Technology
ডিজিটাল পরিকাঠামোর মাধ্যমে প্রশাসনের ক্ষমতায়ন
प्रविष्टि तिथि:
12 AUG 2026 18:34 PM
সংযুক্ত ও নাগরিককেন্দ্রিক ভারত গড়ে তোলা
ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার-এর মাধ্যমে ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। একসময় যে সরকারি পরিষেবার জন্য বিপুল কাগজপত্র ও সরকারি দপ্তরে সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজন হত, এখন সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেই পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে। গত ১২ বছরে DPI নজিরবিহীন পরিসরে নাগরিক, সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে প্রশাসনিক পরিষেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নাগরিকদের প্রয়োজনের প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়েছে।
ডিজিটাল পরিকাঠামো ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিরও অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) প্রায় ১২ থেকে ১৪ শতাংশ আসে ডিজিটাল অর্থনীতি থেকে। আগামী দশকে এই হার ২০ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ‘স্টেট অফ ইন্ডিয়াজ ডিজিটাল ইকোনমি রিপোর্ট ২০২৬’ অনুযায়ী, ভারত বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ডিজিটাল অর্থনীতি এবং G20-ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
ভারত ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। এই সময়ে ডিজিটাল প্রশাসনের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি এবং বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যেও গতি আনছে।
ভারতের ডিজিটাল আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক
বৈদ্যুতিন পণ্য উৎপাদন : আত্মনির্ভর ভারতের চালিকাশক্তি
‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র লক্ষ্যে পরিচালিত উদ্যোগের ফলে ভারত ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্প, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম উৎপাদন প্রকল্প (ECMS), ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM) এবং মডিফায়েড ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং ক্লাস্টার্স (EMC ২.০)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ দেশে বৈদ্যুতিন উৎপাদন ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করেছে।
বৈদ্যুতিন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
৭ গুণ বৃদ্ধি উৎপাদনে : বৈদ্যুতিন উৎপাদন ২০১৪-১৫ সালে ১.৯ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬ সালে ১৩.১১ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
১১ গুণ বৃদ্ধি রপ্তানিতে : একই সময়ে বৈদ্যুতিন পম্য রফতানি ৩৮,০০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৪.২৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি ক্ষেত্র : ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৪৭.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি নিয়ে বৈদ্যুতিন পণ্য ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রফতানি ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
কর্মসংস্থান ও মহিলা অংশগ্রহণ : বৈদ্যুতিন উৎপাদন ক্ষেত্র প্রায় ২৫ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। কর্মীদের প্রায় ৩০ শতাংশ মহিলা।
মোবাইল ফোন : প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদক : ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদক। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে রপ্তানিতে তালিকায় ১৫৩-তম স্থানে থাকা মোবাইল ফোন ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের বৃহত্তম রফতানি পণ্য হয়েছে।
৩৩ গুণ বৃদ্ধি উৎপাদনে : মোবাইল ফোন উৎপাদন ২০১৪-১৫ সালে ১৮,০০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬ সালে ৬.২৭ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
১৬৫ গুণ বৃদ্ধি রপ্তানিতে : একই সময়ে রফতানি ১,৫০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২.৫৯ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
মহিলাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ : মোবাইল ফোন উৎপাদন ক্ষেত্রে ১২ লক্ষ কর্মসংস্থানের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই মহিলা।
উন্নত টেলিযোগাযোগ পরিকাঠামো
টেলিফোন সংযোগ : ২০১৪ সালে ৯৩.৩ কোটি থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের জুনে ১৩৪.৮ কোটির বেশি।
টেলি-ঘনত্ব : ৭৫.২৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৪.৩১ শতাংশ।
সক্রিয় মোবাইল গ্রাহক : ২০২৬ সালের জুনে ১২০.১০৬ কোটি।
ইন্টারনেট ও ডিজিটাল সংযোগ
ইন্টারনেট গ্রাহক : ২০১৪ সালের ২৫.১৫ কোটি থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের মার্চে ১০৯.২ কোটির বেশি।
সাশ্রয়ী মোবাইল ডেটা : প্রতি জিবি ডেটার দাম ২০১৪ সালের ৩০৮ টাকা থেকে কমে ২০২৬ সালে ৭.৫১ টাকা।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড গতি : ২০২২ সালের মার্চে ১৩.৬৭ Mbps থেকে বেড়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১৩২ Mbps।
দেশজুড়ে 5G : সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৯৯.৯ শতাংশ জেলায় 5G পরিষেবা পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের জুনে 5G BTS-এর সংখ্যা ৫.৬৩ লক্ষ।
গ্রামীণ মোবাইল সংযোগ : BSNL ও অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে ৬.৩১ লক্ষ গ্রামে ৪G পরিষেবা পৌঁছেছে।
ভারতনেট : ২০২৬ সালের জুনে ২.২১ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েত পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত। প্রসঙ্গত, ৮.৫ লক্ষের বেশি রুট কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল রয়েছে।
PM-WANI : ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ৪ লক্ষের বেশি পাবলিক Wi-Fi হটস্পট স্থাপিত হয়েছে। মে ২০২৬-এর নতুন ব্যবস্থায় QR-ভিত্তিক প্রমাণীকরণ এবং ১৫, ৩০ ও ৬০ মিনিটের Wi-Fi প্ল্যান চালু হয়েছে।
UPI : সহজ ডিজিটাল লেনদেনের শক্তিশালী মাধ্যম
বিশ্বের বৃহত্তম রিয়েল-টাইম পেমেন্ট ব্যবস্থা : বিশ্বব্যাপী রিয়েল-টাইম পেমেন্ট লেনদেনের প্রায় ৫০ শতাংশ UPI-এর মাধ্যমে হয়।
লেনদেনের পরিমাণ : ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে UPI-তে ২৪,১৬১.৬৯ কোটি লেনদেন হয়েছে। মোট মূল্য ৩১৪.২৩ লক্ষ কোটি টাকা।
বৃহত্তম ডিজিটাল পেমেন্ট নেটওয়ার্ক : ৫৫.৪৯ কোটির বেশি ব্যক্তি, ৬.৫ কোটি ব্যবসায়ী এবং ৭৩১টি ব্যাঙ্ক UPI-এর সঙ্গে যুক্ত।
ডিজিটাল লেনদেনে UPI-এর অংশ : ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের মোট ডিজিটাল পেমেন্ট লেনদেনের ৮৫ শতাংশ UPI-এর মাধ্যমে হয়েছে।
দ্রুত প্রসার : ২০১৬ সালে মাসে ০.০১ কোটি লেনদেন থেকে ২০২৫ সালে মাসিক লেনদেন ২,০০০ কোটির বেশি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি : কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, UAE, ফ্রান্স, মরিশাস-সহ ১১টি বিদেশি দেশে UPI গ্রহণযোগ্য।
ডিজিটাল বাণিজ্য
ONDC : ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে উন্মুক্ত ডিজিটাল বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। ২০২৬ সালের জুনে ২০ কোটির বেশি ক্রেতা, ৫ লক্ষ বিক্রেতা ও ১,০০০টি শহরে এর উপস্থিতি ছিল। মাসিক লেনদেন প্রায় ৯০ লক্ষ।
GeM : স্বচ্ছ, দক্ষ ও কাগজপত্রহীন সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। ২০২৬ সালের জুনে GeM-এর মোট GMV ১৮.৪ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৫ লক্ষ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। মোট ১১ লক্ষের বেশি MSME সরকারি বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে।
SWAYATT : স্টার্টআপ, মহিলা ও যুব-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগকে সরাসরি সরকারি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ দিচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে মহিলা-নেতৃত্বাধীন ব্যবসার ৮৩,৩২৩ কোটি টাকা এবং স্টার্টআপের ৫৪,০০৫.৮ কোটি টাকার ক্রমবর্ধমান অর্ডার মূল্য নথিভুক্ত হয়েছে।
ই-গভর্ন্যান্স : নাগরিক পরিষেবায় ডিজিটাল পরিবর্তন
DigiLocker : নিরাপদ ডিজিটাল নথিভান্ডারের মাধ্যমে কাগজের নথির ব্যবহার কমাচ্ছে। এ বছর ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৭২ কোটির বেশি ব্যবহারকারী এবং ৯৩৪ কোটির বেশি নথি।
