প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

জয়গোপাল গারোডিয়া হিন্দু বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

প্রকাশিত: 11 OCT 2026 6:40PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি,  ১১ অক্টোবর  ২০২৬

 

তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল শ্রী রাজেন্দ্র আরলেকর জি, ড. এল. মুরুগান জি, থিরু রাজমোহন জি, থিরু নাইনার নগেন্দ্রন জি, ড. গিরিজা শেষাদ্রি আম্মা জি, থিরু আর. আর. গোপাল জি, আমার তরুণ বন্ধুগণ, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ এবং তামিলনাড়ুর আমার ভাই ও বোনেরা—আপনাদের সবাইকে ভনক্কম।

বন্ধুগণ,

আজ নবরাত্রির প্রথম দিন। শিব ও শক্তির পবিত্র ভূমি তামিলনাড়ুতে আসার সৌভাগ্য এবং দেবী সরস্বতীর ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ—সব মিলিয়ে নবরাত্রির এক চমৎকার সূচনা হলো আমার জন্য। আমি আমার তরুণ বন্ধুদের মধ্যে যে উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি, তা সত্যিই দারুণ। আমি এই ইতিবাচক শক্তি ও উত্তেজনা অনুভব করতে পারছি। আপনাদের চোখে আমি ভারতের ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি।

বক্তব্য শুরুর আগে আমি একটি কথা বলতে চাই—আজ নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট আগেই আমি চেন্নাইয়ে অবতরণ করেছিলাম। কিন্তু অনুষ্ঠানের বিন্যাস এবং কিছু অনিবার্য বিলম্বের কারণে আপনাদের কাছে পৌঁছাতে আমার দেরি হয়ে গেল। প্রত্যাশার চেয়ে দেরিতে পৌঁছানোর ফলে আপনাদের সবার যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

বন্ধুগণ,

আজকের তরুণরা একটি উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যের মূল শক্তি হয়ে উঠতে চায়। উন্নত ভারতের জন্য প্রয়োজনীয় নতুন ধারণা ও সমাধানগুলো কেবল ভারতের ভবিষ্যৎই নয়, বরং বিশ্বের ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করবে।

আজ বিশ্ব সমাধানের সন্ধানে রয়েছে। আর সেই সমাধান দেওয়ার সক্ষমতা আপনাদেরই আছে।

বন্ধুগণ,

আজ ভারত অগণিত সুযোগের দ্বার উন্মোচন করেছে। আমি চাই প্রতিটি তরুণ সেই বিশাল প্রেক্ষাপটে নিজেদের ভবিষ্যৎকে দেখুক। কারণ এটাই আপনাদের সময়। এটাই আপনাদের সময়। এটাই আপনাদের সুযোগ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা এই স্বপ্ন পূরণ করবই। আমরা সবাই মিলে এটা করব!

আমরা সবাই মিলে এটা করব!

আমরা সবাই মিলে এটা করব!

আমরা সবাই মিলে এটা করব!

বন্ধুগণ,

আজ আমার এখানে আসার পেছনে একটি চমৎকার অনুপ্রেরণাও রয়েছে। কয়েক মাস আগে, নাগরকয়েলে  আমাদের গিরিজা আম্মা  ও কিছু শিশু আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাদের নিষ্ঠা, আত্মবিশ্বাস এবং দেশের ভবিষ্যতের প্রতি তাদের একাগ্রতা আমার মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। সেই সাক্ষাতের সময় তিনি আমাকে এই সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। একদিকে ছিল তাঁর স্নেহ, আর অন্যদিকে এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার নিজস্ব শ্রদ্ধা। ঠিক সেই মুহূর্তেই আমি দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, আমি অবশ্যই এই অনুষ্ঠানে যোগ দেব। এই উপলক্ষে, পঞ্চাশ বছরের এই অসাধারণ যাত্রার জন্য আমি 'বিশ্ব হিন্দু বিদ্যা কেন্দ্র' এবং সমগ্র 'হিন্দু বিদ্যালয়' পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ,

আজ 'বিশ্ব হিন্দু বিদ্যা কেন্দ্র' তাদের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছে। এই মাইলফলকটি যেমন বিশাল, এর যাত্রাপথও তেমনই অনুপ্রেরণাদায়ক। ১৯৭৫ সালে চেন্নাইয়ের পশ্চিম মামবালামে একটি ছোট স্কুল হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তখন সেখানে মাত্র সাতজন শিক্ষার্থী ছিল। আজকের মতো সুযোগ-সুবিধা তখন ছিল না। কোনো স্থায়ী ভবন ছিল না। সম্পদও ছিল সীমিত। কিন্তু একটি বিষয় ছিল—দৃঢ় সংকল্প এবং সেবার অদম্য মানসিকতা। আর তাই, সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এই প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে চলেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা একটি বিশাল শিক্ষামূলক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আজ তামিলনাড়ুর বিভিন্ন প্রান্তে আপনাদের পনেরোটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বন্ধুগণ,

