিতি এবং প্রাপ্যতা
**দেশে সারের সামগ্রিক মজুত পরিস্থিতি (LMT-তে)**
| পণ্য | আজ পর্যন্ত | গত বছর আজ পর্যন্ত |
|---|---|---|
| ইউরিয়া | ৭৩.৩২ | ৭২.৯০ |
| ডিএপি (DAP) | ২২.৩৮ | ১৫.৪৪ |
| এনপিকে (NPKs) | ৫৮.৪৫ | ৪৫.১৪ |
| এসএসপি (SSP) | ২৬.৬০ | ২৬.৩৮ |
| এমওপি (MOP) | ১২.৬৩ | ১২.৮৯ |
| **মোট** | **১৯৩.৩৮** | **১৭২.৭৫** |
২০২৬ সালের খরিফ মরসুমের জন্য সার মন্ত্রক (DA&FW) ৩৯০.৫৪ লক্ষ মেট্রিক টন (LMT) সারের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করেছে। এর বিপরীতে আজ পর্যন্ত মজুত আছে ১৯৩.৩৮ LMT (প্রায় ৫০%), যা সাধারণত ৩৩% থাকে—অর্থাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এটি সরকারের উন্নত পরিকল্পনা, আগাম মজুত এবং দক্ষ লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।
রাজ্যগুলিতে সরবরাহ পরিস্থিতি শক্তিশালী রয়েছে। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সারের প্রাপ্যতা চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। ইউরিয়ার প্রাপ্যতা ৭৩.৮১ LMT (চাহিদা ২২.৯১ LMT), DAP প্রাপ্যতা ২৩.৪৭ LMT (চাহিদা ৭.৪৪ LMT), MOP প্রাপ্যতা ৮.৫৪ LMT (চাহিদা ২.১৮ LMT), NPK প্রাপ্যতা ৫৪.০৪ LMT (চাহিদা ৯.৪০ LMT) এবং SSP প্রাপ্যতা ২৬.২০ LMT (চাহিদা ৪.১৬ LMT)। এটি বর্তমান খরিফ মরসুমের জন্য মজুত মজবুত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
**প্রধান প্রধান সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) – সারের মূল্যে কোনো পরিবর্তন হয়নি**
| পণ্য | প্রতি বস্তা টাকা |
|---|---|
| ইউরিয়া | ২৬৬.৫ |
| ডিএপি (DAP) | ১৩৫০ |
| টিএসপি (TSP) | ১৩০০ |
**সংকটের পর সারের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানি (LMT-তে)**
| পণ্য | সংকটের পর অভ্যন্তরীণ উৎপাদন | সংকটের পর ভারতীয় বন্দরে পৌঁছানো আমদানি |
|---|---|---|
| ইউরিয়া | ৩৭.৪৯ | ৯.৯৮ |
| ডিএপি (DAP) | ৪.৭৯ | ০.৭৬ |
| এনপিকে (NPKs) | ১২.৬৯ | ২.৫৫ |
| এসএসপি (SSP) | ৭.৪০ | ০ |
| এমওপি (MOP) | ০ | ২.১০ |
| **মোট** | **৬২.৩৭** | **১৫.৩৯** |
সংকট পরিস্থিতির পর সারের প্রাপ্যতায় মোট প্রায় ৭৮ LMT সার যুক্ত হয়েছে। চলমান এপ্রিল ২০২৬-এ ইউরিয়া উৎপাদন প্রায় ২০.৮-২১ LMT-তে পৌঁছেছে (এপ্রিল ২০২৫-এ যা ছিল ২১.৮৯ LMT)।
**গ্লোবাল ইউরিয়া টেন্ডার:** ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে আজ পর্যন্ত ভারত মোট ৩৮.০৭ LMT (RCF ১৩.০৭ + IPL ২৫ LMT) ইউরিয়া নিশ্চিত করেছে।
**DAP, TSP এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটের জন্য গ্লোবাল টেন্ডার:** ভারতীয় সার সংস্থাগুলি গত শুক্রবার অর্থাৎ ২৪.০৪.২০২৬-এ ১২ LMT DAP, ৪ LMT TSP এবং ৩ LMT অ্যামোনিয়াম সালফেট সংগ্রহের জন্য সমন্বিত গ্লোবাল টেন্ডার ইস্যু করেছে। এটি চাষের মরসুমে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। সার উৎপাদনের উপকরণগুলোর নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সারের পর্যাপ্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ পর্যন্ত EGoS-এর ৬টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের সার নিরাপত্তা শক্তিশালী, স্থিতিশীল এবং সুপরিচালিত।
বাণিজ্য মন্ত্রকের আপডেট:
* ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথম তিন সপ্তাহে (১-২১ এপ্রিল) গত বছরের তুলনায় মোট রপ্তানি ২০%-এর বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
* যে প্রধান পণ্যগুলোর রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে সেগুলো হলো পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রী।
শক্তি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং এলপিজি ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে।
**জনসাধারণের জন্য পরামর্শ এবং সচেতনতা:**
* পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-র জন্য আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা করবেন না। সরকার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
