অর্থমন্ত্রক
দিল্লি ও কলকাতায় সক্রিয় সংঘবদ্ধ সোনা পাচার ও অবৈধ গলানোর চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালাল ডিআরআই; ১৪.১৩ কোটি টাকা মূল্যের সোনা, রুপো ও নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত; গ্রেপ্তার ৬ জন
প্রকাশিত:
15 MAR 2026 10:59AM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৫ মার্চ ২০২৬
ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) এমন একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে ধরে ফেলেছে, যারা বিদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচার, রেলপথে তা পরিবহন, অবৈধ কেন্দ্রে নিয়ে গলিয়ে ফেলা বা রূপ পরিবর্তন করে ফেলা এবং পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ বাজারে গোপনে বিক্রির কাজে জড়িত ছিল। এই অভিযানের ফলে সোনা, রুপা এবং ভারতীয় মুদ্রা মিলিয়ে মোট ১৪.১৩ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে এবং ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ১৯৬২ সালের শুল্ক আইনের বিধান অনুযায়ী ১৩.৪১ কোটি টাকা মূল্যের ৮,২৮৬.৮১ গ্রাম সোনা, ১৯.৬৭ লক্ষ টাকা মূল্যের ৭,৩৫০.৪ গ্রাম রুপা এবং ৫১,৭৪,১০০ টাকার ভারতীয় মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, ডিআরআই –এর আধিকারিকরা নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে কলকাতা থেকে আগত এক যাত্রীকে আটক করেন। ওই যাত্রীর কাছে বিদেশ থেকে আনা সোনা ছিল, যা স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ এক প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। সোনা বহনকারী এবং প্রাপক—উভয়কেই গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের তল্লাসী এবং জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিল্লিতে পরবর্তী তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে দিল্লিতে একটি অবৈধ সোনা গলানোর কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়, যেখানে স্থানীয় সোনার বাজারে বিক্রির আগে বিদেশ থেকে আসা সোনার ওপর থেকে বিদেশি চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ চলত। ওই আস্তানা থেকে আরও সোনা, রুপো এবং ভারতীয় মুদ্রা উদ্ধার করা হয়; পাশাপাশি ওই অবৈধ কারখানার দায়িত্বে থাকা ব্যবস্থাপককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও তদন্তের সূত্র ধরে কলকাতায় পৌঁছানো হয়, যেখানে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাকে—বিকৃত অবস্থায় থাকা আরও সোনাসহ—আরেকটি অবৈধ সোনা গলানোর কারখানায় শনাক্ত করা হয়। তাকে এবং তার সাথে থাকা দুই বাহককে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, ভারতে চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা বিদেশি চিহ্নযুক্ত সোনা তারা গ্রহণ করত; এরপর শনাক্তকারী চিহ্নগুলো মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে সেই সোনা গলিয়ে ফেলা হতো এবং পরবর্তীতে বিতরণের জন্য রেলপথে দিল্লিতে পাঠানো হতো।
স্বর্ণের চোরাচালান, পরিবহন, গলানো এবং হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত মোট ছয়জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং উপযুক্ত আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
SC/SB/NS…
(রিলিজ আইডি: 2240363)
ভিজিটরের কাউন্টার : 8