এই উপলক্ষে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে শ্রী জয়গোপাল গারোডিয়া জির অবদানের কথাও স্মরণ করছি। স্কুলের ভবন নির্মাণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আজ আমি সেই সব শিক্ষক, কর্মী, অভিভাবক এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও অভিনন্দন জানাই, যারা 'হিন্দু বিদ্যালয়'-এর এই যাত্রাকে সফল করে তুলেছেন। পঞ্চাশ বছরের নিষ্ঠা। পঞ্চাশ বছরের অঙ্গীকার। পঞ্চাশ বছর ধরে তরুণ জীবনকে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।

বন্ধুগণ,

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কীভাবে শিক্ষার পাশাপাশি দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলে, এই প্রতিষ্ঠানটি তারও একটি উদাহরণ। আমি আমার 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানেও এ কথা উল্লেখ করেছিলাম। গিরিজা আম্মা শিশুদের একটি সহজ ধারণা দিয়েছিলেন: প্রতিটি শিশু যেন প্রতিদিন মাত্র এক টাকা সঞ্চয় করে এবং তা দেশের সৈন্যদের জন্য উৎসর্গ করে। যখন হাজার হাজার শিশু এই সংকল্পে শামিল হলো, তখন প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা সংগৃহীত হয়েছিল। সত্যিই, কী এক অনুপ্রেরণাদায়ক নজির!

বন্ধুগণ,

ছোট ছোট অবদানও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এমনকি একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাও বিশাল প্রভাব ফেলতে সক্ষম। দুর্যোগের সময় অভাবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো হোক কিংবা স্বচ্ছতা অভিযানে অংশগ্রহণ—এই মূল্যবোধগুলোই ‘হিন্দু বিদ্যালয়’ পরিবারের এক মহান ঐতিহ্য গড়ে তুলেছে।

বন্ধুগণ,

এই উপলক্ষে আমি মহান সাধক তিরুবল্লুবরের কথাও স্মরণ করতে চাই। তাঁর শিক্ষা সকল শিক্ষার্থীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের হাতে ‘তিরুক্কুরাল’-এর একটি রুশ অনুবাদ তুলে দেওয়ার সুযোগ আমার হয়েছিল। যাঁরা আজীবন জ্ঞান অর্জন করে যেতে চান, তাঁদের সবার জন্যই ‘তিরুক্কুরাল’ এক অসাধারণ পথপ্রদর্শক। তাঁর একটি বিখ্যাত ‘কুরাল’-এ তিরুবল্লুবর আমাদের শিখিয়েছেন যে, কেবল কোনো কিছু শেখাই যথেষ্ট নয়; অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করাটাও সমানভাবে জরুরি। আর তোমাদের মতো সকল শিক্ষার্থীর জন্যও এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

বন্ধুগণ,

আপনারা নিশ্চয়ই সবাই মহাকবি ভারতীয়ারের লেখা প্রচুর পড়েছেন। তাঁর জীবনে কাশী শহরেরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কাশীর পরিবেশে যে আধ্যাত্মিক ও জাতীয় জাগরণ বিদ্যমান ছিল, তা তাঁর চিন্তাধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।

বন্ধুগণ,

আমি কাশী থেকে নির্বাচিত একজন সাংসদ। আজও কাশীর মানুষ মহাকবি ভারতীয়ারকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তি—"অচামিল্লাই, অচামিল্লাই"—আমাদের ভয়হীন জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে। তাই আমি এখানকার সকল তরুণ-তরুণীকে বলতে চাই: নির্ভয়ে নিজেকে সুযোগ দিন। নিজেদের ধারণা বা আইডিয়া নিয়ে কাজ করুন। বড় স্বপ্ন দেখুন। ভিন্নভাবে চিন্তা করুন। এবং নির্ভীক হোন।

বন্ধুগণ,

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণের মাধ্যমে এবং সেখানে যাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে তাদের কাছ থেকে শেখার মধ্য দিয়েই ভারত সম্পর্কে আমার বোঝাপড়া গড়ে উঠেছে। নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে আমি কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত আয়োজিত 'একতা যাত্রা'-র অংশ ছিলাম। সেই যাত্রাপথেই গিরিজা আম্মার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল। তখন থেকেই আমাদের সেই সম্পর্ক ও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বন্ধুগণ,র্যা 


আমার এই ভ্রমণগুলো আমাকে ভারতের বৈচিত্র্যকে খুব কাছ থেকে বোঝার সুযোগ করে দিয়েছে। তামিল ভাষা ও তামিল সংস্কৃতির প্রতি আমার যে ভালোবাসা, তা-ও সেই অভিজ্ঞতা থেকেই গড়ে উঠেছে।

