সংস্কৃতিমন্ত্রক
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৩ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে পবিত্র পিপরাহওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন
प्रविष्टि तिथि:
02 JAN 2026 3:51PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২ জানুয়ারি ২০২৬
সংস্কৃতি মন্ত্রক রাই পিথোরা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে সম্প্রতি ভারতে ফিরিয়ে আনা পবিত্র পিপরাহওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং রত্ন ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শনের জন্য একটি ঐতিহাসিক প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৩ জানুয়ারী ২০২৬ সকাল ১১.০০ টায় এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন।
এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ভগবান বুদ্ধের পিপরাহওয়া রত্ন ও প্রত্নতাত্ত্বিক পুনর্মিলনকে চিহ্নিত করে। ১৮৯৮ সালের ধ্বংসাবশেষ, রত্ন ধ্বংসাবশেষ এবং পিপরাহওয়ায় ১৯৭১-১৯৭৫ খননের সময়কার ধ্বংসাবশেষকে ১২৭ বছর পর দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
" লাইট অ্যান্ড লোটাস: রেলিক্স অফ দ্য অ্যাওয়েন্ড ওয়ান" শীর্ষক এই প্রদর্শনীতে সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রাসঙ্গিক পুরাকীর্তি এবং শিল্পকর্মগুলি বিষয়ভিত্তিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছে। এই ধ্বংসাবশেষগুলি বুদ্ধের সবচেয়ে বিস্তৃত সমাবেশের প্রতিনিধিত্ব করে। এটি গভীর দার্শনিক অর্থ, নিপুণ কারুশিল্প এবং বিশ্বব্যাপী আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের প্রতীক। প্রদর্শনীতে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ৮০টিরও বেশি বস্তু রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ভাস্কর্য, পাণ্ডুলিপি, থাঙ্গকা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জিনিসপত্র।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে সংস্কৃতি মন্ত্রকের সফলভাবে ধ্বংসাবশেষ ফিরিয়ে আনার স্মরণে এই অভূতপূর্ব সমাবেশটি আয়োজন করা হয়েছে। একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এটি অর্জিত হয়েছিল। ১৮৯৮ সালের খননের পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রদর্শনীটিতে একত্রিত করা হয়েছে :
• ১৮৯৮ সালের কপিলাবস্তু খননের ধ্বংসাবশেষ
• ১৯৭২ সালের খননকাজ থেকে প্রাপ্ত গুপ্তধন
• কলকাতার ভারতীয় জাদুঘর থেকে প্রাপ্ত রত্নখচিত জিনিসপত্র এবং সম্পদ
• পেপ্পে পরিবারের সংগ্রহ থেকে সম্প্রতি ফিরিয়ে আনা ধ্বংসাবশেষ
• একপ্রস্তরীয় পাথরের সম্পদ যেখানে প্রধানত রত্ন ধ্বংসাবশেষ এবং স্থাপত্যের জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছিল।
১৮৯৮ সালে কপিলাবস্তুর প্রাচীন স্তূপে উইলিয়াম ক্ল্যাক্সটন পেপ্পে বুদ্ধের পবিত্র ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন। আবিষ্কারের পর, এর কিছু অংশ বিশ্বব্যাপী বিতরণ করা হয়। এর একটি অংশ শ্যামদেশের রাজাকে উপহার দেওয়া হয়েছিল, অন্যটি ইংল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ধ্বংসাবশেষের এক তৃতীয়াংশ কলকাতার ভারতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রাখা হয়। ২০২৫ সালে, সংস্কৃতি মন্ত্রকের সিদ্ধান্তমূলক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পেপ্পে পরিবারের অংশটি ফিরিয়ে আনা হয়। এই পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সমর্থন লাভ করে।
এই প্রদর্শনী বৌদ্ধধর্মের জন্মস্থান হিসেবে ভারতের ভূমিকার উপর জোর দেয় এবং বিশ্বব্যাপী আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক নেতা হিসেবে এর অবস্থানকে আরও দৃঢ় করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে, ভারতের বিশ্বব্যাপী সম্পৃক্ততা ক্রমবর্ধমানভাবে তার সভ্যতাগত ও আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকারের উপর নির্ভর করে। সম্প্রতি ৬৪২টি পুরাকীর্তি ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে পিপরাহওয়া ধ্বংসাবশেষের প্রত্যাবর্তন একটি যুগান্তকারী সাফল্য হয়ে উঠেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক নেতারা, শ্রদ্ধেয় বৌদ্ধ ভিক্ষু, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, পণ্ডিত, ঐতিহ্য বিশেষজ্ঞ, শিল্প সম্প্রদায়ের সম্মানিত সদস্য, শিল্প অনুরাগী, বৌদ্ধধর্মের অনুসারী এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।
এই প্রদর্শনীটি ভারতের আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার এবং বুদ্ধ ধর্মের জন্মস্থান হিসেবে এর তাৎপর্য উদযাপনের পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক নেতৃত্বের প্রতি মন্ত্রকের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। এটি সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে তার সভ্যতাগত ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং ভাগ করে নেওয়ার প্রতি ভারতের স্থায়ী প্রতিশ্রুতিও প্রতিফলিত করে।
SC/PM/AS
(रिलीज़ आईडी: 2211037)
आगंतुक पटल : 16