স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

কেরালা, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং গুজরাটে করোনায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে

Posted On: 27 FEB 2021 11:46AM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লী, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

 

   ভারতে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আজ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫৯০। দেশে বর্তমানে করোনায় সক্রিয় রোগীর হার ১.৪৪ শতাংশ।

   মহারাষ্ট্র, কেরালা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক এবং গুজরাট এই ৬টি রাজ্যে ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মহারাষ্ট্রে একদিনে ৮ হাজার ৩৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। কেরালায় ৩ হাজার ৬৭১ এবং পাঞ্জাবে ৬২২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

   গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ১৬ হাজার ৪৮৮ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। ৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংক্রমণের হার ৮৭.৭৫ শতাংশ।

৮টি রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হারের চিত্র ঊর্ধ্বমুখী।

গত ২ সপ্তাহে কেরালায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬৩ হাজার ৮৪৭ থেকে কমে আজ পর্যন্ত ৫১ হাজার ৬৭৯তে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ১৪ই ফেব্রুয়ারি সে রাজ্যে ৩৪ হাজার ৪৪৯ জন সক্রিয় রোগীর ছিলেন। আজ তা বেড়ে হয়েছে ৬৮ হাজার ৮১০ জন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিবের পৌরহিত্যে আজ তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, পাঞ্জাব, জম্মু-কাশ্মীর এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে উদ্ভূত করোনা করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয় নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বসে।

আজ সকাল ৭টা পর্যন্ত ২ লক্ষ ৯২ হাজার ৩১২টি পর্বের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৪২ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৪৭ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৬৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ৯৭৪ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রথম ডোজ, ২৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮৭৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে দ্বিতীয় ডোজ এবং ৫১ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৯৫ জন প্রথম সারির কর্মীদের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

কোভিড টিকাকরণের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া শুরু হয় ১৩ই ফেব্রুয়ারি থেকে। প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৮ দিনের মাথায় দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে। দোসরা ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম সারির কর্মীদের টিকাকরণ শুরু হয়েছে।

 

ক্রমিক সংখ্যা

রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

টিকা গ্রহীতা সুফলভোগীর সংখ্যা

 

 

