স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ আমেদাবাদে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় সম্মেলন আইএমএ ন্যাটকন ২০২৫-এ ভাষণ দিয়েছেন
প্রকাশিত:
28 DEC 2025 5:47PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ গুজরাটের আমেদাবাদে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় সম্মেলন আইএমএ ন্যাটকন ২০২৫-এ ভাষণ দিলেন। এই অনুষ্ঠানে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন, যখন কোনো প্রতিষ্ঠান ১০০ বছর পূর্ণ করে, তখন তার পশ্চাতে থাকে দীর্ঘ এবং উল্লেখযোগ্য এক ইতিহাস। একটি শতবর্ষ আরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রতিষ্ঠানের সামনে আসা সমস্যাগুলির মোকাবিলা করার জন্য। তিনি বলেন যে, দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবায় মানুষের সেবায় আইএমএ-র মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যকে এক বছর ধরে উদযাপন করা উচিত এবং নিয়ে যাওয়া উচিত সমাজের সকল শ্রেণীর কাছে। কারণ, এর মাধ্যমে জনমনে সেবার আদর্শ, কর্তব্য জ্ঞান প্রোথিত করার এটাই সেরা উপায়। একইসঙ্গে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনের পায়ে পা মিলিয়ে চলার এটাই সময়। রেজিস্টার্ড মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পর্যন্ত।
শ্রী অমিত শাহ বলেন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্র অবশ্যই একটি সেবা ক্ষেত্র। যখন কোনো ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসকের কাছে যান, তিনি প্রত্যেক চিকিৎসকের মধ্যেই ভগবানকে দেখেন। তিনি বলেন যে, ১০০ বছর আগে প্রণীত উদ্দেশ্য এবং নীতিকথা এখন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। ১০০ বছর পূর্ণ করার পর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নৈতিক মূল্যবোধের পরিমণ্ডলটি নতুন করে বিবেচনা করার প্রয়োজন আছে। তিনি আইএমএ-র প্রতিনিধিদের আবেদন জানান, একটি দল তৈরি করতে, যা এই ক্ষেত্রের মূল্যবোধের নতুন সংজ্ঞা তৈরি করবে, যা হবে বর্তমানকালের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। শ্রী শাহ বলেন যে, শুধুমাত্র চিকিৎসা বিদ্যা শিক্ষা করলেই চিকিৎসক হওয়া যায় না। চিকিৎসা বিদ্যার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এই ক্ষেত্রের মূল্যবোধের বিভিন্ন দিককে বোঝা এবং এই দায়িত্ব আইএমএ-র। তিনি বলেন, মূল্যবোধ জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না, কোনো আইনের মাধ্যমেও বলবৎ করা যায় না, এটা নৈতিকতার বিষয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে যদি আইএমএ নীতির বিভিন্ন দিকের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে এবং তা ভারত সরকারকে জানায়, তাহলে সেটা চিকিৎসা শিক্ষার একটি অঙ্গ করে তোলা যায়। তবেই আগামী দিনে সেইসব চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যারা নিজেদের কাজকে পবিত্র কর্তব্য বলে মনে করবেন, যার আজ খুব প্রয়োজন। তিনি বলেন, যদি এটা অর্জন করা যায়, মানুষের মনে যে শ্রদ্ধা ও আস্থা তৈরি হয়েছে এই শতাব্দী প্রাচীন একনিষ্ঠ সেবার মাধ্যমে তাহলে তা আগামী কয়েক শতাব্দী ধরে প্রবহমান থাকবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী প্রত্যেক নাগরিককে বিকশিত ভারত গঠনের সংকল্প নেওয়ার কথা বলেছেন, যাতে দেশ ২০৪৭-এ স্বাধীনতার ১০০ বছর যখন পূর্ণ করবে তখন এমন একটাও ক্ষেত্র থাকবে না, যেখানে ভারত সারা বিশ্বের মধ্যে প্রথম নয়। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে একটি সুস্থ জনসমাজ সব দিক দিয়েই প্রয়োজন, তা মানসিক হোক বা দৈহিক অথবা প্রাণশক্তি এবং উৎসাহ সব দিক দিয়ে এবং চিকিৎসকদের এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। তিনি বলেন, মোদী সরকার বিকশিত ভারতের একটি দৃঢ় সুস্থ পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে দায়বদ্ধ এবং এতে চিকিৎসকরা একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবেন। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য নিয়ে সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একটি বড়সড় স্বাস্থ্য পরিমণ্ডল তৈরি করা হয়েছে ২০১৪ থেকে ২০২৫-এর মধ্যে। শ্রী শাহ জানান, এই লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপটি ছিল স্বচ্ছতা মিশনের সূচনা। যাতে প্রতিটি বাড়িতে শৌচালয় নির্মাণ করা যায়। তিনি বলেন, এই অভিযানের সঙ্গে স্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক আছে। কারণ শহর, গ্রাম এবং নগরে পরিচ্ছন্নতা অনেক রোগের সংক্রমণকে প্রতিরোধ করে। তিনি আরও বলেন যে, সরকার এর পরেই সূচনা করে ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট এবং খেলো ইন্ডিয়া এবং শুরু করে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন। এর ফলে, যারা যোগাসনকে তাদের জীবনের অঙ্গ করে নিয়েছেন, সেই মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪০ শতাংশ।
শ্রী অমিত শাহ বলেন, আয়ুষ্মান ভারত মিশন যা সরাসরি যুক্ত স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সঙ্গে তা রূপায়ণ করা হচ্ছে যাতে ভারত জুড়ে গরিব মানুষকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি রাজ্যে এর অতিরিক্ত কর্মসূচির জন্য দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন যে, আয়ুষ্মান ভারত মিশন ভারতের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একটি গুণগত রূপান্তর এনেছে। মিশন ইন্দ্রধনুষ-এর মাধ্যমে ভারত সরকার টিকাকরণ অভিযান শুরু করেছে, যা শিশুদের নানা ধরনের ব্যাধি প্রতিরোধে সাহায্য করছে। তিনি বলেন যে, ১.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা লগ্নি করা হয়েছে কমিউনিটি হেলথ সেন্টার (সিএইচসি) এবং প্রাইমারি হেলথ সেন্টার (পিএইচসি)-র পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে। সুলভে জেনেরিক ওষুধের একটি বড় নেটওয়ার্ক শুরু হয়েছে এবং বিমাকে আরও সুলভ করে তোলা হয়েছে জিএসটি অপসারণ করে। তিনি বলেন যে, মেডিকেলে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫১ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার করা হয়েছে, যার অর্থ প্রতি বছর আরও বেশি সংখ্যায় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন যে, এইমস-এর সম্প্রসারণ চলছে। আর খুব শীঘ্রই একটি কর্মসূচি নেওয়া হবে সিএইচসি এবং পিএইচসি-গুলিতে টেলিমেডিসিন এবং ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে এইমস থেকে পরামর্শ দিতে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০১৩-১৪-য় কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবাবদ বাজেট ছিল মাত্র ৩৭ হাজার কোটি টাকা। সেখানে আজ সেটা বেড়ে হয়েছে ১.২৮ লক্ষ কোটি টাকা, ১০২ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে এবং কর্মসূচিগুলি শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ নয়, তা বাস্তবিকই রূপায়ণ হয়েছে। তিনি বলেন যে, ১.৮১ লক্ষ আয়ুষ্মান ভারত হেলথ সেন্টার দরিদ্র মানুষের কাছে আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত, মিশন ইন্দ্রধনুষ, ম্যালেরিয়ার ৯৭ শতাংশ হ্রাস, কালাজ্বরে ৯০ শতাংশের বেশি উন্নতি, ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কমে ১ শতাংশ, মাতৃত্বকালীন মৃত্যুতে ২৫ শতাংশ হ্রাস, প্রাতিষ্ঠানিক সন্তান প্রসবে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং শিশু মৃত্যুর হার অর্ধেক – এই সবই সম্ভব হয়েছে এই কর্মসূচিগুলির জন্য, যা শুধুমাত্র ঘোষণায় আবদ্ধ থাকেনি, কার্যকরীভাবে রূপায়িত হয়েছে। শ্রী শাহ বলেন, যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে পরিকাঠামো সম্প্রসারিত হয়েছে শুধু তাই নয়, অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে নাগরিকদের স্বাস্থ্যে। তিনি বলেন, যে কঠিন পরিশ্রম করা হচ্ছে তাকে এই শক্ত পরিকাঠামোর সঙ্গে মেলাতেই হবে। তখনই এইসব কর্মসূচি এবং ব্যক্তিগত প্রয়াস নিয়ে আসবে সত্যিকারের উল্লেখযোগ্য ফল।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানতে চান, আইএমএ কোনো এমন কর্মসূচি তৈরি করেছে কিনা, যেখানে চিকিৎসকদের গবেষণায় যুক্ত করা হবে এবং সেটা কর্মসূচি ভারত সরকারের কাছে পেশ করার কথা বলেন তিনি। তিনি এও জানতে চান, আইএমএ বর্তমানে যেসব চিকিৎসক আছেন তাদের পুরোপুরি ব্যবহার করতে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা যাতে ভিডিও কনফারেন্সিং এবং টেলি মেডিসিনের মাধ্যমে পরামর্শ দান করা যায়। তিনি বলেন যে, আইএমএ-র ভূমিকা আরও জোরালো করতে হবে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও দৃঢ় এবং শক্তিশালী করে তুলতে। সময় এসে গেছে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের অবদান এবং কাজের সুযোগের পুনরায় পরীক্ষা করার। শ্রী শাহ বলেন যে, আলোচনা করতে হবে আইএমএ-র ভূমিকা নিয়ে যদি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় গুণমান সম্পন্ন, সুলভ চিকিৎসা পরিষেবা দিতে। তিনি বলেন যে, সেবা ক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে থাকে সেটা হল আইএমএ। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয় কিন্তু আত্মতুষ্টির বিষয় নয় কারণ আরও অনেক কিছু করার আছে, আইএমএ-কে সেদিকে নজর দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন, আইএমএ-কে দেশের বর্তমান প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে এগোতে হবে। এর জন্য ইলনেসটাওয়েলনেস থেকে সরিয়ে নজর দিতে হবে মৌলিক বিষয়গুলির দিকে। ওষুধের পাশাপাশি জোর দিতে হবে পরামর্শ এবং দিক নির্দেশের উপর স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার জন্য। নতুন চিকিৎসকদের এই ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে। তিনি বলেন যে, আয়ুষ্মান ভারত এবং জেনেরিক ওষুধের দোকানের গুরুত্বকে কম করে দেখলে চলবে না।
শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, সেই স্বাধীনতা পূর্ব সময় থেকে আজ পর্যন্ত দেশের গরিব মানুষদের যারা চিকিৎসা করে আসছেন তাদের প্রতি তাঁর আন্তরিক শ্রদ্ধা। তিনি বলেন, যে আইএমএ-র মাধ্যমে চিকিৎসকরা গত ১০০ বছর ধরে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছেন অসুস্থদের সেবায় এবং জীবনের মেয়াদ বাড়ানোয়। এই গর্বের ১০০ বছরের যাত্রাকে ঠিক মতো নথিবদ্ধ করতে হবে এবং প্রকাশ করতে হবে গ্রাম, তহশিল, শহর এবং মহানগরীগুলিতে। এতে চিকিৎসকদের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। একইসঙ্গে, আইএমএ-কেও তাদের ভূমিকা এবং তার নীতিবোধের সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে কোভিড ১৯ সঙ্কটের সময়ে দেশের চিকিৎসকরা প্রশংসনীয় কাজ করেছেন। তিনি বলেন যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কোভিড অতিমারির মোকাবিলায় গৃহীত প্রয়াসের দিকে নজর রেখেছিলেন। সেই সময়ে একজন চিকিৎসকও তাঁর কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হননি। তাঁরা নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর না দিয়ে রোগীর সেবা করে গেছেন। তিনি বলেন যে, হয়তো বা বিশ্বের কোথাও মানুষ এই নজির খুঁজে পাবে না, যেখানে প্রত্যেক চিকিৎসক ঐক্যবদ্ধ হয়ে শুধু রোগীদের সেবাই করেছেন এবং নিজেদের স্বাস্থ্য সুস্থতা নিয়ে না ভেবে চিকিৎসক-রোগী সম্পর্কের পবিত্রতাকে তুলে ধরেছেন। শ্রী শাহ বলেন, যে যাঁরা সমাজ বিজ্ঞান বোঝেন তাঁরা জানেন যে এটা দেশের একটি বড় সম্পদ। তিনি আরও বলেন, কয়েক লক্ষ চিকিৎসক ব্যক্তিগত স্তরে চিকিৎসা করলেও ওই সময়ে সরকারের প্রতিটি নির্দেশিকা নিখুঁতভাবে মেনে চলেছেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী বলেন যে, কোভিড সঙ্কটের সময়ে দেশে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যাতে আইএমএ উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা করেছে বিশেষ করে টিকাকরণ। শুধুমাত্র ২০২২-এই ২ হাজার ৫০০-র বেশি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। জন্মের আগে ভ্রুণের লিঙ্গ পরীক্ষা অনেকটাই কমাতে পেরেছে আইএমএ নৈতিকতা রক্ষার ব্যবস্থাকে জোরদার করে। কোভিডের সময়ে ২০ লক্ষের বেশি কল নেওয়া হয়েছে হেলপলাইনে যার মাধ্যমে সাহায্য করা হয়েছে মানুষকে।
শ্রী অমিত শাহ বলেন যে, বর্তমানে ২৭টি রাজ্যের ৫ হাজারের বেশি আইএমএ প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। সংস্থার নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মনে করেন নতুন সভাপতির সময়ে আইএমএ আরও প্রাণশক্তি এবং গতি অর্জন করবে।
SC/AP/SKD
(রিলিজ আইডি: 2209411)
ভিজিটরের কাউন্টার : 44