UMANG : এক প্ল্যাটফর্মে সরকারি পরিষেবা। ২০১৭ সালের ১৬৬টি পরিষেবা থেকে এবছর ২৩ জুলাই-এর মধ্যে ২,৫৮৫টি পরিষেবা। লেনদেন ৪.৬ কোটি থেকে বেড়ে ৭৯৮ কোটির বেশি।
আধার : নিরাপদ ও দ্রুত ডিজিটাল পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা। ২০১০-১১ সালে ০.৪২ কোটি থেকে এবছর জুলাই মাসের মধ্যে আধার সংখ্যা ১৪৫ কোটির বেশি।
কমন সার্ভিস সেন্টারস (CSC) : সরকারি দপ্তরে না গিয়েই নাগরিক পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ। এবছর জুনে দেশে ৫.১৬ লক্ষের বেশি CSC কার্যকর ছিল।
ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) : মোট ৫৬টি মন্ত্রকের ৩১৮টি প্রকল্পের সুবিধা আধার-সংযুক্ত ব্যবস্থায় সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছচ্ছে। দেশে DBT-এর মাধ্যমে ৫২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হস্তান্তর হয়েছে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার প্রসার
DIKSHA : পাঠ্যক্রমভিত্তিক বিষয়বস্তু, QR-কোডযুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের সুবিধা। এ বছর ১০ অগস্ট পর্যন্ত ২.৩৫ কোটি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী।
SWAYAM : নবম শ্রেণী থেকে স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা। ২০,০০০-এর বেশি কোর্স এবং ৬.৫ কোটির বেশি নিবন্ধন।
SWAYAM Prabha : GSAT-15 উপগ্রহের মাধ্যমে ৪০টি DTH চ্যানেলে ২৪×৭ শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার। ইন্টারনেট ছাড়াও পড়াশোনার সুযোগ।
PM e-Vidya : DIKSHA, SWAYAM, SWAYAM Prabha, কমিউনিটি রেডিও ও শিক্ষামূলক টেলিভিশনকে যুক্ত করে নিরবচ্ছিন্ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে।
APAAR : শিক্ষার্থীদের জন্য একক ডিজিটাল অ্যাকাডেমিক পরিচয়। এ বছর জুনে ৩৩.৭৪ কোটির বেশি APAAR ID তৈরি হয়েছে।
ভারতের ডিজিটাল কর্মশক্তি গড়ে তোলা
FutureSkills PRIME : আধুনিক ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করছে। এ বছর ১০ অগস্ট পর্যন্ত ৩৪ লক্ষের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী।
Skill India Digital Hub (SIDH) : দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ এক প্ল্যাটফর্মে। এ বছর ২ অগস্ট পর্যন্ত ২.০১ কোটি নিবন্ধন, ৩,৬৪৩টি স্বশিক্ষণ কোর্স এবং ১০ লক্ষের বেশি সুযোগ তৈরি হয়েছে।
NIELIT : বস্তুত, ৫৬টি কেন্দ্র ও ৯,০০০-এর বেশি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ডিজিটাল সাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়ন। গত তিন অর্থবর্ষে ৩১.৯২ লক্ষের বেশি প্রার্থী প্রশিক্ষিত।
IndiaAI Mission : AI শিক্ষা, পরিকাঠামো ও দায়িত্বশীল AI ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্কুল, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে AI দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল যাত্রা
ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতি নাগরিক, ব্যবসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকার ও অর্থনীতির যোগাযোগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে। দ্রুত প্রসারিত ডিজিটাল ব্যবস্থা পরিষেবা প্রদানকে আরও দ্রুত করেছে। স্বচ্ছতা ও পরিষেবার সুযোগও বেড়েছে। ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো উদ্ভাবন, উদ্যোগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধির শক্ত ভিত তৈরি করছে। নতুন প্রযুক্তির প্রসার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করছে। ভারতের আন্তর্জাতিক ডিজিটাল উপস্থিতিও শক্তিশালী হচ্ছে। ডিজিটাল সক্ষমতা প্রশাসনকে আরও কার্যকর, দ্রুত এবং নাগরিককেন্দ্রিক করছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই পরিবর্তন অর্থনৈতিক সুযোগ ও সামাজিক উন্নয়নের নতুন পথ খুলে দিচ্ছে। এই অগ্রগতি ডিজিটালভাবে ক্ষমতায়িত ও বিকশিত ভারত গড়ার ভিত্তি আরও মজবুত করছে।
তথ্যসূত্র
Ministry of Communications
Ministry of Electronics & IT
Ministry of Finance
PIB Backgrounder
Ministry of Commerce & Industry
Digital India Initiatives
State of India’s Digital Economy 2026
Empowering Governance through Digital Infrastructure
******
SSS/AS.....
(तथ्य सामग्री आईडी: 150857)
आगंतुक पटल : 10
Provide suggestions / comments