প্রথম ডোজ

দ্বিতীয় ডোজ

মোট ডোজ

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ

৬,১৩৪

২,৪২২

৮,৫৫৬

অন্ধ্রপ্রদেশ

৫,২৯,৬০৭

১,৩৯,৩৩৭

৬,৬৮,৯৪৪

অরুণাচলপ্রদেশ

২৫,৩৭৯

৬,৭৪১

৩২,১২০

আসাম

১,৯৫,৯০৬

২৭,৬৭৫

২,২৩,৫৮১

বিহার

৫,৬০৭,১৫৮

৭৯,২১২

৬,৩৯,৩৭০

চন্ডীগড়

২০,৮৯০

১,৭১২

২২,৬০২

ছত্তিশগড়

৩,৭৭,৮৩৪

৫১,৭৯১

৪,২৯,৬২৫

দাদরা ও নগর হাভেলী

৫,৩৫২

৪৩২

৫,৭৮৪

দমন ও দিউ

২,৩৭১

২৮৭

২,৬৫৮

১০

দিল্লী

৩,৭২,৯০৬

৩৭,০৫৩

৪,০৯,৯৫৯

১১

গোয়া

১৮,৭২২

২,০৭২

২০,৭৯৪

১২

গুজরাট

৮,৩৩,৭২২

১,৬৭,৪৪৮

১০,০১,১৭০

১৩

হরিয়ানা

২,২১,৮৪১

৭১,৯৮৩

২,৯৩,৮২৪

১৪

হিমাচলপ্রদেশ

১,০১,৫০৪

২০,৯২৪

১,২২,৪২৮

১৫

জম্মু ও কাশ্মীর

২,৪০,৮১৭

১৬,২৫৫

২,৫৭,০৭২

১৬

ঝাড়খন্ড

২,৮৪,৩৭১

২৩,৮৩৭

৩,০৮,২০৮

১৭

কর্ণাটক

৬,০৪,৯৫৪

২,১৩,৭৬৮

৮,১৮,৭২২

১৮

কেরালা

৪,৮২,৪৪৫

১,০৪,৮৬৬

১,৮৭,৩১১

১৯

লাদাখ

৯,২২৬

৮২৯

১০,০৫৫

২০

লাক্ষ্মাদ্বীপ

২,৩৬৮

৭১০

৩,০৭৮

২১

মধ্যপ্রদেশ

৬,৫০,৬৮৪

১,৬০,৬৩২

৮,১১,৩১৬

২২

মহারাষ্ট্র

১০,৪১,৯৪৭

১,৬০,২৩৩

১২,০২,১৮০

২৩

মণিপুর

৫২,৪২০

২,৫৪৫

৫৪,৯৬৫

২৪

মেঘালয়

৩০,৪৬৫

১,৭২৬

৩২,১৯১

২৫

মিজোরাম

২১,৯৯৭

৫,৬৫৯

২৭,৬৫৬

২৬

নাগাল্যান্ড

২৯,৮০৬

৫,৪৯৭

৩৫,৩০৩

২৭

ওড়িশা

৪,৬০,৫৫৪

১,৫৮,২৬৭

৬,১৮,৮২১

২৮

পন্ডিচেরী

৯,৯২০

১,২২৪

১১,১৪৪

২৯

পাঞ্জাব

১,৫৪,৪৪৯

৩৬,৩৫১

১,৯০,৮০০

৩০

রাজস্থান

১,৯৮,৪৪৭

২,২৪,৭৬০

১০,২৩,২০৭

৩১

সিকিম

১৬,৯৫১

১,৩৬১

১৮,৩১২

৩২

তামিলনাড়ু

৩,৮৮,৮৯৬

৫৬,৪৩২

৪,৪৫,৩২৮

৩৩

তেলেঙ্গানা

২,৮৯,৭৭২

১,৩০,০১৯

৪,১৯,৭৯১

৩৪

ত্রিপুরা

৮৯,৪৪৯

২১,৫২৯

১,১০,৯৭৮

৩৫

উত্তরপ্রদেশ

১১,৭০,৯২৫

৩,১০,০৫৮

১৪,৮০,৯৮৩

৩৬

উত্তরাখন্ড

১,৪২,৩৪০

১৯,৪৪৬

১,৬১,৭৮৬

৩৭

পশ্চিমবঙ্গ

৯,৬১,৪১৬

১,৪৪,৭৬৫

১১,০৬,১৮১

 

অন্যান

 

৫,৮১,৭২৪

৪৪,০২০

৬,২৫,৭৪৪

 

মোট

১,১৭,৮৮,৬৬৯

২৪,৫৩,৮৭৮

১,৪২,৪২,৫৪৭

         

   টিকাকরণ কর্মসূচির ৪২ তম দিনে ৭ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯০৪টি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ২০ জন সুবিধাভোগীকে ১৩ হাজার ৩৯৭টি টিকাদান পর্বের মাধ্যমে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেছে ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৮৪৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী।

   ৮টি রাজ্যে টিকাকরণের হার ৬২.৭৫ শতাংশ। উত্তরপ্রদেশে টিকাকরণের হার ১২.৬৪ শতাংশ। ভারতে  টিকাকরণ কর্মসূচির মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ৩ লক্ষ ১০ হাজার ৫৮ জনকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে।

   ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নথিভুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ৭ শতাংশেরও কম ব্যক্তিকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্যগুলি হল- অরুণাচলপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লী, তেলেঙ্কানা, লাদাখ, চন্ডীগড়, নাগাল্যান্ড, পাঞ্জাব এবং পুদুচেরী।

   ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৬৫ শতাংশেরও বেশি প্রথম সারির কর্মীদের টিকা দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্যগুলি হল- লাদাখ, উত্তরাখন্ড, ছত্তিশগড়, হিমাচলপ্রদেশ, ওড়িশা, ত্রিপুরা, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, লাক্ষ্মাদ্বীপ, রাজস্থান, কেরালা এবং দাদরা ও নগর হাভেলী।

   ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৪০ শতাংশেরও কম প্রথম সারির কর্মীদের টিকা দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্যগুলি হল- পুদুচেরী, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, মেঘালয়, আসাম, তামিলনাড়ু, মণিপুর, অরুণাচলপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, পাঞ্জাব, নাগাল্যান্ড, গোয়া এবং মিজোরাম।

   মোট ১ কোটি ৭ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৫১ জন মানুষ এ পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১২ হাজার ৭৭১। দেশে আরোগ্যের হার ৯৭.১৭ শতাংশ।

   ৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নতুন করে আরোগ্যের হার ৮৪.৭৯ শতাংশ।

   মহারাষ্ট্রের একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ হাজার ৯৩৬ জন। কেরালায় ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৪২ জন এবং কর্ণাটকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৪২ জন।

   ২৪ ঘন্টায় ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

   ৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চেল মৃত্যুর হার ৮২.৩ শতাংশ। মহারাষ্ট্রে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় কেরালায় ১৪ এবং পাঞ্জাবে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

   ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে গত ২৪ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এই রাজ্যগুলি হল- গুজরাট, ওড়িশা, চন্ডীগড়, ঝাড়খন্ড, হিমাচলপ্রদেশ, পুদুচেরী, মণিপুর, মিজোরাম, লাক্ষ্মাদ্বীপ, লাদাখ, সিকিম, দমন ও দিউ, দাদরা নগর হাভেলী, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ত্রিপুরা, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচলপ্রদেশ।

***

 

 

CG/SS/NS



(Release ID: 1701381) Visitor Counter : 127