* গুজবে কান দেবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য কেবল সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করুন।
* এলপিজি গ্রাহকদের ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
* পিএনজি এবং ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকটপ ব্যবহারের মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
* বর্তমান পরিস্থিতিতে শক্তি সংরক্ষণের জন্য নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে।
**সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা:**
* ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও ঘরোয়া এলপিজি, ঘরোয়া পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফার্মা, স্টিল, অটোমোবাইল, বীজ ও কৃষি ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার রয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির সিলিন্ডার সরবরাহ দ্বিগুণ করা হয়েছে।
* সরবরাহ ও চাহিদা ব্যবস্থাপনার জন্য রিফাইনারি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে। কয়লা ও কেরোসিনের মতো বিকল্প জ্বালানিও সহজলভ্য করা হয়েছে। কয়লা মন্ত্রক কোল ইন্ডিয়াকে রাজ্যগুলোতে অতিরিক্ত কয়লা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে।
**রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সাথে সমন্বয়:**
* মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে রাজ্যগুলোকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের অধীনে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
* কেন্দ্র থেকে নিয়মিতভাবে রাজ্যগুলোর সাথে পর্যালোচনামূলক বৈঠক করা হচ্ছে। গুজব মোকাবিলা এবং প্রতিদিনের এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
**এনফোর্সমেন্ট এবং মনিটরিং অ্যাকশন:**
* কালোবাজারি রোধে দেশজুড়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল দেশজুড়ে ২৩০০-র বেশি রেইড চালানো হয়েছে।
* রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো ৩৩৬টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৭২টি ডিস্ট্রিবিউটরশিপ স্থগিত করা হয়েছে। ২৯.০৪.২০২৬ তারিখে ৫০ জন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এলপিজি (LPG) সরবরাহ
**ঘরোয়া এলপিজি সরবরাহের স্থিতি:**
* ঘরোয়া এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং কোনো ঘাটতি নেই।
* গতকাল অনলাইন এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং ৯৮% ছিল।
* ডাইভারশন রুখতে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক ডেলিভারি ৯৩% এর বেশি বেড়েছে।
* ২৯.০৪.২০২৬ তারিখে প্রায় ৪৩ লক্ষ সিলিন্ডারের বুকিংয়ের বিপরীতে ৪৭ লক্ষের বেশি ঘরোয়া সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে।
**বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ সংক্রান্ত পদক্ষেপ:**
* বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ সংকটের আগের সময়ের ৭০%-এ উন্নীত করা হয়েছে।
* পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির সিলিন্ডার সরবরাহ দ্বিগুণ করা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২১.৭৫ লক্ষ ৫ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। গতকাল প্রায় ৭০,০০০ সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে।
* ৩ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো ৯৭৫০-এর বেশি সচেতনতামূলক শিবির আয়োজন করেছে। গতকাল ১৯০টি শিবিরের মাধ্যমে ৫৬৬৩টি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* এপ্রিল মাসে (২৯.০৪.২৬ পর্যন্ত) মোট ১,৯২,৫৩২ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে। ২৯.০৪.২০২৬ তারিখে ৮৪৮৯ মেট্রিক টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে।
* এপ্রিল মাসে অটো এলপিজি বিক্রি ১০০% বৃদ্ধি পেয়েছে (দৈনিক ৩৫৩ মেট্রিক টন)।
প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি (PNG) সম্প্রসারণ উদ্যোগ
