স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

কোভিড সংক্রমণ বেশি এবং একারণে মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে এমন ৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব

Posted On: 06 SEP 2020 11:34AM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লী, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

 

 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দেশে যেসব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হঠাৎ করে কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে ও সংক্রমিতদের মৃত্যুর হার বেশি হচ্ছে౼ এ ধরণের রাজ্যগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে এবং যে জেলাগুলিতে সংক্রমণের হার বেশি সেই জেলাগুলির পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে।  

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব ৩৫টি জেলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই জেলাগুলি যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তর্গত সেইসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। 

এই ৩৫টি জেলা হল : পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মহারাষ্ট্রের পুনে, নাগপুর, থানে, মুম্বাই, মুম্বাই শহরতলি, কোলাপুর, সাঙ্গলি, নাসিক, আমেদনগর, রায়গড়, জলগাঁও, শোলাপুর, সাতারা, পালঘর, আউরঙ্গাবাদ, ধুলে এবং নান্দেদ, গুজরাটের সুরাট, ঝাড়খন্ডের পূর্ব সিংভূম, পুদুচেরীর পন্ডিচেরী এবং দিল্লীর ১১টি জেলার সবকটি।  

স্বাস্থ্য সচিবরা ছাড়াও এই বৈঠকে জেলা কালেক্টর, পুরসভার কমিশনার সহ সংশ্লিষ্ট জেলার উর্দ্ধতন আধিকারিকরা ডিজিটাল মাধ্যমে যোগ দিয়েছিলেন।

সংক্রমণের শৃঙ্খল হ্রাস করে পরবর্তীতে  তা ভাঙতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের বেশ কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে বলেছেন। যাঁদের জটিল অসুখ রয়েছে এবং প্রবীন নাগরিকদের প্রতি নজর রাখতে হবে, সংক্রমিত এলাকায় বার বার খোঁজ-খবর নেওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনাকে যথাযথভাবে মেনে চলা ও নমুনা পরীক্ষার হার ক্রমশ বৃদ্ধি করা, যাতে সংক্রমনের হার ৫ শতাংশের কম নামিয়ে আনা যায়। 

স্বাস্থ্য সচিবরা সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। তাঁরা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা, সংক্রমিতদের সংস্পর্শে যারা যারা এসেছেন তাদের চিহ্নিত করা, যেসব সংক্রমিত মারা গেছেন তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা ছাড়াও আগামী একমাস পরিস্থিতির মোকাবিলায় তাঁরা কি কি পরিকল্পনা নিয়েছেন সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। এই জেলাগুলিতে আরটি-পিসিআর এবং র্যা পিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। এছাড়াও অ্যান্টিজেন টেস্টে যাদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে তাদের পুনরায় টেস্ট করা, সংক্রমিতদের হাসপাতালে পাঠানো এবং হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ বেড, ভেন্টিলেটর এবং অক্সিজেনের ব্যবস্থাযুক্ত বেডের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।   

রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ওই এলাকাগুলিতে যেসব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে সেগুলি হল : 

১. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা,  বিভিন্ন নিয়ম মেনে চলা এবং বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার মধ্যে দিয়ে সংক্রমন প্রতিরোধের মাত্রা হ্রাস করতে হবে।

২. জেলাগুলিতে নমুনা পরীক্ষার মাত্রা বৃদ্ধি করে দ্রুত সংক্রমিতদের শনাক্ত করতে হবে। এরজন্য আরটি-পিসিআর-এর পরীক্ষার পরিমান বাড়াতে হবে।

৩. যারা হোম আইসোলেশনের রয়েছেন তাদের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর নিতে হবে, যদি কারুর প্রয়োজন হয় তাহলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। 

৪. রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করার সময় বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট রাখতে হবে, বিশেষ করে যারা বিভিন্ন জটিল অসুখে ভুগছেন এবং প্রবীন নাগরিকদের জন্য সতর্ক থাকতে হবে।

৫. হাসপাতালগুলিতে সংক্রমন নিয়ন্ত্রণের জন্য সংক্রমিতদের সংস্পর্শে আসা স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে।

৬. মহামারীর মোকাবিলায় সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতির বিষয়ে জেলা কালেক্টর সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

CG/CB/NS



(Release ID: 1651826) Visitor Counter : 181