উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
azadi ka amrit mahotsav

ভারত জলবায়ু ফোরাম ২০২৬-এ উপরাষ্ট্রপতি শ্রী সি.পি. রাধাকৃষ্ণণ-এর ভাষণ

प्रविष्टि तिथि: 09 JAN 2026 3:07PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬

 


উপরাষ্ট্রপতি শ্রী সি.পি. রাধাকৃষ্ণণ আজ নতুন দিল্লিতে ভারত জলবায়ু ফোরাম ২০২৬-এর উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, জলবায়ু সংক্রান্ত উদ্যোগ ভারতের উন্নয়নের পথে বাধা নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের গতি বৃদ্ধি, জ্বালানী সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত অর্থনীতি গঠনের এক কৌশলগত সুযোগ।

উপরাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ুর সঙ্গে ভারতের সংযোগ তার সভ্যতার গভীরে প্রোথিত। সুস্থিতি নিয়ে বর্তমানে যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, তার বহু আগেই ভারত মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে সমন্বয়সাধনের উপর জোর দিয়েছিল। প্রথাগত জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, সুস্থিত কৃষি পদ্ধতি, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রকৃতি ও অপরিগ্রহের মতো নীতিগুলিতে এরই প্রতিফলন ঘটেছে।

গত এক দশকে ভারতের উন্নয়ন যাত্রার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতে বিকাশ ও সাম্য এবং বর্তমান চাহিদা ও ভবিষ্যতের দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্যসাধন করা প্রয়োজন। উন্নয়নশীল একটি দেশ জলবায়ু সংক্রান্ত দায়িত্ব কিভাবে পালন করতে পারে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে ভারত নতুন করে তার সংজ্ঞা দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কপ ২৬-এ ভারতের ঘোষিত পঞ্চামৃত অঙ্গীকারের উল্লেখ করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, এই লক্ষ্যগুলি ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরো কার্বন নির্গমনের লক্ষ্য অর্জন থেকে শুরু করে নিম্ন-কার্বনের এক ভবিষ্যতের দিকে স্পষ্ট পথনির্দেশিকা দেয়। এক্ষেত্রে ভারতের উন্নয়নগত অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়িত্ব, দুইয়ের প্রতিই নজর দেওয়া হয়।

দূষণমুক্ত প্রযুক্তিতে উৎপাদনের গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, কেবল আমদানি করা প্রযুক্তি অথবা ভঙ্গুর সরবরাহশৃঙ্খলের উপর ভিত্তি করে উন্নত ভারত গড়ে তোলা সম্ভব নয়। দেশীয় দূষণমুক্ত প্রযু্ক্তি, প্রাণবন্ত উৎপাদন ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে হবে। ভারত ক্রমশই পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, শক্তি মজুত, গ্রিন হাইড্রোজেন, ইলেক্ট্রিক পরিবহণ, সুস্থিত উপাদান, জলবায়ু উপযোগী কৃষি এবং ডিজিটাল জলবায়ু সমাধানের ক্ষেত্রে বিশ্বে নিজের অবস্থান মজবুত করছে। মেক ইন ইন্ডিয়া ক্রমশই মেক ইন ইন্ডিয়া ফর দ্য ওয়ার্ল্ড হয়ে উঠছে। 

উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতীয় কোম্পানিগুলি সৌর মডিউল, ব্যাটারি উৎপাদন, ইলেক্ট্রিক যানবাহনের উপাদান, ইলেক্ট্রোলাইজার, দূষণমুক্ত জ্বালানী ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। জলবায়ু সংক্রান্ত তথ্য, জ্বালানী দক্ষতা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্টার্টআপগুলি কাজ করছে। 

উপরাষ্ট্রপতি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এমন এক অভিন্ন চ্যালেঞ্জ, যার মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রয়াসের প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক সৌর জোটের প্রতিষ্ঠাতা শক্তি হিসেবে ভারত সাশ্রয়ী সৌর সমাধানের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলিকে একত্রিত করেছে। দুর্যোগ প্রতিরোধী পরিকাঠামো জোটে ভারতের নেতৃত্ব, জলবায়ু সংক্রান্ত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং উন্নয়নের সুরক্ষায় এক ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি।

অনুষ্ঠানে ভারত জলবায়ু ফোরামের চেয়ারম্যান, রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শ্রী এন.কে. সিং, ফোরামের আহ্বায়ক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীমতী মীনাক্ষি লেখি, বিভিন্ন নীতি নির্ধারক, শিল্পনেতা, বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 


SC/SD/SKD


(रिलीज़ आईडी: 2212972) आगंतुक पटल : 8
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: Telugu , English , Urdu , हिन्दी , Marathi , Gujarati , Tamil , Malayalam