* ঘরোয়া পিএনজি এবং সিএনজি-র জন্য ১০০% সরবরাহ বজায় রয়েছে। সার কারখানাগুলোর জন্য বরাদ্দ ৯৫% করা হয়েছে। অন্যান্য শিল্পের জন্য সরবরাহ ৮০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
* বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য পিএনজি সংযোগে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
* ২২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পিএনজি রূপান্তরের বিনিময়ে অতিরিক্ত বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ পাচ্ছে।
* জাতীয় পিএনজি ড্রাইভ ২.০ এর সময়সীমা ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫.৭৮ লক্ষ নতুন পিএনজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৪৩,০৫০ গ্রাহক এলপিজি ছেড়ে পিএনজি গ্রহণ করেছেন।
অপরিশোধিত তেল এবং রিফাইনারি কার্যক্রম
* সমস্ত রিফাইনারি উচ্চ ক্ষমতায় চলছে। পেট্রোল ও ডিজেলের যথেষ্ট মজুত রয়েছে।
* ফার্মা ও রাসায়নিক খাতের জন্য প্রতিদিন ১০০০ মেট্রিক টন এলপিজি বরাদ্দ করা হয়েছে। ৯ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত মুম্বাই, কোচি, ভাইজ্যাগ, চেন্নাই এবং মথুরা রিফাইনারি থেকে ৯৪০০ মেট্রিক টনের বেশি প্রোপিলিন এবং ১০০০ মেট্রিক টনের বেশি বিউটাইল অ্যাক্রিলেট বিক্রি করা হয়েছে।
খুচরা জ্বালানি প্রাপ্যতা এবং মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ
* সারা দেশে সমস্ত রিটেইল আউটলেট স্বাভাবিকভাবে চলছে।
* গ্রাহকদের সুরক্ষা দিতে সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর এক্সাইজ ডিউটি প্রতি লিটারে ১০ টাকা কমিয়েছে।
* অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে রপ্তানির ওপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরা দামে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
**কেরোসিন সরবরাহ:**
* নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত ৪৮,০০০ কিলোলিটার কেরোসিন রাজ্যগুলোকে দেওয়া হয়েছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং শিপিং অপারেশন
* পারস্য উপসাগরের সামুদ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মন্ত্রক নিয়মিত অংশীজনদের সাথে সমন্বয় করছে।
* অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ভারতীয় জাহাজের ওপর অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই।
* ডিজি শিপিং কন্ট্রোল রুম সফলভাবে কাজ করছে। এ পর্যন্ত ২৮৫৭ জন নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রয়েছেন। ভারতের বন্দরগুলোতে কোনো জট নেই।
ওই অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা
* বিদেশ মন্ত্রক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৩,১৯,০০০ যাত্রী ওই অঞ্চল থেকে ভারতে এসেছেন।
* **সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE):** আজ ভারত ও ইউএই-র মধ্যে প্রায় ১১০টি বিমান চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে।
* **সৌদি আরব ও ওমান:** বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
* **কাতার:** আকাশপথ আংশিক খোলা। এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগো শীঘ্রই পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনা করছে।
* **কুয়েত ও বাহরিন:** আকাশপথ খোলা। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ও ইন্ডিগো শীঘ্রই বাহরিন থেকে পরিষেবা শুরু করতে পারে।
* **ইরান:** আকাশপথ আংশিক খোলা। ভারতীয়দের স্থলপথ দিয়ে ফিরতে বলা হয়েছে। তেহরানের দূতাবাস এ পর্যন্ত ২৪৮৫ জন ভারতীয়কে নিরাপদ স্থানে যেতে সহায়তা করেছে।
* **ইরাক ও ইজরায়েল:** আকাশপথ খোলা এবং সীমিত বিমান চলাচল করছে।
ভারত সরকার ওই অঞ্চলের সকল ভারতীয়র নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
SC/PK
(রিলিজ আইডি: 2257111)
ভিজিটরের কাউন্টার : 10
এই রিলিজটি পড়তে পারেন:
English
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Assamese
,
Gujarati
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam