প্রকাশিত:
25 OCT 2026 3:22PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি ২৫ অক্টোবর ২০২৬
মোদীর সরকারের মাদকবিরোধী লড়াইয়ে এক বড় পদক্ষেপ হিসেবে, অপারেশন ট্রাইডেন্ট শুরু করেছে এনসিবি। এই অভিযানের আওতায় এনসিবি-র ৩৮টি দল আসাম, মিজোরাম ও মণিপুরের ৩৮টি স্থানে একই সঙ্গে হানা দেয়। মাদকের বিরুদ্ধে মোদী সরকারের জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। এটি মাদকবিরোধী কৌশলে একটি বড় পরিবর্তন—যেখানে কেবল মাদক বাজেয়াপ্ত করার পরিবর্তে মাদক চক্রের পুরো নেটওয়ার্ক ও তাদের আর্থিক কাঠামোর ওপর আঘাত হানায় জোর দেওয়া হয়েছে। আসাম, মিজোরাম ও মণিপুর জুড়ে আন্তঃসীমান্ত মাদক-অর্থায়ন চক্রের বিরুদ্ধে এই ব্যাপক যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ভিশন ডকুমেন্ট ২০২৬-২০২৯-এর সঙ্গে সংগতি রেখে, অপারেশন ট্রাইডেন্ট প্রমাণ করে যে, মাদক চক্রগুলিকে সমূলে উপড়ে ফেলার জন্য এখন কেবল মাদক বাজেয়াপ্ত করার গণ্ডি পেরিয়ে তাদের নেটওয়ার্ক ও আর্থিক উৎসস্থলকে ধ্বংস করার কৌশল হাতে নেওয়া হয়েছে।
এক্স মাধ্যমে এক পোস্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেছেন;
“মাদকবিরোধী লড়াইয়ে মোদী সরকারের কঠোর আঘাত অব্যাহত। ২৩ অক্টোবর আমাদের সংস্থাগুলি আসাম, মিজোরাম ও মণিপুরের ৩৮টি স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়ে একটি আন্তর্জাতিক মাদক চক্রকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে ১০০ কোটি টাকার হাওয়ালা লেনদেনের তথ্য উদঘাটন হয়েছে, ১,৪২৪টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সিল করা হয়েছে, ১৭.৮২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, ৫০০টি ডিটোনেটর ও ১২ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই নেটওয়ার্কটি ডেথ ট্রায়াঙ্গেল করিডোর ব্যবহার করে ভারত, মায়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার করত। এই অভিযানটি ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত মাদক নেটওয়ার্ক নির্মূল করার লক্ষ্যে ভারতের অটল সংকল্পের প্রমাণ দেয়। মাদক কার্টেলগুলোর কফিনে শেষ পেরেকটি না পোঁতা পর্যন্ত ভারত তার কঠোর আঘাত অব্যাহত রাখবে। কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং তিনটি রাজ্যের পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী দলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।”
SC/AB/CS