বন্ধুগণ,

তাই আমি আপনাদের ভারতকে জানার ও আবিষ্কার করার জন্য উৎসাহিত করছি। আপনারা যেখানেই যান না কেন, সঙ্গে করে তামিল সংস্কৃতিকে নিয়ে যাবেন। আপনাদের বন্ধুদের সঙ্গে তামিল কবিতা, গল্প ও ঐতিহ্য ভাগ করে নেবেন। এমন মানুষদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন যাদের পটভূমি হয়তো আপনাদের চেয়ে আলাদা। আপনাদের গড়ে তোলা এই বন্ধুত্বের ওপরই আমাদের দেশের ঐক্য দাঁড়িয়ে আছে।

বন্ধুগণ,

আজকের নতুন প্রজন্ম তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য সত্যিই অভূতপূর্ব সব সুযোগ পাচ্ছে। দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় আজ যে পরিবর্তন আসছে, সেদিকে একবার তাকান। ২০১৪ সালে ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭৫০টি। আজ সেই সংখ্যা বেড়ে ১,৩০০-র বেশি হয়েছে। একইভাবে, কলেজের সংখ্যাও প্রায় ৩৮,০০০ থেকে বেড়ে ৫২,০০০-এর বেশি হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে অনেক নতুন আইআইটি, আইআইএম, আইআইআইটি এবং এইমস প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

বন্ধুগণ,

আজ নতুন শিক্ষানীতি দেশের শিক্ষার মান উন্নত করছে। ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক স্বীকৃতিও ক্রমাগত বাড়ছে। ২০১৫ সালের কিউএস র‍্যাঙ্কিং-এ ভারতের মাত্র ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছিল। সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিং-এ সেই সংখ্যা বেড়ে ৫২-তে দাঁড়িয়েছে। এই পরিসংখ্যানের অর্থ অত্যন্ত স্পষ্ট। আরও বেশি প্রতিষ্ঠান। আরও বেশি পছন্দ বা বিকল্প। এবং আপনাদের জন্য আরও বেশি সুযোগ।

বন্ধুগণ,

প্রত্যেক তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন ও প্রতিভা ভিন্ন। উদাহরণস্বরূপ, আপনাদের অনেকেই হয়তো খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে চান। তাই দেশ নিশ্চিত করছে যেন খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। এ কারণেই আজ সারা ভারত জুড়ে খেলাধুলার নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা হচ্ছে। তরুণ ক্রীড়াবিদরা উন্নত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা পাচ্ছেন। আর আন্তর্জাতিক ক্রীড়াজগতে ভারতের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বন্ধুগণ,

ভারত ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন নিয়েও এগিয়ে চলেছি। আগামী বছরগুলোতে যখন ভারতে বড় বড় বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে, তখন আমাদের তরুণদের সামনে তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের মঞ্চ ও সুযোগ—উভয়ই থাকবে। সুতরাং, ভারতের তরুণদের সামনে এখন রয়েছে উপযুক্ত মঞ্চ, সম্ভাবনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা। এর অর্থ হলো—সুযোগের কোনো শেষ নেই! আমি নিশ্চিত যে, আপনাদের প্রজন্ম খেলাধুলার জগতেও ভারতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বন্ধুগণ,

আজ আপনাদের মাঝে এসে এবং আপনাদের স্বপ্নগুলোকে অনুভব করার পর আমার আত্মবিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, ভারতের ভবিষ্যৎ হবে গৌরবোজ্জ্বল। আর সেই ভবিষ্যতের আসল নায়ক হলেন আপনারা। আপনাদের প্রতিভার ওপর আমার আস্থা আছে। আপনাদের আত্মবিশ্বাসের ওপর আমার আস্থা আছে। আপনাদের সক্ষমতার ওপর আমার আস্থা আছে। তাই আজ আমি আপনাদের সবার সঙ্গে মিলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করতে চাই। আমি যা বলব, আপনারা তা অবশ্যই আমার সঙ্গে বলবেন: আমরা এটা করব! আপনারা কি বলবেন? নিশ্চয়ই?

২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত।

২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত। আমরা এটা করব! আমার সঙ্গে বলুন: আমরা এটা করবই!

২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত—আমরা এটা করবই!

শীর্ষ তিনটি অর্থনীতির একটি হওয়া—আমরা এটা করবই!

আত্মনির্ভর ভারত—আমরা এটা করবই!

বিশ্বের উৎপাদন কেন্দ্র—আমরা এটা করবই!

অলিম্পিক আয়োজন—আমরা এটা করবই!

চাঁদে ভারতীয়—আমরা এটা করবই!

হ্যাঁ, আমরা এটা করবই! আমরা এটা করবই!

উন্নত তামিলনাড়ু—আমরা এটা করবই!

উন্নত তামিলনাড়ু—আমরা এটা করবই!

উন্নত ভারত—আমরা এটা করবই!

আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।

নান্দ্রি, ভনক্কম! 

দাবিত্যাগ: এটি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের একটি আনুমানিক অনুবাদ। মূল ভাষণটি হিন্দিতে।

 

 

SC/AP/NS…


(রিলিজ আইডি: 2322196) ভিজিটরের কাউন্টার : 8